ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নওশিন সুধা ও বুশরা কবির


মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নওশিন সুধা ও বুশরা কবির

বাংলাদেশের ফ্যাশন, সৌন্দর্য ও ডিজিটাল মিডিয়া অঙ্গনে নতুন সংযোজন হিসেবে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় মডেল নওশিন সুধা ও ব্র্যান্ড প্রোমোটার বুশরা কবির। আন্তর্জাতিক এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিযোগীদের আরও আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে তাদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

নওশিন সুধা স্টাইল আইকন হিসেবে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিত্ব, স্টাইল, ফ্যাশন সেন্স ও সামগ্রিক প্রেজেন্টেশন নিয়ে কাজ করবেন। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ক্রিয়েটর হিসেবে বুশরা কবির প্রতিযোগীদের ডিজিটাল উপস্থিতি, ব্র্যান্ড প্রমোশন, সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিকেশন, কনটেন্ট প্রেজেন্টেশন এবং অনলাইন পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করবেন।

মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশ দেশের তরুণীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের মেধা, সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক সচেতনতা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল মঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

আয়োজনটির ন্যাশনাল অর্গানাইজার ও রাইটস হোল্ডার হিসেবে রয়েছে ইমেকার্স বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক শিল্পী ও বড় পরিসরের বিনোদনমূলক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটি এবার সৌন্দর্য, ফ্যাশন, মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মকে একসঙ্গে নিয়ে একটি নতুন ধরনের আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

এ প্রসঙ্গে ইমেকার্স বাংলাদেশের কর্পোরেট ডিরেক্টর নূর সিবা বলেন,‘মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশকে আমরা শুধু একটি বিউটি প্রেজেন্ট হিসেবে দেখছি না। আমরা চাই, আমাদের প্রতিযোগীরা যেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের একজন আত্মবিশ্বাসী, স্মার্ট ও আধুনিক প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারে। সেই লক্ষ্যেই আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ মানুষদের যুক্ত করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নওশিন সুধার স্টাইল ও ফ্যাশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা এবং বুশরা কবিরের সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল কমিউনিকেশনের দক্ষতা আমাদের প্রতিযোগীদের জন্য অনেক বড় একটি সংযোজন হবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিত্ব ও আন্তর্জাতিক প্রেজেন্টেশন আরও শক্তিশালী হবে।’

এদিকে, গত ২৫ আগস্ট ঢাকার রেনেসাঁ ঢাকা হোটেলে ইমেকার্স বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কর্পোরেট ডিরেক্টর নূর সিবা। এই চুক্তির মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে নওশিন সুধা ও বুশরা কবিরের আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

আয়োজকদের প্রত্যাশা, নওশিন সুধা ও বুশরা কবিরের যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের গ্রুমিং ও প্রস্তুতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

খুব শিগগিরই জমকালো ‘ক্রাউন রিভিল নাইট’ আয়োজনের মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আগ্রহী ও যোগ্য তরুণীদের জন্য আন্তর্জাতিক এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত হবে।

ইমেকার্স বাংলাদেশের আয়োজনে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশকে ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রস্তুতি। সামনে গ্রুমিং, ফ্যাশন, মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রতিযোগীদের একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মঞ্চের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনসহ ৬ দফা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনসহ ৬ দফা দাবি

> জাতীয়

অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন এবং চার্জিং স্টেশনসহ মোট ছয়টি দাবি উত্থাপন করেছে ‘রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ’। রাজধানীসহ সারা দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত রিকশা ও স্বল্পগতির যানবাহনগুলোর জন্য আলাদা লেন সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পার্কিং ব্যবস্থা এবং চার্জিং স্টেশন স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে যানজট, দুর্ঘটনা এবং লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী করা হচ্ছে। তবে, কেন এত মানুষ রিকশা এবং ইজিবাইক চালান এবং কেন এত যাত্রী এসব বাহন ব্যবহার করেন, সে বিষয়টি কেউ উল্লেখ করছেন না।

তিনি আরও বলেন, তীব্র বেকারত্বের কারণে মানুষকে রিকশা চালানোর মতো কাজে টেনে আনা হচ্ছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ এবং সস্তা অন্য কোনো বাহন না থাকায় তারা এসব বাহন ব্যবহার করছেন। উল্লেখ্য, লোডশেডিং সাধারণত রাত ১০টার পর সবচেয়ে কম থাকে এবং ব্যাটারিচালিত বাহনগুলো তখন চার্জ করা হয়। তাই অপপ্রচার না করে সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এদিকে সংগঠনের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন ও রুট পারমিটের আওতায় এনে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও বিধিমালা চূড়ান্ত করা; স্থানীয় উৎপাদকদের সরকারি অনুমোদিত ই-রিকশার ডিজাইনে যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি দেওয়া; মেকানিকদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; উৎপাদন ও বিপণনে বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটকে সুবিধা না দেওয়া।

এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পার্কিং ও চার্জিং স্টেশন স্থাপন, পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারি প্রতিস্থাপনে সরকারি ভর্তুকি প্রদান; সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার; দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অনুমোদিত ডিজাইনে পরিবর্তনের জন্য অন্তত দুই বছরের সময় দেওয়া; যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিটি মহাসড়কে স্বল্পগতির ও লোকাল যানবাহনের জন্য পৃথক লেন বা সার্ভিস রোড নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মনীষা চক্রবর্তী, নেতৃবৃন্দ এবং অটোরিকশা চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা যমুনা ঘিরে হচ্ছে অর্থনৈতিক করিডর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৫ এম


পদ্মা যমুনা ঘিরে হচ্ছে অর্থনৈতিক করিডর

পদ্মা ও যমুনা নদীকে ঘিরে দেশের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে দুটি নতুন সেতু। একটি দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, অন্যটি দ্বিতীয় যমুনা সেতু। প্রস্তাবিত ওয়াই আকৃতির নকশায় সেতু দুটি নির্মাণ করা গেলে নদী পারাপারের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দুই পারের বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্প, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, গুদাম ও পরিবহনকেন্দ্র গড়ে উঠবে। এতে সেতুসংলগ্ন অঞ্চলগুলোকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে সরকার। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া সেতুর সম্ভাব্যতা, ব্যয় ও কারিগরি বিষয় সমীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে। দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্যও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জাইকা, জাপান সরকার এবং চায়না হারবার কোম্পানির সঙ্গে চিঠি চালাচালি চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বছরের শেষ দিকে সমীক্ষা শুরু হতে পারে। সম্ভাব্য করিডর হিসেবে বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ এবং গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের কথা বিবেচনায় রয়েছে। তবে চূড়ান্ত অ্যালাইনমেন্ট সমীক্ষার ফলের ভিত্তিতে নির্ধারণ হবে। অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পদ্মা ও যমুনাকে ঘিরে নতুন যোগাযোগ অবকাঠামোকে শুধু সেতু হিসেবে দেখলে হবে না। এগুলোকে কৃষি, শিল্প, পণ্য পরিবহন ও পর্যটনের সমন্বিত অর্থনৈতিক করিডর হিসেবে পরিকল্পনা করতে হবে। সেতুর দুই পাশে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়নের ওপর চাপ কমবে।

ওয়াই মডেলে ছড়াবে যোগাযোগ : ওয়াই মডেলের মূল ধারণা হলো একটি কেন্দ্রীয় সংযোগ থেকে একাধিক দিকে যোগাযোগ ছড়িয়ে দেওয়া। এ ধরনের নকশায় সেতুর সঙ্গে একাধিক আঞ্চলিক সড়ক ও যোগাযোগপথ যুক্ত করার সুযোগ থাকে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া করিডর বাস্তবায়িত হলে মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার সঙ্গে রাজধানীর বিকল্প যোগাযোগ তৈরি হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পণ্য ঢাকায় আনার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলেও দ্রুত পাঠানো সম্ভব হবে। সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ করিডর হলে বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, রংপুর ও দিনাজপুরের সঙ্গে জামালপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুরের যোগাযোগ সহজ হবে। বালাসী-দেওয়ানগঞ্জ করিডর হলে গাইবান্ধা ও রংপুরের সঙ্গে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও পূর্বাঞ্চলের নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে বগুড়া থেকে ঢাকা ও ময়মনসিংহমুখী দূরত্ব কমার পাশাপাশি সময়, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় কমবে এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সম্ভব হবে।

সেতুর দুই পাশে বদলে যাবে কৃষি : দুটি সেতুর বড় সম্ভাবনা কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে ওঠা। উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল কৃষি উৎপাদনের বিপরীতে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও দ্রুত বাজারজাতকরণের অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। নতুন সেতু ও সংযোগ সড়ক হলে কৃষিপণ্য সংগ্রহকেন্দ্র, হিমাগার, শস্য সংরক্ষণাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, প্যাকেজিং শিল্প ও পরিবহনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। বগুড়া, নওগাঁ, রংপুর, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া ও যশোরের পণ্য স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। আলু থেকে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, দুধ থেকে দুগ্ধজাত পণ্য, ফল থেকে জুস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং মাছ থেকে হিমায়িত পণ্য উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। এতে কৃষকরাও কাঁচা পণ্যের বদলে মূল্য সংযোজনের সুবিধা পাবেন।

গড়ে উঠবে নতুন শিল্পাঞ্চল : সেতুর দুই পাশে পরিকল্পিত কৃষিভিত্তিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। এতে ঢাকার বাইরে উৎপাদন কেন্দ্র বাড়বে, কাঁচামাল পরিবহন সহজ হবে এবং তৈরি পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাবে। পরিবহন সময় ও ব্যয় কমলে উৎপাদন খরচও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন শিল্প স্থাপনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

পর্যটনের নতুন দরজা : পদ্মা ও যমুনার চর, নদীর তীর, নৌভ্রমণ, গ্রামীণ জীবন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। এর সঙ্গে বগুড়ার মহাস্থানগড়, রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের ঐতিহ্য এবং উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতিকে যুক্ত করা যেতে পারে। যোগাযোগ সহজ হলে ঢাকার পর্যটকরা এক বা দুই দিনের ভ্রমণে এসব এলাকায় যেতে পারবেন। এতে আবাসন, খাবার, নৌভ্রমণ, পরিবহন ও ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসার ঘটবে।

পণ্য পরিবহনে বিকল্প পথ : উত্তরাঞ্চলের পণ্য পরিবহন বর্তমানে যমুনা সেতুর ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অতিরিক্ত চাপের কারণে এ পথে সমস্যা হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব পড়ে। দ্বিতীয় যমুনা সেতু এই ঝুঁকি কমাবে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর কৃষি ও শিল্পপণ্য দ্রুত রাজধানী ও উত্তরাঞ্চলে পাঠানোর বিকল্প তৈরি করবে। দুটি সেতু সড়কে রেলপথ যুক্ত করা গেলে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে নতুন পণ্য পরিবহন করিডর তৈরি হতে পারে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সমীক্ষার পর : দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য অর্থ বরাদ্দ হলেও পূর্ণ প্রকল্প ব্যয় ও চূড়ান্ত নকশা এখনো নির্ধারিত হয়নি। দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্য রুট নিয়েও যাচাই চলছে। তাই ওয়াই মডেলকে এখনো প্রস্তাবিত ধারণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সমন্বিত পরিকল্পনায় দুটি সেতু বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসাবাণিজ্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের বৈঠক

ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে গতকাল (২ আগস্ট) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও সহায়তার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আধুনিক ও নিরাপদ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর)-এর সম্ভাবনা বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, সুরক্ষিত ও দায়িত্বশীল ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর দেশগুলোর সঙ্গে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী (সেক্রেটারি অফ এনার্জি) ক্রিস রাইট বাংলাদেশের সঙ্গে জ্বালানি ও পারমাণবিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি আধুনিক পারমাণবিক প্রযুক্তি এবং স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর)-এর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ও পরবর্তী প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে এসএমআর-এর দ্রুত উন্নয়ন ও ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

দুই দেশের মন্ত্রীর মধ্যে আলোচনায় শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা, এসএমআর প্রযুক্তি, জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহায়তা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আরও গভীর করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জ্বালানি খাতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ সরকার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং উন্নত প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে মতবিনিময় করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রক্সি পরীক্ষা ঠেকাতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ এম


প্রক্সি পরীক্ষা ঠেকাতে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পদক্ষেপ

প্রক্সি পরীক্ষাসহ নানা ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) মোবাইলভিত্তিক ই-অ্যাটেনডেন্স চালু হচ্ছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ ও যাচাই করা যাবে। পাশাপাশি উপস্থিত থেকেও অনুপস্থিত দেখানোর মতো সমস্যাও প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বাউবির ই-লার্নিং সেন্টারে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে ‘মোবাইলভিত্তিক ই-অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী মাস্টার ট্রেইনার উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, বাউবির পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরীক্ষা বিভাগকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোবাইলভিত্তিক ই-অ্যাটেনডেন্স চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু ই-অ্যাটেনডেন্স নয়, ফলাফল প্রস্তুত ও প্রকাশ, পরীক্ষা গ্রহণ এবং অভিযোগ ব্যবস্থাপনাসহ পরীক্ষা বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সেবা সহজ ও দ্রুত করতে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে বাউবির পরীক্ষা ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, নির্ভুল ও আধুনিক করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে ছড়িয়ে দিয়ে ই-অ্যাটেনডেন্স কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে মাস্টার ট্রেইনাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাউবির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাউবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুল্যাহ মাহামুদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%