বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০২ পি.এম
শরৎ ঋতু আসার সাথে সাথে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়ে শিউলি ফুলের মিষ্টি সুবাস। সাদা পাপড়ি এবং কমলা বোঁটার এই ফুলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই ঢালিউডের অভিনেত্রী পরীমনি শিউলি ফুলের খোঁজে বের হয়েছেন।
সম্প্রতি, তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন। পোস্টে পরীমনি লেখেন, ‘শিউলি ফুলের খোঁজে যাই…’ এবং লেখার সাথে ফুল, পরী ও ভালোবাসার ইমোজি যুক্ত করেন।
পরীমনির এই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের ভালোবাসা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই শিউলি ফুলের সাথে পরীমনিকে তুলনা করেছেন।
একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সে জানেও না যে সেও একটা শিউলি ফুল।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘কি দরকার? তুমি তো নিজেই শিউলিফুল।’ আরেক ভক্তের মন্তব্য ছিল, ‘ফুল ফুলকে খুঁজে।’
শিউলি ফুল নিয়ে পরীমনির এই সংক্ষিপ্ত পোস্টটি ভক্তদের মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২০৭ জনে পৌঁছেছে। গত একদিনে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মৃত্যুর পর ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৯৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের নিয়ে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জনে পৌঁছেছে। গত একদিনে নতুন করে ৩৬ জন হামে আক্রান্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩ হাজার ২৪৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৪৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বানারীপাড়ায় একটি নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ের সেফটি ট্যাংকির ভেতর সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় অসুস্থ হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনাটি ঘটে।
মৃত শ্রমিকদের মধ্যে একজন হলেন জামাল হোসেন, যিনি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে। অপরজন হলেন মো. সোহাগ, যিনি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. চুন্নু মিয়ার ছেলে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. রিয়াজ হোসেনের নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ের সেফটি ট্যাংকির ভেতর সেন্টারিংয়ের কাজ করছিলেন ওই দুই শ্রমিক। এসময় অক্সিজেনের অভাবে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ওসি আরও জানান, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জামাল হোসেন ও মো. সোহাগকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন পয়েন্টে ভারতে যাওয়ার সময় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে তার গ্রেপ্তারকাজ সম্পন্ন হয়।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, কামাল আহমদ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গোয়াইনঘাটের তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টে পৌঁছালে তাকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
এরপর ইমিগ্রেশন পুলিশ বিষয়টি তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং জৈন্তাপুর থানা পুলিশ একত্রে অভিযান পরিচালনা করে কামাল আহমদকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, ‘তিনি বর্তমানে আমাদের হেফাজতে আছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য কোনো আইনি সমস্যা আছে কি না তাও দেখা হচ্ছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসাম রাজ্যে বাঙালি মুসলিমদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ এবং মসজিদ ধ্বংসের ঘটনার কারণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘকালীন বসবাসের ইতিহাস বিবেচনায় নিয়ে পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী এবং সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি আযহারী বলেন, "ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিক অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়ছে।" তিনি আসামের সাম্প্রতিক উচ্ছেদের ঘটনাকে ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, সংগঠনটির সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান বলেন, "ভারত সরকার এসব পদক্ষেপকে সরকারি ও বন বিভাগের জমি উদ্ধারের প্রশাসনিক উদ্যোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বাসস্থানের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।" তিনি উচ্ছেদ হওয়া মসজিদগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সংগঠনটি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, "কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো বিশেষ জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং তাদের জানমাল অনিরাপদ করে তোলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।" তারা মন্তব্য করে যে, ভারতীয় মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকার ও সুরক্ষা দিতে কেন্দ্র সরকার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারেনি।
বিবৃতিতে ওলামা অ্যালায়েন্স আসামে উচ্ছেদ ও মসজিদ ধ্বংসের মূল কারণ উদঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায়। তারা ভারতের সংবিধানে উল্লেখিত প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়া, আসামের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ