মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৪ পি.এম
কুড়িগ্রাম পৌরসভার হরিকেশ মোড়ে ছুরিকাঘাতে মো. রোস্তম আলী তোতা (৮০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. জলিল (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রোস্তম আলী তোতা হরিকেশ কানিপাড়া এলাকার মৃত মো. আলী মুন্সির ছেলে। আটক জলিল পার্শ্ববর্তী চর হরিকেশ এলাকার হাসান আলীর ছেলে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় রোস্তম আলী হরিকেশ মোড়ে চা পান করছিলেন। এ সময় জলিল রিকশা থেকে ছুরি এনে তার পেটে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরে স্থানীয়রা জলিলকে আটক করে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে নিহতের লাশ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়ার পর স্বজন ও এলাকাবাসী ময়নাতদন্ত না করার দাবি জানান। একপর্যায়ে লাশ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ও মর্গের তালা ভাঙার চেষ্টা করা হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিমতানুর রহমান পিপিএম, সদর থানার ওসি মো. কামাল হোসেনসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জলিলকে আটক করার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনছার আলী সাগরের নেতৃত্বে প্রায় ১৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শোভাযাত্রার আগে মোনাজাত ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে মোনাজাত শেষে আনছার আলী সাগরের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় নগদা শিমলা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড, গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। শোভাযাত্রায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিভিন্ন সড়কে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনছার আলী সাগর। তিনি বলেন, “আমি বিগত দিনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছি। ইনশাআল্লাহ, এবারও আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। দল আমাকে মনোনয়ন দেবে—এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী এবং সেই প্রত্যাশাই রাখি।”
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নগদা শিমলা ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় অ্যান্থলজি সিরিজ ‘মনস্টার্স’ নতুন একটি গল্প নিয়ে আসছে, যা মার্কিন ইতিহাসের আলোচিত হত্যাকাণ্ডের রহস্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। এবারের কিস্তির প্রধান চরিত্র হিসেবে রয়েছেন লিজি বোর্ডেন। ‘মনস্টার: দ্য লিজি বোর্ডেন স্টোরি’ নামক এই মৌসুমে প্রথমবারের মতো সিরিজটির কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দুতে একটি নারী চরিত্র রয়েছে।
রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮৯২ সালে লিজি বোর্ডেনকে তার বাবা অ্যান্ড্রু বোর্ডেন এবং সৎমা অ্যাবি বোর্ডেনকে কুঠার দিয়ে হত্যার অভিযোগে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি খালাস পান। সেই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা আজও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
লিজি বোর্ডেনের চরিত্রে অভিনয় করছেন মার্কিন অভিনেত্রী এলা বেটি। তাঁর বাবা অ্যান্ড্রুর চরিত্রে অভিনয় করছেন চার্লি হানাম এবং সৎমা অ্যাবির চরিত্রে রয়েছেন রেবেকা হল।
রহস্যঘেরা পুরোনো ঘটনা
লিজি বোর্ডেনের মামলা দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন জনপ্রিয় সংস্কৃতির একটি অংশ হয়ে আছে। একটি ছড়ার মাধ্যমে এই ঘটনার ব্যাপারে জনসাধারণের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে গান, রেডিও, চলচ্চিত্র, মঞ্চনাটক ও টেলিভিশনে বিভিন্ন সময় এই বিষয়টি উঠে এসেছে।
রেবেকা হল জানিয়েছেন, লিজি বোর্ডেনের নাম এবং সেই বিখ্যাত ছড়ার সঙ্গে তিনি পূর্বে পরিচিত ছিলেন। তবে লিজি যে হত্যার অভিযোগ থেকে শেষ পর্যন্ত খালাস পেয়েছিলেন এবং ঘটনাটি ঘিরে এত রহস্য রয়েছে, তা তিনি আগে জানতেন না।
‘মনস্টার্স’-এর পূর্ববর্তী মৌসুমগুলোতে জেফ্রি ডাহমার, এড গেইন এবং লাইয়েল ও এরিক মেনেন্দেজের মতো পুরুষদের দ্বারা সংঘটিত আলোচিত হত্যাকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। এবার লিজি বোর্ডেনের গল্পের মাধ্যমে সিরিজটি ভিন্ন ধরনের চরিত্র এবং সামাজিক বাস্তবতার দিকে নজর দিচ্ছে।
পরিচালক ম্যাক্স উইঙ্কলার জানিয়েছেন, ১৮৯০-এর দশকে নারীদের ওপর সমাজের প্রত্যাশা ছিল অত্যন্ত কঠোর। নারীদের জীবনে বিয়ে এবং সন্তানধারণকে প্রধান ভূমিকা হিসেবে দেখা হতো। লিজির জীবন সেই প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে কতটা সাংঘর্ষিক ছিল, সেটিও সিরিজে অনুসন্ধান করা হয়েছে।
উইঙ্কলারের মতে, লিজির সামাজিক অবস্থান, হতাশা এবং চাপের বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে সিরিজে নারীর ক্ষোভ বা ‘ফিমেল রেজ’-এর ধারণাও তুলে ধরা হয়েছে।
পরিচালক জানিয়েছেন, সিরিজটি কাউকে জন্মগতভাবে ‘খারাপ’ হিসেবে উপস্থাপন করার ধারণা থেকে নির্মিত হয়নি। বরং এটি মানুষের ওপর সামাজিক ও ব্যক্তিগত চাপ কীভাবে জমতে জমতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, সেই প্রশ্নের অনুসন্ধান করেছে।
তবে লিজি বোর্ডেনের প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে ঐতিহাসিক রহস্য এখনো রয়ে গেছে। আদালতে তিনি হত্যার অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছিলেন। ফলে নতুন সিরিজটি ঐতিহাসিক ঘটনার নাট্যরূপ, কোনো চূড়ান্ত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নয়।
উল্লেখ্য, ‘মনস্টার: দ্য লিজি বোর্ডেন স্টোরি’ বৃহস্পতিবার থেকে নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শাহবাগের ফুটপাতে অসহায় অবস্থায় বসবাসরত গোলাপি বেগম নতুন ঘরে উঠেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে তার জন্য নির্মিত ঘরটি শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২০২৫ সালে ছাত্রদলের একটি সমাবেশের সময় গোলাপি বেগমের অসহায় জীবনযাপনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। তিনি মানবিক বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এরপর গোলাপি বেগমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় এক বছর ধরে তার চিকিৎসার পাশাপাশি ঢাকার একটি বাসায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়। পরে তার স্থায়ী পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নতুন বাড়ি নির্মাণের নির্দেশ দেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান।
এরই ধারাবাহিকতায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে নবীনগরের রতনপুর গ্রামে গোলাপি বেগমের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করা হয়। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে গোলাপি বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় গোলাপি বেগমকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ ও শাহাদত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, হাসানুর রহমান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা জানান, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংগঠনটি মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন, তৃণমূল কংগ্রেসের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ও ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামের মধ্যে বিরোধের প্রেক্ষিতে আপাতত একটি অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
কমিশন জানায়, দলের ওপর কার অধিকার থাকবে, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে তৃণমূলের নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত উভয় পক্ষকে আলাদা নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে হবে।
বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এই প্রতীক ব্যবহার করতে পারছে না। এই সিদ্ধান্তের পর বিরোধীরা নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন, “একটি পুরো দলকেই যদি ‘চুরি’ করা যায়, তাহলে কোটি কোটি মানুষের ভোট নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।” আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালও এ বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘মমতার কাছ থেকে জোড়াফুল প্রতীক কেড়ে নেওয়া যেন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের উপহার।’ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেয়। এর ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের অন্য প্রতীক নিয়ে লড়তে হবে।
কমিশন জানায়, ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসের ওপর জোড়াফুল’ প্রতীক কোন পক্ষই ব্যবহার করতে পারবে না। উপনির্বাচনে প্রার্থীদের বিকল্প নাম ও প্রতীক গ্রহণ করতে হবে।
ভারতের রাজনীতিতে এমন ঘটনা পূর্বে ঘটেছে। শিবসেনা ও এনসিপির মধ্যে দলীয় বিরোধের পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রতীক ও দলের নাম নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। পরে বিদ্রোহী পক্ষ বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে যোগ দেয় এবং মূল দলীয় প্রতীক তাদের হাতে চলে যায়।
শুক্রবার এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে রাহুল গান্ধী তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির সমালোচনা করেন।
রাহুলের অভিযোগ, শিবসেনা ও এনসিপির পর এবার তৃণমূলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। তিনি দাবি করেন, বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন মিলে দল ভেঙে দিচ্ছে এবং দলীয় প্রতীক কেড়ে নিচ্ছে।
রাহুল আরও বলেন, একটি দলই যদি এভাবে ‘চুরি’ হয়ে যায়, তাহলে কোটি কোটি মানুষের ভোট নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তার মতে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব জনগণের মতামত রক্ষা করা এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।
রাহুল বলেন, ‘এই লড়াই শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাওয়া সব রাজনৈতিক দলেরই বিষয়।’ আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালও মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এভাবে কি বিজেপি নির্বাচনে জয় পেতে চায়? এদিকে, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রাহুল গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ