ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদ্মা ও শাখানদীর চরে কৃষকদের ফসলের সমারোহ, স্বাবলম্বী হচ্ছে হাজারো কৃষক


পদ্মা ও শাখানদীর চরে কৃষকদের ফসলের সমারোহ, স্বাবলম্বী হচ্ছে হাজারো কৃষক

মরণবাঁধ ফারাক্কার প্রভাবে সৃষ্ট উঁচু চর বর্তমানে কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পদ্মাপাড়ের রাজশাহীর গোদাগাড়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের অন্যান্য জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বিভিন্ন নদীর বুকে অসংখ্য চর জেগে উঠেছে, যেখানে সূর্যমুখী, টমেটো, বেগুন, ভুট্টা, চিনাবাদাম, কাউন, পটল, করলা, সরিষা, রাই, চিনা, কলমি, শসা, খিরা, শাক ও হরেক রকমের সবজি চাষ করা হচ্ছে। এই ফসলগুলো বর্তমানে এ অঞ্চলের অন্যতম অর্থকরী ফসল হয়ে উঠেছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চর এলাকার আবহাওয়া ও জলবায়ু ফসল চাষের জন্য বেশ উপযোগী।

চরাঞ্চলের হাজারো কৃষক এই সোনালী ফসলের মাধ্যমে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। প্রতিটি চরেই ফলন ভালো হওয়ায় তারা অত্যন্ত দামি এসব শস্য নিয়ে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন। সঠিক দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পেলে চরাঞ্চলে চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে এবং এসব শস্য চরাঞ্চলের অন্যতম অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। নদীর পলিমাটি অত্যন্ত উর্বর হওয়ায় কোনো সার ছাড়া কিংবা সামান্য সারে অনেক বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। তবে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তেফা কামাল হোসেন ও চরআষাঢ়িয়াদহ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা, বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রমত্ত পদ্মা, মহানন্দা, পাগলা ও যমুনা নদী। প্রতিবছর এসব নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হয় বসতবাড়িসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি। নদী তীরবর্তী মানুষ নদীভাঙন ও বন্যার কারণে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। তবে একদিকে তীব্র স্রোতে প্রতিবছর উজান থেকে পলি মাটি জমে নদীর ভাটি অঞ্চল ভরাট হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে নদীর বুক চিরে অসংখ্য চর জেগে উঠছে। পলিমিশ্রিত এসব চর রবিশস্যের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষ এই চরগুলোকে ঘিরেই নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে ট্রাক উল্টে পড়ে চ্যাপ্টা প্রাইভেটকার, মা-ছেলে প্রাণ হারালেন

এছাড়া মরণবাঁধ ফারাক্কারের কারণে গত ৫০ বছরে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে বালুচরের উচ্চতা প্রায় ১৮ মিটার বেড়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে তিন মাস পানি থাকলেও বছরের বাকি ৯ মাস পানি তলানিতে ঠেকে। প্রমত্ত পদ্মা ও মহানন্দা নদী এখন মরা খালের রূপ ধারণ করেছে। পদ্মা শুকিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এর শাখা-প্রশাখা নদ-নদী-বড়াল, মরা বড়াল, মুছাখান, ইছামতী, ধলাই, হুড়াসাগর, চিকনাই, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব, নবগঙ্গা, চিত্রা, বেতা, কালিকুমার, হরিহর, কালিগঙ্গা, কাজল, হিসনা, সাগরখালি, চন্দনা, কপোতাক্ষ, বেলাবতসহ প্রায় ২৫টি নদ-নদীর অস্তিত্ব এখন বিলীন কিংবা বিলুপ্তির পথে।

ফারাক্কা ছাড়াও ভারত বেশ কয়েকটি নদীতে বাঁধ নির্মাণ করেছে। এর মধ্যে তিস্তা, মহানন্দা, করতোয়া, আত্রাই ও ধরলা নদী উল্লেখযোগ্য। এসব নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফলে মূল নদীসহ এদের শাখা-উপশাখাগুলোও অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। নদীগুলো মরে গেলেও জেগে ওঠা এসব চরে নতুন আশার আলো দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।

বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা ও বগুড়া জেলার বিভিন্ন চর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মার বুক চিরে জেগে উঠেছে অসংখ্য চর। পলিমিশ্রিত উর্বর মাটির এসব চর এখন সবুজের সমারোহে ভরে গেছে। চরে চাষ করা হচ্ছে ফুলকপি, ওলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, পটল, করলা, লালমি, শসা, খিরা, ভুট্টা, ধনে, চিনাবাদাম, কাউন, মিষ্টি আলু ও মিষ্টি কুমড়াসহ নানা জাতের শাকসবজি ও রবিশস্য।

চরাঞ্চলের একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাদাম ও কাউন চাষ অত্যন্ত সহজ, খরচ কম এবং ঝামেলামুক্ত। তিস্তার চরগুলোতে বন্যার পলিমাটি জমা হওয়ায় তা বাদাম, কাউন, তরমুজ, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য রবিশস্যের জন্য বেশ উপযোগী। ফলন ভালো এবং লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা এখন এসব শস্য চাষে বেশি ঝুঁকছেন। কৃষকরা জানান, সরকারি কৃষি বিভাগ থেকে যদি প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়, তবে উত্তরাঞ্চলের চরাঞ্চলগুলো দেশের কৃষি অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

আরও পড়ুন: বিশ্বনাথ-ওসমানী নগরের কোন এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবে না: এমপি তাহসিনা রুশদীর

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহম্মেদ বলেন, উপজেলার পদ্মার জেগে ওঠা চরাঞ্চল কৃষির জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। নতুন জেগে ওঠা এসব চরের পলি ও বেলে-দোআঁশ মাটি ফসল চাষের জন্য ভীষণ উপযোগী। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলে চিনাবাদাম, পটল, করলা, ভুট্টা, বেগুন, মসুর, কলাই, মটর, ঝিঙাসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে। সঠিক প্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এখানে আরও বহুমুখী ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, চরাঞ্চলে মাটির ধরন ও মৌসুম বিবেচনায় চিনাবাদাম, ভুট্টা, মসুর, খেসারি, মুগ, কলাই, মটর, তিল, সূর্যমুখী ও বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি ফসলের আবাদ সম্প্রসারণ সম্ভব। একই জমিতে বছরে একাধিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে।

চরাঞ্চলের কৃষি স্থানীয় মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কৃষকের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় বাজারের প্রসার এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখবে। পতিত ও অনাবাদি চরজমি উৎপাদনের আওতায় আনা গেলে দেশের মোট কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানি নির্ভরতা কমবে। তবে চরাঞ্চলের কৃষিকে টেকসই করতে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, মাটির বৈশিষ্ট্য, বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি মোকাবিলা, বীজ সংরক্ষণ, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, রোগ-বালাই দমন এবং ফসল সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে এসব বিষয়ে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর শুধু চরাঞ্চলেই ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে টমেটো, সরিষা, কলাই, পটল, করলা, ভুট্টা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, চিনা ও মসুরসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হয়েছিল এবং কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছিলেন। চলতি মৌসুমে ফসল চাষের পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বেলে-দোআঁশ ও এঁটেল-দোআঁশ মাটিতে তেলজাতীয় ফসল (সরিষা, রাই, তিল) ভালো হওয়ায় চরাঞ্চলে এগুলোর চাষ জোরদার করা সম্ভব হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভোলায় তথ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে ২২ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা

চরে চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষক জোহরুল ইসলাম ও মনিরুল জানান, তারা মৌসুমের শুরুতেই টমেটো, বেগুন ও চিনাবাদাম চাষের প্রস্তুতি নিয়েছেন। সবজি ক্ষেত পরিচর্যারত কৃষক আব্দুল হাকিম জানান, গত বছর তিনি ৪ বিঘা জমিতে টমেটো, বেগুন, ভুট্টা ও বাদাম চাষ করে ভালো দাম ও ফলন পেয়েছিলেন। তাই অল্প পরিশ্রমে ও কম খরচে ভালো লাভ হওয়ায় এবার তিনি দ্বিগুণ জমিতে চাষাবাদ করবেন।

কৃষকদের দাবি- চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকার চাষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দিলে তারা চাষাবাদে আরও বেশি আগ্রহী হবেন। এতে চরবাসীর জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক সময় যেমন ছেলে পছন্দ করতেন প্রভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ পি.এম


এক সময় যেমন ছেলে পছন্দ করতেন প্রভা

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা বর্তমানে নতুন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। যদিও তিনি অভিনয়ে নিয়মিত নন, তবে সম্প্রতি নতুন দুটি সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একটি সিনেমা হল সাদেক সিদ্দিকীর ‘দেনা পাওনা’। এই সিনেমাটির অনেকাংশের শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি অংশের শুটিং এ সপ্তাহে হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ‘দুই পয়সার মানুষ’ নামে একটি আরও সিনেমা তার হাতে রয়েছে। উল্লেখ্য, উভয় সিনেমাই সরকারি অনুদানে নির্মিত হচ্ছে।

অভিনেত্রী প্রভা অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে তিনি ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ ও বেড়ে ওঠার সময়কার নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একসময় তার পছন্দ ছিল গরিব ছেলে।

নিজের পছন্দের কথা উল্লেখ করে প্রভা বলেন, ‘আমার একসময় গরিব ছেলে খুব পছন্দ ছিল। আমাকে অভাবের কথা বললে, না খেয়ে ছিলাম, কষ্টে বড় হয়েছি, বাবা, ভাইবোনদের এভাবে মানুষ করেছে—এ রকম ছেলে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু মিথ্যা কথা এটা আরও বেশি দুষ্টু হয়। আমি বেশ আহলাদি ছিলাম, এ রকম একটা সময় ছিল প্রপারলি কথা বলতে পারতাম না।’

তিনি বলেন, ‘এত কিউট হয়ে আমতা আমতা করে কথা বলতাম। কথা অর্ধেক বোঝা যেত। প্রত্যেকটি জায়গাতে আমাদের আত্মীয় থেকে শুরু করে আমার বাবা-মা— একটা সময় গিয়ে আমি যখন বড় হচ্ছি, আমার বন্ধুদের বাবা-মার অবধি আদর করত, সে জন্য আমার ম্যাচিউরিটি অনেক পরে এসেছে, স্পষ্ট কথা বলতে শিখেছি অভিনয় করতে এসে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী সীমান্তে ৫২ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


রাজশাহী সীমান্তে ৫২ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

রাজশাহী, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গোদাগাড়ী সীমান্তে ভারতীয় ক্যাপ্টেন মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) গোদাগাড়ী উপজেলার বিদিরপুর বিওপির অধীনে ৫২ বোতল ভারতীয় ক্যাপ্টেন মদ জব্দ করে।

আজ সকালে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধীনে বিদিরপুর বিওপির টহল দল গোদাগাড়ী থানাধীন মাদ্রাসা মোড় এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে, এক মাদক কারবারি মাথায় বস্তা নিয়ে নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করার জন্য ধাওয়া করলে, ওই কারবারি মাথায় থাকা বস্তাটি ফেলে দ্রুত অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া বস্তাটি তল্লাশি করে ৫২ বোতল ভারতীয় ‘ক্যাপ্টেন মদ’ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত মাদক কারবারিকে শনাক্ত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিবি’র গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাম বাড়ার পর কিভাবে জ্বালানি সংকট কাটল, বিপিসির ব্যাখ্যা চাইল সংসদীয় কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


দাম বাড়ার পর কিভাবে জ্বালানি সংকট কাটল, বিপিসির ব্যাখ্যা চাইল সংসদীয় কমিটি

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে যে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণ এবং সংকটকালীন ও পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা একই থাকার পরেও কিভাবে শুধুমাত্র জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করে সংকটের সমাধান করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এই বিষয়ে বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির। বৈঠকে কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।

কমিটির সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনার সময় পেট্রোলিয়াম পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ, মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার উপায় এবং মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল পিএলসির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, জ্বালানি সংরক্ষণের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয়ে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য কমিটিকে সুপারিশ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময়: ঋতুপর্ণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


দুর্গাপূজা আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময়: ঋতুপর্ণা

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে দুর্গাপূজার ফ্যাশন ভাবনা, আবেগ এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির বিষয়গুলো শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পূজা ফ্যাশন ও ভাবনায় সাংস্কৃতিক শিকড় ও আবেগ জড়িত। তার কাছে দুর্গাপূজা শুধুমাত্র চার দিনের উৎসব নয়, বরং এটি বাঙালির শিকড় ও অনন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। ছোটবেলা থেকেই পূজার প্রতি তার এই গভীর আবেগ একইভাবে রয়ে গেছে। পূজার সাজে তিনি সবসময় সাবেক, ট্র্যাডিশনাল এবং এলিগেন্ট লুক পছন্দ করেন। বড় টিপ, চোখভরা কাজল এবং লাল-সাদা কিংবা হালকা রঙের সুতি শাড়ির সাধারণ সাজে তিনি খুঁজে পান আসল বাঙালিয়ানা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী এভাবেই তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

এবার পূজায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কেমন সাজবেন? কলকাতায় থাকবেন কি?— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা আমার কাছে শুধু চার দিনের উৎসব নয়; এটি আমাদের শিকড়, আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত থাকা এক আবেগ, যা কখনো পুরোনো হওয়ার নয়।

তিনি আরও বলেন, ছোট থেকে এই আবেগ একই রয়েছে। পূজার সাজ বলতে তার পছন্দ বরাবরই একটু ট্র্যাডিশনাল অথচ এলিগেন্ট। বড় টিপ, চোখভরা কাজল আর সাদা-লাল বা নরম রঙের কটন শাড়ি— এই সহজ সাজেই যেন বাঙালিয়ানার আসল সৌন্দর্য ধরা পড়ে। খুব বেশি আড়ম্বর নয়, সাজে থাকুক নিজের একটা স্বতন্ত্র ছাপ বলেও জানান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এই সময়ে কেনাকাটা করেন কি? উত্তরে তিনি বলেন, সত্যি বলতে— পূজার সময়ে আলাদা করে নিজের জন্য কেনাকাটা করার সময় খুব একটা পান না। তবে শাড়ির প্রতি ভালোবাসাটা সারা বছরই থাকে। তাই বছরজুড়ে একটু-একটু করে সংগ্রহ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, অনেকেই ভালোবাসা দিয়ে তার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা শাড়ি তৈরি করে দেন, সেগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়ানো থাকে আলাদা গল্প, আলাদা আবেগ; আলাদা ভালোবাসা।

তবে পূজায় সবাইকে কিছু দিতে তার ভীষণ ভালো লাগে বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, আমার মায়ের দেওয়া উপহারগুলো ছিল সবচেয়ে প্রিয়। মা চলে যাওয়ার পর পূজায় উপহার পাওয়ার আনন্দটাও যেন বদলে গেছে। এখন কেউ আন্তরিক ভালোবাসা দিয়ে কিছু দিলে তার মধ্যে সেই মায়ের স্নেহেরই একটু ছোঁয়া খুঁজে পাই। তখন মন ভালো হয়ে যায়।

আর পূজার চারটি দিন তাই কোনো রুটিনে নয়— আড্ডা, ভালোবাসা, প্রেম, আনন্দ আর মায়ের আরাধনায় একসঙ্গে থাকতে চান এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, পূজার মধ্যে কোনো নিয়ম মানি না। এই সময়ে কোনো নিয়ম মানার মানেও হয় না। কোনো রুটিন মেনেও চলি না। এই কটা দিন তো আনন্দ করার সময়।

অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা সত্যিই আমার জন্য বছরের সবচেয়ে সুন্দর একটা সময়। এটি আমাদের কালচারাল হেরিটেজ। আমাদের জীবনের অঙ্গ। তাই এই সময়ে আলাদা আনন্দ থাকে মনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%