বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০০ পি.এম
গাজীপুরে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান ধর্মঘট ও মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করেছে সচেতন নাগরিক ঐক্য, গাজীপুর।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকায় এই কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান।
আলী নাছের খান মন্তব্য করেন, বিআরটি প্রকল্পের মাত্র ৩ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। এই কাজ সম্পন্ন করে ১৮৭টি বাস কেনার জন্য ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করলে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা সম্ভব। কিন্তু যাঁরা এখানে ১ হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ গ্রহণ করতে চান এবং কাজ না করেই ঠিকাদারকে আরও ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ফেরত দিতে চান, তাঁদের স্বার্থে প্রকল্পটি বাতিলের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ঠিকাদার সিন্ডিকেট, ‘মুড়ির টিন’ সিন্ডিকেট পরিবহন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির দুর্নীতিবাজ নেতারা আমলাতন্ত্রকে প্রভাবিত করে সচিবের একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কোনো আলোচনা ছাড়াই বিআরটি প্রকল্প বাতিল করতে চাইছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি নির্মাণ করতে ১৪ বছর সময় লেগেছে। এখন এটি ভাঙতে আরও পাঁচ বছর লাগবে। ভবিষ্যতে ছয় লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে তিন লেনে যানবাহন চলবে, আর বাকি তিন লেনে চলবে ভাঙার কাজ। এতে গাজীপুরবাসীকে তীব্র যানজটের দুর্ভোগ ভোগ করতে হবে এবং অঞ্চলটি বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হবে। নতুন করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালসহ কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে গাজীপুরের উন্নয়নের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আলী নাছের খান সরকারের কাছে দাবি জানান, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বিআরটি প্রকল্প চালু করতে হবে। অন্যথায়, তাঁরা ধারাবাহিক প্রতিরোধ কর্মসূচি পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, এটি কেবল বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। ঝুঁকি বিশ্লেষণের পর এটি পুনরায় চালু করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ চলছে। ঝুঁকি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা তৈরি হয়েছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করার সুযোগ পেতে পারে। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত সার্ভারভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা। বিশ্বের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন সেবা পরিচালনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। তবে কোনো ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহার করা হলেই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে না। ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ করা জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সংশোধন সম্ভব না হলে ফায়ারওয়াল ব্যবহার, অননুমোদিত সংযোগ সীমিত করা এবং প্রয়োজনে সার্ভার সাময়িকভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তথ্য ও অনলাইন সেবা ব্যবহারে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। তবে ওয়েবসাইটটি কখন পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী রোববার থেকে চট্টগ্রাম বিভাগে এবং সোমবার থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদদের মতে, তামিলনাড়ু উপকূলের অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে কমোরিন ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ তামিলনাড়ু উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় নতুন করে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরবর্তীতে আরও ঘনীভূত হতে পারে।
শুক্রবার ও শনিবারের আবহাওয়া: আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
একইভাবে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
রোববার ও সোমবারের বৃষ্টির পূর্বাভাস: শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
পরদিন রোববার সন্ধ্যা থেকে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর বাইরে দেশের অন্যান্য অংশে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
পাঁচ দিনের শেষভাগে বাড়তে পারে বৃষ্টি: বর্ধিত পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, আগামী পাঁচ দিনের শেষভাগে দেশের অবশিষ্টাংশ বা অন্যান্য বিভাগেও বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া নতুন লঘুচাপটির গতিপ্রকৃতি ও তীব্রতার ওপরই পরবর্তী আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রায় দেড় মাস বন্ধ থাকার পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ঐতিহাসিক যাদুকাটা নদীর যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল পুনরায় চালু হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ২০২৬ থেকে বালুমহাল দুটি চালু হওয়ায় নদীকেন্দ্রিক শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ায় বালু উত্তোলন বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে আইনি জটিলতা নিরসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার পর উপজেলা প্রশাসন ইজারাদারদের সীমানা বুঝিয়ে দিয়ে কার্যক্রম পুনরায় চালু করে।
✅ শ্রমিকদের জীবিকায় স্বস্তি
যাদুকাটা নদীকে কেন্দ্র করে অসংখ্য শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা নির্ভরশীল। বালুমহাল চালু হওয়ায় তাঁদের কর্মসংস্থান ও আয়-রোজগারের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
✅ নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন
নদীর পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অনুমোদিত নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন নিশ্চিত করতে হবে। ড্রেজার ও বোমা মেশিনের ব্যবহারসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করাও জরুরি।
✅ প্রকৃতি ও পর্যটন রক্ষার দাবি
যাদুকাটা নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ