ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনশেড


মাদারীপুরে পরিত্যক্ত ঘরে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেল টিনশেড

মাদারীপুরে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ঘরটির একটি বড় অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এটি মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিকরহাটি এলাকায় বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে কোরআনের আলোয় আলোকিত ৫ শিক্ষার্থী, ফয়জুল কোরআন ইসলামী একাডেমির সংবর্ধনা

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাশকতা অথবা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ ঝিকরহাটি এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম খান প্রায় সাত বছর ধরে খুলনায় বসবাস করছেন।

 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করেন। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ঘর থেকে হঠাৎ করে বিকট শব্দ শোনা যায়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে ধোঁয়া ও পোড়া গন্ধ অনুভব করেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে ১৮টি ভারতীয় কম্বলসহ যুবক গ্রেপ্তার

 

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা জানান, হাতবোমা বিস্ফোরণের ফলে পরিত্যক্ত ঘরটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আরও পড়ুন: রংপুরে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ জন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব: জনজীবন অতিষ্ঠ, গরমে কাবু শিশু ও বৃদ্ধরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


গোমস্তাপুরে লোডশেডিংয়ের তাণ্ডব: জনজীবন অতিষ্ঠ, গরমে কাবু শিশু ও বৃদ্ধরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। দিনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অতিরিক্ত গরমে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরে গোমস্তাপুর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুতের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। দিনে-রাতে মিলিয়ে মাত্র ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম ধস নেমেছে। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, রাইস মিল, ওয়েল্ডিং কারখানা, ফটোকপি ও কম্পিউটার কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা অলস সময় কাটাচ্ছেন, ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁরা।

তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে এই রেকর্ড পরিমাণ লোডশেডিংয়ের কারণে এলাকাবাসী চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিশেষ করে শিশু এবং বয়োবৃদ্ধরা হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং স্থানীয় ক্লিনিকগুলোতে গরমজনিত রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে, লোডশেডিংয়ের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এবং গরমে পড়ার টেবিলে বসা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামনে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকলেও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন না।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, "দিনে-রাতে কতবার যে বিদ্যুৎ যায় আর আসে, তার হিসাব নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেকের বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরমে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে, আর বাচ্চাদের পড়ালেখার তো চরম ক্ষতি হচ্ছে।"

বিদ্যুৎ বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানান, চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ না পাওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকেই সরবরাহ কম রয়েছে। তবে তাঁরা আশ্বস্ত করেন যে, এ সংকট দ্রুত কাটিয়ে উঠে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে জনজীবনকে দুর্ভোগ মুক্ত করার জন্য গোমস্তাপুরের ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-সৌদি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


বাংলাদেশ-সৌদি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার

বাংলাদেশ ও সৌদি আরব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পারস্পরিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকের সময়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। উভয় পক্ষই তাদের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং এই অংশীদারিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর দুই দেশের মধ্যে একাধিক উচ্চ পর্যায়ের সফর হয়েছে, যা বিভিন্ন খাতে সার্বিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

 

তিনি অদূর ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য আরো উচ্চ পর্যায়ের সফরের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক সৌদি আরবের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত সম্পর্কগুলোর একটি। তিনি অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়ছে এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা আরো সম্প্রসারণে আগ্রহী সৌদি আরব।

এ সময়, সৌদি আরবের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মূল্যবান অবদানের প্রশংসা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই

কুয়েত ও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। 

পাকিস্তান সফররত কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় জোরদার, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রস্তুতি ও সক্ষমতার মাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অপারেশনাল সমন্বয় জোরদার, সামরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সক্ষমতার মাত্রা বাড়ানো।

এছাড়া প্রতিরক্ষা ও সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান ও কুয়েত। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

বাড়ছে পাকিস্তানের উপসাগরীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
কুয়েতের সঙ্গে নতুন এই চুক্তি পাকিস্তানের উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের ধারাবাহিকতায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে চলতি মাসেই পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও কুয়েতের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

পাকিস্তানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে।

নতুন চুক্তির ফলে এসব সহযোগিতা আরও কাঠামোবদ্ধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামরিক প্রস্তুতি ও সমন্বয়ে গুরুত্ব
চুক্তিতে বিশেষভাবে সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি, সমন্বয় ও পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দুই দেশের সামরিক বাহিনী নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ পাবে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

পাকিস্তান ও কুয়েত উভয় পক্ষই জানিয়েছে, তারা দুই দেশের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণে আগ্রহী।

এর ফলে শুধু সামরিক পর্যায়েই নয়, দুই দেশের সামগ্রিক কৌশলগত সম্পর্কও আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪০ হাজার মানুষের জন্য এক পাতিলে রান্না ১০১ মণ চালের তবারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


৪০ হাজার মানুষের জন্য এক পাতিলে রান্না ১০১ মণ চালের তবারক

একটি বিশাল আকৃতির পাতিলের মধ্যে রান্না করা হচ্ছে ১০১ মণ চালের তবারক।

 

মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাজারো মানুষ ভিড় করেছেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে। প্রায় ৪০ হাজার ভক্ত-আশেকানের জন্য একসঙ্গে চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে রান্না করা হয়েছে এই তবারক।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার জাবরা ইমামবাড়ি দরবার শরিফের ১০৬তম ওরস মাহফিল উপলক্ষে এই আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রধান বাবুর্চিসহ ৩০ জন মিলে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে তবারক রান্নার কাজ সম্পন্ন করেন।

 

দুপুরের পর থেকে আগত ভক্ত-আশেকান ও দর্শনার্থীদের মধ্যে তবারক বিতরণ শুরু হয়।

দরবারের দায়িত্বপ্রাপ্ত পীর সাহেব মাওলানা আবুল কালাম আল চিশতি জানান, প্রায় নয় বছর আগে নাটোরে এক ভক্তের বাড়িতে অবস্থানকালে রাতে স্বপ্নে এ ধরনের একটি পাতিলে তবারক রান্নার বিষয়টি তাঁর মনে আসে। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে দুই মিস্ত্রির মাধ্যমে প্রায় চার মাস ধরে পাতিলটি তৈরি করা হয়। এরপর ভারতের আজমীর শরিফের খাদেমের ফর্মুলা ও অনুমতি নিয়ে এতে তবারক রান্না শুরু করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, পাতিলটি স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) দিয়ে তৈরি করতে প্রায় সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে। পরে ১২ হাজার ইট দিয়ে এর জন্য বিশেষ একটি বিশাল চুলা নির্মাণ করা হয়। চুলার এক পাশে সুড়ঙ্গ করে জ্বালানি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বছরে মূলত দুইবার এ পাতিলে তবারক রান্না করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের আশায় এ তবারক গ্রহণ করেন।

 

এ আয়োজনের খরচ মূলত ভক্তরাই বহন করেন।

প্রধান বাবুর্চি সাইফুল ইসলাম বলেন, পীর সাহেবের নির্দেশনায় তিনি রান্নার কাজ করেন। এবারের পাতিলে ৩৬ মণ চাল, ২০ মণ সবজি, ছয় মণ ডাল, আট মণ ঘি, দুই বস্তা লবণ ও প্রয়োজনীয় মসলা দেওয়া হয়েছে। পাতিলের মাঝখানে মোটরের সাহায্যে চাল, ডালসহ উপকরণ মেশানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, একসঙ্গে এত পরিমাণ চাল ও ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্নার জন্য ব্যবহৃত এ পাতিলে দেশের সবচেয়ে বড় রান্নার ড্যাগ।

দরবারে আসা কয়েকজন নারী ভক্ত জানান, তাঁদের সন্তান হচ্ছিল না। পরে এ বিশাল পাতিলে রান্না করা তবারক খাওয়ার পর তাঁরা সন্তান লাভ করেছেন। তাঁদের মতো আরো অনেকে তবারক খেয়ে রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের কথা জানিয়েছেন।

ভক্তরা জানান, সন্তান লাভ, মনের আশা পূরণ ও বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তির আশায় অনেকে এ তবারক গ্রহণ করতে আসেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%