ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আজ যা কিছু সুন্দর ও সফল, সব জিয়াউর রহমানের অবদান : ঢাবি উপাচার্য


আজ যা কিছু সুন্দর ও সফল, সব জিয়াউর রহমানের অবদান : ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পথ সুগম হয়েছিল। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর ফলে বাংলাদেশে পরিবর্তনের সূচনা ঘটে।

শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য।

আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বরের ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকে থাকত কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকে যায়। ওই সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংকটপূর্ণ। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

আরও পড়ুন: নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সার্বভৌমত্ব র‍্যালিতে হেঁটে প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ওই সময়ের ঘটনা তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। ৭ নভেম্বরকে সিপাহি-জনতার বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহি-জনতার বিপ্লব। সবাই সংহতি প্রকাশ করে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর।’

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের আওতায় বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে। জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টিতেও তার ভূমিকা ছিল। এ সময় তিনি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তার জান্নাত কামনা করেন।

৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি শুধু একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ সবার আগে বাংলাদেশ।’

আরও পড়ুন: তাহসিফের মৃত্যু: দীপের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

এদিকে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন দেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য।

শনিবার টিএসসি মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন। এই দিবস আমাদের ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থ পরিহার করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দেয়। দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমির মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তন হয় এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতির সূচনা ঘটে। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করে আধিপত্যবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

আরও পড়ুন: সম্পত্তির বিরোধে বাবা-বোনকে গাছে বেঁধে মাকে তুলে নিলেন ছেলে

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু এবং ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারাও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।

অন্যদিকে, দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উদ্যোগে ৭ ও ৮ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে টিএসসিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

ছাত্রদলের ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

অনুষ্ঠানে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ৭ নভেম্বর কেবল একটি তারিখ নয়, এটি একটি চেতনা ও প্রেরণার নাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াইয়ের যে ঐতিহ্য, ৭ নভেম্বরের চেতনার সঙ্গে তার মিল রয়েছে।

আরও পড়ুন: হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতে নিহত জেলে মিরাজের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন মাহবুবের রহমান শামীম

তিনি বলেন, অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মানুষ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধারা এমন একটি দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে অন্যায়-অত্যাচার থাকবে না এবং মানুষের কথা বলার অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। কিন্তু স্বাধীনতার পর দেশের মানুষ দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য ও নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত হওয়ার পরও বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে তোলার চেষ্টা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সোহেল আরও বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের নিজস্ব শক্তি ও মেরুদণ্ড থাকতে হবে; অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকা উচিত নয়। ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের নিজস্ব শক্তি প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই দিনের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান সামনে চলে আসেন। তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নানা পরিবর্তন এসেছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালে এসে ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম এতটা মুক্ত পরিবেশে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দীর্ঘ ২০ বছর রাষ্ট্রীয় বা দলীয়ভাবে এ ধরনের অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ হয়নি।

আরও পড়ুন: খালেদ মোশাররফ ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের খলনায়ক : বিদ্যুৎমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লুলার তির্যক মন্তব্য, বলসোনারোর আমেরিকায় পা রাখতেই হারলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


লুলার তির্যক মন্তব্য, বলসোনারোর আমেরিকায় পা রাখতেই হারলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ধাক্কার পেছনে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোর উপস্থিতিকে দায়ী করে তীব্র কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

লুলা দা সিলভা এক ইউটিউব লাইভস্ট্রিমে রসিকতা করে বলেন, ফ্লাভিও বলসোনারো হলেন এক ‘অশুভ লক্ষণ’ বা কুফা ব্যক্তি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পৌঁছানোর ফলেই ট্রাম্প নির্বাচনে হেরেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুলার কাছে হেরে যান ফ্লাভিও বলসোনারো। নির্বাচনে হারার পর ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তবে তার বিরুদ্ধে ব্রাজিলে দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কর ফাঁকির মামলার তদন্ত চলছে।

লুলা অভিযোগ করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া থেকে বাঁচতেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে সেখানে তিনি সুরক্ষার জন্য গেলেও তাকে শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলে ফিরে আসতেই হবে এবং সব মামলার মুখোমুখি হতে হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে জয় লাভ করায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বেড়েছে। সেই নির্বাচনী ধাক্কার ওপর ভর করেই লুলা তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘায়েল করতে এই মন্তব্য করেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমারের বাবাকে নতুন সিইও হিসেবে নিয়োগ দিল সান্তোস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


নেইমারের বাবাকে নতুন সিইও হিসেবে নিয়োগ দিল সান্তোস

ঢাকা, ৭ নভেম্বর ২০২৬ : ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোস নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে নেইমারের বাবা এবং এজেন্ট নেইমার সিনিয়রকে। শুক্রবার ক্লাবটি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

নেইমার সিনিয়র তার ছেলের ক্যারিয়ার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি এনআর স্পোর্টসের প্রতিষ্ঠাতা, যা সান্তোসের ফরোয়ার্ড নেইমারের নাম ও ছবির স্বত্বের অধিকারী।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেইমার সিনিয়রের চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে। তবে, সান্তোসের সভাপতি মার্সেলো তেইশেইরা যদি আগামী মাসে পুনঃনির্বাচিত হন, তাহলে তিনি এই পদে বহাল থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’-তে নবম স্থানে রয়েছে সান্তোস, যেখানে তারা ৩৪ ম্যাচে ৪৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে।

নতুন নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে তেইশেইরা বলেন, ক্লাবের অবস্থার উন্নতি এবং ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সান্তোসের পরিস্থিতির উন্নতি এবং ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন সমাধান ও বিকল্প খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সিইও হিসেবে নেইমার সিনিয়রের যোগদান এই প্রক্রিয়ায় আরও একটি পদক্ষেপ। তাঁর অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারব এবং সম্মিলিতভাবে আরও শক্তিশালী একটি ক্লাব গড়ে তুলতে পারব বলে আশাবাদী।’

বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে খেলা নেইমার ২০২৫ সালে তার শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে আসেন।

তিনি ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৮০ গোল করে ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে এখনো শীর্ষে রয়েছেন।

চলতি বছরের উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ব্রাজিলের স্কোয়াডেও ছিলেন এই ফরোয়ার্ড।

তবে জুলাইয়ের শেষ দিকে তিনি জানান, জাতীয় দলের হয়ে আর খেলতে চান না। এর কয়েক সপ্তাহ আগে নরওয়ের কাছে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের হারের পর তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদ মোশাররফ ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের খলনায়ক : বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


খালেদ মোশাররফ ১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের খলনায়ক : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশের ইতিহাস যতদিন থাকবে, ততদিন ৭ নভেম্বরও স্মরণীয় থাকবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, জিয়াউর রহমান ইতিহাসে একজন নায়ক হিসেবে পরিচিত থাকবেন এবং তাকে খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। খালেদ মোশাররফ ছিলেন খলনায়ক। ১৫ আগস্ট এবং ৭ নভেম্বর উভয় ক্ষেত্রেই তিনি খলনায়ক ছিলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন। তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী উভয়ই ছিল। যদিও জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তথাপি তিনি তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছিলেন।

শনিবার সিরাজগঞ্জ শহরের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাদের দেখতে হবে, মানুষটি কী করেছেন। ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশকে স্বাধীন করেনি। বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে এ দেশের মানুষ। সেটি ছিল জনযুদ্ধ, আর সেই জনযুদ্ধে জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।’

জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু আরও বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতে নিহত জেলে মিরাজের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন মাহবুবের রহমান শামীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতে নিহত জেলে মিরাজের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন মাহবুবের রহমান শামীম

নোয়াখালী হাতিয়ায় ট্রলারডুবিতে নিহত এক জেলে পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে তিনি তমরদ্দি ইউনিয়নের কোরালিয়া গ্রামে গিয়ে নিহত জেলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদেরকে এই আশ্বাস দেন।

এ সময় তিনি নিহত জেলে মিরাজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তাদের নগদ অর্থ সহায়তা এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। মাহবুবের রহমান শামীমের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গত ২৬ অক্টোবর, চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে একটি মাছ ধরার ট্রলার কর্ণফুলি নদীতে ডুবে যায়, যখন এটি একটি কার্গো জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে, চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর আকমল আলী ঘাটের নিকট থেকে দুই জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত দুই জেলে হলেন- নোয়াখালী হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের মোস্তপার ছেলে মিরাজ উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে শরীফ উদ্দিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%