ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মা হারালেন রানি মুখার্জি, ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যু কৃষ্ণা মুখার্জির


মা হারালেন রানি মুখার্জি, ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যু কৃষ্ণা মুখার্জির

বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর আমাদের মাঝে নেই। মঙ্গলবার তিনি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। রানি মুখার্জির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশ রাজ ফিল্মস এক বিবৃতির মাধ্যমে এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছে। তবে, তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যশ রাজ ফিল্মসের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে রানি মুখার্জির মা মিসেস কৃষ্ণা মুখার্জি (৭৫) আজ বিকেলে প্রয়াত হয়েছেন। আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সমর্থনের জন্য পরিবারটি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং এই গভীর শোকের সময়ে তারা সম্মানের সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানাচ্ছে।’

কৃষ্ণা মুখার্জিকে বিভিন্ন সময় তাঁর মেয়ের সঙ্গে জনসমক্ষে দেখা গেছে। রানি মুখার্জির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অভিনেত্রী নিজেও অনেক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন। শুধু মেয়ের মা হিসেবে নয়, কৃষ্ণা বাংলা চলচ্চিত্রের অঙ্গনেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি একজন প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন।

আরও পড়ুন: ইনস্টাগ্রামে কারিনার পর সাইফের ফলো তালিকায় আরো ৬ জন, তারা কারা?

এদিকে, মায়ের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে এই কঠিন সময়ে সবার ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শোকের এই সময়ে পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

‘গুলাম’, ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘সাথিয়া’, ‘হাম তুম’ ও ‘ব্ল্যাক’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে রানি মুখার্জি একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মারদানি ৩’ সিনেমায় তাঁকে দেখা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ নিবন্ধনের সময় আর বাড়ছে না, বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


হজ নিবন্ধনের সময় আর বাড়ছে না, বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে

হজ ২০২৭-এর নিবন্ধনের সময় শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক নিবন্ধনের নির্ধারিত সময় শেষ হবে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকও হজ কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই বাংলাদেশে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়। এই নিবন্ধন ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রণালয় জানায়, নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে ইচ্ছুকদের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। সেই সংখ্যার ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যার মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবে বিভিন্ন সেবার জন্য অর্থ পাঠানো, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ফিটনেস সনদ প্রদান, প্রয়োজনীয় টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি।

২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশ ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পেয়েছে। তবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ৩৭ হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৬৮৪ জন এবং বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৩৪ হাজার ২৭২ জন নিবন্ধন করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি, হজ এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পূর্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

প্রাক-নিবন্ধন করা হজযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যাকেজের সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। তা না হলে তাদের হজযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির মালিকদের ভাষ্য, অনেক হজযাত্রী এত আগে হজের অর্থ জমা দিতে আগ্রহী নন। এ কারণে চূড়ান্ত নিবন্ধনের গতি প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। শেষ সময়ে বিপুলসংখ্যক হজযাত্রীর নিবন্ধন সম্পন্ন করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হজের ব্যয় বৃদ্ধি, মানুষের আর্থিক সক্ষমতার ওপর চাপ এবং সৌদি আরবে আবাসন, পরিবহণসহ বিভিন্ন সেবার খরচ বাড়ার কারণে বাংলাদেশের হজের কোটা পূরণ হচ্ছে না। এর মধ্যে ২০২৭ সালের জন্য সৌদি আরব বাংলাদেশের হজ কোটা প্রায় ৫০ হাজার কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে।

২০২৭ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ী হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। অন্য প্যাকেজের মূল্য ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ী প্যাকেজের মূল্য ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। সাধারণ প্যাকেজের মূল্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজের মূল্য ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা।

২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৭ টাকা। তবে ওই প্যাকেজে খাবারের খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এবার খাবারের জন্য ৩৯ হাজার ৫০৮ টাকা যোগ হয়েছে। পাশাপাশি মিনা ও আরাফাতে সৌদি সরকারের সর্বনিম্ন ‘ডি’ ক্যাটাগরি প্রত্যাহার, ৭০০ রিয়াল এবং বিনিময় হারজনিত ব্যয়ও যুক্ত হয়েছে।

ফলে এবার বিমান ভাড়া প্রায় ২৫ হাজার টাকা কমলেও হজের মোট ব্যয় কমেনি। বরং সর্বনিম্ন সরকারি প্যাকেজের দাম গত বছরের তুলনায় ৩৮ হাজার ৫১১ টাকা বেড়েছে। একইভাবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনাতেও হজের খরচ বেড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মরিয়মের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা ডিবিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মরিয়মের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা ডিবিতে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলাটি এখন তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

এর আগে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান উল্লেখ করেছেন, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় এটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের কার্যক্রমও ডিবি পরিচালনা করবে।

শেরেবাংলা নগর থানায় রোববার রাতে জামায়াতে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন হতভাগ্য মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ।

মাসুম বিল্লাহ বলেন, "তারা সবাই মিলে নির্যাতন করে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। বিশেষ করে ওবায়দুর রহমান ক্রিমিনাল। ও-ই মূল নায়ক। সবকিছু করেছে। আমি ওবায়দুরের ফাঁসি চাই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছু করেছে, সবকিছু ঘটিয়েছে। আমাদের পুরো পরিবার তছনছ করে দিয়েছে।"

মামলার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছে ওবায়দুর রহমান। এদিকে মৃত্যুর পর একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, এটি মরিয়মের হাতের লেখা নয়।

তবে লেখাটি মরিয়মের হাতের কি না, সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হবেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুগান্তরে প্রতিবেদন প্রকাশ

ইব্রাহিম আলী শেখের ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


ইব্রাহিম আলী শেখের ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেখে ২২ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পাওয়া ইব্রাহিম আলী শেখের পাশে দাঁড়িয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। সরকারী সহায়তা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, হাইকোর্টে খালাস পাওয়ার পরও প্রায় আট বছর কারাগারে থাকার ঘটনায় রাষ্ট্রের কাছে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে এ ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি আদালতের আদেশ দ্রুত বাস্তবায়নে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর দাবিও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অ্যানেক্স ভবনের ২৯ নম্বর কোর্টে বিচারক ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর আদালতে রিট পিটিশনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বিষয়টি দৈনিক যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসান শহীদ কারুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।

এর আগে যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই দুই আইনজীবী। পরে তার দীর্ঘ কারাবাস এবং খালাস পাওয়ার পরও কারাগারে থাকার বিষয়ে নথিপত্র সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে জনস্বার্থে আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেওয়া আইনি নোটিশের সঙ্গে যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পেপার কাটিংও রেফারেন্স হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আইনজীবীরা রাষ্ট্রের ১২টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ প্রদান করেন। এর মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বাগেরহাট ও নওগাঁর জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনা পুলিশ সুপার এবং নওগাঁ জেলা কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৩ সালে ইব্রাহিমকে হত্যা ও বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৭ সালের ২০ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগ তাকে খালাস দেন। কিন্তু খালাসের আদেশের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে প্রায় আট বছর সময় লাগে। ফলে আদালতে খালাস পাওয়ার পরও ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে কারাগারে থাকতে হয়। নোটিশে এই অতিরিক্ত আটককে বেআইনি উল্লেখ করে তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।

নোটিশে ইব্রাহিমকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, পূর্ণ পুনর্বাসন, বাসস্থান ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আট বছর বিলম্বের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও জবাবদিহির ব্যবস্থা এবং আদালত, পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে আদালতের আদেশ দ্রুত পৌঁছে দিতে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল অর্ডার ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা চালুর দাবি করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সংবিধানের ১০২(২)(এ) অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট করার কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ নজরে আসার পর বাগেরহাট জেলা প্রবেশন অফিসার শহিদুর রহমান ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তাকে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইব্রাহিমের চাহিদা অনুযায়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি পাকা ঘর ও একটি মুদির দোকানের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ জুলাই দৈনিক যুগান্তরে ‘বিনা দোষে ২২ বছর কারাগারে ইব্রাহিম’, ‘জেল থেকে মুক্তি পাইছি, জীবনডা ফেরত পাই নাই’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে দীর্ঘ কারাজীবন শেষে মুক্তি পাওয়া ইব্রাহিমের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরা হয়। পরে ১৭ জুলাই ইব্রাহিমের ক্ষতিপূরণ ও পুণর্বাসনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়ে সম্পাদকীয় প্রকাশ করা হয়।

মুক্তির পর ফকিরহাট উপজেলার লখপুর ইউনিয়নের ভবনা-খাড়িবুনিয়া গ্রামের মরাপশুর নদীর চরে খাসজমিতে অন্যের আশ্রয়ে জরাজীর্ণ ঘরে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে বসবাস করছেন ইব্রাহিম। সংসার চালাতে মানুষের বাড়িতে কাজ করলেও দীর্ঘ কারাভোগের পর শারীরিক দুর্বলতার কারণে নিয়মিত কাজ করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। মুক্তির পর সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের আশায় বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরলেও এতদিন কার্যকর সহায়তা পাননি তিনি।

সহায়তার উদ্যোগ ও আইনি পদক্ষেপে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইব্রাহিম আলী শেখ বলেন, ‘জেল থেকে বের হওয়ার পর এক বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করেছি। কিন্তু দৈনিক যুগান্তর আমার কষ্টের কথা প্রকাশ করায় অনেক মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছে। সমাজসেবা অফিস ও আইনজীবীরা সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। এখন আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তন ২০২৭ সালের মার্চে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


পাবিপ্রবির প্রথম সমাবর্তন ২০২৭ সালের মার্চে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) প্রথম সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের ১৫ ও ১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন।

সাক্ষাৎ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান উপস্থিত ছিলেন। এই সমাবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদ ও ২১টি বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হবে।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও ৪৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের বিষয় এবং চাকরির বাজারে চাহিদা রয়েছে এমন সাবজেক্ট খোলার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নয়ন নিয়ে তাঁরা দীর্ঘ আলোচনা করেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বলেন, "মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনের ব্যাপারে কথা বলেছি। তিনি এ ব্যাপারে আমাদেরকে সম্মতি দিয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চের ১৫ ও ১৬ তারিখে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%