০৮:২৬ পি.এম
বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সুযোগ নিচে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষরা দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একজন অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন।
বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক হওয়া দুজন হলেন- আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় আরেক আসামী মাহবুবুর রহমান পলাতক রয়েছেন।
মাহফুজ আলম আরও জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় বেশদিন ধরে কারাগারে ছিলেন। ঐ সময়ে ওই নারীকে তিন ব্যক্তি একাধিকবার দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণ করেন। একপর্যায় তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। যখন তার স্বামী জামিনে বাড়ি ফিরলে ধর্ষণের বিষয়টি সামনে আসে। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তিটি পুলিশ এসে পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে আসার পর তিনি জানতে পারেন যে তার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তার স্ত্রী বলেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানিয়ে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন