বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৯ পি.এম
শ্রীলঙ্কার সোনাল দিনুশা আইসিসি অগাস্ট মাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, বাংলাদেশি হাসান মাহমুদ এবং ইংল্যান্ডের ওলি রবিনসনকে পেছনে ফেলে।
নারী বিভাগে সেরা হয়েছেন আইল অব ম্যানের লুসি বার্নেট। তিনি থাইল্যান্ডের সুলিপুরান লাওমি ও নান্নাপাত কনচারোয়েনকাইকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মত আইসিসি মাস সেরা হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) গত মাসের সেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করে।
২৫ বছর বয়সী দিনুশা গত মাসে ভারতের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দুই টেস্টে ব্যাট হাতে অসাধারণ পারফরমেন্স প্রদর্শন করেন। তিনি ৪ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি করেন। গল-এ সিরিজের প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কা হারলেও দিনুশা দুই ইনিংসে ১০০ ও ৮৪ রান করেন।
কলম্বোতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে দিনুশা সেঞ্চুরি করেন। টেস্টের দুই ইনিংসে তার ১০৩ ও অনবদ্য ১৩৩ রানের ইনিংসে শ্রীলঙ্কা নিশ্চিত হার এড়িয়ে টেস্ট ড্র করে।
গত মাসে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন হাসান। তিনি প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে ৬ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন। টাইগারদের ৯ উইকেটে জয়ের ম্যাচে তিনি সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান।
ম্যাকাইয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে এক ইনিংসে উইকেটশূন্য থাকলেও সিরিজে ১৭৮ রানে ১৯.৭৭ গড়ে ৯ উইকেট নিয়ে মাস সেরার দৌড়ে স্থান করে নিয়েছিলেন হাসান।
গেল মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্টে ১৬ উইকেট নিয়ে মাস সেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন রবিনসন।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ’র চেয়ারম্যান এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা মন্তব্য করেছেন, "নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার অভূতপূর্ব অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নারী শুধুমাত্র চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে সক্ষম, যার উজ্জ্বল উদাহরণ বেগম খালেদা জিয়া নিজেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "আজকের এই পুরস্কার শুধু একটি ট্রফি, মেডেল বা সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি তোমাদের অমানুষিক পরিশ্রম, গভীর মনোযোগ এবং স্বপ্নের একটি স্বীকৃতি।" শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছে যে, ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব।
মনা আরও উল্লেখ করেছেন, "আগামী দিনের বাংলাদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব তোমাদের কাঁধেই বর্তাবে।" খুলনাকে একটি সমৃদ্ধ, আধুনিক ও বসবাসের উপযোগী স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কেডিএ কাজ করে যাচ্ছে, এবং এজন্য তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়া সবচেয়ে জরুরি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সততা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ যেন তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হয়।" বর্তমান যুগে প্রযুক্তির সঠিক ও ইতিবাচক ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মেধাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে সাহায্য করবে, এবং একে অপব্যবহার না করে জ্ঞান অর্জনের হাতিয়ার বানানোর পরামর্শ দেন। নিজের অর্জনকে শুধুমাত্র নিজের উন্নতির জন্য নয়, বরং পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান তুহিন, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব সাজ্জাদ আহসান পরাগ, ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী লাবু বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা শহর হোসেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. বশির উদ্দিন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার বৈরাগীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিষেক শর্মা আফগানিস্তানের বোলারদের বিরুদ্ধে একের পর এক বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই ওপেনারের খুনে ব্যাটিংয়ে ভারতীয়দের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।
বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে এই অসাধারণ কীর্তি স্থাপন করেন অভিষেক। তিনি ১০ ছক্কা ও ৯ চারের সাহায্যে মাত্র ৩০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে পূর্বে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি রোহিত শর্মার দখলে ছিল। ২০১৭ সালে ইন্দোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন রোহিত।
আউট হওয়ার পূর্বে অভিষেক ৩৪ বলে ১১ ছক্কা ও ৯ চারের মাধ্যমে ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন।
বিস্তারিত আসছে …
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস মন্তব্য করেছেন যে, কারিগরি দক্ষতা ও বিদেশি ভাষা না জানার কারণে প্রবাসে গিয়ে বাংলাদেশিরা অনেকেই ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের অধীনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি এই কথা বলেন মানিকগঞ্জে ‘বেকারত্ব দূরীকরণে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে।
এ মতবিনিময় সভাটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা শহরের নারাঙ্গাই এলাকার ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রকৌশলী ফারুক হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস। সভায় বক্তব্য দেন ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এফএনবি) মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও বেসরকারি সংস্থা পাসার নির্বাহী পরিচালক ফরিদ খান দাউদ, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী শফিকুল ইসলাম, ব্যুরো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আব্দুল মজিদ জিয়া, সিআরপি মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মাহবুবুল ইসলাম এবং এফএনবি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সমন্বয়কারী ও বেসরকারি সংস্থা অ্যাসেডের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, "আমাদের দেশে কারিগরি শিক্ষার তুলনায় সাধারণ শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বেশি।" তিনি আরও বলেন, "ফলে অনেকে বিএ, এমএ পাস করেও কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পেয়ে বেকার থাকছেন।" এর ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, "কারিগরি বিষয়ে দক্ষতা ও বিদেশি ভাষা না জানার কারণে প্রবাসে গিয়ে বাংলাদেশের অনেক কর্মী প্রত্যাশিত কাজ ও পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।" এমনকি, অনেককে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের অধীনে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়াতে হলে তরুণ প্রজন্মকে সময়োপযোগী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।" পাশাপাশি, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বিদেশি ভাষা শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। মতবিনিময় সভায় ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এফএনবি)-এর নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করার পরেও, উর্দূভাষী জনগণের পরিচয় নিয়ে অবহেলা অব্যাহত রয়েছে। তাই, পাকিস্তানি বা বিহারি হিসেবে নয়, তারা উর্দূভাষী বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করছেন। এটি তাদের ন্যায্য দাবি এবং এই দাবি আদায়ে তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সৈয়দপুরের ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাসরত বাসিন্দারা মানববন্ধন চলাকালে উর্দূভাষী বাংলাদেশি হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি, মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন এবং নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান। সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটি এবং বাংলাদেশ উর্দূভাষী অধিকার আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিটি যৌথভাবে পরিচালনা করে বাংলাদেশ উর্দূভাষী অধিকার আন্দোলন সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা এবং সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটি।
সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ উর্দূভাষী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাজিদ ইকবাল।
বক্তৃতা প্রদান করেন বাংলাদেশ উর্দূভাষী অধিকার আন্দোলন সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা শাখার আহবায়ক মো. নাসির, যুগ্ম আহবায়ক আবু রায়হান, উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি নুর হাসান মোলাম, সহ সভাপতি সানজিদা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল লতিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাজাদা, দপ্তর সম্পাদক মোছা. সোনি বেগম এবং ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সদস্য মো. গোলাম, মোছা. হামিদা, আলাউদ্দিন, আজগার আলী, মোছা. বিন্দিয়া, ইসমাইল আলম, মো. শাহাজাদা, মো. চাঁন প্রমুখ।
ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধন ও সমাবেশে সৈয়দপুরের ২২টি ক্যাম্পের সহস্রাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা জানান, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে দেশের নয়টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে প্রায় তিন লাখ উর্দূভাষী মানবেতর অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। যদিও তারা নাগরিক হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন, তবুও মৌলিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত রয়েছেন। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
এই জনগোষ্ঠীকে দীর্ঘদিন ধরে ‘আটকে পড়া পাকিস্তানি, আটকে পড়া বিহারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা তাদের নাগরিক পরিচয় এবং অধিকার নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, উর্দুভাষী জনগণের নাগরিকত্বের বিষয়টি স্পষ্ট করতে উচ্চ আদালতে গেলে ২০০৩ ও ২০০৭ সালের রায়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর ২০০৮ সাল থেকে ক্যাম্পে বসবাসকারী বাসিন্দারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ‘উর্দুভাষী বাংলাদেশি’ হিসেবে পরিচিতির দাবি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
তাদের অভিযোগ, উচ্চ আদালতের রায় এবং জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার পরেও তাদেরকে ‘আটকে পড়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের মতে, এ ধরনের পরিচয় নতুন প্রজন্মের সামাজিক মর্যাদা, নাগরিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মানববন্ধন চলাকালে নেতৃবৃন্দ চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- দেশের ১১৬টি ক্যাম্পে বসবাসরত জনগণের সরকারি গেজেটের মাধ্যমে ‘উর্দুভাষী বাংলাদেশি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, দ্রুত মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসনের কার্যকর প্রক্রিয়া শুরু করা, পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পবাসীর বিদ্যুৎ সংযোগ নিরবিচ্ছিন্ন রাখা এবং বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে সরকারি উদ্যোগ নিশ্চিত করা।
এছাড়া, মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পবাসীদের বর্তমান অবস্থান বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের উচ্ছেদ অভিযান না চালানোর দাবিও জানানো হয়।
বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ‘আটকে পড়া’ পরিচয়ের অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘উর্দুভাষী বাংলাদেশি’ পরিচয়ের মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসনের মাধ্যমে ক্যাম্পবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ