মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৫ পি.এম
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ভেতরে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চীনা সেনাবাহিনী ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্যটির কংগ্রেস সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী বসিরাম সিরাম।
অন্যদিকে, অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানান, সীমান্তে চীনের কোনো অনুপ্রবেশ ঘটছে বলে তার বিশ্বাস নেই।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বসিরাম সিরাম অভিযোগ করেন যে, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার বিভিন্ন স্থানে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে। তিনি এ পরিস্থিতিতে সীমান্তের প্রকৃত অবস্থা জানার জন্য একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান।
সিরাম জানান, ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত তার নেতৃত্বে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেছে। তারা ইটানগর থেকে নাচো হয়ে লাইমেকিং ও তাকসিং এলাকায় গিয়েছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
সিরামের দাবি, চীনা সেনারা ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে অগ্রসর হয়েছে এবং পাহাড়ের উঁচু এলাকাগুলোতে তাদের অবস্থান রয়েছে। তিনি বলেন, “চীনা সেনারা ইতোমধ্যে ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে চলে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান করছে। পাহাড়ের চূড়ায় তাদের দেখা যায়, আর আমরা রয়েছি নিচে।”
এর আগে, গত জুনে নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের একটি স্থানীয় সংগঠন অভিযোগ করেছিল যে, তাকসিংয়ের কাছে চীনা সেনাবাহিনী তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী ওই অভিযোগকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। আগস্টে অরুণাচল প্রদেশের পিপলস পার্টির একটি প্রতিনিধিদলও দাবি করেছে, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় টহল দলকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু চীনের ৬০ কিলোমিটার অনুপ্রবেশের অভিযোগ নাকচ করলেও, সীমান্তের উঁচু এলাকাগুলোতে চীনের তৎপরতা বেড়েছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে সিরাম বলেন, সীমান্তে কোনো অনুপ্রবেশ বা আগ্রাসী তৎপরতা না ঘটলে কেন স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার এমন অভিযোগ তুলছেন? এসব অভিযোগকে গুজব বলে উড়িয়ে না দিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও দাবি করেন, আসাফিলাসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকা চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে এবং অনলাইন মানচিত্র থেকেও কিছু এলাকা অদৃশ্য হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংগীতশিল্পী শিল্পা রাও তার ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন অনুভব করেন যখন তিনি বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের 'জওয়ান' সিনেমার রোমান্টিক গান 'চালেয়া'-তে কণ্ঠ দেন এবং প্রশংসা অর্জন করেন। এই গানটির জন্য তিনি ২০২৫ সালে শ্রেষ্ঠ নারী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। 'ঘুঙরু', 'চালেয়া', 'বেশরম রঙ', 'ছুট্টামালে' এবং 'অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল' সিনেমার মতো গানগুলো শিল্পা রাওকে ইন্ডাস্ট্রিতে একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি এনে দিয়েছে।
শিল্পার সংগীত কেবল হিন্দি চলচ্চিত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি প্রখ্যাত সেতার বাদক আনুশকা শঙ্করের 'লাভ লেটার্স' অ্যালবামেও কণ্ঠ দিয়েছেন, যা ২০২১ সালে মর্যাদাপূর্ণ গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের জন্য মনোনীত হয়। এই সাফল্য শিল্পা রাওয়ের সংগীতযাত্রাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। हाल ही में, মুম্বাইয়ে একটি অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী শিল্পা রাও হেনস্তার শিকার হন। ‘বলিউড মিউজিক প্রজেক্ট’-এর দশম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সময় তিনি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন।
এই ঘটনার পর শিল্পা রাও সামাজিক মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। জানা গেছে, গান গাওয়ার সময় মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শিল্পা রাওয়ের পারফরম্যান্স আচমকা থামিয়ে দেওয়ার পর হট্টগোল শুরু হয়। আচমকা মাইক্রোফোন এবং মঞ্চের আলো নিভিয়ে দেওয়ার কারণে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
শিল্পা রাওকে ঘিরে বিতর্কের প্রেক্ষিতে তার স্বামী দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, শিল্পার সঙ্গে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। বর্তমানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা শিল্পা রাও বলিউডে অনেক স্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন। তার কণ্ঠ, যা আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত, একসময় মারাত্মকভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। এই সংগীতশিল্পী তার গলার আওয়াজের কারণে অসংখ্য প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হয়েছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো হাল ছাড়েননি। তিনি বলিউডে নিজের একটি আলাদা স্থান তৈরি করেছেন এবং বর্তমানে চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন প্লেব্যাক গায়িকা শিল্পা রাও।
তবে চলচ্চিত্র জগতে পৌঁছানোর আগে শিল্পার যাত্রা শুরু হয়েছিল ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে। শিল্পা প্রায় তিন বছর ধরে বিজ্ঞাপনের জন্য জিঙ্গেল রেকর্ড করেছিলেন। সেই সময় তার কণ্ঠ ঘরে ঘরে পৌঁছালেও খুব কম লোকই তার নাম জানত। চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার আগে শিল্পা ক্যাডবেরি মাঞ্চ, সানসিল্ক এবং অ্যাঙ্কর জেলের মতো ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে কণ্ঠ দিয়েছেন। এই সময় তিনি স্টুডিও রেকর্ডিংয়ের খুঁটিনাটি বোঝার এবং নিজের কণ্ঠ নিয়ে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছিলেন।
শিল্পার সংগীত যাত্রায় শঙ্কর মহাদেবনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। শঙ্কর মহাদেবনের নির্দেশনায় শিল্পা রাও ছোট পরিসরে শুরু করতে কোনো দ্বিধা দেখাননি। শিল্পা নিজেও বারবার এই সময়কালকে তার কর্মজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন। একটানা জিঙ্গেল রেকর্ড করার অভিজ্ঞতা তার কারিগরি দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং স্টুডিওর বিভিন্ন প্রয়োজনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংগীতশিল্পী শিল্পা রাওয়ের আসল নাম অপেক্ষা রাও। তিনি জামশেদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। বলিউডে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার আগে শিল্পা তার নাম পরিবর্তন করেন। অপেক্ষা থেকে শিল্পা নাম পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, 'শিল্প' শব্দটি 'ক্র্যাফট' থেকে উদ্ভূত হওয়ায় এ নামটি তাকে তার শিল্পের আরও কাছাকাছি অনুভব করায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কটকবাজার এলাকায় এই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বিজিবি বিবিরবাজার শাহাপুর পোস্টের একটি টহল দল কটকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের সময় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুরনো প্লাস্টিকের একটি বস্তার ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও ম্যাগাজিনের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের মাধ্যমে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
১০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অস্ত্র ও মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও (চন্ডি হেতায়েদপুর) গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মতিউর রহমান (৫০), তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারির ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে পীরেরগাঁও (চন্ডি হেতায়েদপুর) গ্রামের আলমগীর, যিনি আরব আলীর ছেলে, এবং আছির উল্লাহর ছেলে কাশেমের মধ্যে জমিতে পানি সেচ এবং মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এর ফলস্বরূপ মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় আলমগীরের পক্ষের কৃষক মতিউর রহমান সুলফির আঘাতে গুরুতর আহত হন এবং তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে মুজিবুর (৩৮) ও আতাউর (৫০) নামের দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘মতিউর রহমানকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনি মারা যান। আহতদের মধ্যে দুই জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।’
জগন্নাথপুর থানার এসআই বিন আমিন বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ১০ দিন পর দ্বিতীয় তলার কার্নিশ থেকে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) স্বজনদের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তবে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার হওয়া ১০টি লাশের মধ্যে কোনোটির ডিএনএর সঙ্গে নাসরিনের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হলেও নাসরিনের পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়া লাশটি নাসরিনের কিনা, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিস্তারিত ডিএনএ টেস্টের পর বিষয়টি জানা যাবে।
শহরের শ্যামলী এলাকার চার সদস্যের পরিবার শনাক্ত হয়েছে। এই পরিবারের সদস্যরা হলেন- গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।
অন্যদিকে, নিহত ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫) ও ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।
অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি লাশের পরিচয় শনাক্ত হলেও নিখোঁজের তালিকায় থাকা ১১ জনের মধ্যে একজনের অবস্থান এখনও অজানা। তিনি হলেন স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৭)। উদ্ধার হওয়া কোনো লাশের ডিএনএ-এর সঙ্গে তার নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, ১০ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছিল এবং তাদের ডিএনএ স্যাম্পল মিল পাওয়া গেছে। তবে নাসরিনের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।
নাসরিন ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি দুই বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নাসরিনের বাবার নাম মোস্তফা কামাল।
এর আগে, গত ১৭ অক্টোবর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ