ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে ঝিনাইদহে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা


নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে ঝিনাইদহে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ঝিনাইদহ শহরের কেপি বসু সড়কসংলগ্ন বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের মজুদ এবং বিক্রির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

যাত্রা পথে, আনুমানিক ৩২ কেজি অবৈধ পলিথিনের শপিং ব্যাগও জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ, প্রতিবাদে বাবা-চাচার সংবাদ সম্মেলন

অভিযানটির নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানা। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬ক(খ) ধারা অনুসারে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ঝিনাইদহ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান। এসময় অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক আকরাম হোসেন, নমুনা সংগ্রহকারী মো. কামরুজ্জামান এবং ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর ঝিনাইদহ কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরিবেশ দূষণ রোধ ও আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার, মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: বরিশালে হাজী বিরিয়ানিতে গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ও প্রতারণার অভিযোগ,খাবারের পরিমাণ ও মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার বুকে মিনি সুইজারল্যান্ড সবুজের টানে মাঝচরে দর্শনার্থীর ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


পদ্মার বুকে মিনি সুইজারল্যান্ড সবুজের টানে মাঝচরে দর্শনার্থীর ঢল

রাজশাহী নগরী থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে, পদ্মা নদীর বুকের উপরে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ মাঝচর আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য নতুন আকর্ষণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশে সবুজ ঘাসের মাঠ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলাশয়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বসতঘর আর নদীর নির্মল বাতাস-সব মিলিয়ে মাঝচর যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক অসাধারণ ছবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে এর মুগ্ধকর সৌন্দর্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পবার হরিয়ান ইউনিয়নে অবস্থিত এই মাঝচরে বসবাস করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার। নদীর বুকেই তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবন-জীবিকা। তবে বরাবরই এই বসতি স্থায়ী নয়। পদ্মায় পানি বাড়লেই ডুবে যায় চর; পানির সঙ্গে হারিয়ে যায় ঘরবাড়ি ও ফসল। পানি নেমে গেলে চর আবার জেগে ওঠে এবং নতুন করে বসতি গড়ার সংগ্রাম শুরু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় পানি বাড়লেই সুদৃশ্য মাঝচর তলিয়ে যায়। পানি কমলে আবার তারা ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। এবার বর্ষা মৌসুমেও পানি না বাড়ায় এখনো সবুজে ঢাকা মাঝচর। দূর থেকে দেখা যায় সবুজ মাঠের মধ্যে ছোট ছোট টিনের ঘর, বাঁশের বেড়া ও খড়ের গোলা। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যই টানছে দর্শনার্থীদের।

অনেকে নৌকায় পদ্মা পাড়ি দিয়ে পরিবার-পরিজন এবং বন্ধুদের সঙ্গে মাঝচরে আসছেন। কেউ ঘুরছেন, কেউ ছবি-ভিডিও ধারণ করছেন। সেগুলো পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দর্শনার্থীদের মধ্যে অনেকে মাঝচরকে মিনি সুইজারল্যান্ড বলে উল্লেখ করছেন।

দর্শনার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, সবুজ মাঠ, নদী আর ছোট ছোট ঘর মিলে এখানে অসাধারণ এক দৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে সৌন্দর্যের আড়ালে চরবাসীর জীবন রয়েছে অনিশ্চিত। ইউপি সদস্য আবু জাফর ইবনে আলম প্রমিজ জানান, নদীর পানি ও ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এখানে বসবাস করছেন মানুষ।

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম- এই দুইয়ের সম্পর্কেই পদ্মার মাঝচর এখন রাজশাহীর নতুন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী নগরীর রেইলগেট ও লক্ষীপুর মোড়ে শব্দদূষণ ১০০ ডেসিবেলের ওপরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


রাজশাহী নগরীর রেইলগেট ও লক্ষীপুর মোড়ে শব্দদূষণ ১০০ ডেসিবেলের ওপরে

নগরায়ন ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে রাজশাহী নগরীতে শব্দদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাজশাহী নগরীর ব্যস্ততম এলাকা রেইলগেট এবং হাসপাতালকেন্দ্রিক লক্ষীপুর মোড়ে পরিচালিত সাম্প্রতিক শব্দমাত্রা পরীক্ষায় উভয় জায়গাতেই ১০০ ডেসিবেলের বেশি গড় সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা পাওয়া গেছে। এতে জনস্বাস্থ্য এবং নগর পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে এবং বারিন্দ এনভায়রনমেন্টের সহযোগিতায় শনিবার (১৫ আগস্ট) রেইলগেট ও লক্ষীপুর মোড়ে শব্দমাত্রা পরিমাপ করা হয়। পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন খান (পিএইচডি)। তাঁকে সহযোগিতা করেন ড. অলি আহমেদ, শামসুর রাহমান শরীফ, মোঃ ওবায়দুল্লাহ, রুমানা আহমেদ, ইফাত আরা, কলি আহমেদ, আবু তারেক বিন আজিজ, রুহুল হাসান পলাশসহ সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবীরা।

সংস্থাটি জানায়, ২০২২ সাল থেকে একই স্থানে ও প্রায় একই সময়সূচিতে রাজশাহী নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধারাবাহিকভাবে শব্দমাত্রা পরিমাপ করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দিনের ব্যস্ততম সময়ে দুই এলাকায় শব্দমাত্রা পরীক্ষা করা হয়।

পরিমাপে দেখা যায়, শনিবার সকালে ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত রেইলগেটে সর্বোচ্চ গড় শব্দমাত্রা ১০১ দশমিক ৫ ডেসিবেল পাওয়া গেছে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লক্ষীপুর মোড়ে সর্বোচ্চ গড় শব্দমাত্রা ছিল ১০২ দশমিক ৬ ডেসিবেল। অথচ গত বছরে একই দুই স্থানে সর্বোচ্চ গড় শব্দমাত্রা ছিল প্রায় ৯৭ ডেসিবেল। ফলে এক বছরের ব্যবধানে উভয় এলাকায় শব্দদূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বাংলাদেশের শব্দদূষণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী শব্দমাত্রার ভিত্তিতে এলাকাকে নীরব, আবাসিক, মিশ্র, বাণিজ্যিক ও শিল্প এই পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী দিনের বেলায় বাণিজ্যিক এলাকায় অনুমোদিত শব্দমাত্রা ৭০ ডেসিবেল এবং নীরব এলাকায় ৫০ ডেসিবেল।

রেইলগেট বাণিজ্যিক এলাকার অন্তর্ভুক্ত, অন্যদিকে হাসপাতালকেন্দ্রিক এলাকা হওয়ায় লক্ষীপুর মোড় নীরব এলাকার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে। ফলে দুই এলাকায় পাওয়া ১০১ দশমিক ৫ ও ১০২ দশমিক ৬ ডেসিবেলের শব্দমাত্রা নির্ধারিত সীমার তুলনায় অত্যন্ত বেশি।

মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, পরীক্ষার সময় রেইলগেট ও লক্ষীপুর মোড় এলাকায় বিপুলসংখ্যক ব্যাটারিচালিত অটো ও অটোরিকশা চলাচল করছিল। এসব যানবাহনের অনেকটিতে উচ্চশব্দের টিটি হর্ন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রয়োজন না থাকলেও চালকদের অনেককে বারবার হর্ন বাজাতে দেখা গেছে।

রেইলগেট এলাকায় বিভিন্ন বাসকেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে হর্ন বাজাতে দেখা গেছে। পাশাপাশি যত্রতত্র বাস থামানো, অটোরিকশা ও রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং সুষ্ঠু লেন ব্যবস্থাপনার অভাবও চালকদের অহেতুক হর্ন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অনুমোদিত ও নিয়ন্ত্রিত ধরনের হর্ন ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। একই সঙ্গে উচ্চশব্দের টিটি হর্নের ব্যবহার বন্ধ, অটোরিকশা ও রিকশার জন্য নির্দিষ্ট লেন চালু এবং নির্ধারিত স্থান ছাড়া বাস থামানো বন্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, নগরীর বিভিন্ন সড়কে যৌক্তিক গতিসীমা নির্ধারণ ও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এতে আকস্মিক ব্রেক, তীব্র ত্বরণ এবং অহেতুক হর্নের ব্যবহার কমবে, যা পরোক্ষভাবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শ্রবণশক্তির ক্ষতি করার পাশাপাশি বিরক্তি, ঘুমের ব্যাঘাত, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত শব্দ পশু-পাখি ও নগর জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নগরীর সবুজ বেষ্টনী সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি। তাদের মতে, গাছপালা শব্দের বিস্তার কমাতে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই রাজশাহীকে সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আম, জাম, নিম, সজনে ও অন্যান্য দেশীয় ও উপকারী বৃক্ষের ব্যাপক রোপণ প্রয়োজন।

সংস্থাটি জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী নগরীতে শব্দদূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তারা কাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে শব্দদূষণবিরোধী লিফলেট বিতরণ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও মানববন্ধনেরও আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, চালক এবং নগরবাসীকে সম্মিলিতভাবে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষ করে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জনবহুল এলাকায় অপ্রয়োজনে হর্ন নয় নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শামসুর রাহমান শরীফ বলেন, "একটি পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য রাজশাহী গড়ে তুলতে শুধু রাস্তা ও অবকাঠামোর উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সুশৃঙ্খল যান চলাচল ও পর্যাপ্ত সবুজায়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ২২ টিউবওয়েল ও সেলাই মেশিন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


রাজশাহীতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ২২ টিউবওয়েল ও সেলাই মেশিন বিতরণ

ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি মন্তব্য করেছেন যে, মাস্তুল ফাউন্ডেশন সারা দেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানবতার সেবায় কাজ করছে। তিনি বলেছেন, এই প্রতিষ্ঠানের মানবিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বিভিন্ন সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মাস্তুল ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর হজোর মোড়ে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে টিউবওয়েল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটির সেবা শুধুমাত্র টিউবওয়েল কিংবা সেলাই মেশিন বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের যে কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা বিভিন্ন ধরনের সহায়তা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রতিষ্ঠানটির মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গাজা ও ফিলিস্তিনে নির্যাতিত মানুষের জন্য মাস্তুল ফাউন্ডেশন খাদ্য, ওষুধ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে।

রাজশাহীতে বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, নগরীর প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিউবওয়েল বিতরণ কার্যক্রম খুবই সময়োপযোগী। তিনি স্থানীয় দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকরণগুলো বিতরণের আহ্বান জানান।

নিজের স্মৃতিচারণ করে মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেন, তিনি কারাগারে থাকাকালে পানির কষ্ট অনুভব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে তিনি মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে সবসময় সচেষ্ট রয়েছেন।

ভূমিমন্ত্রী মাস্তুল ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আকমল হোসেন আজাদের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, সৎ, দক্ষ এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কারণে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

তিনি রাজশাহীতে শান্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এলাকার উন্নয়ন এবং সেবামূলক কর্মকাণ্ডে দল এবং মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে তিনি নিজেও মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে গাজা উপত্যকায় মানবিক মিশনে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি ফাউন্ডেশনের মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আকমল হোসেন আজাদ, রাজশাহী লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ ইফতিয়ার মাহমুদ বাবুসহ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজন, সুবিধাভোগী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের হাতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে টিউবওয়েল এবং সেলাই মেশিন তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাজশাহী মহানগরীতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২২টি টিউবওয়েল এবং একটি সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চারঘাটে মুক্তা মেম্বারের বিরুদ্ধে মাদক-সহ ১৩ মামলা, সম্পদের উৎস তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


চারঘাটে মুক্তা মেম্বারের বিরুদ্ধে মাদক-সহ ১৩ মামলা, সম্পদের উৎস তদন্তের দাবি

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুক্তার হোসেন, যিনি মুক্তা মেম্বার হিসেবে পরিচিত, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার, অস্ত্র, ও সহিংসতাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কার্যকর তদন্ত হয়নি। তারা দাবি করেছেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্তসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এলাকা বাসীরা জানায়, অতীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ একাধিকবার গ্রেফতার করেছিল। তবে বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

তাদের দাবি মতে, মুক্তা মেম্বার অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে চারঘাট এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এলাকাবাসীরা এসব সম্পদের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধান করে প্রয়োজনে তা জব্দের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেছেন, মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তার বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র ও মাদক, দুটি মারামারি এবং ১০টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তবে মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তা মেম্বারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%