বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ এম
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আসন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুল সম্ভবত আলেকজান্ডার ইসাক ও কোডি গাকপোকে পাবে না। এই তথ্যটি জানিয়েছেন লিভারপুলের প্রধান কোচ আন্দোনি ইরাওলা।
আন্তর্জাতিক বিরতির সময় জাতীয় দলে খেলার সময় ইসাক উরুতে এবং গাকপো গোড়ালিতে চোট পান। উভয়েই দেশের ক্যাম্প ত্যাগ করে ক্লাবে ফিরে আসেন।
লিভারপুল ইতোমধ্যে হুগো একিতিকে দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকিলিস ইনজুরির কারণে হারিয়েছে। ফলে সিটির বিরুদ্ধে ম্যাচে ইরাওলার কাছে অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডের অভাব দেখা দিতে পারে।
ইরাওলা মন্তব্য করেন, “ইসাক ও গাকপো দুজনেই জাতীয় দল থেকে ইনজুরি নিয়ে ফিরেছে। এখন আমাদের দেখতে হবে তারা সময়মতো সুস্থ হয়ে আমাদের পরবর্তী ম্যাচে সাহায্য করতে পারে কি না। তবে বর্তমানে তারা দুজনই ইনজুরিতে রয়েছে।”
ফ্রান্সের হয়ে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলের জয়ী ম্যাচে ডিফেন্ডার জেরেমি জ্যাকুয়েট ছিলেন অনুপস্থিত, যিনি হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় ভুগছেন। তার অবস্থা সম্পর্কে ইরাওলা কোনো মন্তব্য করেননি।
সিটির বিরুদ্ধে ম্যাচটি ইরাওলার লিভারপুল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে ধরা হচ্ছে। যদিও দলটি এখন পর্যন্ত চারটি জয় ও তিনটি ড্রয়ে অপরাজিত, কোচ স্বীকার করেছেন যে পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা নেই।
তিনি বলেন, “আমরা অপরাজিত থাকলেও তারা সব ম্যাচ জিতেছে। তাই পার্থক্যটা অনেক বড়। সিটি সম্প্রতি বিশেষ করে আক্রমণে প্রচুর গোল করছে। তাদের বিরুদ্ধে জিততে হলে আমাদের খুব ভালো খেলতে হবে।”
আন্তর্জাতিক বিরতি লিভারপুলের ছন্দে আরও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। গত মৌসুমে বাজেভাবে ব্যর্থ হওয়া দলের পুনর্গঠনে কাজ করছেন ইরাওলা।
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার— আরও তীব্র, আরও সরাসরি খেলতে চাই, তবে একইসঙ্গে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণও করতে চাই। যেমন নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে (২-২ ড্র) আমরা ভালো খেললেও ট্রানজিশনে দুটি গোল খেয়েছি। এখন আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে উন্নতি করেছি, কিন্তু আক্রমণে প্রথম ম্যাচের মতো ধার নেই। তাই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া জরুরি।”
প্রিমিয়ার লিগে আগামী রোববার অ্যানফিল্ডে সিটিকে আতিথ্য দেবে লিভারপুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, যে আকাঙ্খা নিয়ে জুলাই আন্দোলন হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, বর্তমান সরকার সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসে ৭০ শতাংশ গণভোটের রায় ভুলে গেছে বিএনপি সরকার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভোটের মাঠে গণভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের আহবান জানালেও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছেন না। এক সাথে দুইটি ভোট অনুষ্ঠিত হলো। অথচ গণভোট মানা হচ্ছে না। একটি ভোট অবৈধ হলে আরেকটি ভোট বৈধ হয় কীভাবে ? গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে জনগণ লালকার্ড দেখাবে। তাই গণভোট দ্রুত বাস্তবায়ন করে বৈষম্য ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে কঠোর হুশিয়ারি দেন তিনি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (জয়পুর) ময়দানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ আর পুলিশ লীগের মতো পুলিশ দল দেখতে চায় না। পুলিশকে সরকারের লাঠিয়ালবাহিনী হিসেবে দেখতে চায় না। বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর যে একক ক্ষমতা আছে, তাতে দুই পাঁচ বছরের মধ্যে তারেক রহমানও শেখ হাসিনা হয়ে যাবেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে প্রধানমন্ত্রী একক ক্ষমতার অধিকারী হবেন না। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হবে। ন্যায়বিচার পেতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্ব স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন হতে হবে।
মামুনুল হক আরও বলেন, সিন্ডিকেট করে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দামবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকখাতে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আামাদের পোশাকখাত পিছিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মহসিনুদ্দীনের সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন-সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্মমহাসচিব মুফতি শরাফত হোসাইন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ কাসেমী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মুফতি আব্দুর রহমান, নড়াইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আলমগীর হুসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মুফতি ফারুক হাসান নদভী, উপদেষ্টা মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম, যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা বেলায়েত হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মনিরুজ্জামান, নড়াইল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শাফায়াত হোসাইন, যুব মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান মিনহাজ, সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা জাকারিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন-সংগঠনের লোহাগড়া পৌর সভাপতি মুফতি দিদারুল ইসলাম এবং যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মুফতি আব্দুল আজিজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা ১৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৩৩ ডলার বা ১.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১০১.৫৩ ডলারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ব্যবহৃত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সময় ডব্লিউটিআইয়ের দাম ১.১১ ডলার বা ১.২৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৯.৩৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাই বাজারে দাম বৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর হামলা বেড়ে যাওয়ায় তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতির অবনতি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এই আশঙ্কার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চলতি মাসে নিউইয়র্কে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা সম্পন্ন করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানের তিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিতে দেশটির পরমাণু কর্মসূচি সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও অমীমাংসিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে চায়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা করতে আগ্রহী নয়। ওয়াশিংটন চায়, হরমুজ প্রণালির বিষয়টির পাশাপাশি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা এগিয়ে নিতে।
অন্যদিকে, ইরান সাত দিনের একটি সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে। উক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং দেশটির আটকে থাকা অর্থ ছাড় করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। তবে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে করা হবে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলে হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় এখনও মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রুশ বাহিনী ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চেরনিহিভসহ বিভিন্ন স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইউক্রেনে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচটি শিশু রয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ চেরনিহিভের প্রিলুকি জেলায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ঘুমন্ত অবস্থায় প্রাণ হারায় শিশুরা।
শক্তিশালী বিস্ফোরণের ফলে ওই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে যায় এবং পাঁচতলা ভবনটির অর্ধেক অংশ পুড়ে যাওয়া কংক্রিট ও দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ধাতব কাঠামোর স্তূপে পরিণত হয়।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক বিবৃতিতে জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজনের বয়স ছিল মাত্র ১২ মাস এবং আরেকজনের বয়স আট বছর।
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সন্ধ্যায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরেকটি শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে প্রকাশিত পৃথক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রুশ হামলায় প্রিলুকির ওই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতদের পাশাপাশি আহত হয়েছেন বহু মানুষ। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে আরও সাতটি শিশু রয়েছে। তিনি রাশিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বেসামরিক সাধারণ শহর ও বেসামরিক জীবনযাত্রাকে’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন তথা আমাদের জনগণ ও শিশুদের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রের অব্যাহত ব্যবহার হলো সন্ত্রাস সৃষ্টির এক সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ।
ইউক্রেনের নাগরিক ও ম্যাসাজ থেরাপিস্ট ৪০ বছর বয়সি ওলেনা সায়ুন এএফপি-কে বলেন, "আমরা বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ বিস্ফোরণে আমাদের জানালার কাঁচ উড়ে যায়। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে, আমরা নিজেদের শরীর দিয়ে আমাদের শিশু সন্তানকে আগলে রেখেছিলাম। আমার স্বামীর পিঠে এবং আমার শরীরেও কিছু কাটাছেঁড়া হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় আমাদের সন্তানের প্রচণ্ড মানসিক আঘাত বা ‘নার্ভাস ব্রেকডাউন’ হয়েছিল এবং সে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আমরা দ্রুত বাথরুমের দিকে ছুটে গিয়েছিলাম এবং অ্যাপার্টমেন্টের সবকিছু যখন তছনছ হয়ে যাচ্ছিল, সে সময় আমরা সেখানেই ছিলাম।
প্রিলুকির স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ৭ অক্টোবর বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রুশ বাহিনী প্রিলুকিতে আঘাত হানা শুরু করে। এর আগে মঙ্গলবার জেলেনস্কি রাশিয়ার তরফ থেকে একটি ‘ব্যাপক’ হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। সেই বার্তায় জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছিল।
শীতকাল ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীতে হামলার মাত্রা বেড়ে গেছে এবং প্রায় অবিরাম বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বেজে চলেছে।
উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা ব্যাগ, শোয়ার মাদুর ও কম্বল নিয়ে রাতের জন্য সাবওয়ে স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন।
ব্যাংক কর্মকর্তা ইরিনা রিবালচেঙ্কো প্ল্যাটফর্মে গাঢ় রঙের হুডি পরে এবং চারপাশে ব্যাগ নিয়ে বসে থাকা অবস্থায় এএফপি-কে বলেন, "আমরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে এখানে চলে এসেছি।"
তিনি বলেন, "পুরো কিয়েভ শহর এখন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। আজ আমরা কর্মস্থলে আটকা পড়েছিলাম এবং সবাই—আমাদের গ্রুপের চ্যাট বা বসরা—আমাদের সতর্ক থাকার বার্তা পাঠাচ্ছিলেন।"
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, বুধবার রাশিয়া দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক, কিয়েভ, খারকিভ ও পোলতাভাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৩০টি ড্রোন দিয়ে হামলা করেছে রুশ বাহিনী।
প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা এই সংঘাতের অন্যতম ‘ঘৃণ্য হামলা’ উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেছেন, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছিল ‘সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ এবং নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
সূত্র: এএফপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ