ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহে জামায়াতের প্রস্তুতি ও আলোচনা


৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহে জামায়াতের প্রস্তুতি ও আলোচনা

জুলাই মাসের গণহত্যার বিচারসহ একাধিক দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের বহুপ্রত্যাশিত ‘ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া’ ঐতিহাসিক লংমার্চ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিকে ঐতিহাসিক জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার জন্য ঝিনাইদহ জুড়ে চলছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি এবং ব্যাপক তৎপরতা।

লংমার্চের প্রস্তুতি পর্যালোচনা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ঝিনাইদহে পৌঁছান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন। পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও লংমার্চের লক্ষ্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, "ছাত্র-জনতার ওপর চালানো জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করাই এই লংমার্চের প্রধানতম লক্ষ্য। গণদাবি আদায়ে রাজপথের এ লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মো. আবুবকর, জেলা নায়েবে আমির ও সম্ভাব্য পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল আলীম, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাই, মাওলানা তাজুল ইসলাম, ছগির আহম্মেদসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শনের পর নেতৃবৃন্দ জানান, ৩১ অক্টোবরের লংমার্চকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ চালানো হচ্ছে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর রাজপথে সর্বস্তরের মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও অভূতপূর্ব সমাগম ঘটবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ইউরোভিশন ২০২৭ থেকে নেদারল্যান্ডসের নাম প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


ইসরায়েলের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে ইউরোভিশন ২০২৭ থেকে নেদারল্যান্ডসের নাম প্রত্যাহার

মর্যাদাপূর্ণ সংগীত প্রতিযোগিতা ‘ইউরোভিশন সং প্রতিযোগিতা ২০২৭’ (Eurovision Song Contest) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ঘিরে তীব্র ভূরাজনৈতিক বিতর্ক ও সংবেদনশীলতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডাচ পাবলিক ব্রডকাস্টার এনপিও (NPO) এই খবর নিশ্চিত করেছে।

এনপিও-এর মিডিয়া ডিরেক্টর জুরে বসমান এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা অনেক দিন ধরেই জানি যে ইসরায়েলের অংশগ্রহণ সমাজে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিচ্ছে এবং এটি সমাজে আলোচনা ও বিভাজনের সৃষ্টি করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্রডকাস্টার বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করার পরই আগামী বছর প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পূর্বে, গত আগস্ট মাসে ডাচ ব্রডকাস্টার এভ্রোত্রোস (AVROTROS) প্রতিযোগিতাটি বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল। তখন তারা জানায়, এই প্রতিযোগিতাটিকে আর ‘নিরপেক্ষ’ হিসেবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। যদিও গত মাসে এনপিও সাময়িকভাবে দায়িত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের কথা বলেছিল, কিন্তু মঙ্গলবার তারা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

এনপিও-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান জেট দে রানিতিজ এই সিদ্ধান্তে ভক্তরা হতাশ হতে পারেন বলে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি জানান, প্রতিযোগিতার মূল অনুষ্ঠানটি ডাচ পাবলিক চ্যানেলে যথারীতি সম্প্রচার করা হবে। তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতির নানা সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে আমরা সাময়িকভাবে এক ধাপ পিছিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে ২০২৬ সালের ইউরোভিশন প্রতিযোগিতাও বয়কট করেছিল নেদারল্যান্ডস। সেবার তাদের সঙ্গে আইসল্যান্ড, স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়াও প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। এর মধ্যে আয়ারল্যান্ড ও স্লোভেনিয়া অনুষ্ঠানটির সম্প্রচারও সম্পূর্ণ বর্জন করে। আয়োজক কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ সশস্ত্র সংঘাতে জড়ালে বা ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার সংকটে পড়লে তাদের আয়োজক হওয়া থেকে বিরত রাখার বিধান থাকলেও বয়কট ও ক্ষোভ থামছে না। আয়ারল্যান্ড ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা টানা দ্বিতীয় বছরের মতো আগামী বছরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে না।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই লাইভ টেলিভিশন সংগীত আসরটি ১৯৫৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। অতীতে এবিএ (ABBA) এবং সেলিন ডিয়নের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পেতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সূত্র: আল জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ৭ লাখ ৩৭ হাজার টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

সাতক্ষীরায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৮শ’ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জেলা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, কালিয়ানী, তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুড়িয়া বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লক্ষীদাড়ি শ্মশানঘাট এলাকা থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, তলুইগাছা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার শালবাগান এলাকা থেকে ভারতীয় ওষুধ এবং কালিয়ানী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মসজিদ মোড় এলাকা থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

এছাড়া, কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার আমতলা এলাকা থেকে ভারতীয় ওষুধ এবং চান্দুড়িয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার কাঁদপুর এলাকা থেকে ভারতীয় নেশাজাতীয় উইনকেরেক্স সিরাপ জব্দ করে।

জব্দকৃত মালামালের মোট বাজার মূল্য ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৮শ’ টাকা। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়, ফলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবির সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যগুলো সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরি করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের জন্য বিজিবি ষ্টোরে জমা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধের জন্য ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বেড়ে গেছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা। মঙ্গলবার, তা বেড়ে প্রায় ১২৪ টাকা ২০ পয়সায় পৌঁছেছে। ব্যাংকারদের মতে, মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ইস্টার্ন ব্যাংকে ডলারের স্পট বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৪ টাকা ১৮ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা। গত ১৫ অক্টোবর ব্যাংকটিতে ডলারের বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। এর মানে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে উভয় ক্ষেত্রেই ডলারের দাম ৪৩ পয়সা বেড়ে গেছে।

সিটি ব্যাংক মঙ্গলবার প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৯০ পয়সায় কিনে ১২৪ টাকা ১০ পয়সায় বিক্রি করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকে ডলারের ক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ১৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা ১৩ পয়সা। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে ডলারের স্পট ক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৯৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার বেড়ে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের দিন এ হার ছিল ১২৩ টাকা ৮৩ পয়সা। এক সপ্তাহ আগে এ হার ছিল ১২৩ টাকা ৪৫ পয়সা।

ব্যাংকারদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় মেটাতে বেশি ডলারের প্রয়োজন হচ্ছে। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির বিপরীতে সরকারি পর্যায়ে অর্থ পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে ডলারের চাহিদা বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে জ্বালানি আমদানির দায় পরিশোধে সরকারি পর্যায়ে অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং বিনিময় হারে সাময়িক ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, মাসের শুরুর দিকে প্রবাসী আয় বেশি এলেও শেষের দিকে তা কিছুটা কমে আসে। একই সময়ে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সাময়িক অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি কোনো সংকট নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে আমদানি দায় পরিশোধের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র পেট্রোলিয়াম পণ্যের আমদানি দায় পরিশোধ দ্বিগুণ হয়ে ২৪৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

এদিকে চলতি বছরের ১ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে ২৪৫ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৯ কোটি ডলার।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী চাপ থাকলেও দেশের রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৬০ কোটি ডলার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীর দোস্ত টেক্সটাইল মিলস পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


ফেনীর দোস্ত টেক্সটাইল মিলস পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

ফেনী, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : লোকসানের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ফেনীর ঐতিহ্যবাহী দোস্ত টেক্সটাইল মিলস পুনরায় চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

রানীরহাটে অবস্থিত মিলসটির পুনরায় চালুকরণ অথবা সেখানে আধুনিক ও টেকসই টেক্সটাইল/শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, ১৯৬৫ সালে দোস্ত মোহাম্মদ নামে একজন শিল্পপতি ফেনী শহরতলীর কাজিরবাগ ইউনিয়নের রাণীরহাট সংলগ্ন স্থানে দোস্ত টেক্সটাইল মিলসটি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর এটি জাতীয়করণ করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি ছিল সহস্রাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থানের উৎস, ফলে পুরো কাজিরবাগ এলাকা ছিল কর্মচঞ্চল।

মিলসটি থেকে উৎপাদিত সুতা একসময় বিদেশেও রপ্তানি করা হতো, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত মিলসটি লাভজনক ছিল, তবে ১৯৯০ সালের দিকে এটি লোকসানের মুখে পড়ে। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর টিকে থাকার পর ২০১১ সালে তৎকালীন সরকার প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়।

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি বাসসকে জানান, বিগত সরকারের সময়ে মিলসটির যন্ত্রপাতি পানির দামে নিলামে বিক্রি করা হয়। বিশাল জায়গাটি পরে ভূতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়, যা এখন মাদকাসক্তদের নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠেছে।

তিনি গত ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি ডিও লেটার দিয়েছেন, যাতে মিলসটি পুনরায় চালুকরণ অথবা আধুনিক টেক্সটাইল ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংসদ সদস্যের ডিও লেটার অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি আরও জানান, বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আশা করেন, এখানে নতুন শিল্পায়নের মাধ্যমে হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে জেলা প্রশাসকের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বন্ধ হওয়া দোস্ত টেক্সটাইল মিলস নতুন করে চালু করার প্রস্তাব পাঠানো হয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে’ অথবা ‘বিশেষায়িত অঞ্চল’ হিসেবে এই বিশাল অবকাঠামোটিকে পুনরায় চালু করা সম্ভব হলে ফেনী তথা পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের বেকারত্ব দূরীকরণে এটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জেলা প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন।

পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের বৈশ্বিক চাহিদা মেটাতে এবং দেশের একটি ঝিমিয়ে পড়া শিল্প সম্পদকে রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থে সচল করতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

পরবর্তীতে ২৩ জুন উক্ত প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের রাণীরহাটের দোস্ত টেক্সটাইল মিলসের প্রধান ফটক পার হয়ে ভেতরে গেলে চিত্র দেখে মনে হয় না এখানে একসময়ে এত বিশাল শিল্প কারখানা ছিল।

একজন নিরাপত্তা প্রহরী জানান, গেট সংলগ্ন জীর্ণ ভবনটিতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস রয়েছে।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বাসসকে জানান, গত ২৫ জুলাই তিনি এখানে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আপাতত এই বিশাল জায়গা বুঝে নেওয়া এবং রক্ষণাবেক্ষণকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভেঙে পড়া সীমানা দেয়ালগুলোতে টিনের বেড়া দিয়ে সংস্কারের চেষ্টা করছেন।

তিনি জানান, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে মিলসটি নতুন করে চালু করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে। তার মতে, সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন যেকোনোভাবে এখানে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে।

এটি আগের মতো টেক্সটাইল না হয়ে অন্য কোনো শিল্পও হতে পারে।

এক্ষেত্রে পুরোপুরি সরকারিভাবে না হয়ে ‘পিপিপি’ অথবা ‘জিটুজি’ যে কোনোভাবেই হতে পারে।

এখানে শিল্পায়নের বিপুল সম্ভাবনা ও চাহিদা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি নতুন করে চালু হলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে এই জনপদে।

তিনি বলেন, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত এই প্রতিষ্ঠানটির খোঁজখবর রাখছেন। আমার কাছে যখন যে তথ্য চেয়েছেন আমি তা সরবরাহ করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%