১২:৪৫ পি.এম
কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ত্রিতা পারসি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ইরান যুদ্ধের গতিপ্রকৃতিতে ‘উল্লেখযোগ্য প্রভাব’ ফেলতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, মঙ্গলবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা পরাজিত হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে আরও বেপরোয়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
পারসি আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলে ট্রাম্প পাল্টা আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারেন। তিনি ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের পরের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন। ওই নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর ট্রাম্প ভোট জালিয়াতির মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিলেন, যা পরবর্তীতে তার সমর্থকদের দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পারসি আরও বলেন, ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই দুই মাস ছিল এমন একটি সময়, যখন ট্রাম্প সবচেয়ে বেশি বেপরোয়া ছিলেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী ছিলেন।
আরও পড়ুন: হুতিদের সৌদির আভা বিমানবন্দর ও খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবি
তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ করে ইসরাইলি সরকারের পক্ষ থেকেও ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে। কারণ, যদি ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়, তবে ইরান যুদ্ধ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি যুদ্ধের অর্থায়নও বন্ধ করে দিতে পারে, কারণ তখন কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ বরাদ্দের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে।
পারসির আশঙ্কা, নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে, অর্থাৎ জানুয়ারির আগেই ইসরাইলি সরকার ট্রাম্পকে তৃতীয় দফায় ইরানে হামলার জন্য চাপ দিতে পারে।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দিক থেকেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।’
সূত্র: আলজাজিরা
আরও পড়ুন: সৌদি সীমান্তে হুথিদের একাধিক স্থল অভিযান, নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন