মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
০৮:০৯ পি.এম
টাঙ্গাইলের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৩০০ বোতল এলপিজি গ্যাস জব্দ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস আমদানি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং গোডাউনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে সদর উপজেলার ডেলি করটিয়া এলাকায় আজাদ ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানে জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেলের নেতৃত্ব এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ডেলি করটিয়া এলাকার আজাদ ট্রেডিংয়ে অভিযান চালিয়ে এলপিজি গ্যাসের আমদানি ও বিক্রিসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গোডাউনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারা এবং অবৈধভাবে গ্যাস আমদানি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩০০ বোতল গ্যাস জব্দ করা হয় এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস আমদানি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং গোডাউনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জব্দ করা ৩০০ বোতল গ্যাস সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব অপরাধের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলন্ত ট্রাক্টর থেকে লাফ দিয়েও রক্ষা পেল না কিশোর পরিবারের একমাত্র ভরসাকে হারিয়ে দিশেহারা বাবা
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইটবোঝাই মাহিন্দ্র ট্রাক্টর উল্টে চাপা পড়ে নূর আলম সিকদার (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। চলন্ত গাড়িটি উল্টে যাওয়ার সময় প্রাণ বাঁচাতে লাফ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া খলাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নূর আলম ওই এলাকার আজগর আলী সিকদারের ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে অল্প বয়সেই ইটবোঝাই মাহিন্দ্র ট্রাক্টরে হেলপার হিসেবে কাজ শুরু করেছিল সে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে চালক কাইয়ুম মিয়ার সঙ্গে কাজে বের হয় নূর আলম। দুপুরে খলাপাড়া এলাকার কয়েকটি বাড়িতে ইট পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে পাকা সড়ক থেকে কাঁচা রাস্তায় নামার সময় মাহিন্দ্র ট্রাক্টরটি উল্টে যায়। এ সময় নিজেকে রক্ষার জন্য গাড়ি থেকে লাফ দেয় নূর আলম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত উল্টে যাওয়া ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে সে।
পরে চালক ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. উম্মে হাবীবা জুঁই বলেন, বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন নূর আলম নামে এক কিশোরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা করে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির নিচে চাপা পড়েই তার মৃত্যু হয়েছে।
নূর আলমের বাবা আজগর আলী সিকদার ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন। তিনি বলেন, আমার ছেলে শ্রমিকের কাজ করে পরিবারের হাল ধরেছিল। আমি অসুস্থ থাকায় কাজ করতে পারি না। পুরো পরিবারটি ছেলের ওপরই নির্ভর ছিল। কাঁচা রাস্তায় গাড়ি উল্টে নিচে পড়ে মরে গেছে। অসময়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেল!
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে নূর আলম দ্বিতীয়। অল্প বয়সেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া কিশোরটির আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। লুন্দিয়া খলাপাড়া এলাকার কাঁচা রাস্তায় ট্রাক্টরটি উল্টে গেলে নূর আলম লাফ দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে। কিন্তু উল্টে যাওয়া গাড়িটি তার ওপর পড়ে। চালক ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছে উপজেলা যুবদল ও পৌর বিএনপির একাংশের নেতারা। একই সঙ্গে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ এবং কৃষকদের জন্য সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারে বিএনপি নেতা খোসবুর রহমান খোকনের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহিন মোল্লা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. বাশারুল বারী।
লিখিত বক্তব্যে নেতারা অভিযোগ করেন, বিসিআইসি ও খুচরা সার ডিলার নিয়োগে একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুবিধাভোগী চক্র আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তাঁদের দাবি, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে পুনরায় ডিলারশিপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকদের স্বার্থ ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে চারটি ইউনিয়নের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাঁদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান আয়োজকেরা। তাঁরা হলেন—আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নের দাউদ মোল্যা (বিএনএফ), টগরবন্দ ইউনিয়নের আলামিন শেখ টোকন, বানা ইউনিয়নের কাজী অমিত হাসান জয় এবং পাচুড়িয়া ইউনিয়নের শওকত আলী। তাঁদের ডিলারশিপ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তোলা হলেও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে স্থানীয় একটি সুবিধাভোগী চক্র ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস বলেন, ডিলার নিয়োগের বিষয়টি কৃষি বিভাগের। আমার জানা মতে, এ বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা বলেন, উপজেলা কমিটি তদন্ত করে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন যোগ্য আবেদনকারীর নাম জেলা কমিটিতে পাঠায়। জেলা কমিটি তা অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। পরবর্তী সময়ে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকেই চূড়ান্ত ডিলার নিয়োগ সম্পন্ন হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৭ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। প্রতিটি পূজামণ্ডপকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে পূজা উদযাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা, মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে রাসিকের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীর পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় পূজামণ্ডপের নেতারা ওয়াইফাই সংযোগের দাবি জানালে প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া পূজামণ্ডপ ও বিসর্জন ঘাটের নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়ক সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার মোতায়েন, প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিসর্জনের সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বিসর্জন ঘাটে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা। এ সময় রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ দুজন এবং মাদক সেবনের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সোয়া ১১টার দিকে নগরীর মিজানের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ২৬০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন মোঃ রুমেল ওরফে রুবেল (৩৬) ও মোঃ বেল্লাল হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল তালাইমারী গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে এবং বেল্লাল চরশ্যামপুর গ্রামের মকলেসুর রহমান ওরফে মকলেসের ছেলে।
এদিন বিকাল সোয়া ৫টার দিকে মতিহার থানার খোঁজাপুর গ্রামের জমসেদ আলীর মেয়ে ও আকবর আলী ওরফে লিটন মিয়ার (৩৫) বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাসরত মোছাঃ শান্তা খাতুনের (২৫) বসতবাড়ি তল্লাশি করে ১৯ বোতল এসকাফ সিরাপ ও মাদক বিক্রির নগদ ৬ হাজার ৭০০ টাকা সহ তাকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। এ সময় আকবর আলী ওরফে লিটন পালিয়ে যায়।
একই রাত পৌনে ১টার দিকে ধরমপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম (৩৯) নামের এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, আরএমপির বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে মোট ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত চারজন, মাদক মামলার ছয়জন এবং অন্যান্য মামলার দুজন রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। #
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ