ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবির বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর উদ্যোগ ছাত্রদলের


জবির বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর উদ্যোগ ছাত্রদলের

দীর্ঘ যাত্রাপথে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা কমানোর লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দুটি বাসে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্কা-২ ও উত্তরণ-২ নামের দুটি বাসে ইন্টারনেট সুবিধা চালুর উদ্দেশ্যে রাউটারগুলো হস্তান্তর করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারিক বিন আতিক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও আশপাশের দূরবর্তী অঞ্চল থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াত করেন। দীর্ঘ সময় বাসে অবস্থান করার কারণে অনেক শিক্ষার্থী এ সময়টুকু পড়াশোনা, অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি কিংবা অন্যান্য একাডেমিক কাজে ব্যবহার করতে চান। কিন্তু পর্যাপ্ত মোবাইল ডাটা না থাকা, ইন্টারনেট প্যাকেজের সীমাবদ্ধতা এবং যাত্রাপথে দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের এই অসুবিধাগুলো মাথায় রেখে বাসে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার হোসেন। প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বাসকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যাতায়াতের সময় শিক্ষার্থীরা আরও সহজে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, যাতায়াতের দীর্ঘ সময়টুকু কাজে লাগাতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উত্তরণ বাসে নিয়মিত যাতায়াতকারী ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান বলেন, “আমরা প্রতিনিয়তই ক্যাম্পাসে যাতায়াতের সময় ভালো ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হই। বাসে যাতায়াতের সময় পড়াশোনা, অ্যাসাইনমেন্টসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেটের দরকার হয়। কিন্তু মোবাইল ডাটা ও নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে অনেক সময় তা ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। বাসে রাউটার স্থাপনের উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ উপকারী হবে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময়টুকু কাজে লাগাতে সহায়তা করবে।”

উদ্যোগ গ্রহণের কারণ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন জানান, “শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময়টুকু যেন কাজে লাগে, সে চিন্তা থেকেই বাসে রাউটার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া করেন। এ সময় ইন্টারনেটের প্রয়োজন হলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তারা তা ব্যবহার করতে পারেন না। শিক্ষার্থীদের এ ভোগান্তি কিছুটা কমাতে এবং তাঁদের পড়াশোনা ও প্রয়োজনীয় অনলাইন কার্যক্রমে সহায়তা করতেই আমার এ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”

আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের ফল দেখার পদ্ধতি জানাল বোর্ড

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় বিদ্যমান নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের সেবার মান বাড়াতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন জকসুর পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সেক্টরের অনেক সংকট আছে। সংকটের মাঝেও আমরা চেষ্টা করেছি, যেন শিক্ষার্থীদের যেভাবে হচ্ছে পরিবহনে যেভাবে সুবিধা দেওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন ভাই নিজ থেকে আমাদের পরিবহন দপ্তরে দুটি রাউটার হস্তান্তর করেছেন। ওই চারটা রাউটার আমরা উল্কা-২ বাস এবং উত্তরণ-২ এই দুইটা বাসে হস্তান্তর করে দিয়েছি। ভাইয়ের যে মানবিক কাজগুলো, শিক্ষার্থীবান্ধব যে কাজগুলো, সেগুলো চলমান থাকুক। শাহরিয়ার ভাইকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নেওয়া এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. তারিক বিন আতিক বলেন, “আমরা রাউটার হাতে পেয়েছি এবং তা বাস দুটিতে স্থাপন করা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হবে বলে আশা করছি। আমরা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় যাতে পড়াশোনার ব্যাঘাত না ঘটে এজন্য শাহরিয়ারের এ উদ্যোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বসা নিয়ে সাংবাদিককে মারধর, এরপর অভিযোগ দায়ের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ প্রদান করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, যদি সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা যায়, তবে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজতর হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। তিনি সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

সমস্যা সমাধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ সময় প্রতিনিধিদল আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুষ্ঠেয় কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) এবং রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)-সহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইবি প্রতিনিধি

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আট অনুষদের অধীনে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৩৬ শিক্ষার্থী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কৃতী শিক্ষার্থীদের মেডেল ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত আল হাদিস বিভাগের আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর, মোহাম্মদ আল ফায়েদ, দেলোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান, আল কুরআন বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ বিভাগের নাজমুল ইসলাম ও নোমান আল হাদী। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা, সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ্য সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমী খাতুন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার।

এছাড়া প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ফলিত রসায়ন বিভাগের মহুয়া রহমান, জান্নাতুন নায়িম ও নাফিজ রহমান সায়েম, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আহাসান হাবিব এবং আইসিটি বিভাগের মাহফুজুর রহমান।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত লোক প্রশাসন বিভাগের মুনতাকিম রহমান, অর্থনীতি বিভাগের টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সিরাজাম মনিরা।
জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আব্দুল বাশার এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের মেহেদী হাসান। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেদী হাসান লিমন ও মাহামুদুল ইসলাম এবং গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম, কলা অনুষদভুক্ত আরবি বিভাগের তানজিলা খাতুন, হাফিজুল ইসলাম ও জেবা রহমান। আইন অনুষদভুক্ত ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাদিয়া, রাফিয়া খাতুন ও আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, এটি নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য উল্লেখযোগ্য দিন। তোমাদের যোগ্যতা, মেধা ও পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হলো। তোমাদের ওপর নতুন একটি দায়িত্ব অর্পিত হলো। কর্মক্ষেত্রে দেশ ও মানুষের জন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিতে অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তোমরা ভূমিকা রাখবে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই অ্যাওয়ার্ড সহযোগিতা করবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে দেশ ও বিদেশে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছেন। বিদেশেও একই সুনাম ধরে রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানি কোমল পানীয়ের ওপর নতুন ‘চিনি কর’ আরোপ করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


জার্মানি কোমল পানীয়ের ওপর নতুন ‘চিনি কর’ আরোপ করছে

জার্মানি নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের ব্যবহার কমানোর জন্য। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে দেশটিতে চিনিযুক্ত পানীয়ের ওপর একটি বিশেষ কর কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম চিনিযুক্ত পানীয় তৈরিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

জার্মানির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা ‘চিনি কর’ প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম আরএনডির কাছে পৌঁছানো খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানীয়তে যদি চিনির পরিমাণ অন্তত ৫ গ্রাম হয়, তাহলে প্রতি লিটারে ২৬ সেন্ট কর দিতে হবে। আর যদি চিনির পরিমাণ ৮ গ্রাম বা তার বেশি হয়, তাহলে প্রতি লিটারে করের পরিমাণ ৩২ সেন্ট হবে। এই প্রস্তাবটি বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইল এই উদ্যোগের পক্ষে রয়েছেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর আরোপের ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং পানীয় প্রস্তুতকারকেরা চিনির পরিমাণ কমাতে উৎসাহিত হবেন। এর ফলে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর পানীয়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে।

সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী, নতুন এই কর থেকে ২০২৭ সালে প্রায় ৬৯ কোটি ইউরো এবং ২০২৮ সালে ৯২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো রাজস্ব আয় হতে পারে।

তবে প্রস্তাবটি নিয়ে ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে শুরু থেকেই মতপার্থক্য বিদ্যমান ছিল। জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে চ্যান্সেলরের দপ্তর ক্লিংবাইলের পূর্বের প্রস্তাব আটকে দিয়েছিল। কনজারভেটিভ ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) দলের কিছু রাজ্য পর্যায়ের নেতা এই করের বিরোধিতা করেছেন। তাদের যুক্তি হচ্ছে, নতুন করের ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং বাজারের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ আরও জোরালো হবে।

চিনির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনাও বিদ্যমান। সংস্থাটির সুপারিশ অনুযায়ী, একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক ওজনের প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম চিনি গ্রহণ করা উচিত। তবে স্বাস্থ্যগত সুফল বাড়ানোর জন্য এই পরিমাণ ২৫ গ্রামের নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ছয় চা-চামচ চিনির সমান।

কিন্তু জার্মানিতে চিনির দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ এই সুপারিশের চেয়ে অনেক বেশি। দেশটিতে পুরুষেরা গড়ে প্রতিদিন ৭৮ গ্রাম এবং নারীরা ৬১ গ্রাম চিনি গ্রহণ করেন। চিনির অন্যান্য উৎসও হিসাবের মধ্যে আনলে কারও কারও দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ ১০০ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের ওপর কর আরোপের সিদ্ধান্তকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখছে সরকার। তবে নতুন করের ফলে পানীয়ের দাম কতটা বাড়বে এবং উৎপাদকেরা চিনির পরিমাণ কমাতে কতটা উদ্যোগী হবেন, তা প্রস্তাবটির চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহর বৈঠক, আলোচনা ই-গভর্নেন্স নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহর বৈঠক, আলোচনা ই-গভর্নেন্স নিয়ে

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতটি বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি এবং ই-গভর্নেন্সসহ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের সময়, হাইকমিশনার ইমরান হায়দার উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে শিক্ষা, বাণিজ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার গতিপথ সম্পর্কে অবহিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%