সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫০ পি.এম
সরকার ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সাহসিকতা, বীরত্ব, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের জন্য চারটি ক্যাটাগরিতে এই পদকগুলো প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো—বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং অন্যান্য উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদকগুলো প্রদান করা হচ্ছে।
মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখুন এখানে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান জ্বালানি অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতকে মাফিয়াদের হাতে তুলে দিতে নতুন ষড়যন্ত্র করছে, এমন অভিযোগ করেছেন সংসদ সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ শ্রেণিকরণের মেয়াদ তিন মাস থেকে বাড়িয়ে নয় মাস করার উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এটিকে দুর্বৃত্ত পোষার নির্লজ্জ মানসিকতা ও ব্যাংকিং সংস্কারের বিপরীত পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেন, শ্রেণিকরণের মেয়াদ বাড়ালে ব্যাংকের এক টাকাও ফেরত আসে না, কেবল কাগজের সংখ্যাটি ছোট দেখায়। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের পথ ধরে বর্তমান বিএনপি সরকারও একই পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "জুন ২০২৬ শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশ। কঠোর শ্রেণিকরণ বিধি ও স্বাধীন সম্পদমান নিরীক্ষার ফলে এ লুকানো ক্ষত প্রকাশ পেয়েছে, যা নীতির সাফল্য। এখন সংজ্ঞা শিথিল করার অর্থ হলো স্বচ্ছতার শাস্তি হিসেবে স্বচ্ছতাকেই বাতিল করা।"
তিনি আরও বলেন, 'থার্মোমিটার ভেঙে ফেললে জ্বর কমে না' মন্তব্য করে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে ভারত ও ভিয়েতনামের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত ২০০৪ সাল থেকে ৯০ দিনের মান অনুসরণ করছে এবং ২০১৮ সালে এনপিএ অনুপাত ১১.১৮ শতাংশে উঠলেও সংজ্ঞা শিথিল করেনি। বরং সম্পদমান নিরীক্ষা, দেউলিয়া আইন, সময়াবদ্ধ সমাধান এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের নিষিদ্ধ করার মতো নীতি গ্রহণের ফলে সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে দেশটির এনপিএ অনুপাত দাঁড়িয়েছে মাত্র ২.১ শতাংশে। একইভাবে ভিয়েতনামও সংজ্ঞা না বদলে ২০১৭ সালে জামানত দখলের আইন প্রণয়ন এবং ২০২৫ সালে তা সংশোধনের মাধ্যমে আদায় প্রক্রিয়া জোরদার করেছে। উভয় দেশের অভিজ্ঞতার মূল শিক্ষাই হলো—মাপকাঠি ঠিক রাখা এবং আদায়ের ক্ষমতা বাড়ানো।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের প্রতি ৬ দফা দাবি পেশ করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ:
১। ৯০ দিনের শ্রেণিকরণ বিধি অপরিবর্তিত থাকতে হবে। মেয়াদ বাড়ানোর সব আলোচনা অবিলম্বে বন্ধ হোক এবং বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ্যে অবস্থান জানাক।
২। ২০২৭ সালের মধ্যে আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হোক। IFRS-9 এ বকেয়ার বদলে ঝুঁকির মূল্যায়ন কাজ করে যা ৯ মাসের প্রস্তাবের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত। আইএফআরএস-৯ মতে, কিস্তি বন্ধ হওয়ার অপেক্ষা না করে ঝুঁকি বাড়ার মুহূর্তেই প্রভিশন রাখতে হবে। ব্যাংকিং বিপর্যয়ের পরেও বাংলাদেশ ব্যাংক কিস্তি বন্ধ হওয়ার পরও নয় মাস অপেক্ষা করতে চায়। দুটি একসঙ্গে চলতে পারে না। মূলধন ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য একটি পর্যায়ক্রমিক রূপান্তর পরিকল্পনা সহ বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৭ সালের মধ্যে আইএফআরএস-৯ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। সংজ্ঞা পিছিয়ে দিয়ে সেই অঙ্গীকার রাখা সম্ভব নয়।
৩। খেলাপি ও পুনঃতফসিলকৃত ঋণগ্রহীতাকে নতুন ঋণে ঝুঁকিভিত্তিক অতিরিক্ত সুদ ও কঠোর শর্ত দিতে হবে। আজকের ব্যবস্থায় একজন খেলাপি এবং একজন নিয়মিত পরিশোধকারী প্রায় একই শর্তে ঋণ পান। এটিই নৈতিক বিপর্যয়ের উৎস। খেলাপির ইতিহাসের একটি দাম থাকতে হবে, এবং সেই দাম তাকেই দিতে হবে।
৪। ৩১ আগস্টের পুনঃতফসিল সার্কুলারের প্রয়োগ বড় এক্সপোজারের ক্ষেত্রে স্থগিত থাকুক (১০ কোটির উপর), যতক্ষণ না সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এর প্রভাব মূল্যায়ন করে।
৫। সংকটাপন্ন সম্পদ ব্যবস্থাপনা আইন এবং অর্থঋণ আদালত আইনের সংশোধনী আগে পাস হোক। আদায়ের আইন তৈরি না করে সংজ্ঞা শিথিল করার আলোচনা অগ্রহণযোগ্য।
৬। বড় খেলাপিদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঘোষণার প্রক্রিয়া এবং সময়াবদ্ধ আইনি ব্যবস্থা চালু হোক।
পোস্টের শেষে হাসনাত আবদুল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, এটি আমানতকারীর টাকার নিরাপত্তা, বিনিয়োগকারীর আস্থা এবং রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্ন। যে সংখ্যা সংজ্ঞা বদলে খেলাপি কমানো হয়, বাজার সেই সংখ্যা বিশ্বাস করে না। ঋণদাতা করে না, আমানতকারী করে না, বিদেশি অংশীদারও করে না।
"আমরা দাবি করছি, বাংলাদেশ ব্যাংক এই উদ্যোগ থেকে প্রকাশ্যে সরে আসুক এবং আন্তর্জাতিক প্রমিত মান থেকে বর্তমানে যেসব বিচ্যুতি রয়েছে, তার একটি পূর্ণ তালিকা ও সংশোধনের সময়সীমা সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে উপস্থাপন করুক। স্বচ্ছতার শাস্তি হিসেবে স্বচ্ছতাকে বাতিল করবেন না, খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা বদলে সংকট আড়াল করার উদ্যোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার করুন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, কানাডার আটলান্টিক উপকূলের নিকটবর্তী একটি ফরাসি ভূখণ্ডে একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়। উভয় দেশ প্রতিরক্ষা, জ্বালানি এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে গভীর অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে। বৈঠকটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান
সেন্ট পিয়ের ও মিকেলন দ্বীপপুঞ্জে দুই নেতার সফরটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি ২০১৪ সালের পর ফরাসি প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর এবং ইতিহাসে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বারা এই দ্বীপপুঞ্জসহ কানাডা এবং উত্তর আমেরিকার অন্যান্য দেশকে মার্কিন পতাকায় ঢাকা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর উভয় দেশের সরকার প্রধান এই সফরে যান।
আরো পড়ুন
২৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন শি চিনপিং
অটোয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান তিক্ত বাণিজ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে।
গতকাল রবিবার, ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এক বিবৃতিতে মার্ক কার্নি বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়, গণতান্ত্রিক রীতিনীতির ক্ষয় এবং আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর নতুন সব হুমকি—এই নতুন সঙ্কটের কারণে আমাদের সমাজ আজ কেঁপে উঠছে।" তিনি যোগ করেন, "এতে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করার সময় এখন এসেছে।"
ম্যাক্রোঁ বলেন, দুই মিত্র দেশ মহাকাশ ও জলবায়ু থেকে শুরু করে জ্বালানি খাত পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে।
আরো পড়ুন
ভারতে প্রথম আসছে ডেঙ্গু টিকা : এটি কিভাবে কাজ করে?
রতে
ফরাসি প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, "আমরা উভয়েই গণতন্ত্র, আইনের শাসন, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, মুক্ত ও ন্যায্য বাণিজ্যের প্রতি সম্মান, আমাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে বিজ্ঞান এবং আমরা যে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন রক্ষা করি—তাতে বিশ্বাস করি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও: আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ঠাকুরগাঁও-১ (ঠাকুরগাঁও সদর-রুহিয়া-ভূল্লি) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহাম্মদ।
মনোনয়নপত্র প্রদান করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। এ সময় তিনি মনোনয়ন সংগ্রহকারীকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত নতুন কিছু নিয়ম-কানুন সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি আসন্ন সংসদ উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জামায়াতের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মনোনয়ন সংগ্রহকালে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সোলায়মান হোসেন, জামায়াতে নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি তুলে ধরেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়ে এক চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকার সংকট মোকাবিলায় দেশের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে দায়িত্ব গ্রহণের ৭ মাসের মাথায় ২ দফা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহণসহ শিল্প উৎপাদনে ভাড়া ও মূল্য বৃদ্ধি করবে। এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে পূর্বের মূল্য বহাল রাখার দাবি জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকার জনস্বার্থে কোথাও ব্যবসা করবে, কোথাও ভর্তুকি দেবে, এটাই বাস্তবতা। দেশের চরম আর্থিক সংকটের এই মুহুর্তে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি কমানোর মাধ্যমে সংকটাপন্ন জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব বলে স্মরণ করিয়ে দেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ