ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেতন ১০ হাজার, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি রুপি!


বেতন ১০ হাজার, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার কোটি রুপি!

ভারতের রাজস্থানে ২২ বছর বয়সি এক যুবক মাসে ১০ হাজার রুপি বেতনে চাকরি করছেন। একদিন হঠাৎ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করার সময় তিনি দেখতে পান, সেখানে জমা রয়েছে ১০ হাজার কোটি রুপি!

তবে, তিনি সেই বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। কারণ, ব্যাংক হিসাবটিতে সঙ্গে সঙ্গেই অর্থ উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এর ফলে, তার নিজের জমানো ৫৫ হাজার রুপি আটকে যায়।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজস্থানের সিকার শহরের বাসিন্দা সামির খান যখন নিজের মুঠোফোনে প্রিপেইড রিচার্জ করতে যান, তখন তিনি ব্যাংক হিসাবের ব্যালেন্স পরীক্ষা করেন। তিনি সিকারের সালাসার বাসস্ট্যান্ডের কাছে নির্মল মেডিকেল পয়েন্টে কাজ করেন।

আরও পড়ুন: হতাশা আর ক্ষোভ থেকে যেভাবে বদলে গেল ইসরায়েলের রাজনীতির সমীকরণ

ব্যাংকিং অ্যাপে পিন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করার পর তিনি দেখেন, তার হিসাবের ব্যালেন্স শূন্য। পরে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার কোটি রুপির বেশি অর্থের উত্তোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এই বিষয়টি তিনি তার নিয়োগকর্তা ধীরাজ শর্মাকে জানান। এরপর দুজন সিকারের সাইবার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশ তাদের সরাসরি ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়। ব্যাংকে যোগাযোগ করার পর জানানো হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।

পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কারিগরি ত্রুটি সংশোধন করে। একপর্যায়ে সামিরের ব্যাংক হিসাবে সঠিক ব্যালেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

সামির খান বলেন, ‘আমার হিসাবে আগে প্রায় ৫৫ হাজার রুপি ছিল। পরে জানতে পারি, ১০ হাজার কোটি রুপির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিজের জমানো টাকাও তুলতে পারছিলাম না। পুলিশের কাছে যাই এবং ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলি। পরে সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

আরও পড়ুন: আলোচনা উদ্যোগকে স্বাগত, তবে যুদ্ধের আশঙ্কা অস্বীকার করছে না আরাগচি : ইরান

তার নিয়োগকর্তা ধীরাজ শর্মা বলেন, ‘সামির জানুয়ারি থেকে আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। তার মাসিক বেতন ১০ হাজার রুপি। সে যখন আমাকে ১০ হাজার কোটি রুপি নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়, তখন আমি হতবাক হয়ে যাই। জীবনে প্রথমবার এমন ঘটনা দেখলাম।’

ব্যাংকের কারিগরি ত্রুটির কারণে সামিরের হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ দেখানো হয়েছিল। তবে সেই অর্থের পাশাপাশি তার নিজের জমানো টাকাও সাময়িকভাবে আটকে যায়। পরে ব্যাংক ত্রুটি সংশোধন করে হিসাব স্বাভাবিক করে। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, ১৩ জনে পাস মাত্র ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, ১৩ জনে পাস মাত্র ২

মাদারীপুর সদর উপজেলার মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে দেখা দিয়েছে চরম বিপর্যয়। চলতি বছরের পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখা থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র দুজন। অকৃতকার্য হয়েছেন বাকি ১১ জন। সে হিসাবে পাসের হার মাত্র ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের পর প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষকসংকট, নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা এবং সার্বিক একাডেমিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং বিষয়ভিত্তিক পাঠদানে ঘাটতির কারণে পরীক্ষার প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে, কয়েকজন শিক্ষকের দাবি, বেতন পরিশোধে অনিয়ম ও ক্লাস বণ্টনে অসংগতি থাকায় পাঠদান কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

২০২২ সালে কলেজ শাখার অনুমোদন

প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে তিনটি বিভাগ নিয়ে মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কলেজ শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে কলেজ শাখা চালুর পর থেকেই পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশিত পর্যায়ে না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাঁদের দাবি, আগের দুই বছরের ফলাফলও সন্তোষজনক ছিল না। চলতি বছরের ফলাফল সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি, শিক্ষকদের পাঠদান, শিক্ষকসংকট এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা জরুরি।

‘ঠিকমতো আইসিটি ক্লাস হয়নি’, শিক্ষার্থীর অভিযোগ

কলেজের শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের ঠিকমতো আইসিটি ক্লাস হয়নি। ক্লাসের জন্য প্রতিনিধিকে শিক্ষকদের ডাকতে হতো। একজন স্যার আরেকজন স্যারকে পাঠানোর চেষ্টা করতেন। প্রধান শিক্ষককে বারবার বলার পরও বিষয়টি সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ দেখিনি। বিনা মূল্যে ভর্তির কথা বলা হলেও পরে আমাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, কলেজে নিয়মিত ক্লাস হয় না এবং পর্যাপ্ত শিক্ষকও নেই। শিক্ষকদের বেতন পরিশোধে সমস্যা থাকায় কোনো কোনো শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নিতে আসেন না বলেও তাঁদের দাবি। এতে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বেতন ও ক্লাস বণ্টন নিয়ে শিক্ষকদের অসন্তোষ

প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষকও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁদের অভিযোগ, সময়মতো বেতন দেওয়া হয় না। পাশাপাশি কোন শিক্ষক কোন বিষয়ের ক্লাস নেবেন, তা যথাযথভাবে নির্ধারণ করা হয় না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখেই ক্লাস দেওয়া হয়।

এক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, “হিসাববিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা একজন শিক্ষককে ইংরেজি ক্লাস দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে অধ্যক্ষ স্থানীয় প্রভাবের কথা তুলে ধরেন বলে আমাদের অভিযোগ। এ কারণে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চান না। আমরা যেভাবে পাঠদান করতে চাই, সেভাবেও সব সময় সুযোগ পাই না।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা

ফলাফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়। ‘মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ’ নামের একটি পেজে ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন। কিছু মন্তব্যে প্রতিষ্ঠানটিকে ‘টিকটক কলেজ’ বলেও কটাক্ষ করা হয়।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব মন্তব্যের বাইরে গিয়ে ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অভিযোগ যাচাই এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

অধ্যক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তদন্তের আশ্বাস শিক্ষা কর্মকর্তার

এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ কাজী ওবায়দুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, “বিষয়টি আমরা দেখেছি এবং শুনেছি। মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ফলাফল একেবারেই খারাপ হয়েছে। কী কারণে এমন ফলাফল হয়েছে, তা আমরা খতিয়ে দেখব।”

মাত্র ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ পাসের এই ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এখন ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে শিক্ষা প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জ ৫ নম্বর ঘাট সড়কে ভ'য়া'ব'হ সড়ক দু*র্ঘ'ট'না!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


নারায়ণগঞ্জ ৫ নম্বর ঘাট সড়কে ভ

নারায়ণগঞ্জের চারারগোপ ৫ নম্বর ঘাট সড়কে একটি উৎসব পরিবহন বাসের সঙ্গে তিনটি মিশুকের ভ'য়া:ব'হ সং*ঘ'র্ষে/র ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বাসটি পার্কিংয়ে থাকা দুটি মিশুক এবং যাত্রীসহ চলাচলরত আরও একটি মিশুককে সজোরে ধা'ক্কা দেয়। মিশুকে থাকা দুই যাত্রী গুরুতর আ''হ'ত হন। দু*র্ঘট'নায় ওই দুই যাত্রীর পা বি'চ্ছি'ন্ন হয়ে যায় এবং মিশুকচালকের একটি হাত বি'চ্ছি'ন্ন হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

আ'হ'ত'দে'র দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের অবস্থা অত্যন্ত আ'শ'ঙ্কা'জ'ন'ক।

এমন ম'র্মা'ন্তি'ক দু*র্ঘট'না সত্যিই হৃদয়বিদারক। মহান আল্লাহ তায়ালা আ'হ'ত সকলকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন এবং তাঁদের পরিবারকে এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শক্তি দিন।

বিশেষ সতর্কমূলক: এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য পথচারী ও শিক্ষার্থী যাতায়াত করেন। ৫ নম্বর ঘাট সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সকল পথচারী ও শিক্ষার্থীদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ জানাচ্ছি। রাস্তা পারাপারে তাড়াহুড়ো করবেন না এবং যানবাহন চালকদেরও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

আপনার একটু সচেতনতাই বাঁচাতে পারে একটি মূল্যবান জীবন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গৌরীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

 

“নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায়

গৌরীপুর পৌর সভা ও গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক এবিএম কাউছার জামান।

গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি শাহজাহান কবির হিরার নেতৃত্বে অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচটি তোফাজ্জল, সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সিনিয়র সদস্য কাজী আব্দুল্লাহ আল আমিন, দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সম্মানিত সদস্য আনোয়ার হোসেন শাহীন, আলী হায়দার রবিন, রায়হান উদ্দিন সরকার, আরিফ আহাম্মেদ, কামাল উদ্দিন, আব্দুর রউফ দুদু, মতিউর রহমান, সুপক রঞ্জন উকিল, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, গোলাম মোস্তফা, আশিকুর রহমান আশিক ও শামীম আলভীসহ পৌরসভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অভিযানের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু অভিযান নয়, বরং নিয়মিতভাবে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, এখন বিএনপিতে ভেড়ার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


আ.লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, এখন বিএনপিতে ভেড়ার চেষ্টা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবার বিক্রি করা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি না করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন রুবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে জমি দখলের অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে চরজব্বর থানায় এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক (৫০)।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট রাস্তার মাথা এলাকার মৃত সাইদুল হক ও তার স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের কাছ থেকে ২০১০ সালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের নামে সরকারি বন্দোবস্তীয় ২৪ শতক জমি কেনেন তার চাচা সিরাজ মিয়া। জমি কেনার পর সেখানে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। নোটারি চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, সরকারি জরিপে বিএস খতিয়ানে জমিটি বিক্রেতাদের নামে সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত হলে তারা ক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রি করে দেবেন। একইভাবে সাইদুল হকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আলী আক্কাস, শাহাদাত হোসেন, জাহানারা বেগম ও বেলাল হোসেনসহ আরও কয়েকজন জমি কেনেন।

তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ১ মে সাইদুল হকের মৃত্যুর পর সরকারি জরিপে জমিটি তার ও স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের নামে বিএস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়। এরপর ওয়ারিশ হিসেবে তাদের ছেলেরা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিরাজ মিয়া ও অপরাপর ক্রেতাদের ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। এরই মধ্যে কিছু জমি দখলও করা হয়েছে ।

 একরামুল হক অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ২০ অক্টোবর সকালে দেলোয়ার হোসেন রুবেল (২৮), মো. শিপন (৪৫), মো. খোকন (৩৮) ও মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পুনরায় তার চাচা সিরাজ মিয়ার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, সাইদুল হকের ছেলেরা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় জমি দখল ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে ছবি তুলে নিজেদের নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তাদের। দেলোয়ার হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী একরামুল হক বলেন, জমির প্রকৃত ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে উল্টো তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন রুবেলের স্ত্রী মিলি আক্তার বলেন, তার স্বামীসহ পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জমির বৈধ কাগজপত্র তাদের পরিবারের নামে রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্বামীকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে।

চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা বলেন, সাইদুল হক জীবিত থাকাকালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সিরাজ মিয়াসহ কয়েকজনের কাছে ওই জমি বিক্রি করেন। পরে ক্রেতারা সেখানে দোকানপাট নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ভোগদখল করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সাইদুল হকের ছেলেরা একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং দুটি কক্ষ দখলও করে নেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে মামলা হলে শুনানি শেষে ক্রেতাদের পক্ষে রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে আবারও তারা দোকানপাটসহ ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, সিরাজ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 
তিনি আরও বলেন, রুবেলের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিং ও অপতৎপরতায় পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাকে চার-পাঁচ দিন আগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%