ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলাপাড়ায় ডাকাতি, ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট; স্ত্রীকে বাঁচাতে যুবক গুলিবিদ্ধ


কলাপাড়ায় ডাকাতি, ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট; স্ত্রীকে বাঁচাতে যুবক গুলিবিদ্ধ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। অধিকন্তু, তার পুত্রবধূ রেজবি (১৮) ও স্ত্রী রুমা বেগমের (৪০) হাত-পা বেঁধে তারা মারধর করে এবং তাদের শিশু সন্তান তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, প্রায় ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।

শুক্রবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর, স্থানীয়রা তারা উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়, চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সকলকে বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে পাঠান।

আরও পড়ুন: দিরাই থানা রোডের বর্তমান অবস্থা বেশ ভালো, সামান্য যানজটেই মানুষের ভিড়

ওই প্রবাসীর স্ত্রী রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। তারা রাতের খাবার খাওয়ার পর ঘরের সব সদস্য ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ৫ থেকে ৬ জনের ডাকাতদল তাদের দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে পড়ে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিল। এরপর তারা সবাইকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং তার পুত্রবধূকে ধর্ষণচেষ্টা করে। এসময়, তার ছেলে নাইম বাঁধা দিলে তার পায়ের হাঁটুর কাছে গুলি করে।

পরে তাদের শিশু সন্তান তাসফিরের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, প্রায় ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন নিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলমান।

আরও পড়ুন: দুমকিতে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তা চান বিএনপি নেতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি চীনের

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বেইজিং গুপ্তচরবৃত্তি তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে- দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার এমন অভিযোগকে আজ ‘ভিত্তিহীন’ বলে নিন্দা জানিয়েছে ওয়েলিংটনে চীনা দূতাবাস। নিউজিল্যান্ডের সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এসআইএস) চলতি সপ্তাহে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, চীন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘বড় পরিসরে’ গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ওয়েলিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

এ অভিযোগের জবাবে, ওয়েলিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাকে চীনের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণ, অপবাদ ও হেয়প্রতিপন্ন করার’ চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অভিযুক্ত করেন। মুখপাত্র বলেন, ‘চীনের বিরুদ্ধে তাদের মিথ্যা অভিযোগগুলো হয় স্বাভাবিক যোগাযোগ ও সহযোগিতাকে তথাকথিত গুপ্তচরবৃত্তি বা হস্তক্ষেপ হিসেবে অপবাদ দিচ্ছে, নয়তো পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং মনগড়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি নিউজিল্যান্ডের ভেতরে এবং বাইরে থাকা কিছু শক্তির মনোভাবও প্রকাশ করে, যারা চীন-নিউজিল্যান্ড সম্পর্কের সুস্থ বিকাশ দেখতে অনিচ্ছুক।’

এই বিবৃতি এমন এক সময়ে এলো, যখন কয়েক সপ্তাহ আগে চীনা দূতাবাস নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স চীনা বংশোদ্ভূত এক আইন প্রণেতাকে ‘নিজের দেশে ফিরে যেতে’ বলার প্রতিক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছিল।

শুক্রবার, দূতাবাস নিউজিল্যান্ডের নাম না জানা কিছু শক্তির বিরুদ্ধে ‘চীনবিরোধী শক্তির হাতের পুতুল হিসেবে কাজ করার’ অভিযোগ তোলে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা এসব শক্তি ও ব্যক্তিকে বিষ দিয়ে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা না করতে এবং পাথর তুলে নিজের পায়ে ফেলার মতো কাজ না করতে আহ্বান জানাই।’

এদিকে, নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থাটিও চলতি সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছে, বেইজিংয়ের গুপ্তচররা পেশাগত যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্যের নাগাল রয়েছে-এমন নাগরিকদের নিয়োগের চেষ্টা করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, চীনা সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পার্পল মাউন্টেন অবজারভেটরি নিউজিল্যান্ডে গোপনে গ্রাউন্ড বেইজড স্পেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার (জিবিএসআই) স্থাপনের একটি চেষ্টা তারা নস্যাৎ করেছে।

এ কাজে জড়িত স্থানীয় কোম্পানিটির নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংস্থাটি বলেছে, কোম্পানিটি সম্ভবত জানত না যে ওই সরঞ্জামগুলো ‘সামরিক মূল্যসম্পন্ন’ গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, ‘নিউজিল্যান্ডে নিজস্ব জিবিএসআই স্থাপনের চেষ্টা এই সংস্থার এটাই প্রথম ঘটনা নয়। ভবিষ্যতে এমন চেষ্টা হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা শঙ্কায় সামরিক শক্তি বাড়ানোর পথে পোল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


নিরাপত্তা শঙ্কায় সামরিক শক্তি বাড়ানোর পথে পোল্যান্ড

ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দেওয়ার প্রেক্ষাপটে পোল্যান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে তারা তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে। নিজেদের সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটি।

টিভিপি ওয়ার্ল্ড থেকে উল্লিখিত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে পোল্যান্ডের সামরিক বাহিনী মোট ২ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মাঝে ১ লাখ ৫৬ হাজার সদস্য পেশাদার সেনা হিসেবে রয়েছে এবং ৪০ হাজার সদস্য ‘টেরিটোরিয়াল ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে যে, পোল্যান্ড ২০৩৯ সালের মধ্যে একটি ৫ লাখ সদস্যের সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই নতুন বাহিনীর কাঠামোতে থাকবে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার সক্রিয় সেনা, ৫০ হাজার আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য এবং ২ লাখ রিজার্ভ বা সংরক্ষিত বাহিনীর সদস্য থাকবে।

নিয়োগ ও সামরিক প্রশিক্ষণের কার্যক্রম জোরদার হওয়ার কারণে বছরের শুরু থেকে বর্তমানে পর্যন্ত সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা ৫ হাজারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় সামরিক শিক্ষার কার্যক্রম এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, সরকার দেশের মধ্যে ‘অলওয়েজ রেডি’ বা 'সর্বদা প্রস্তুত' কর্মসূচির মাধ্যমে নাগরিকদের প্রস্তুতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এই কর্মসূচিটি ২০২৫ সালের শেষে চালু হয় এবং ২০২৬ সালে এর প্রসারিত করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক চিকিৎসা, টিকে থাকার কৌশল (সারভাইভাল স্কিলস), জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমর্থনে ঢাবিতে ছাত্রদলের শোভাযাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির খবরে জানা গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সমর্থন জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে ছাত্রদল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন ও ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় প্রায় ৮০০ নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। এই কর্মসূচিতে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বার্তা সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়েছে।

আয়োজকরা এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হিসেবে জানান, সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

সমাবেশে মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, আত্মমর্যাদাশীল এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন শুধু বড় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, পল্লী উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধির মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

সমাবেশে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমরা একটি এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো মা তার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকবেন না, কোনো তরুণ কর্মসংস্থানের আশায় হতাশ হবেন না এবং কোনো কৃষক তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।

উন্নয়নের সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে তরুণ সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান ছাত্রদলের এই নেতা। তিনি বলেন, বিভেদ ভুলে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ, একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি শেষে আয়োজকরা জানান, দেশের উন্নয়ন, তরুণদের সম্ভাবনা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে ভবিষ্যতেও এই ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে ভাঙারি ব্যবসা? নজরদারি বাড়ানোর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


বিজয়নগরে চুরি বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে ভাঙারি ব্যবসা? নজরদারি বাড়ানোর দাবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে চুরির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে ভাঙারি ব্যবসার একটি অংশের ভূমিকা থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত ভাঙারি দোকানগুলোতে চুরি করা মালামাল বিক্রি হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত এবং সঠিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় বৈদ্যুতিক তার, লোহার সামগ্রী, ব্যাটারি, আইপিএস, কৃষি সরঞ্জাম, মোটর, নির্মাণসামগ্রী, এসি, মসজিদের মাইক ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি হচ্ছে। তারা মনে করছেন, এসব মালামাল দ্রুত ভাঙারি দোকানে বিক্রি হয়ে গেলে চুরি যাওয়া জিনিসপত্র চিহ্নিত ও উদ্ধার করাটাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

সচেতন বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেছেন, কিছু ভাঙারি দোকানে মালামাল কেনার সময় বিক্রেতার পরিচয় ও মালামালের উৎস যথাযথভাবে যাচাই করা হয় না। তাই তারা দাবি জানিয়েছেন যে, চোরাই মালামাল কেনাবেচার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। তবে ভাঙারি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব ব্যবসায়ী চোরাই মালামাল কেনেন না। যদি কেউ অবৈধভাবে চোরাই মালামাল কেনাবেচা করেন, তাহলে তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নির্দোষ ব্যবসায়ীদের যেন হয়রানি করা না হয়, সেই বিষয়েও তারা গুরুত্ব দিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, ভাঙারি দোকানগুলোতে মালামাল বিক্রির সময় বিক্রেতার পরিচয়, মোবাইল নম্বর ও মালামালের উৎসের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি, চুরি যাওয়া মালামালের তথ্য ভাঙারি ব্যবসায়ীদের জানানো এবং সন্দেহজনক মালামাল পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর প্রয়োজন রয়েছে।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, “চুরির মাল কেনা ও বেচা-দুই পক্ষই অপরাধী। সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রস্তুত। এর বাইরেও দোকানগুলোর ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর রয়েছে।”

স্থানীয়দের মতে, চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য স্থানগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হলে বিজয়নগরে চুরি কমানো সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%