ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গ্রামীণফোন চালু করল দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র


গ্রামীণফোন চালু করল দেশের বৃহত্তম ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র

গ্রামীণফোন, দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, সম্প্রতি তাদের সিলেট ডেটা সেন্টারে ৩২৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতার একটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে। এই কেন্দ্রটি তাদের পরিচালিত অবকাঠামোজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জেডটিই, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) প্রদানকারী হিসেবে, গ্রামীণফোনের সাথে এই প্রকল্পে ৪৫০টি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের যেকোনো ডেটা সেন্টারে স্থাপিত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ।

নতুন চালু হওয়া এই সোলার প্ল্যান্ট থেকে বছরে ৩০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। এটি প্রতি বছর প্রায় ১৮৮ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমাবে। গ্রামীণফোনের লক্ষ্য হল ডেটা সেন্টারের পরিচালন কার্যক্রমে নবায়নযোগ্য শক্তিকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব কমিয়ে আনা এবং আরও টেকসই অবকাঠামোর মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ ও সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো। এই পদক্ষেপ কোম্পানির ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০% কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরও পড়ুন: স্মার্ট হাইটেক স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনের মাদারবোর্ড উৎপাদন শুরু

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান সিলেট ডেটা সেন্টারে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার আবুল কাসেম মহিউদ্দিন আল-আমিন, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক, চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান এবং জেডটিই বাংলাদেশ’র চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান মন্তব্য করেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা চলামান থাকায় আমরা এমনি একটি অবকাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি যা শুধু নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ-উপযোগীই হবে না, বরং পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকবে। ২০১৯ সালের ভিত্তি বছরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামীণফোনের কার্বন নির্গমন ৫০% কমিয়ে আনার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি আমরা। এই লক্ষ্য অর্জনে আমাদের ক্রমাগত পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং কার্যক্রমজুড়ে টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। আমাদের সিলেট ডেটা সেন্টারের সোলার প্ল্যান্টটি এই অগ্রযাত্রায় এক প্রায়োগিক পদক্ষেপ, যা কোটি কোটি গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত ডিজিটাল অবকাঠামোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমরা কীভাবে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারি তা তুলে ধরছে। আমাদের গ্রাহক, সমাজ ও পরিবেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করে এমন টেকসই ও উদ্ভাবনী সল্যুশনে আমরা বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব।”

জেডটিই বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাও জুন্যং বলেন, “কোন ডেটা সেন্টারে বাংলাদেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর এই উদ্যোগে গ্রামীণফোনের পার্টনার হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই প্রকল্পটি দেখায় যে কীভাবে উন্নত প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি একত্রিত হয়ে আরও জ্বালানি-সাশ্রয় ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে। ডেটা সেন্টারের কার্যক্রমে উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন সোলার সল্যুশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নির্গমন কমাতে সাহায্য করছি যা গ্রামীণফোনের টেকসই লক্ষ্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, এই যৌথ উদ্যোগ শিল্পখাতে একটি উদাহরণ তৈরি করবে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখবে।”

এই উদ্যোগটি গ্রামীণফোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে টেকসই বিষয়টিকে একীভূত করার এবং পরিচালন ও পরিবেশ উভয়ক্ষেত্রে সুফল দেবে এমন সল্যুশনে বিনিয়োগের ধারাবাহিক প্রয়াসের প্রতিফলন। নবায়নযোগ্য শক্তির বহুল ব্যবহার, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং দায়িত্বশীল সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কোম্পানিটি বাংলাদেশের জন্য এমন একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ তৈরিতে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে কার্বন নির্গমনের মাত্রা কম হবে।

আরও পড়ুন: গোদাগাড়ীর ১৬৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বন্ধ, শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ডাটা ব্যবহার করতে বাধ্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ থেকে মাইন সরানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, প্রমাণ চাইল আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


হরমুজ থেকে মাইন সরানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, প্রমাণ চাইল আইআরজিসি

হরমুজ প্রণালি থেকে সব সমুদ্র মাইন সরানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, তারা এই দাবির পক্ষে নিরপেক্ষ প্রমাণ হাজির করুক। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে আলজাজিরায়।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি মন্তব্য করেছেন, "হরমুজ থেকে মাইন অপসারণের দাবির পক্ষে কোনো বিবৃতির ওপর নির্ভর না করে স্বাধীন প্রমাণ হাজির করে তা প্রমাণ করুন।"

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে আরও বলেছেন, "হরমুজ প্রণালির বাস্তবতা আকাশে, স্থলে ও সমুদ্রে নির্ধারিত হয়—সাইবার জগতে কিংবা মার্কিন গণমাধ্যমের প্রচারণাকক্ষে নয়।"

এর আগে, আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করেছিল যে, হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তিনটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে গেছে।

তবে, ট্যাংকারগুলোতে আগুন লাগার ঘটনা এবং প্রণালিতে সমুদ্র মাইন থাকার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানভীর হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


তানভীর হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের

বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তানভীর হাসান তাসরিফের নির্মম হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ, গভীর শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ধারণ ও প্রকাশের বিষয়টি জড়িত।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক উল্লেখ করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী দেশপ্রেমিকদের একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে একটি বিশেষ কুচক্রী মহল। শহীদ তাসরিফের হত্যাকাণ্ডটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি মূলত জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধ্বংস করার এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষকদের স্তব্ধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি অবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা না হয় এবং জুলাইয়ের পক্ষে শক্তিগুলো সময়মতো সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে সামনের দিনগুলোতে জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের আরও মারাত্মক ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হবে। সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও জুলাই বিপ্লবের চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে এই কঠিন সময়ে সতর্ক ও জাগ্রত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের দাফনের পরদিন প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


মায়ের দাফনের পরদিন প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থাকা মো. খোরশেদ আলম দেশে ফিরে আসেন। তার মায়ের দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরদিন, চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে তার নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খোরশেদ আলম আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘটনার বিচার এবং নিজের নিরাপত্তা দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম জানান, তিনি ৪৯ বছর ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন। গত ১৯ অক্টোবর তার মায়ের মৃত্যু হলে পরদিন তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং দাফন সম্পন্ন করেন। এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে চান্দগাঁও থানার মোহাম্মদনগর ফরিদারপাড়া হালদা রোড এলাকায় তার নির্মাণাধীন ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর বেলা আড়াইটার দিকে মকসুদুল আলমের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করেন। এ সময় ভবনের দারোয়ান শাহজাহানকে মারধর করা হয় এবং ভবনের সিঁড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে।

খোরশেদ আলমের দাবি, হামলাকারীরা ভবন থেকে ২৬৭ বস্তা সিমেন্ট, সাড়ে তিন টন রড এবং প্রায় দুই লাখ টাকার সেন্টারিংয়ের কাঠসহ মোট প্রায় ছয় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এছাড়া ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে খোরশেদ আলম বলেন, "আমরা রেমিটেন্স যোদ্ধারা প্রবাসে তিলে তিলে অর্থ উপার্জন করে দেশে পাঠাই। যদি দেশে এসে আমাদের নিজেদের সম্পত্তি ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত না থাকে এবং এর সুষ্ঠু বিচার না পাই, তবে দেশের রেমিটেন্স সেক্টর মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।" তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বনবিভাগের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুবলার চরে ১২০০ মাছ ধরার ট্রলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


বনবিভাগের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দুবলার চরে ১২০০ মাছ ধরার ট্রলার

সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুম শুরুর পূর্বেই বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রায় ১২০০ মাছ ধরার ট্রলার একযোগে সেখানে চলে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এসব ট্রলার দুবলার চরের দিকে রওনা দেয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানানো হয়েছিল যে, অনুমতি ছাড়া সুন্দরবনে প্রবেশ করা যাবে না। এই ঘটনায় বন বিভাগের নজরদারি এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস বলেন, গত রাত থেকে চিলা বাজার ও জয়মনিঘোল এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছিল। মাইকিংয়ের মাধ্যমে জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় ১২০০ ট্রলার একযোগে যাত্রা করে দুবলার চরে চলে গেছে; জেলেরা বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানেননি।

বনবিভাগের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে সুন্দরবনের দুবলার চরে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ মাসব্যাপী শুঁটকি মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। এই মৌসুম চলবে আগামী বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত। নিয়ম অনুযায়ী, বন বিভাগের পাস-পারমিট নিয়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জেলেদের যাওয়ার কথা থাকলেও মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের যাত্রায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

প্রতি বছর শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চরের আলোরকোল, অফিসকেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে হাজারো জেলে ও মহাজনের সমাগম ঘটে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারও প্রায় ১০ হাজার জেলে ও মহাজনের সমাগম হবে। জেলেদের থাকার জন্য অস্থায়ী ঘর, মাছ শুকানোর চাতাল, দোকান ও মাছ কেনাবেচার ডিপো নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে। তবে এসব স্থাপনা নির্মাণের জন্য সুন্দরবনের গাছপালা কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

এদিকে দস্যু আতঙ্ক, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস এবং আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা নিয়ে মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছেন জেলেরা। গত মৌসুমে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ এখনো বিদ্যমান। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ায় ট্রলারডুবি এবং বৃষ্টিতে শুকাতে দেওয়া মাছ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, গত শুঁটকি মৌসুমে বন বিভাগের রাজস্ব আদায় হয়েছিল সাড়ে সাত কোটি টাকা। এবার আট কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের কারণে জেলে-মহাজনদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আদায়েও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মৌসুম শুরুর আগে বিপুলসংখ্যক ট্রলারের দুবলার চরে চলে যাওয়ার এই ঘটনায় বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা, অনুমতিপত্র যাচাই এবং সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Ñএমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%