মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৫ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি (URAAWDC)- এর পক্ষ থেকে প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত একটি সংক্ষিপ্ত ও আনন্দঘন অনুষ্ঠানে রাবিয়ানদের উপস্থিতিতে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং প্রবাসে তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রফেসরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রবাসে তাদের এই ধরনের মেলবন্ধন ও ঐতিহ্য ধরে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত সব রাবিয়ানদের পক্ষ থেকে মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জহরুল ইসলাম, সেক্রেটারি আজিমা আজমল (রক্সি), মঞ্জুরুল আলম, এস এম জাহিদূর রহমান, ডা. হাকিম ও হযরত আলী উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মির্জা গালিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : সালাম এয়ার চট্টগ্রাম থেকে ওমানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সালালাহতে সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই রুটের প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চলবে এবং যাত্রীদের সাড়া পাওয়া গেলে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ওমানের ধোফার প্রদেশের রাজধানী সালালাহতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী বসবাস ও কাজ করেন। তারা নির্মাণশিল্প, কৃষি, বাগান ব্যবস্থাপনা, ফলমূল ও শাকসবজির ব্যবসা, মৎস্য আহরণ এবং সালালাহ ফ্রি জোনের বিভিন্ন কারখানায় কাজ করেন। এই প্রবাসীদের জন্য সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সালাম এয়ার।
এখন পর্যন্ত সালালাহগামী বাংলাদেশি যাত্রীদের ওমানের রাজধানী মাসকাট হয়ে গন্তব্যে যেতে হতো, যা যাত্রার সময় ও খরচ দুটিই বৃদ্ধি করত। নতুন ফ্লাইট চালু হলে চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।
সালাম এয়ারের চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ম্যানেজার শাহনাজ আলম বলেন, "সালালাহকে নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলেছে সালাম এয়ার।" তিনি আরও জানান, এ হাব থেকে সৌদি আরবের জেদ্দা, ভারতের কালিকট ও বাংলাদেশের চট্টগ্রামকে নতুন গন্তব্য হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে।
শাহনাজ আলম জানান, চট্টগ্রাম-ওমান রুটে আগে সপ্তাহে ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করত সালাম এয়ার। এর মধ্যে দুটি ফ্লাইট এখন চট্টগ্রাম-সালালাহ রুটে চলবে এবং বাকি ১২টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটে চলবে। এসব ফ্লাইটে এয়ারবাস এ৩২১ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।
সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীদের ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। আগে ট্রানজিটসহ সালালাহ পৌঁছাতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগত। সরাসরি ফ্লাইটে সময় লাগবে প্রায় পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও নোয়াখালী অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ ওমানে বসবাস করেন। তাদের অনেককে আগে ঢাকা হয়ে মাসকাট, এরপর সালালাহ যেতে হতো। নতুন ফ্লাইট চালু হলে তাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যাওয়ার ভোগান্তি কমবে।
সালাম এয়ারের চট্টগ্রামের ব্যবস্থাপক রিজুয়ানুল ইসলাম জানান, প্রতি বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওমানের সালালাহর উদ্দেশে ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে। গন্তব্যে পৌঁছাতে মোট সময় লাগবে ৬ ঘণ্টা ২০ মিনিট। প্রাথমিকভাবে ১৮০ আসনের আধুনিক উড়োজাহাজ দিয়ে এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে এবং সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৯৪ টাকা।
সালাম এয়ারের প্যাকেজ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৩৯ হাজার ২৯৪ টাকার ভাড়ায় ৫ কেজি কেবিন ব্যাগেজ, ৪১ হাজার ৫৩৪ টাকায় ১৫ কেজি চেক-ইন ও ৫ কেজি হ্যান্ড ব্যাগেজ এবং ৪২ হাজার ৫০০ টাকার প্যাকেজে ২০ কেজি চেক-ইন ও ৫ কেজি হ্যান্ড ব্যাগেজ নেওয়ার সুবিধা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নাম্বার ওয়ান, ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা ২০২৬’ আয়োজনের মাধ্যমে চা দোকানি মা-বাবার শ্রম ও তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত সাফল্যের স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এই অনুষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করা ১৩৫ মেধাবী শিক্ষার্থী এবং তাদের চা দোকানি মা-বাবাকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থসহ বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়। নাম্বার ওয়ান তাদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আগামী দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা প্রদানের অঙ্গীকারও করেছে।
এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীরা ১০ মিনিট স্কুল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক অনলাইন একাডেমিক কোর্স করার সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক এবং ১০ মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এমজিআই এর চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার, চিফ হিউমান রিসোর্সেস অফিসার আতিক উজ জামান খান, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, অডিট, সাজ্জাদ হোসেন, ডিজিএম ব্র্যান্ড মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, এজিএম অর্জুন চন্দ্র নাথ, আব্দুর রহিম শেখ, এবং রতন মজুমদার।
লেখক ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “জীবনে বড় হওয়ার জন্য শুধু ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন স্বপ্ন দেখা, পরিশ্রম করা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার সাহস। তোমাদের অনেকের পরিবার হয়তো নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে। কিন্তু সেই সীমাবদ্ধতা যেন তোমাদের স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। নিজেদের যোগ্যতা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তোমরা পরিবার ও সমাজের জন্য গর্ব বয়ে আনবে, এটাই প্রত্যাশা।”
আয়মান সাদিক বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনে সঠিক দিকনির্দেশনা ও শেখার সুযোগ অনেক বড় ভূমিকা রাখে। তোমরা এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে নিজেদের মেধার পরিচয় দিয়েছ। এবার এই অর্জনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখলে তোমরা এইচএসসি পরীক্ষাতেও ভালো করতে পারবে। তোমাদের শিক্ষাযাত্রায় নাম্বার ওয়ানের এই সহায়তা যেন কাজে লাগে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানে এমজিআই চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার বলেন, “১৩৫ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন তাদের পরিশ্রম ও চা দোকানি বাবা-মায়ের ত্যাগের ফল। বৃত্তি ও দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা তাদের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে বলে আমরা আশা করি।”
চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার আতিক উজ জামান খান বলেন, “শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে তাদের বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। নাম্বার ১ এর এই উদ্যোগ তাদের উৎসাহিত করবে এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে।”
কক্সবাজারের বায়তুশসরফ স্কুলের শিক্ষার্থী দিয়া চৌধুরি বলেন, “নাম্বার ওয়ানের এই আয়োজন আমাদের জন্য অনেক উৎসাহের। এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার সুযোগ আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আমি ভালোভাবে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে নিজের পরিবার ও দেশের জন্য কিছু করতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাইবার সুরক্ষা আইন নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হলেও, এটি মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান সরকারও আওয়ামী লীগ সরকারের মতো জনগণের কণ্ঠ রুদ্ধ করার পথে অগ্রসর হচ্ছে। নতুন আইনের আওতায় গ্রেপ্তারের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সরকার সংশোধনী আনার পরিকল্পনা করছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা।
বক্তারা উল্লেখ করেন, সাইবার অপরাধ দমনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে সেই প্রয়োজনকে সংবিধান-স্বীকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক করা উচিত নয়। আইনটির অপব্যবহার রোধে স্পষ্ট সংজ্ঞা, জবাবদিহি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী সম্পর্কে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে এসব বক্তব্য উঠে আসে। ‘সাইবার সুরক্ষা, না কণ্ঠরোধ? কার স্বার্থে মতপ্রকাশের নতুন সীমা নির্ধারণ ও আইন সংশোধন’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সাতটি সংগঠন—ভয়েস ফর রিফর্ম, দৃক, নাগরিক কোয়ালিশন, এইচআরএসএস, জেআরএ, ডিএসএ ভিকটিম অ্যালায়েন্স ও বাংলাদেশ আমেরিকা অ্যালায়েন্স।
সংলাপে সভাপতির বক্তব্যে আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তার বাস্তবায়ন দেখা যায় না। তিনি বলেন, "দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ, তাই সরকারকে অবশ্যই নাগরিকদের দাবি শুনতে হবে।"
প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব ও ‘ওয়াদা’র সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, তিনি সাংবাদিকদের বা কোনো নাগরিকের জেল হওয়ার পক্ষে নন সাইবার বা মানহানির আইনের কারণে। তবে তিনি একটি নিয়মতান্ত্রিক দেওয়ানি বা সিভিল পেনাল্টি (আর্থিক জরিমানা) থাকা উচিত বলে মনে করেন। এ সময় তিনি একটি শক্তিশালী আইনি সুরক্ষার কাঠামো তৈরির ওপর জোর দেন।
সাইবার সুরক্ষা আইনসহ বিভিন্ন বিতর্কিত আইন প্রণয়নের সমালোচনা করে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, সরকার নিজের অপকর্ম আড়াল করা ও ক্ষমতার একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এসব আইন তৈরি করছে। তিনি মন্তব্য করেন, সংস্কারের নামে সরকারের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেসব আইনি ও সাংবিধানিক ব্যবস্থা ছিল, ক্ষমতায় আসার পর সেগুলো একে একে দুর্বল করা হয়েছে।
মানবাধিকারকর্মী ও গুম কমিশনের সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস সাধারণ নাগরিকদের গ্রেপ্তারের বেশ কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরে বলেন, সাইবার আইনের অধীনে কীভাবে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হচ্ছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগের। তিনি মনে করেন, বিদ্যমান আইনে এ ধরনের গ্রেপ্তারের কোনো যৌক্তিকতা নেই এবং সরকার নতুন আইনের আওতায় গ্রেপ্তারের সুযোগ অক্ষুণ্ণ রাখতে সংশোধনী আনার পরিকল্পনা করছে।
প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, কোনো সরকার ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে চাইলে শুধু আইন দিয়ে তাকে ঠেকানো যায় না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের কণ্ঠ রুদ্ধ করার পথে দ্রুত এগোচ্ছে।
ভয়েস ফর রিফর্মের সহ-সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় সংলাপে আরও বক্তব্য দেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক প্রধান কামাল আহমেদ, অল্টারনেটিভের সংগঠক ডা. তাজনুভা জাবীন, সাংবাদিক রাজীব আহমেদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দিদার ভূঁইয়া, সারোয়ার তুষার, নাগরিক কোয়ালিশনের হাসিব উদ্দিন হোসেন এবং এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজ ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) চীন থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা করছে। এই প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় আসবাব, রাসায়নিক পণ্য ও যন্ত্রপাতির মতো কিছু খাত অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের শুরু থেকে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থার মধ্যে আমদানির পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার জন্য কোটা আরোপের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে কোন কোন পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে এবং তা কীভাবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও নিশ্চিত হয়নি।
চীনা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং বাণিজ্যিক টানাপড়েন নিয়ে ইউরোপে উদ্বেগ বাড়ছে। নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হলে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্যের প্রবেশ সীমিত হতে পারে।
বিশেষ করে আসবাব শিল্পে কাঁচামাল ও পণ্য সংগ্রহের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা এবং উৎপাদন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। তবে প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে ইউরোপীয় বাজারে বাণিজ্যের ধরন কতটা বদলাবে, তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ