০৯:০৯ পি.এম
যখন ক্ষমতা জাহির করার জন্য গায়ের জোর খাটানোর চেষ্টা শুরু হয়, তখন নিশ্চিতভাবে এটি বোঝা যায় যে কোনো স্বৈরাচারী শাসক তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে শেষ অস্ত্রটি ব্যবহার করছে। এটি উদযাপনের একটি কারণও বটে। কারণ এটি চরম হতাশার লক্ষণ, যা নির্দেশ করে যে তাদের প্রতারণামূলক কৌশলগুলো আর কার্যকর নয়। সুদিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে মোহগ্রস্ত করার সময় শেষ হয়ে এসেছে; জবরদস্তি এবং ব্ল্যাকমেলিং এখন আর কার্যকর হচ্ছে না। পাশবিক শক্তি, যা তাদের শেষ ভরসা, আজ একমাত্র খড়কুটো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নরেন্দ্র মোদির দম ফুরিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে টিকে থাকার জন্য তিনি আজ দিশাহারা। গণতান্ত্রিক বৈধতা ছাড়া কোনোমতে টিকে থাকতে তিনি অভিশপ্ত। জনগণের গণঅভ্যুত্থান দমনে অসাংবিধানিক পথ বেছে নিয়ে তিনি সেই বৈধতা আগেই হারিয়েছেন। ১০ তারিখে যা ঘটেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, ভালো কাজের ভিড়ে কোনো ব্যতিক্রমী ত্রুটিও নয়। এটি ছিল অনৈতিক রাজনীতির একটি অনিবার্য পরিণতি।
স্বৈরাচারীরা কখনোই বিরোধীদের যুক্তি খণ্ডাতে তথ্য ও যুক্তির আশ্রয় নেন না। তারা মিথ্যা ও অসত্যের জোরে প্রতিপক্ষ ও সমালোচকদের দমন করে। মন ভোলানো প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং রঙিন স্বপ্ন বিক্রি করে তারা জনমত পরিচালনা করে। কদিন আগে আমরা দেখলাম মোদি কতটা মরিয়া হয়ে খুব একটা প্রভাব ফেলতে না পেরেও কেবল বলে চলেছেন—“আমরা এটা করে দেখাব”।
আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে
'বিকশিত ভারত'-এর কাল্পনিক সুফল ভোগ করার জন্য ২০৪৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য কেউ রাজি নয়। তিনি ভালোভাবেই জানেন, এই ধোঁয়া ও আয়নার খেলা আর কাজ করছে না। তাঁকে এবার পথ বদলাতেই হবে। আর এই পরের পথটি সহিংস দমনপীড়ন ছাড়া আর কী হতে পারে? সঙ্ঘ পরিবার ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জোট তো আপস ও জবাবদিহিতার ভাষা শিখেইনি।
গত এক সপ্তাহ ধরে যে সমস্ত দৃশ্য সামনে এসেছে, তা কেবল পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর পাশবিক শক্তির ব্যবহারের জন্য উদ্বেগজনক নয়; এগুলো পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার ধ্বংসের ইঙ্গিত দেয়, যে পরিণতি দেখার জন্য বুদ্ধিজীবী সমাজ গত এক দশক ধরে উদ্বিগ্নভাবে অপেক্ষা করে ছিল।
কর্পোরেট বন্ধু এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের সহায়তায় মোদির রাজনীতি আজ হোক বা কাল এই অবস্থানে এসেই ঠেকত। ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের প্রতি প্রকৃত অঙ্গীকারহীন যে মিথ্যা বয়ান এতদিন ধরে তৈরি করা হয়েছিল, বিরোধী দলগুলোর আত্মসমর্পণ না করার জেদের মুখে তা শেষ পর্যন্ত দমনমূলক পদক্ষেপে রূপ নিতেই হতো।
বিজেপির মুখপাত্র এবং টিভি উপস্থাপকদের দ্বারা সমালোচক ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযান এবং তাঁদের 'দেশবিরোধী' হিসেবে চিহ্নিত করার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হতে বাধ্য ছিল, কারণ সেসবে কোনো সারবত্তা ছিল না। জেন জি-এর আগমনে বিরোধী শিবির আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সরকার বাধ্য হয়েছে তার আসল রূপটি উন্মোচন করতে—যার অর্থ হলো পুলিশি পদক্ষেপ এবং দেশজুড়ে এক ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা।
আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন
প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরকে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটিই ছিল যেকোনো উপায়ে ভিন্নমতকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার মোদির দৃঢ়প্রতিজ্ঞার এক নির্লজ্জ বিজ্ঞাপন। বিরোধীদলীয় নেতাকে প্রতিদিন একের পর এক বিক্ষোভস্থল থেকে জোরপূর্বক ঘাড় ধরে বের করে দেওয়ার ঘটনাটি দেশকে কোনো সাধারণ বার্তা দেয় না।
দিন দিন নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন বাড়লেও সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার কোনো প্রস্তাব আসেনি। এর অর্থ কী, সরকার যে সংঘাতের পথ ছাড়তে প্রস্তুত নয়, তা ছাড়া আর কি? অথচ মোদি জানেন না যে নিজ দেশের জন গণের সাথে সংঘাত করা মানে আত্মঘাতী হওয়া। রাজনৈতিক যুক্তি এবং নৈতিকতা—উভয় পক্ষ থেকেই বিরোধীরা এগিয়ে থাকায় এই লড়াইয়ের অনিবার্য পরিণতি হবে সরকারের পরাজয়।
নেতৃত্ব সংকট
নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ—যাঁরা এই সরকারের মগজ ও পেশি—তাঁদের অনুপস্থিত শাসনে দিল্লি আজ সম্পূর্ণ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর কবজায়। মোদি, যিনি সামান্য অজুহাতেও 'জাতির উদ্দেশে ভাষণ'-এর মতো রাষ্ট্রীয় অস্ত্রকে অপব্যবহার করেন, এবং শাহ, যিনি বিজেপির রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনার মুখ—এই চরম সংকটের সময় তাঁদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত ছিল।
আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রী কেবল আত্মপ্রচারের জন্য জাতির সাথে যোগাযোগ রাখবেন, এমনটি তো কাম্য নয়। তবে গুরুতর উদ্বেগগুলোর সমাধান কে করবে? কে এই আশাহীনতার অন্ধকার সুরঙ্গ থেকে মানুষকে পথ দেখাবে? যিনি মহামারীর বিরুদ্ধে লড়তে টিভিতে এসে থালা বাজাতে ও মোমবাতি জ্বালাতে বলেন, সেই সর্বোচ্চ নেতাই কি তবে দায়িত্ব নেবেন না?
ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা যখন সম্পূর্ণ উবে গেছে, তখন সাংবিধানিক কাঠামো ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রেও সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আর কোন বড় সংকটের অপেক্ষায় আছেন? পুলিশকে বলপ্রয়োগ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জনগণের ক্ষোভ সামাল দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল নিজে সামনে এসে জনগণের মুখোমুখি হওয়া এবং অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে প্রতিটি সমস্যার সমাধান করা।
মোদি যদি বিশ্বাস করেন যে নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালীতে কোনো গলদ নেই এবং বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ সততার সাথে কাজ করেছে, তবে সমালোচকদের কণ্ঠরোধ করতে রাষ্ট্রের পাশবিক শক্তি প্রয়োগ না করে তাঁর নিজের সেই দৃষ্টিভঙ্গি জাতির সামনে তুলে ধরা উচিত ছিল।
আরও পড়ুন: হলুদ বিন্দু দেখে খননে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড উদ্ধার
অমিত শাহ—যিনি পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার নির্বাচনে কোনো ফন্দিই বাদ রাখেননি, অথচ পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলা এবং চলমান মণিপুর সংকটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে যিনি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন—তাঁর উচিত ছিল দেশবাসীর কাছে ব্যাখ্যা করা যে আমাদের তরুণদের সামলাতে কেন এমন অভূতপূর্ব বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হলো?
হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে হেঁটে বেড়ানো এক বা দুজন যুবকের ওপর একশ জন পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ)-এর ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃশ্যটি ছিল ভীতিকর। শাহ কি এভাবেই ভারতকে চালাতে চান? যদি তাই হয়, তবে তাঁর উচিত ছিল জাতির সামনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করা যে ভারতে আর কোনো প্রতিবাদ করার অনুমতি নেই।
যন্তর মন্তরের নির্ধারিত প্রতিবাদের জায়গাটি যে প্রতিবাদী ও বিপন্ন মানুষের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তা এখন থেকে পুরোপুরি সরকারের দখলে—সেকথাও তাঁর দেশবাসীকে স্পষ্টভাবে জানানো উচিত ছিল।
কোনো রাজনৈতিক আলাপচারিতা ছাড়াই পুলিশকে দিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা, কর্মী এবং শিক্ষার্থীদের দমন করা একটি সস্তা কৌশল। এমনকি যন্তর মন্তনের সেই গুন্ডারূপী সমর্থকেরাও তো কথা বলেছে, যারা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা দাবি করা মানুষদের হুমকি দিয়েছে, কিন্তু মোদি ও শাহ এ বিষয়ে একদম টুঁ শব্দটিও করেননি।
আরও পড়ুন: ফ্লাভিও বলসোনারোর পাসপোর্ট বাতিল
যাঁরাই দেশ চালানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা রাখেন, তাঁদের জাতীয় উদ্বেগের বিষয়গুলোতে নিজেদের মতামত দেশবাসীর কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। কেবল রাহুল গান্ধীকে কালিমালিপ্ত করাই রাজনীতি নয়। বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) নির্বাচন-পরবর্তী হিংস্রতা সম্পর্কে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কী মতামত, তা দেশবাসীর জানা প্রয়োজন।
একইভাবে সাম্প্রদায়িকতা, রাজনৈতিক দলবদল, অনুগত পুঁজিবাদ এবং ভিজিটিলিজম বা উগ্র স্বঘোষিত রক্ষকদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি কী, তাও জাতির জানা দরকার। রাজনীতি কোনো গোপন মিশন নয়; এটি জনআস্থা এবং সাংবিধানিক নৈতিকতার বিষয়।
পাল্টা যুক্তি কোথায়? বিজেপির বিরোধীদের বিরুদ্ধে পাল্টা শক্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু এই শাসনব্যবস্থার দর্শনকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য দৃষ্টিভঙ্গি তাদের নেই। বিজেপির মুখপাত্ররা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যান, কিন্তু তাঁর দাবিগুলোতে ঠিক কোথায় ভুল রয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বোঝান না। তাদের সমর্থক গোষ্ঠীও কেবল চরিত্রহনন এবং হুমকির ওপর ভরসা করে থাকে।
বিরোধী পক্ষ যখন সংবিধানবাদ, শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং অন্যায়ের কথা বলে, তখন সরকারের সমর্থকরা দেশবিরোধী শক্তিগুলোকে 'উচিত শিক্ষা' দেওয়ার কথা বলে। তাদের কেউ কেউ—যাঁরা আবার হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে শিক্ষিত—সোরোস-এর তহবিলপুষ্ট শক্তির কথা বলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সেই অবাস্তব 'দিমাগী নকশাল' তত্ত্বটি আওড়াতে শুরু করেন।
আরও পড়ুন: ভারতের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের ২২২৭ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন
সার্থক ও অর্থপূর্ণ আলোচনা ছাড়া রাজনীতি নিছক এক কুস্তি আখড়ায় পরিণত হয়। মোদির সমালোচকদের দেশবাসী বা দেশবিরোধী বলে গালি দেওয়া কিংবা স্লোগান দিয়ে কাউকে থামিয়ে দেওয়ার কোনো অর্থ হয় না। মোদি ও শাহ সহ বিজেপির প্রবীণ নেতারা কেন রাহুল গান্ধীর মুখোমুখি হয়ে পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন না?
ডানপন্থী আদর্শের প্রবক্তারা কোথায়? বিজেপির সেই চিন্তাশীল যুবসমাজ কোথায়, যারা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে যোগেন্দ্র যাদব, মনোজ ঝা, কানহাইয়া কুমার, নেহা বোরা বা অভিজিৎ দীপকের মতো মুখগুলোকে মোকাবিলা করতে পারে? অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করা কি অন্যায়? স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন-এ কোনো ত্রুটি নেই, এ কথা কি কেউ বলতে পারবে? সরকার বা বিজেপি কি দাবি করতে পারে যে জ্ঞানেশ কুমার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সৎ? নিশ্চয়ই না।
যাঁদের বিবেক আছে, তাঁরা সবাই জানেন এসআইআর কী ধরনের সংকট তৈরি করেছে। অবাধ নির্বাচনের দাবির আন্দোলনকে থামাতে পুলিশি দমনপীড়ন ও ডানপন্থী গুন্ডাদের হুমকি কোনো সমাধান হতে পারে না। তবে সেই আলোচনা এবং পাল্টা যুক্তিগুলো আজ কোথায়? বিজেপির কর্মীরা স্লোগান দিচ্ছে—“রাহুল গান্ধী শর্ম করো” (লজ্জা পাওয়া উচিত)। কিসের জন্য? অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করার জন্য? ভোটার তালিকা সংশোধনে জালিয়াতি ধরিয়ে দেওয়ার জন্য?
এমন একটা সময় ছিল যখন এল. কে. আদভানি বা মুরলী মনোহর জোশীর মতো নেতারা জোরালোভাবে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা করতেন। কিন্তু বর্তমান বিজেপির সেই সক্ষমতা যেন পুরোপুরি হারিয়ে গেছে এবং তাদের কোনো মুখপাত্রই সমালোচকদের জবাব দেওয়ার মতো কোনো পাণ্ডিত্যপূর্ণ উপস্থাপন করতে পারছেন না।
নিশীকান্ত দুবে, সুধাংশু ত্রিবেদী, রবি কিষাণ, কঙ্গনা রৌত এবং সম্বিত পাত্ররা যদি কেবল অবাস্তব ও কল্পিত আজেবাজে কথা বলে যান, তবে রাজনাথ সিং ও শিবরাজ সিং চৌহানের মতো প্রবীণ নেতারা তো কেবল তোষণমূলক ও অর্থহীন বাকচাতুর্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছেন। এমনকি তাদের আদর্শের সাথে যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও যেন আজ জ্ঞানহীন গোঁয়ারের মতো আচরণ করছেন।
এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পরও বিজেপি কোনো মেধাবী দল তৈরি করতে পারেনি। আজ পর্যন্ত তাদের দলে একজন সত্যিকারের বুদ্ধিজীবীও যোগ দেননি। একজনও না।-লেখক সঞ্জয় কে. ঝা একজন ভারতীয় রাজনৈতিক ভাষ্যকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন