মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৪ পি.এম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের আবেদনের তৃতীয় ধাপ বা সর্বশেষ সুযোগ আজ শেষ হচ্ছে। গতকাল সোমবার অনলাইনে তৃতীয় ধাপের আবেদন শুরু হয়েছে এবং এটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় শেষ হবে।
এই ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টায়। যারা আগে আবেদন করেননি, কোনো কলেজে নির্বাচিত হননি অথবা নির্ধারিত সময়ে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে পারেননি, তারা এই ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবেন।
গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপই সর্বশেষ ধাপ হিসেবে গণ্য হবে। এই কারণে শিক্ষার্থীদের কলেজ পছন্দক্রম নির্ধারণে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা আগে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা এই ধাপে আবেদন করতে পারবে। এছাড়া, যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে পারেনি বা নির্ধারিত সময়ে কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তাদের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্যও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। আবেদনের সময় কলেজের বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ধাপে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা অনলাইন আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ নির্বাচন বা পছন্দক্রম সম্পাদন করতে হবে।
সময়সূচি অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ৩১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তি নিশ্চয়ন করা যাবে। মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ১ নভেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২ ও ৩ নভেম্বর।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, আগে নির্বাচন নিশ্চয়ন করা কোনো শিক্ষার্থী তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে চাইলে ২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হয়ে আগের নিশ্চয়ন বাতিল করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির দিন কার্যকর হবে না।
কোটায় আবেদনকারীদের নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক কোটা নির্বাচন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চয়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে ভুলভাবে আবেদন করা বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী জটিলতার দায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনে সামরিক আইনের মেয়াদ ৯০ দিন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট, ভারখোভনা রাদা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন মেয়াদ ৩১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সামরিক আইন ২০২৭ সালের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে।
পার্লামেন্টের অধিবেশনে সামরিক আইনের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ২৯৩ জন আইনপ্রণেতা। একই সঙ্গে সাধারণ সেনা সমাবেশ বা জেনারেল মোবিলাইজেশনের মেয়াদও ৯০ দিন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ২৮১ জন আইনপ্রণেতা। ২০২২ সালে সামরিক আইন ও সাধারণ সেনা সমাবেশ চালুর পর এটি ২১তমবারের মতো মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর দিন ইউক্রেনে সামরিক আইন জারি করা হয় এবং সাধারণ সেনা সমাবেশের ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর থেকে এসব ব্যবস্থার মেয়াদ নিয়মিতভাবে বাড়ানো হচ্ছে।
সামরিক আইন বহাল থাকায় ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট, পার্লামেন্ট ও স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। দেশের আইন অনুযায়ী, সামরিক আইন চলাকালে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা যায় না।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাঁচ বছরের সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৪ সালের ২০ মে শেষ হবে। তবে সামরিক আইন বহাল থাকায় নির্ধারিত সময়ে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (২৬ অক্টোবর) একটি সার্কুলার লেটার জারি করেছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ কারণে ওই দিন বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার জয়ের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি গত সোমবার দাবি করেছেন যে ব্রাজিলের নির্বাচন ছিল কারচুপিযুক্ত এবং অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। রবিবারের নির্বাচনে পরাজয়ের পর, ট্রাম্পের ডানপন্থী সহযোগী ফ্লাভিও বলসোনারো ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে তা বাতিলের দাবি তুলেছেন।
ট্রাম্প ব্রাজিলের নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমার কাছে এটি অত্যন্ত ভয়াবহ মনে হয়েছে।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি কোনো পক্ষ নিইনি। তবে সত্যি বলতে, এটি আরেকটি কারচুপির নির্বাচন বলে মনে হয়েছে। বিশ্বের দরবারে এটি একটি অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টান্ত।’
বলসোনারো পরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে, ট্রাম্প স্পষ্টতই ফ্লাভিও-র বিজয় প্রত্যাশা করেছিলেন। ফ্লাভিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার রক্ষণশীল নেতাদের একটি নতুন ধারা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘নির্বাচন হতে হবে প্রশ্নাতীত, কিন্তু এটি আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে। আমি কাউকেই সমর্থন বা অন্য কিছু করিনি, তবে আমি নির্বাচনটি লক্ষ্য করেছি এবং এটিকে অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত ও ভয়াবহ মনে হয়েছে।’
ব্রাজিলের ফলাফলের বিপরীতে তিনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন কি না জানতে চাইলে, ট্রাম্প এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের জন্য নির্বাচনে লড়ছি না, আমি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লড়ছি।’ ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘আমি শুধু ভেবেছিলাম যে যেভাবে ভোট গণনা করা হয়েছে—সময় বাড়ানোর বিষয়টি—তা দেখতে খুবই খারাপ লেগেছে।’ লুলার অনুরোধে কিছু শহরে পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটগ্রহণের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর পর বলসোনারো কারচুপির অভিযোগ তোলেন।
বলসোনারো পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও, ট্রাম্প লুলার প্রতি এক অদ্ভুত ভালো লাগা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি লুলাকে পছন্দ করি, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো।’
ট্রাম্প বারবার বড়াই করে বলেছেন যে তার প্রশাসন কিভাবে লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিচ্ছে— যার অন্যতম উদাহরণ গত জানুয়ারিতে ভেনেজুেলার নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার মার্কিন সামরিক অভিযান। গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘দক্ষিণ আমেরিকায় সব কিছুই বামপন্থার দিকে ঝুঁকে ছিল; এখন সব ডানপন্থায় চলে এসেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সার্বিয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ফলস্বরূপ, ক্ষমতাসীন আলেকজান্ডার ভুসিসের রাজনৈতিক শিবিরের নির্বাচনে পরাজয়কে ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি এই বিজয়কে সার্বিয়ার স্বাধীনতাকামী জনগণের জয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের মানুষসহ বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার, নাহিদ ইসলাম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে এসব মন্তব্য করেন। পোস্টের শুরুতেই তিনি উল্লেখ করেন, ‘সার্বিয়ায় ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে!’ তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই বছর ধরে চলা বিক্ষোভের পর ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে আলেকজান্ডার ভুসিসের ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী সরকার নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও লেখেন, ‘এটি স্টুডেন্ট লিস্টের বিজয়, সার্বিয়ার স্বাধীনতাকামী মানুষের জয় এবং বাংলাদেশের মানুষসহ দেশের সীমানার বাইরের লাখো মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা।’ পোস্টে তিনি সার্বিয়ার জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের শক্তি তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘জেন-জি যখন জেগে ওঠে, ইতিহাস তখন এগিয়ে যায়।’
নাহিদ ইসলামের ফেসবুকের মূল পোস্টটি হচ্ছে-
‘History made in Serbia!
After two years of demonstrations, the student-led protest movement has forced Aleksandar Vučić’s increasingly authoritarian government to concede defeat in a historic election.
This is a victory for the Student List, a triumph for the freedom-loving people of Serbia, and an inspiration to millions beyond its borders, including the people of Bangladesh.
Heartfelt congratulations to the people of Serbia!
When Gen Z rises, history moves.
Photo: Al Jazeera’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ