ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পটিফাইয়ের সেরা ৫০ গানে পাকিস্তানের ‘আলফাজ’ ৩৯ নম্বরে


স্পটিফাইয়ের সেরা ৫০ গানে পাকিস্তানের ‘আলফাজ’ ৩৯ নম্বরে

গান ‘আলফাজ’ পাকিস্তানি সংগীতাঙ্গনের জন্য নতুন এক সাফল্য নিয়ে এসেছে। হামজা মালিক ও জাইন-জোহাইবের গাওয়া গানটি স্পটিফাইয়ের বিশ্বব্যাপী সেরা ৫০ গানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, এটি ভারত ও পাকিস্তানের দৈনিক সর্বাধিক শোনা গানের তালিকাতেও শীর্ষস্থান দখল করেছে।

গত বুধবার প্রকাশিত স্পটিফাইয়ের বৈশ্বিক সেরা ৫০ গানের তালিকায় ‘আলফাজ’ ৩৯ নম্বরে ছিল। একই তালিকায় অলিভিয়া রদ্রিগো ৬ নম্বরে, জাস্টিন বিবার ও নিকি মিনাজ ১৫ নম্বরে, হ্যারি স্টাইলস ২৮ নম্বরে এবং মাইকেল জ্যাকসন ৩৪ নম্বরে অবস্থান করছেন। বিশ্বখ্যাত এসব শিল্পীর সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা করে নেওয়া গানটির জন্য এটি একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উর্দু ও পাঞ্জাবি ভাষার মিশ্রণে তৈরি গানটি ইতোমধ্যে দুই দেশের শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। স্পটিফাইয়ের ভারত ও পাকিস্তানের সেরা ৫০ গানের তালিকায় প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের ‘অফিশিয়াল এশিয়ান মিউজিক চার্ট’-এও এটি দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। সেখানে গানটি এমএক্সআরসিআই ও করণ আউজলার ‘স্ট্রেইট আপ’ গানটিকে পেছনে ফেলেছে।

আরও পড়ুন: প্রখ্যাত বলিউড নির্মাতার রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে

‘আলফাজ’ সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিরাফের তৈরি। প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার জে খান, যিনি এক্সুলফি নামে পরিচিত। গানটির সাফল্যকে অভূতপূর্ব উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, একটি গান সঠিক শ্রোতাদের কাছে পৌঁছালে তা কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে, ‘আলফাজ’ তারই উদাহরণ।

এর আগে গত বছর শেহরিয়ার রেহান ও জোয়া ওয়াসিমের ‘মজবুর’ গানটির মাধ্যমেও সাফল্য পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। গানটি পাকিস্তানের স্পটিফাই তালিকায় শীর্ষে এবং ভারতের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠেছিল। ‘আলফাজ’-এর সাফল্যে এবার আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে পাকিস্তানি শিল্পীদের অবস্থান আরও দৃশ্যমান হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দশক পর ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’, কার্যক্রমে সহায়তা করবে সামাজিক নিরাপত্তায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


চার দশক পর ফিরছে ‘গ্রাম সরকার’, কার্যক্রমে সহায়তা করবে সামাজিক নিরাপত্তায়

চার দশকের বেশি সময় পর গ্রাম সরকার ব্যবস্থা সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য কার্যকর হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে ‘গ্রাম সরকার আইন ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করে জনসাধারণের মতামত চেয়েছে। নাগরিকরা আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে খসড়া আইনটির বিষয়ে মতামত পাঠাতে পারবেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ই-মেইল ঠিকানায় মতামত পাঠাতে হবে। নাগরিকদের মতামত গ্রহণের পর আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।

গ্রাম সরকার ব্যবস্থা উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধ, শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, সমবায়, কুটিরশিল্প, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করবে।

নতুন গ্রাম সরকার ব্যবস্থা স্থানীয় বিরোধ মীমাংসায় সহায়তা করবে। গ্রাম সরকার স্থানীয় পর্যায়ে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি ও আর্থিক বিষয় পর্যালোচনা করবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এই ব্যবস্থা ফেরাতে কাজ করছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে গ্রাম সরকার পুনর্বহালের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। ২০০৩ সালের গ্রাম সরকার আইন পরিমার্জন করে ২০০৯ সালে রহিত হওয়া আইনটির নতুন খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আইনটি পাশ হলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগে আবারও গ্রাম সরকার ব্যবস্থা ফিরবে।

নতুন খসড়ায় সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিছু নতুন দায়িত্ব যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড বিতরণ এবং তথ্য সংগ্রহে সহায়তা, ভিজিএফ ও ভিজিডি কার্যক্রমে সহযোগিতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তা এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহ দেওয়ার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সুশাসনের কর্মী সাবেক সচিব একেএম আবদুল আউয়াল মজুমদার মন্তব্য করেন, "নিঃসন্দেহে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা ভালো উদ্যোগ। সরাসরি রাজনৈতিক ব্যক্তি ও জনগণের অংশগ্রহণের একটি পথ তৈরী হবে এই ব্যবস্থায়। এ জন্য সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিতে হবে। যদি গ্রাম সরকার ব্যবস্থা আইন মেনে চলে, তবে জনগণের দীর্ঘ দিনের রাজনীতি বিমুখতা দূর হবে।"

গ্রাম সরকার চালুর বিষয়ে নতুন আইনের খসড়া নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খসড়া করা হয়েছে, তবে এটি চূড়ান্ত নয়। আইনে পরিণত হতে হলে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। সংসদে পাশ হলে সরকার এটি প্রয়োগে যাবে। তবে কতটা দ্রুত কার্যকর হবে তা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

‘গ্রাম সরকার আইন ২০২৬’ প্রস্তাবিত আইনে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ডে একটি করে গ্রাম সরকার গঠনের কথা বলা হয়েছে। এতে থাকবে একজন গ্রাম সরকার প্রধান, একজন উপদেষ্টা এবং ১৫ জন সদস্য— সব মিলিয়ে মোট ১৭ জন।

গ্রাম সরকারের সদস্য নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটারদের অংশগ্রহণে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোটের বিধান রাখা হয়েছে। সারাদেশে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি ইউনিয়নের ৪১ হাজার ওয়ার্ডে প্রায় ৭ লাখ স্থানীয় লোকের নেতৃত্বে গ্রাম সরকার গঠিত হবে।

খসড়া অনুযায়ী গ্রাম সরকারে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য থাকবেন। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য প্রধান এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্য উপদেষ্টা হবেন। সদস্যদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটে নির্বাচনের ব্যবস্থা থাকবে। এখানে মোট ভোটারের অন্তত ১০ শতাংশের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে। গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

গ্রাম সরকার প্রতি দুই মাসে অন্তত একবার সভা করবে এবং প্রতি ছয় মাসে অন্তত একবার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ার্ডের ভোটারদের অন্তত ১০ শতাংশের উপস্থিতি থাকতে হবে। প্রতিটি দায়িত্বের জন্য কমিটি এবং প্রয়োজন হলে সাব-কমিটি গঠনের বিধানও রাখা হয়েছে।

গ্রাম সরকারের জন্য আলাদা তহবিল থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদ এবং অন্যান্য উৎস থেকে পাওয়া অর্থ ওই তহবিলে জমা হবে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বা নারী ভাইস চেয়ারম্যান, পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রাম সরকারের কাজ পরিদর্শন করতে পারবেন।

জেলা প্রশাসক তদন্তের পর প্রয়োজন মনে করলে গ্রাম সরকার বাতিলও করতে পারবেন। তবে তার আগে গ্রাম সরকারকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

গ্রাম সরকারের ইতিহাস

দেশে গ্রাম সরকার ব্যবস্থার সূচনা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের শাসনামলে হয়েছিল। গ্রামীণ জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বনির্ভরতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে তার সময়ে এ সরকার চালু হয়েছিল।

১৯৮০ সালের আইনের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে ব্যবস্থাটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন কর্মসূচির অন্যতম অংশ হিসেবে গ্রাম সরকার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী চালু করা হয়েছিল।

তবে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর গ্রাম সরকার ব্যবস্থা বেশিদিন টেকেনি। ১৯৮২ সালে এরশাদ সরকারের আমলে এটি বিলুপ্ত করা হয়। পরে গ্রাম পর্যায়ে স্থানীয় সরকার কাঠামো ফিরিয়ে আনতে ১৯৯৭ সালে ‘স্থানীয় সরকার (গ্রাম পরিষদ) আইন’ করা হয়। এরপর ২০০৩ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে নতুন করে ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০০৩’ করা হয়। আইনটি ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ সালে প্রণীত হয়।

এরপর ২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘গ্রাম সরকার (রহিতকরণ) বিল’ পাসের মাধ্যমে গ্রাম সরকার বাতিল করা হয়। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবির আশঙ্কা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবির আশঙ্কা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস,

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং সিনেট নির্বাচনে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বড় ধরনের জয়ের প্রত্যাশা করছে। নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে জরিপ এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস অপিনিয়ন'-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

গত জুলাই ও সেপ্টেম্বরে দেশের শীর্ষ ছয়জন জরিপকারী এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছিল। প্রথমে সেখানে ব্লু ওয়েভ বা ডেমোক্র্যাটিকদের শক্ত অবস্থান তৈরির ইঙ্গিত ছিল। তবে ভোটের শেষ মুহূর্তে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ বলছে, বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি অত্যন্ত অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ছয় বিশেষজ্ঞের মধ্যে পাঁচজনই পূর্বাভাস দিয়েছেন যে ডেমোক্র্যাটরা একই সঙ্গে হাউস এবং সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারে।

কংগ্রেসে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হাউসে মোট ২১৮টি আসনের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে হবে। অপরদিকে, বর্তমানে সিনেটের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্টের টাই-ব্রেকিং ভোটের বাধা পেরিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসন বেশি (কমপক্ষে ৫১টি আসন) পেতে হবে।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত জনপ্রিয়তার ধস, এমনকি আইওয়া, ক্যানসাস এবং টেক্সাসের মতো প্রথাগত রক্ষণশীল অঙ্গরাজ্যগুলোতেও ডেমোক্র্যাটদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করছে যে দলটি অন্তত ২৩৫ থেকে ২৪০টি হাউস আসন পেতে পারে।

জরিপের তথ্যানুযায়ী, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা যে পর্যায়ে নেমেছে, বাস্তবে পরিস্থিতি তার চেয়েও নাজুক। মাত্র ২০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার কর্মকাণ্ডে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন, যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশ নাগরিক সরাসরি তার তীব্র অসন্তোষ ও বিরোধিতা প্রকাশ করেছেন।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, নভেম্বরের এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে হয়তো ডেমোক্র্যাটরা সাময়িক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে, তবে এটি উভয় দলের জন্যই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ—বিশেষ করে রিপাবলিকান পার্টির জন্য পরিস্থিতি এখনই বেশ জটিলাকার ধারণ করেছে। সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহিলা দল নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের পদ স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


মহিলা দল নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের পদ স্থগিত

সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ, দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড এবং কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিনের দলীয় সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি আখরোজা বেগম সীমা ও সাধারণ সম্পাদক ফারজানা ইয়াসমিন রুমার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতিপরিপন্থি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাবিনা ইয়াসমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দিতে বলা হলেও তিনি তা না করে সময়ক্ষেপণ করেন। পরবর্তী সময়ে লিখিত জবাব দিলেও তা সাংগঠনিকভাবে সন্তোষজনক হয়নি।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুয়াকাটা পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদকের পদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) থেকে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেতন ১০ হাজার, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি রুপি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


বেতন ১০ হাজার, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি রুপি!

ভারতের রাজস্থানে ২২ বছর বয়সি এক যুবক মাসে ১০ হাজার রুপি বেতনে চাকরি করছেন। একদিন হঠাৎ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করার সময় তিনি দেখতে পান, সেখানে জমা রয়েছে ১০ হাজার কোটি রুপি!

তবে, তিনি সেই বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। কারণ, ব্যাংক হিসাবটিতে সঙ্গে সঙ্গেই অর্থ উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এর ফলে, তার নিজের জমানো ৫৫ হাজার রুপি আটকে যায়।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজস্থানের সিকার শহরের বাসিন্দা সামির খান যখন নিজের মুঠোফোনে প্রিপেইড রিচার্জ করতে যান, তখন তিনি ব্যাংক হিসাবের ব্যালেন্স পরীক্ষা করেন। তিনি সিকারের সালাসার বাসস্ট্যান্ডের কাছে নির্মল মেডিকেল পয়েন্টে কাজ করেন।

ব্যাংকিং অ্যাপে পিন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করার পর তিনি দেখেন, তার হিসাবের ব্যালেন্স শূন্য। পরে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থের উত্তোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এই বিষয়টি তিনি তার নিয়োগকর্তা ধীরাজ শর্মাকে জানান। এরপর দুজন সিকারের সাইবার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশ তাদের সরাসরি ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। ব্যাংকে যোগাযোগ করার পর জানানো হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।

পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কারিগরি ত্রুটি সংশোধন করে। একপর্যায়ে সামিরের ব্যাংক হিসাবে সঠিক ব্যালেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

সামির খান বলেন, ‘আমার হিসাবে আগে প্রায় ৫৫ হাজার রুপি ছিল। পরে জানতে পারি, ১০ হাজার কোটি রুপির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিজের জমানো টাকাও তুলতে পারছিলাম না। পুলিশের কাছে যাই এবং ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলি। পরে সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

তার নিয়োগকর্তা ধীরাজ শর্মা বলেন, ‘সামির জানুয়ারি থেকে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। তার মাসিক বেতন ১০ হাজার রুপি। সে যখন আমাকে ১০ হাজার কোটি রুপি নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়, তখন আমি হতবাক হয়ে যাই। জীবনে প্রথমবার এমন ঘটনা দেখলাম।’

ব্যাংকের কারিগরি ত্রুটির কারণে সামিরের হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ দেখানো হয়েছিল। তবে সেই অর্থের পাশাপাশি তার নিজের জমানো টাকাও সাময়িকভাবে আটকে যায়। পরে ব্যাংক ত্রুটি সংশোধন করে হিসাব স্বাভাবিক করে। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%