সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৭ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম কানাডার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাংলাদেশে বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডা (বিবিসিসি)’র সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিবিসিসি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ সুরক্ষার জন্য একটি উপযুক্ত আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।
প্রতিনিধিদলটি কানাডার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর বিভিন্ন সুযোগের কথাও তুলে ধরেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবার রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বিবিসিসি প্রতিনিধিরা কানাডা চীন ও ভিয়েতনাম থেকে বিপুল পরিমাণ পোশাক আমদানি করে উল্লেখ করে বলেন, কানাডার পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তারা কানাডার বৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি আউটসোর্সিং বাজারের কথাও উল্লেখ করেন। দক্ষ জনবল থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বর্তমানে এ বাজারের সামান্য অংশ দখল করে আছে বলে প্রতিনিধিরা জানান, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার সুবিধা না থাকার কারণে কানাডায় বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানিতে যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, তা প্রতিনিধিদলটি তুলে ধরেছে।
আলোচনায় শ্যামা বাংলাদেশে আরও বেশি কানাডীয় এফডিআই আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নেওয়া উদ্যোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।
বিবিসিসি প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশের পণ্য কানাডার বাজারে তুলে ধরার জন্য চেম্বারটি আগামী বছর কানাডায় একটি রোডশো আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এ উদ্যোগে তারা বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চান।
উদ্যোগটির প্রশংসা করে শ্যামা প্রতিনিধিদলকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার জন্য বিবিসিসিকে অনুরোধ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড স্থাপন করেছে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) বাংলাদেশ। সম্প্রতি, এমভি ওয়ানেন নামের সিএমএ-সিজিএমের একটি জাহাজে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেনের মাধ্যমে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮টি কনটেইনার (৮২ টিইইউ) হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড গড়েছে সৌদিআরব-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।
১০ সেপ্টেম্বর, পতেঙ্গা টার্মিনালে প্রথমবারের মতো গিয়ারলেস জাহাজ ‘এমভি ওয়ানেন’-এ নতুন চালু হওয়া শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন ব্যবহার করে কনটেইনার ওঠানামার সময় এই উৎপাদনশীলতা অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ।
আরএসজিটি বাংলাদেশ দাবি করেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৩০টি কনটেইনার (৪৮ টিইইউ) হ্যান্ডলিং হয়ে থাকে। নতুন এই উৎপাদনশীলতা প্রচলিত গড়ের প্রায় দ্বিগুণ। আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে টার্মিনালটিতে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে গিয়ারলেস জাহাজ পরিচালনাও করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জাম, আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা, আধুনিক পরিচালন পদ্ধতি এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে এ উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। এর ফলে জাহাজের বন্দরে অবস্থানের সময় কমবে, জেটি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়বে এবং জাহাজ-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও কমতে পারে। পাশাপাশি, দেশের সামুদ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থার সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও বৈশ্বিক নৌবাণিজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সামুদ্রিক প্রবেশদ্বারে রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তি, পরিচালন দক্ষতা ও জনবল উন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে তারা।
এক বিবৃতিতে আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরউইন হাযে মন্তব্য করেন, ‘ঘণ্টায় ৫৮টি মুভ বা ৮২ টিইইউ অর্জনের এই সাফল্য কেবল উৎপাদনশীলতার কোনো সাধারণ অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার অপার সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।’
তিনি আরও বলেন, বিশ্বমানের প্রযুক্তির সংযোজন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সুশৃঙ্খল পরিচালন পদ্ধতি এবং একটি দক্ষ জনবলের যৌথ প্রয়াসেই এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।
হাযে বলেন, ‘আমরা আমাদের পরিচালনাগত মানকে ক্রমাগত উন্নত করতে এবং গ্রাহক ও অংশীদারদের নিরাপদ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদান অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
চট্টগ্রাম বন্দরের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল বা আরএসজিটি চিটাগংয়ের (সাবেক নাম পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল) বহরে সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় টার্মিনালটির সেবার আওতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে এটির পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সৌদি প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালের জুনে, এ টার্মিনাল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় সৌদি আরবের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান আরএসজিটির হাতে দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম টার্মিনাল, যা প্রথমবার সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির আওতায় দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শুরুতে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে টার্মিনালটির সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর হারও ছিল কম। তবে নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ায়, টার্মিনালটি ব্যবহার করে পণ্য ওঠানো-নামানোর হার দ্রুত বেড়েছে।
অত্যাধুনিক চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন টার্মিনালের বহরে যুক্ত হওয়ার আগে সনাতন পদ্ধতিতে, অর্থাৎ জাহাজের ক্রেন দিয়ে কনটেইনার ওঠানো-নামানো হতো টার্মিনালটিতে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউ (২০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনারের একক)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদানই শেষ নয়, প্রশিক্ষণের পর তারা কীভাবে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারবেন, সেই কর্মসংস্থানের পথও নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
আজ সোমবার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’র আওতায় সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে জেলা প্রশাসক এসব মন্তব্য করেন।
জাহিদুল ইসলাম মিঞা উল্লেখ করেন, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি না রেখে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে সরকারি অর্থ ও প্রশিক্ষণার্থীদের সময় ব্যয়ের পরও কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হবে না। সুতরাং, প্রশিক্ষণ দেওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট খাতের চাহিদা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং প্রশিক্ষণের পর সম্ভাবনা নিয়ে পরিকল্পনা ও গবেষণা করা আবশ্যক।
তিনি আরও বলেন, "শুধু আমাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি ২০ জনকে প্রশিক্ষণ দিলাম"—এমন মানসিকতা আমাদের মধ্যে থাকা উচিত নয়। প্রশিক্ষণের পর যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন, তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত দক্ষতার পরিধি বৃদ্ধি ও নতুন প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়মিত অবহিত থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে নৌকা উলটে যাওয়ার কিছুদিন পর ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে উপস্থিত তিনজনের মধ্যে একমাত্র সেই বেঁচে ছিল।
দুর্ঘটনায় কিশোরটির বড়ভাই এবং এক চাচাতো ভাই প্রাণ হারিয়েছে। মার্কিন কোস্ট গার্ড পরে উলটে যাওয়া নৌকাটির ওপর বসে থাকা অবস্থায় কিশোরটিকে দেখতে পায়। এরপর তাকে একটি উদ্ধারকারী নৌযানে নিরাপদে তুলে নেওয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম ডেরেক পার্কার আগনাঙ্গা। কোস্টগার্ড জানায়, ৪ সেপ্টেম্বর আলাস্কার উপকূলের সেন্ট লরেন্স দ্বীপ থেকে ১৮ ফুটের একটি নৌকায় মাছ ধরতে বের হয়েছিল ওই তিন ভাই। তবে নির্ধারিত সময়ে ফিরে না আসায় কোস্টগার্ড অনুসন্ধান শুরু করে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্টগার্ডের একটি বিমান উলটে যাওয়া নৌকাটি শনাক্ত করে। তখন কিশোরটি উলটে থাকা অ্যালুমিনিয়ামের নৌকার ওপর একা বসে ছিল। কাছাকাছি একটি মাছ ধরার নৌকা দ্রুত গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার বড় ভাই ও চাচাতো ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকারী নৌকার ক্যাপ্টেন অ্যাডাম হোয়াইট জানান, উদ্ধার করার সময় কিশোরটি প্রচণ্ড ঠান্ডা ও অন্ধকারের মধ্যে সমুদ্রের প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে উলটে যাওয়া নৌকাটি আঁকড়ে ধরেছিল। তখন তার শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে গিয়ে হাইপোথার্মিয়া দেখা দিয়েছিল। খাবারের পাশাপাশি পানির তীব্র সংকট থাকলেও কিশোরটি হাল ছাড়েনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) চট্টগ্রামের রাউজানে আলোচিত মোহাম্মদ আব্দুল করিম হত্যা মামলায় চারজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি দেশীয় তৈরি এলজি, একটি এয়ারগান, দুই রাউন্ড ১২ বোরের কার্তুজ, একটি চাপাতি এবং একটি লোহার গ্রিল কাটার।
সোমবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মো. সেলিম (৫০), সৈয়দ মোহাম্মদ শুক্কুর (২৭), মো. জাবেদ (২৮) এবং মো. আলামিন (২৯)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন আগে আজগর নামের এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল চুরি হয়। এই ঘটনায় আজগরের ভাগিনা পারভেজ করিমকে সন্দেহ করে মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দেন। পারভেজ ক্ষুব্ধ হন যখন করিম চুরির সঙ্গে জড়িত নন বলে জানান। এর ফলস্বরূপ, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে কেরানিহাট বাজার এলাকায় পারভেজসহ অন্যান্য আসামিরা করিমকে গুলি করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের মগদাই এলাকায় পারভেজের পরিত্যক্ত গরুর ফার্মে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সিমেন্টের গামলায় বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, পলাতক আসামি পারভেজের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র, নারী ও শিশু নির্যাতন, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পারভেজসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ