শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৪ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে বাংলা সিনেমার সোনালি দিন ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, উত্তমকুমারের সময়ের মতো বাংলা ছবিগুলি আবারও সারা দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করুক। এই লক্ষ্যে টালিউডের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সবকিছু দেওয়ার আশ্বাস দেন শুভেন্দু। প্রয়োজনে আইন সংশোধনেও তিনি রাজি আছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নন্দনে উত্তম স্মরণে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। তবে তিনি নিজে কোনো কর্মসূচি শুরু না করে চলচ্চিত্র তারকাদের সামনে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকালে সামাজিক মাধ্যমে উত্তমকুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি লিখেছেন— 'ইনস্টাগ্রাম-যুগের আগে একজন অভিনেতা মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করতেন। আজ তার ১০০তম জন্মশতবার্ষিকী। মহানায়ককে আমার শ্রদ্ধা।'
যদি উত্তমকুমার বেঁচে থাকতেন, তবে বৃহস্পতিবারই তার ১০০ বছর পূর্ণ হতো। তবে তিনি না থেকেও আজও বাঙালির অন্যতম সেরা আইকন, এ দিনটির উন্মাদনা তা আবারও প্রমাণ করে। সকালের অনুষ্ঠানে মাল্যদান করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আগে ডাকা হলেও, তিনি প্রবীণ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব রঞ্জিত মল্লিককে এগিয়ে দেন।
সন্ধ্যায় একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে মিউজিয়ামের পাশ দিয়ে নন্দনে এসে শেষ হয়। এই পদযাত্রায় তারকাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। নন্দনে উত্তমবিষয়ক একটি প্রদর্শনীর সূচনা হয়। সেখানেও আনুষ্ঠানিক সূচনার জন্য শুভেন্দুকে ডাকা হলে, তিনি অভিনেতা জিৎকে ফিতে কাটার জন্য এগিয়ে দেন। পরে মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তমের জন্মশতবর্ষে বাংলার মানুষ তার উপরে মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভার তুলে দেওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। ক্ষমতায় আসার পর মহানায়কের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বর্তমানে শুনি— দক্ষিণ ভারতের ছবি রাজত্ব করছে। তার উপরে রয়েছে বলিউডের ছবি। তবে মহানায়কের যুগে টালিউডই দেশে রাজত্ব করত। আমি চাই, সেই দিন ফিরে আসুক। বলিউডের ছবির উপরে রাজত্ব করবে টালিউড।’
তিনি আরও বলেন, "আপনারা আলোচনা করে আমাকে বলুন— তার জন্য কী চাই, আমি তাই দেব। আমরা দুহাত দিয়ে আপনাদের সঙ্গে থাকব। আমাকে বাজেট দিন, আমি অর্থ অনুমোদন করে দেব। পরিকল্পনা বলুন, ছাড়পত্র দিয়ে দেব। প্রয়োজনে আইন বদলে দেব, যা লাগবে বলুন, ব্যবস্থা করে দেব।"
অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী জানান, তিনি চান এখানে যারা শুটিং করতে আসবেন, তাদের ৩০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হোক। তিনি বলেন, "আমি সবার সঙ্গে কথা বলে শুভেন্দুদার কাছে পরিকল্পনা নিয়ে যাব। তিনি অনুমোদন দিলেই হবে। তবে ভর্তুকি আমরা নগদে দেব না, কর বা অন্য কিছুর সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করে দেব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের ব্যস্ততম সাথী সিনেমা হলের সামনের সড়কের ঢালাই কাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত খোয়ার মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে উন্নয়নকাজ চললেও সেখানে মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে না। ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য সড়কের পাশে রাখা খোয়ার মধ্যে নিম্নমানের ও ভাঙাচোরা ইটের খোয়া দেখা যাচ্ছে বলে তারা দাবি করেছেন।
তাদের আশঙ্কা, নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করে ঢালাই করা হলে সড়কের স্থায়িত্ব কমে যেতে পারে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কে ফাটল, ভাঙন কিংবা গর্ত সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এতে সরকারি অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়বে পথচারী ও যানবাহন চালকদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাথী সিনেমা হলের সামনের সড়কটি মধুপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত একটি সড়ক। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ ও যানবাহন এ পথ ব্যবহার করেন। ফলে এ সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে ব্যবহৃত ইটের খোয়ার মান পরীক্ষা করুক। পাশাপাশি প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা ও নির্মাণ specifications অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, সেটিও তদারকির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য ত্রাণ, পুনর্বাসন ও মানবিক সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশ ১০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা) প্রদান করেছে।
এ তথ্য বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভাণ্ডারীর কাছে বাংলাদেশের এই সহায়তার বার্তা পৌঁছে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর কাছে পাঠানো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি চিঠিও রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেন।
চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি, নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত ১০ লাখ ডলারের অর্থ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়া হবে। এই অর্থ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চলমান ত্রাণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় নেপাল দূতাবাসে খোলা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন হুমায়ুন কবির। সেখানে তিনি ভয়াবহ দুর্যোগে প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের গভীর সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করেন।
এছাড়া, গত ২৭ আগস্ট নেপালে ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদেও একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাংলাবাজারে ব্যবসায়ী সবুজকে ঘিরে নকল পণ্য, ব্যবসায়িক অনিয়ম ও সম্পদ অর্জন নিয়ে অভিযোগ, কয়েকটি বিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত।
একসময় আর্থিকভাবে সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা সবুজ কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদ ও বিত্ত-বৈভবের মালিক হলেন, তা নিয়ে বরিশাল নগরীর বাংলাবাজার ও সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ এবং প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে নামে ‘তালাশ বিডি’। অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যবসায়িক লেনদেন, পণ্যের মান, সম্পদ অর্জন এবং আরও কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের সবকটির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শৈশবেই পিতাকে হারান সবুজ। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি নানার এক ভাইয়ের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠেন বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে।
পরবর্তী সময়ে তার চাচাতো মামা বিপ্লবের স্যানিটারি সামগ্রীর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন সবুজ। দীর্ঘ সময় তিনি ওই ব্যবসার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য।
তবে একপর্যায়ে ব্যবসার হিসাব-নিকাশ ও মালামাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যবসার জমা-খরচের হিসাব এবং কিছু মালামালের বিষয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সবুজ ও তার মামা বিপ্লবের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগও করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে সবুজকে ওই ব্যবসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তবে ওই সময়ের ঘটনাগুলো সম্পর্কে অভিযুক্ত পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে ইলেকট্রিক পণ্যের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সবুজ কীভাবে অল্প সময়ে উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক হলেন, এ বিষয়টি নিয়েই স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
বাংলাবাজার এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, পুরান ঢাকার নবাবপুর থেকে নিম্নমানের বা নামসর্বস্ব ব্র্যান্ডের কিছু ইলেকট্রিক পণ্য সংগ্রহ করে সেগুলো বরিশালের বাজারে বিক্রি করা হয়।
তাদের আরও অভিযোগ, কিছু পণ্য ক্রেতাদের কাছে মূল বা উন্নতমানের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে।
তবে এসব পণ্য প্রকৃতপক্ষে নকল বা ভেজাল কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পণ্যের নমুনা পরীক্ষা এবং প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে ‘তালাশ বিডি’র অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
‘তালাশ বিডি’র অনুসন্ধানী টিম সবুজের ব্যবসা, সম্পদ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে।
অনুসন্ধানে বরিশালের রূপাতলী ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট কেনার তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই এলাকায় জমি বা অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের বিষয়েও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
এসব সম্পদ সবুজের নিজ নামে, নাকি অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে এবং এগুলোর অর্থের উৎস কী, তা নিশ্চিত করতে দলিলপত্র, রেজিস্ট্রি ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই প্রয়োজন।
সবুজের ইলেকট্রিক মালামাল সংরক্ষণের একটি গোডাউনকে ঘিরেও একটি গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একটি বিশেষ সূত্রের দাবি, ওই গোডাউনকে ব্যবহার করে গোপনে মাদকের চালান সংক্রান্ত লেনদেন করা হয়ে থাকে।
তবে এই অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এখনো ‘তালাশ বিডি’র হাতে আসেনি। ফলে বিষয়টিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না।
অভিযোগটির সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট স্থান, সময়, ব্যক্তি ও নথিপত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
## *অভিযোগের বিষয়ে সবুজের বক্তব্য*
প্রতিবেদন প্রকাশের আগে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত সবুজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি কোনো সাড়া দেননি।
তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
## *যেসব বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে*
সবুজের অল্প সময়ে সম্পদ বৃদ্ধির উৎস, ইলেকট্রিক পণ্যের প্রকৃত মান ও উৎস, নিম্নমানের বা নকল পণ্য আসল পণ্য হিসেবে বিক্রির অভিযোগ, ব্যবসায়িক লেনদেন ও হিসাব-নিকাশ নিয়ে পূর্বের বিরোধ এবং রূপাতলী ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকায় জমি ও ফ্ল্যাট কেনার তথ্য যাচাই করছে ‘তালাশ বিডি’।
একইসঙ্গে এসব সম্পদের মালিকানা ও অর্থের উৎস, গোডাউনকে ঘিরে ওঠা মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা এবং এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর কোনোটি এখনো আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করছে না ‘তালাশ বিডি’। অভিযোগ, নথি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করেই অনুসন্ধান এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পর্বে আরও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তৃতীয় পর্ব আসছে খুব শিগগিরই…
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ