মোঃ জিয়াউর রহমান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৩ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ ভোট পড়ে।
দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভূল্লী উপজেলায় ৩৯টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২৪৯ জন ও নারী ৩৮ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম, মো. আবদুল আলীম নিজামী এবং হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেনকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তে বিএনপির মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচজন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।
পরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। এরপর এ আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটি বাংলাদেশ দলের জন্য ভালো কাটলেও, দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তারা ব্যাটিং ধসের সম্মুখীন হয়েছে। ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করার পর, টাইগাররা মাত্র ৫৯ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে। তবে, বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ধসের পেছনে ব্যাটারদের দায়ের তুলনায় উইন্ডিজ বোলারদের কৃতিত্ব বেশি রয়েছে।
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের প্রথম ৩ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা। এই উইকেটগুলোর মাধ্যমে উইন্ডিজ একটি সুযোগ পেয়ে যায়। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে উঠবে, এটি পূর্বাভাস করা সম্ভব ছিল। প্রথম দিনের তুলনায় এই পিচে অনেক বেশি টার্ন দেখা যাচ্ছে। তাই, দ্বিতীয় দিন শুরু থেকেই স্পিন বোলিং নিয়ে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা সাফল্যও অর্জন করেছে। উইন্ডিজের দুই স্পিনার, ওয়ারিক্যান এবং বিশপ, দুজনেই উইকেট থেকে যথেষ্ট সহায়তা পেয়েছেন।
শামার জোসেফ পরপর দুই ওভারে দুটি উইকেট নিয়ে ব্যাটিং ধসকে আরও ত্বরান্বিত করেন। তিনি সকালের ময়েশ্চার এবং নতুন বলের সুবিধা গ্রহণ করেছেন। আর শেষদিকে, ওয়ারিক্যান চাপ দিয়ে বোলারদের উইকেট তুলে নেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে বোলারদের অফস্ট্রাইকে যাওয়ার সুযোগ তিনি দেননি। ফলে, লিটনকে অন্য পাশে রেখে সফরকারীরা বাংলাদেশকে অলআউট করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশকে দ্রুত গুড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে উইন্ডিজ বোলারদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং এবং কন্ডিশন বোঝার ক্ষমতাকে কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা কন্ডিশন বুঝতে পেরে দিনের প্রথম থেকেই স্পিনার এনেছে। আবার নতুন বলে এক প্রান্ত থেকে পেস বোলিং আক্রমণও চালিয়েছে। নিচের দিকের দুই-একজন ব্যাটার কিছু ভুল করলেও, বেশিরভাগ উইকেটই ভালো পরিকল্পনা এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের দুই ঘণ্টা পর পোশাকশ্রমিকেরা সেখান থেকে সরে গেছেন। শ্রমিকেরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার ফলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তারা মাসিক বেতন ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে পোশাকশ্রমিকেরা সড়ক ছাড়েন।
এর আগে পল্লবী ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সাজিয়া আফরোজ জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করেন। তবে কোন কোন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানার কয়েকশ শ্রমিক তাদের মাসিক বেতন ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে সেখানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার বলেন, ‘ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা মিরপুর-১০ নম্বরে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, ‘ফার্মগেট থেকে মিরপুর-১০ নম্বর পর্যন্ত তীব্র যানজট লেগে রয়েছে। গোলচত্বর এলাকায় যান চলাচল সীমিত রাখায় যানজট আরও বেড়েছে।’ এদিকে মিরপুর ট্রাফিক ডিভিশনের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়েছে, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের জন্য এই মুহূর্তে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে আকাশ মেঘলা হয়ে রয়েছে, মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এমন প্রতিকূল আবহাওয়া ও অলস পরিবেশের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচন জমে উঠেছে। বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল ঢিলেঢালা, এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অলস সময় কাটানোর দৃশ্য দেখা গেছে, তবে কিছু নির্দিষ্ট কেন্দ্রে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মী নারী ভোটারদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪৮ নম্বর ‘দৌলতপুর সোলেমান খান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ কেন্দ্রে গিয়ে একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম, তবে নারী ভোটারদের মধ্যে লাইন ও উৎসাহ ছিল উল্লেখযোগ্য।
ভোট প্রদান শেষে সাধুপাড়ার শেফালী রানী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "কেন্দ্রে এসে খুব ভালো লাগছে। পরিবেশ বেশ শান্ত ও সুন্দর, কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভোট দিতে পেরেছি।" একই কেন্দ্রে পদ্মারানী ও অঞ্জনাদের মতো অনেক নারী ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার মো. রিজওয়ানুল হক জানান, মোট ৩ হাজার ৫ জন ভোটারের মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৬৫০টি ভোট (প্রায় ২০%) কাস্ট হয়েছে, যার বড় একটি অংশই নারী ভোটার।
উল্লেখ্য, সংসদীয় আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চললেও সামগ্রিক উপস্থিতি আশানুরূপ না হওয়ায় অনেক কেন্দ্রেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অলস সময় কাটিয়েছেন। তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স কেন্দ্রে পৌঁছানোর পরই তাদের নড়েচড়ে বসতে দেখা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার কারণে সরকার তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের ওএসডি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এই কর্মকর্তাগণ ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া, এবং তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার সময় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। দুদকের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়, যার ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মামলা করা হয়।
ওএসডি হওয়া তিন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন— জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার সময় অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। তবে সরকারি নথিতে তাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও জালিয়াতির তথ্য উঠে এসেছে।
দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, নথিপত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ছয় প্রার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এই তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন উপসচিব পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলার ধারাবাহিকতায় এবার ওএসডি করার সিদ্ধান্ত নেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
অন্য তিন কর্মকর্তা এখনো অন্য ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুদকের মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের ফলে সরকারি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়টি আবারো সামনে এসেছে।
আওয়ামী আমলে বিসিএসে নজিরবিহীন জালিয়াতি নিয়ে ‘আমার দেশ’ সংবাদ প্রকাশ করে চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল। সব ধরনের নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অকৃতকার্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)।
২৯, ৩০ ও ৩১তম বিসিএসে সরাসরি ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয় অন্তত ৬২ জনকে। সিভিল সার্ভিসের ইতিহাসে এমন জালিয়াতি আগে কখনো দেখা যায়নি বলে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ