ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রসফায়ারের বিষয়ে আইজিপির বক্তব্যকে উদ্বেগজনক বললেন গাজী আতাউর রহমান


ক্রসফায়ারের বিষয়ে আইজিপির বক্তব্যকে উদ্বেগজনক বললেন গাজী আতাউর রহমান

দেশের বেসামরিক শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের প্রধানের এই মন্তব্য বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের পুলিশের নিষ্ঠুর স্মৃতিগুলোকেই পুনরুজ্জীবিত করে।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, আজ এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছেন—‘ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’ এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই, জনাব আলী হোসেন ফকির হালকা মেজাজে এ মন্তব্য করেছেন; যদিও রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন সংবেদনশীল বিষয়ে হালকা মেজাজে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন: ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, রাশেদের দাবি

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ক্রসফায়ার সম্পর্কে পুলিশের প্রচলিত আনুষ্ঠানিক ভাষ্য হলো—অপরাধী চক্রের হামলার মুখে আত্মরক্ষার্থে পুলিশের পাল্টা গুলিবর্ষণের ফলে কথিত অপরাধীর মৃত্যু ঘটে। যদিও বাস্তবতা ভিন্ন, পুলিশ এতদিন এভাবে দায় এড়িয়ে এসেছে। কিন্তু আজ পুলিশ প্রধান যেভাবে ‘ক্রসফায়ার দেওয়ার’ কথা বললেন, তাতে স্পষ্টতই স্বীকার করা হলো যে, বিচারবহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করাকেই তারা ক্রসফায়ার হিসেবে উল্লেখ করছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আইন, আদালত ও সংবিধানবহির্ভূত এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড পরিচালনার পক্ষে পুলিশ প্রধান প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন।

তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার চাইলেও জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনোভাবেই এমন মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত হতে পারে না। আইন ও স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সরকারের বেআইনি নির্দেশ অন্ধভাবে মানার প্রবণতাই বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে দেশকে একটি নরকে পরিণত করেছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে পুলিশের মধ্যে সেই একই ফ্যাসিবাদী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইজিপির 'ক্রসফায়ার' বক্তব্যে অধিকার সংস্থার তীব্র নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


আইজিপির

মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এর দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, যা ‘ক্রসফায়ার’-এর নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমর্থনে ছিল।

২৬ অক্টোবর সোমবার এক সভায় আইজিপি মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির বলেছেন, “সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে পুলিশ।” আইজিপির এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধিকার অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি করেছে।

একটি বিবৃতিতে অধিকার উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশে ব্যাপকভাবে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হন। এসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য বিলুপ্ত হওয়া সংস্থা র‍্যাবকে (বর্তমানে এসআরবি) যুক্তরাষ্ট্র কালো তালিকাভুক্ত করেছিল। হাসিনার আমলে সংঘটিত এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন এবং জড়িতদের অনেকেই বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে আছেন।

অধিকার মনে করে, পুলিশের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির এ ধরনের বক্তব্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঢালাও ‘ছাড়পত্র’ দেওয়ার শামিল।

অধিকার আরও জানায়, বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ইতোমধ্যে ৫টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা নথিভুক্ত করেছে।

আইজিপির এই ধরনের বক্তব্যের ফলে সৃষ্টি হওয়া পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অধিকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে পুলিশ মহাপরিদর্শকের বিতর্কিত এই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে, এই সময় সংঘটিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদানের ৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আরএসএফের ড্রোন হামলা, পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


সুদানের ৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আরএসএফের ড্রোন হামলা, পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সোমবার, সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) সমন্বিত ড্রোন হামলা চালিয়ে পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত করেছে।

দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, এই হামলার ফলে পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, আল-জাজিরা ও গেদারেফ রাজ্যের দুটি করে এবং হোয়াইট নাইল রাজ্যের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা হয়েছে। এর ফলে এই তিন রাজ্যের বড় অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।

এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, তিনটি রাজ্যই সুদানের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও তাদের সাবেক মিত্র আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে।

জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করে বলেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়মিত হামলা লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য জরুরি সেবা কার্যক্রমকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই অবস্থায় দেশটির মানুষ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্ষুধা সংকটের মুখোমুখি।

এএফপির আল-জাজিরা রাজ্যের এক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সেখানে রাত ২টা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

গেদারেফ রাজ্যের আল-ফাও এলাকার বাসিন্দা বাবিকার ইউসুফ জানিয়েছেন, সেখানেও রাত ২টা থেকে বিদ্যুৎ নেই।

তিনি ফোনে এএফপিকে বলেন, ‘আমার ছেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তার ইনসুলিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয়।’ বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধটি নষ্ট হয়ে গেলে নতুন করে তা সংগ্রহ করতে পারবেন কি না, এ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ কখন ফিরবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’

এর আগে, আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জলবিদ্যুৎ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সুদানের বিভিন্ন এলাকায় একটানা কয়েক দিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

এতে চরম খাদ্যসংকটে থাকা দেশটির প্রায় দুই কোটি মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসাকে যারা অবজ্ঞা করবেন, দুনিয়াতেও তারা অসম্মানিত হবেন: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


মাদরাসাকে যারা অবজ্ঞা করবেন, দুনিয়াতেও তারা অসম্মানিত হবেন: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, মাদ্রাসা নিয়ে বর্তমানে হাজারো অবহেলা, অবজ্ঞা ও ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসাগুলো এখন ভূতুড়ে মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা ও ভালো নয়। সিলেবাস সংকুচিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে আবার কায়দা করে মাদ্রাসাকে স্কুলে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ১৪তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড ও কোরআন উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্র যারা করছে, তারা কি আমাজনের জঙ্গল থেকে এসে করছে? তিনি বলেন, না, এই দেশের মানুষেরাই, সন্তানেরাই করছে। যখন তারা মাদ্রাসার অঙ্গনে কোনো অনুষ্ঠানে যান, তখন মনে হয় যেন তারাই সর্বোত্তম মুমিন মুসলমান। কিন্তু যখন মাদ্রাসার ব্যাপারে পলিসি নির্ধারণ করেন, তখন এর সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন।

জামায়াত আমির বলেন, মাদ্রাসাকে অবহেলা-অবজ্ঞা করা কিংবা এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা ব্যক্তিরা আখেরাতে আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহি করবেন। তিনি নিশ্চিত যে, দুনিয়ায়ও আল্লাহ তাআলা তাদের সম্মানের জায়গায় রাখবেন না। কারণ, তারা সমাজের উন্নতি চান না। তারা চান, শিক্ষিত হয়ে কিছু লুটেরা তৈরি হবে, যারা দেশটাকে লুটেপুটে খাবে। চুরি, চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্য করবে এবং দেশের টাকা বিদেশে পাচার করবে। তাদের আত্মীয় ও সন্তান-সন্ততি সব বিদেশে পাঠিয়ে দেবে।

সমাজের এই ধারণা পরিবর্তনের জন্য কোরআনের শাসন ও চর্চা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কোরআনের শিক্ষাকে যত বেশি বিকশিত করা হবে, সমাজ তত বেশি উপকৃত হবে।

মাদ্রাসাশিক্ষা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখন সিভিল প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্যসেবা, কূটনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছেন। মেধাবী এই শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ভালো করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাদ্রাসায় নৈতিক ও আখলাকি শিক্ষা দেওয়া হয়, ফলে তারা মেধাবী হওয়ার পাশাপাশি সৎ মানুষ হিসেবেও গড়ে ওঠেন।

মেধা ও চরিত্র উপেক্ষিত হলে সমাজ জঙ্গলে পরিণত হয়, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এমন সংকটেই ভুগছে। তাই মাদ্রাসাশিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষায়ও নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, অধ্যাপক কামাল উদ্দীন আবদুল্লাহ জাফরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, সংসদ সদস্য মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ-হংকংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশ-হংকংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে হংকংয়ের পরিবেশ ও প্রতিবেশবিষয়ক মন্ত্রী টিএসই চিন-ওয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই বৈঠকটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) হংকং স্কাই সিটি মেরিওট হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও নিরাপদ নিষ্পত্তির প্রতিটি পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে হংকংয়ের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি জ্ঞান বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে।’

বৈঠকে পানিদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। দূষণের প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য ও প্রতিবেশ রক্ষায় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পানি ও শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্য এবং দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জনসচেতনতা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

হংকংয়ের পরিবেশ ও প্রতিবেশবিষয়ক মন্ত্রী টিএসই চিন-ওয়ান বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আমরা আগ্রহী। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। আমাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। আশা করি এ সহযোগিতা উভয় পক্ষের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’

হংকংয়ের সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি। হংকংয়ের প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। এ ধরনের সহযোগিতা পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%