০৪:০১ এম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর আটক হওয়া লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মুক্তি পেয়েছেন, যেটি ঘটেছে কয়েক ঘণ্টা পর।
সংবাদ প্রতিদিনের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসে রাহুল গান্ধী। তিনি সেখানে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়ার পর দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে। পরে, কয়েক ঘণ্টা পর ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে রাহুল গান্ধীকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
অন্যদিকে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে মন্দির মার্গ থানায় আটক করে রাখা হয়েছিল। পরে তাকেও মুক্তি দেওয়া হয়। কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী রাতে সেখানে যান। কিছু সময় অবস্থান শেষে তিনিও থানায় ফিরে যান।
এদিকে, সোমবার পুলিশ ও সিজেপি সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনার পর আটক করা আরও ৭০ জনকে মঙ্গলবার ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, সরকারি সম্পদ নষ্টের অভিযোগে ছয়টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর কর্মসূচির প্রতি তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে রাহুল গান্ধীর আচরণ খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং এটি ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসের একটি কালো দিন।
এদিকে, রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় এসে পৌঁছান মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তিনি সিজেপির বিক্ষোভে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
এর আগে মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশে মিছিল বের হয়। মিছিলে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও। এরপর মোদির বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স দলও ভারী সংখ্যায় উপস্থিত হয়।
বিক্ষোভকারী দলটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবী করে। ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বললেও কংগ্রেস নেতারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
এদিকে, বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, পুরো কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির নেতা সোমনাথ ভারতী অভিযোগ করে বলেন, রাহুল গান্ধী বিষয়টিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন এবং ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়াতে চাইলে তার যন্তর মন্তরে যাওয়া উচিত ছিল।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন