মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৭:২৫ পি.এম
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি করে এবং জুলাই গণহত্যার বিচার অবিলম্বে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে গণভোটের রায়ের আলোকে ‘জুলাই সনদ’ কার্যকর করার জন্য খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখা একটি গণসমাবেশ সংগঠিত করেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৪টায় চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ঘোষণানুসারে জুলাই মাসব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, "জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ‘জুলাই সনদ’ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা না হলে ফ্যাসিবাদের দোসররা আবার মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে কোনোপ্রকার টালবাহানা জনগণ মেনে নিবে না। দেশে ন্যায়বিচার ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমাজ গঠনের কোনো বিকল্প নেই। দেশের সর্বস্তরের জনগণকে এই বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে এবং ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে তরান্বিত করতে হবে।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন বলেন, "জনগণের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের ফসল এই নতুন বাংলাদেশ। ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত সনদ বাস্তবায়নে কোনো গড়িমসি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে জুলাই গণহত্যার বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং দেশের শাসনব্যবস্থায় ইনসাফ ও খেলাফত প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যেতে হবে।"
খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি হাফেজ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিক মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রভাষক আব্দুল করীম, খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দীন আহমদ খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আহমদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, মহানগর সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, সদর থানা সভাপতি খন্দকার হাফেজ আওলাদ, বন্দর উপজেলা সভাপতি মুফতী আবুল কাসেম, বন্দর থানা সভাপতি মাওলানা ফরিদুজ্জামান, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবুবকর সিদ্দীক, ইসলামী ছাত্র মজলিসের মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ, ইসলামী যুব মজলিসের মহানগর সভাপতি ডাঃ মোতাহার হুসাইন, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি ফারুক আহমদ, প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা রবিবার (২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। এই তথ্যটি শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার মো. রায়হান হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।
গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে রবিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রথম শিফটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম শিফটে পরীক্ষা হবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের।
একই দিন দুপুর ২টা থেকে দ্বিতীয় শিফটে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। দ্বিতীয় শিফটে পরীক্ষা হবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আর্কিটেকচার বিভাগ, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের।
ভর্তি বিষয়ে প্রয়োজনীয় যেকোনো তথ্য জানতে হলে http://admission.duetbd.org ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেট দলের আগামী মাসে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। মূলত ২০২৪ সালের আগস্টে এই সিরিজটি হওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তবে দুই বোর্ডের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে এই সিরিজটি দুই দফায় দুই বছর পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশে সরকারের প্রশাসনিক পরিবর্তন ও ক্রিকেট বোর্ডে পরিবর্তনের মধ্যে ভারত সিরিজ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এবার সরকার থেকে সাহায্য চাইলেন এই অনিশ্চয়তা দূর করতে।
গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এবং সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎ করেন তার কার্যালয়ে। তামিম এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ক্রিকবাজের কাছে। কিন্তু বৈঠকে ঠিক কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিসিবি বস বিস্তারিত কিছু জানাননি।
জানা গেছে, ভারতীয় পক্ষ থেকে সিরিজ সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত এবং আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা না পাওয়ায় সরকারী পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে বিসিবি থেকে।
এর আগে ২৯ জুলাই একটি বক্তব্যে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল সিরিজটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তবে তাঁর আশঙ্কার বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবেই জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই বিষয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তার এখতিয়ার নেই। এছাড়া এই বিষয়ে কিছু বিষয় সরকারের তরফ থেকে তদারকি করা প্রয়োজন।
মূলত ২০২৪ সালে এই সিরিজটির আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালে সিরিজটির আয়োজনও অনিশ্চিত থেকে যায়। কিন্তু সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সিরিজটি মাঠে গড়ানো নিয়ে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ক্রিকেট ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্টরা এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া, ২৯ জুলাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারতে নিযুক্ত নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে জানান, ঢাকা এবং নতুন দিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ এবং সমতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে একমত হয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্কের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের সময়েই ক্রিকেট বোর্ড সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণের বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি)-এর সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শতশত মানুষ শহীদ হয়েছেন, হাজার হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।
সেই আত্মত্যাগ ও রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। ফলে জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “জুলাইয়ের রক্তের ঋণ ভুলে গেলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।” শুক্রবার রাজধানীর রায়েরবাজার গণকবরে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে আমার বাংলাদেশ (এবি পার্টি) আয়োজিত দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, রায়েরবাজার গণকবরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনও নাম-পরিচয়বিহীন অনেক জুলাই শহীদের মরদেহ রয়েছে। এসব শহীদের পরিচয় শনাক্ত করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘আহমেদ আল-জাবের’-এ হামলা চালিয়েছে তেহরান, যা ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাব।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোরে ইরানি বাহিনী হামলা পরিচালনা করে, এ সময় তারা আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে।
এই তথ্য ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা ও পার্সটুডের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরানি সেনাবাহিনী ‘সায়েকেহ’ (বজ্রপাত) অভিযানের ২৭তম ধাপে এই কাজটি করেছে। কেশম দ্বীপে আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই কুয়েতের ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগকেন্দ্র এবং অস্ত্রাগারকে লক্ষ্য করে একের পর এক আত্মঘাতী ড্রোন চালানো হয়।
কুয়েতের আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত মার্কিন বিমান ও নজরদারি অভিযানের অন্যতম প্রধান কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ইরানি বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ড্রোনের আঘাত মার্কিন ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও অস্ত্রাগারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে। তবে এই হামলায় হতাহত বা বস্তাগত ক্ষতির বিষয়ে মার্কিন পেন্টাগন বা ওয়াশিংটন থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কেশম দ্বীপে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর মার্কিন আক্রমণকে 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করে নিজেদের অবকাঠামোগত ক্ষতি ও সেনাসদস্যদের হতাহতির প্রকৃত তথ্য বিশ্ববাসীর কাছে গোপন করার চেষ্টা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ