ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘সবার কথা বাদ দেন, নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি। আসুন, আমরা সবাই মিলে সেই চেষ্টা করি।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কেউ নিশ্চয়ই চান না তাঁর সন্তান নোংরা, জীবাণুযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বড় হোক। সন্তান শুধু নিজের বাসার আশপাশে থাকে না; স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। তাই শুধুমাত্র নিজের এলাকা নয়, পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘আপনার সন্তান তো শুধু আপনার এলাকায় থাকবে না। সে সারা ঢাকা শহরে বিচরণ করবে। কাজেই আসুন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি। চেষ্টা করলে আমরা পারব।’

আরও পড়ুন: ডিসিদের আদলে ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ইউএনও সম্মেলন

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা শহরের অন্যতম বড় সমস্যা হলো আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এই সমস্যা এক দিনে বা সাত দিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই সমস্যার সমাধানের সঙ্গে জড়িত। হয়তো সময় লাগবে, কিন্তু চেষ্টা করে গেলে পরিবর্তন আসবেই। আপনাদের মধ্যে সেই আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে ইচ্ছা।’

সরকার প্রধান কর্মকর্তাদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমি যখন যেখানে যাই, দেখতে থাকি কোথায় কী সমস্যা আছে। তারপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন করি। আপনারাও যদি এভাবে সমস্যাগুলো দেখেন এবং সমাধানে পদক্ষেপ নেন, তাহলে পরিবর্তন অবশ্যই সম্ভব।’

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষাট বা সত্তরের দশকে লন্ডনের অনেক জায়গায়ও ময়লা-আবর্জনা ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ও নাগরিক সচেতনতার মাধ্যমে তারা পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে।

আরও পড়ুন: শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

তিনি বলেন, ‘আপনারা অনেকেই হয়তো বিদেশের সুন্দর, পরিচ্ছন্ন শহর দেখেছেন। দেশে ফিরে নিশ্চয়ই আফসোস হয়েছে, আমাদের শহরটা যদি এমন হতো! কিন্তু সেই আফসোস করে বসে থাকলে হবে না। নিজেদের দায়িত্বও পালন করতে হবে।’

ঢাকার পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক কথোপকথনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করা দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠানের একজন শীর্ষ ব্যক্তি সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় ঢাকার পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, শহরের পরিচ্ছন্নতা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কিন্তু বলেননি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বলেছেন, কিছুটা ভালো হয়েছে। তার মানে পরিবর্তন সম্ভব। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে আরও ভালো করা যাবে।’

নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোথাও সড়ক বিভাজক নতুন করে তৈরি হচ্ছে, কোথাও বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এসব উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: পূজার জন্য এক মাস ধরে শাড়ি জমিয়েছেন রুমিন ফারহানা

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি আমার সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্তু নিজের ভেতরেও নিজের সমালোচনা করতে হবে। ভাবতে হবে, আমি আমার দায়িত্ব কতটুকু সঠিকভাবে পালন করছি, কতটুকু চেষ্টা করছি।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নগর ভবনের জরুরি পরিচালন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি আবহাওয়ার তথ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) ভূমিকম্পসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য, বাতাসের গতিবেগ, বন্যার পূর্বাভাস এবং বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখেন। এসব তথ্য কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং জরুরি পরিস্থিতি সম্পর্কে কীভাবে জানা যায়, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর উন্নয়ন ও বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও চিত্রও দেখেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমাজের কার্যকর ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লন্ডনে ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা, ২০ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ পি.এম


লন্ডনে ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা, ২০ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান

প্রথম আসরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, দ্বিতীয় ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ এবার আরো বড় পরিসরে আয়োজিত হতে যাচ্ছে। আগামী রবিবার (২২ নভেম্বর) লন্ডনের মে-ফেয়ার ভেন্যুতে দুপুর ১২টায় এ আয়োজন শুরু হবে। যুক্তরাজ্যের ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের একই প্ল্যাটফরমে যুক্ত করে তাদের ব্যবসা, পণ্য ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দিতে এ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

আয়োজনকে প্রাণবন্ত করতে পূর্ব লন্ডনের কমার্শিয়াল রোডে অবস্থিত লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমি থেকে দ্বিতীয় ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডসের প্রচার অভিযান শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এতে অংশ নেওয়া অতিথিরা প্রথম আসরের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন।

তাদের মতে, কমিউনিটির ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের একই ছাদের নিচে নিয়ে এসে নিজেদের উদ্যোগ ও বাণিজ্যিক চিন্তাভাবনা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে এই এক্সপো।

এছাড়া, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে তরুণ ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবং তাদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগকেও স্বাগত জানিয়েছেন অতিথিরা। তাঁরা ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস এবং ব্রিটিশ বিজনেস এন্ট্রেপ্রেনার ক্লাবের (বিবেক) প্রতিষ্ঠাতা ও লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইনের উদ্যোগ ও সময়োপযোগী চিন্তাভাবনার প্রশংসা করেন।

উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলর মেঘনা মিনারা উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্রিটিশ বিজনেস এন্ট্রারপ্রেনার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আকরাম হোসাইন। দ্বিতীয় ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডসের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ্বমানের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং তাদের ব্যবসাকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।’

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের এক্সপোতে উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের জন্য থাকছে বিশেষ স্টল প্রদর্শনী, বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) নেটওয়ার্কিং এবং ব্র্যান্ড উপস্থাপনার সুযোগ। পাশাপাশি ব্যবসার মান ও অবদানের ভিত্তিতে ২০টি পৃথক ক্যাটাগরিতে সেরা উদ্যোক্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হবে।

আগ্রহী উদ্যোক্তারা নিজেদের অথবা পছন্দের প্রতিষ্ঠানের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। একই ওয়েবসাইট থেকে স্টল বুকিংয়ের সুযোগও থাকছে।

কারা রয়েছেন আয়োজনে

দ্বিতীয় ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডসের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ব্রিটিশ বিজনেস এন্ট্রেপ্রেনার ক্লাব (বিবেক)। আয়োজনে পাওয়ার্ড বাই স্পনসর হিসেবে রয়েছে নেলসন কলেজ লন্ডন (এনসিএল), স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ইউকে বাংলা মার্কেটপ্লেস (ইউবিএম), মার্কেটিং পার্টনার কারীওয়ালা মিডিয়া এবং অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার ইউকে বাংলা লাইভ নিউজ।

লঞ্চিং অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নেলসন কলেজ লন্ডনের পরিচালক নাজিম উদ্দিন, এবারের আসরের অন্যতম স্পনসর ওয়ার্ক পারমিট ক্লাউডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার লুৎফর রহমান এবং স্পনসর এভারার্ড কনস্ট্রাকশনের আমিরুল চৌধুরী।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মুহিব চৌধুরী, বিবিসিএর প্রেসিডেন্ট ড. শাহানুর খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুকিম আহমেদ, কারী লাইফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা, ইউকে বিসিসিআইয়ের লন্ডন রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট কামরু আলী, বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের সাধারণ সম্পাদক ও কার প্লানেটের স্বত্বাধিকারী তফাজ্জল মিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী, লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমির প্রিন্সিপাল আশিদ আলী, ইউরো এশিয়া ক্যাশ অ্যান্ড কারির পরিচালক আবুল লেইছ এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আতিক চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রাইড অব এশিয়া ও মে-ফেয়ার ভেন্যুর স্বত্বাধিকারী ওয়াজিদ হাসান সেলিম বিইএম, আরিয়ানা ব্যাংকুয়েটিংয়ের তোফায়েল আহমেদ, নিকাহ স্টুডিও অ্যান্ড ইভেন্টের শাহেদ চৌধুরী, জেএমজি কার্গোর পরিচালক মনির আহমেদ, হিল সাইড ট্রাভেল এজেন্সির পরিচালক হেলাল খান, বাংলা টাউন ক্যাশ অ্যান্ড কারির চেয়ারম্যান রফিক হায়দার, রুপসী রাইসের পরিচালক শুকুর খালিসদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী করিম মিয়া শামীম এবং বাংলা কার্পেট অ্যান্ড ফার্নিচারের জুবায়ের কিবরিয়া।

প্রথম আসরে পাঁচ হাজারের বেশি দর্শনার্থী

লঞ্চিং অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম বছরের ইউবিএম ইউকে বিজনেস এক্সপো অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডসের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম আসরে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেখানে বিভিন্ন পণ্যের ৫০টি স্টল ছিল। পণ্য উদ্বোধনের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যবসায়িক পুরস্কারও দেওয়া হয়।

প্রথম আসরের পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘সাকসেসফুল বিজনেস অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কারজয়ী বাংলা টাউন ক্যাশ অ্যান্ড কারির চেয়ারম্যান রফিক হায়দার, ‘কমিউনিটি চয়েজ অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী গ্রিন মেন্টাল কেয়ার হোমের সিইও রোকেয়া হোসেন এবং ইকো ইনোভেশনের পরিচালক শরিফ ইসলাম। তাঁরা অনুষ্ঠানে বক্তব্যও দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জুয়ার আসর থেকে তিন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জুয়ার আসর থেকে তিন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ পৌর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তিনজন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্য অনুযায়ী, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাট বাজারের মো. সবুর মিয়ার পাট গোডাউনের ভেতরে তাস দিয়ে জুয়া খেলার সময় তাদের আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এ সময় খেলার উপকরণ এবং নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—দহবন্দ ইউনিয়নের গোপালচরণ এলাকার মো. এনামুল হক, জরমনদী গ্রামের অসীম কুমার সরকার এবং বামনজল গ্রামের মো. টুটুল সরকার।

সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানান, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইআবি ভিসির অধিভুক্ত মাদরাসার পরীক্ষার ফি কমানোর আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


ইআবি ভিসির অধিভুক্ত মাদরাসার পরীক্ষার ফি কমানোর আশ্বাস

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান, অধিভুক্ত মাদরাসার বিভিন্ন কোর্সের পরীক্ষার ফি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায়, জেলা পর্যায়ের অধিভুক্ত মাদরাসার অধ্যক্ষদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।

ভাইস চ্যান্সেলর উল্লেখ করেন, মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেকোনো যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দাবি অবশ্যই যৌক্তিক হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদরাসা উচ্চশিক্ষার জন্য একটি বিশ্বস্ত শিক্ষা ও গবেষণার প্ল্যাটফর্ম। বর্তমান ফাজিল পাস ও কামিল মাস্টার্স কোর্স আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে কোর্সের সংখ্যা বেড়েছে। ফাজিল পাস কোর্সে আগে ৪টি ছিল, বর্তমানে ৭টি হয়েছে। কামিল কোর্সেও আগে ৪টি ছিল, এখন ৭টি। কোর্সের সংখ্যা বাড়ার কারণে ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অধ্যক্ষরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অধিভুক্তি নবায়ন ফি, পরীক্ষা ফি, রেজিস্ট্রেশন ফিসহ বিভিন্ন ধরনের ফি শিক্ষার্থীদের সাধ্যের বাইরে উল্লেখ করে তা কমানোর দাবি জানান। অধ্যক্ষদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ভাইস চ্যান্সেলর যৌক্তিক পর্যায়ে ফি কমানোর আশা প্রকাশ করেন এবং মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় রেজিস্ট্রার ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. আবুল হোসাইন মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মাদরাসা পরিদর্শক (অতি. দা.) প্রফেসর ড. হুসাইন আহমাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. ওয়ালিউর রহমান, পরিচালক অর্থ ও হিসাব মো: আবু বকর ছিদ্দিক, উপ-রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মোমতাজী এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতি. দা.) মো. জিয়াউর রহমানসহ জেলা পর্যায়ের মাদরাসার অধ্যক্ষরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই: স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


আমি হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই: স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। তিনি হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসার পরিবর্তে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, "হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রকৃতপক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাথমিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই।" প্রতিমন্ত্রী জানান, হাসপাতাল বৃদ্ধি আমাদের মূল অগ্রাধিকার নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা।

সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলটেবিলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাকও বক্তব্য দেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সনাতন স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূলের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের সাথে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যাদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামে সুসজ্জিত করার ব্যবস্থা করা হবে।

দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে ড. এম এ মুহিত বলেন, রোগীকে সেবা নিতে ঢাকায় ছুটতে না হয়, সেজন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ে এই সেবা সম্প্রসারিত হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঘোষিত প্রথম বাজেটে হার্টের রিং (স্টেন্ট), ডায়ালিসিস ফিল্টার, এপিআই ও কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের ভ্যাট ও ট্যাক্স হ্রাস বা মওকুফ করা হয়েছে। একই সাথে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিগত বছরগুলোতে চিকিৎসাসামগ্রী আমদানিতে যে দীর্ঘসূত্রতা ছিল তা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যে কমিটির বৈঠক অতীতে দুই বছরেও হয়নি, গত পাঁচ মাসে সেই কমিটি তিনবার বসে চিকিৎসাসামগ্রীর অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।

আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে শুধুমাত্র উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রি করলেই চলবে না; যন্ত্রপাতির জীবনকালীন ব্যয়, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং দেশের ভেতরে প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তিনি মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানান, বুয়েট বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের মেডিকেল টেকনোলজিতে দক্ষ করে তোলা এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ সংযোজন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য।

তিনি অকেজো পড়ে থাকা মেডিকেল যন্ত্রপাতির তাৎক্ষণিক তদারকিতে জাতীয় ই-হেলথ ও ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান।

সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় বৈশ্বিক বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তাদের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

গোলটেবিলে আলোচনায় আরও অংশ নেন মেডট্রনিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মায়াঙ্ক ত্রিপাঠী, জিই হেলথকেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ডিরেক্টর মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (রোমেল), বেকটন ডিকিনসনের বাংলাদেশ বিজনেস লিডার মির্জা সজীব রায়হান এবং আমচ্যাম হেলথকেয়ার সাবকমিটির ইনচার্জ ডিরেক্টর ও ন্যাটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম রাসেল।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%