বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪০ পি.এম
একই বিসিএস ব্যাচের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেলেও, শিক্ষা ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে প্রভাষক পদে আটকে আছেন, এমন অভিযোগ করেছেন পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিনের পদোন্নতি জট এবং আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে গত ২৫ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ৩৬তম, ৩৭তম ও ৩৮তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
কর্মসূচির মাধ্যমে তারা সরকারের কাছে দ্রুত পদোন্নতির আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রদান এবং পদস্বল্পতা নিরসনে অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির দাবি জানান। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের মতে, অন্য ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৪ সালে এবং ৩৮তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৬ সালে ষষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের অনেক কর্মকর্তা এখনো নবম গ্রেডের প্রভাষক পদে কর্মরত রয়েছেন। ফলে একই বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে পদমর্যাদা, আর্থিক সুবিধা ও পেশাগত অগ্রগতিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
তাদের অভিযোগ, শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সংকট দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে এক দফায় ১ হাজার ৮৭০ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে যোগ্য অনেক কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩৭তম বিসিএসের পদোন্নতি নিয়ে গত ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সভার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও পদোন্নতির সরকারি আদেশ বা জিও জারি হয়নি বলে তাদের দাবি।
ডিপিসির সুপারিশের ভিত্তিতে যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি এবং প্রযোজ্য বিধিমালা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শিক্ষা ক্যাডারে অনুমোদিত পদের তুলনায় উচ্চতর পদের সংখ্যা কম থাকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে জট তৈরি হচ্ছে। মাউশির তথ্য অনুযায়ী, প্রভাষক পদ রয়েছে ৯ হাজার ৭৮২টি, কিন্তু সহকারী অধ্যাপক পদ মাত্র ৪ হাজার ৪৫১টি।
এই সংকটের সমাধানে সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে ২ হাজার ৮২৩টি সুপারনিউমারারি বা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জানুয়ারি এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
চার দফা দাবি
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ডিপিসির সুপারিশের আলোকে ৩৭তম বিসিএসসহ যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা, সুপারনিউমারারি (অতিরিক্ত) পদ সৃষ্টি ও বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ।
কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, পদোন্নতি জট দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষা ক্যাডারে পেশাগত হতাশা ও বৈষম্য আরও বাড়বে। তাদের মতে, পদস্বল্পতা নিরসন এবং নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের ব্যর্থতার পর, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালির নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়ে পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গিয়োম ফোরি বুধবার সাংবাদিকদের জানান।
এয়ারবাসের প্রতিনিধিত্বকারী জার্মানি ও স্পেন ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ প্রকল্পে যুক্ত ছিল। যুদ্ধবিমানের নকশা নিয়ে মতবিরোধের কারণে প্রকল্পটি সফল হয়নি। ফোরি বলেন, জার্মান সরকার বর্তমানে সম্ভাব্য ‘অংশীদারত্ব’ নিয়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে।
প্যারিস থেকে এএফপি জানাচ্ছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অনলাইন আলোচনায় এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী জানান, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালির সঙ্গে গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রামে (জিসিএপি) যোগ দেওয়া একটি ‘সম্ভাব্য’ সমাধান হতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ছাড়া আরও বিকল্প রয়েছে।
২০৩৫ সালের মধ্যে যুদ্ধবিমানটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করার লক্ষ্যে তিন দেশ ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে ৫৫০ কোটি ডলারের বেশি বরাদ্দ করেছে। কানাডা এই কর্মসূচিতে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছে।
ফোরি বলেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমরা জার্মান ও স্পেনের সরকারের সঙ্গে কাজ করছি এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি। এই যুদ্ধবিমান অবশ্যই ইউরোপে এবং ইউরোপের জন্য তৈরি হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মূলত, এয়ারবাস এখনো বিশ্বাস করে যে ইউরোপে যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করা প্রয়োজন। আমরা ইউরোপের জন্য সেই সমাধানের অংশ হতে চাই।’
ফোরি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারগুলোর উপর বর্তায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘খুব বেশি দেরি না করেই’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ গত জুনে ভেস্তে যায়। প্রকল্পে ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্বকারী দাসো অ্যাভিয়েশন যুদ্ধবিমানের নকশা নিয়ে এয়ারবাস ও জার্মান সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
এরপর দাসো ফরাসি রাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে একক উদ্যোগে যুদ্ধবিমান তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। নতুন বিমানটি ফ্রান্সের বর্তমান রাফাল যুদ্ধবিমানের স্থলাভিষিক্ত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত হবে। তবে ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্থান পরিবর্তন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও জানান, শুধুমাত্র স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হবে।
গত ২৯ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে থাকায় অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়।
পরে নতুন করে ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয় ৩১ অক্টোবর। প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরবেন। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৫-২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশের প্রস্তাব করে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর তারিখ চূড়ান্ত করা হলো।
এ বছর সারা দেশে একযোগে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের পরীক্ষা শেষ করতে আরো সময় লেগে যায়।
এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি)/এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাট আনছারিয়া ফাজিল মাদরাসা ভোটকেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
জাল ভোট দিতে এসে আটক তিনজন হলেন—হিমেল, সিয়াম ও মিনহাজ। তাদের মধ্যে হিমেল আলিম দ্বিতীয় বর্ষে এবং সিয়াম ও মিনহাজ আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মুহাম্মদ আবু সায়েম।
তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় তিনজন ভুয়া ভোটারকে শনাক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ ভোট পড়ে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভূল্লী উপজেলায় ৩৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২৪৯ জন ও নারী ৩৮ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেনকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।
পরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এরপর এ আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ