০৩:২২ পি.এম
দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার সময় গ্রেফতার হওয়া ১৭ জন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিককে জামিন প্রদান করা হয়েছে। বিচারক অনিমেষ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা অল্পবয়সি এবং তাঁদের মধ্যে কেউই পেশাদার অপরাধী নয়।
গত ৫ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন ১৭ জনকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সোমবার রাতে ধৃতদের আদালতে হাজির করে পুলিশ তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানায়। পুলিশের অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তরা ১৬৩ ধারা (পুরোনো ১৪৪ ধারা) উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে জড়ো হয়েছিলেন। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মারধরে এক মহিলা কনস্টেবলও আহত হন।
অভিযুক্তদের আইনজীবী সাইমন ফারুকি আদালতে বলেন, ধৃতদের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগের সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের কম। তাই তাঁদের গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল না। তিনি আরও বলেন, প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারীর মধ্যে মাত্র ১৭ জনকে বেছে বেছে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি, যা অভিযুক্তদের আইনজীবী জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৮, আহত ৮০
দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জানায়, অভিযোগগুলো যথেষ্ট গুরুতর। একজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। বিচারক স্পষ্ট করেন, যে কেউ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রাখে। তবে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর হামলা গুরুতর বিষয় এবং এটি কখনও বরদাশত করা হবে না। তবুও, অভিযুক্তরা অল্পবয়সী এবং স্বভাবগতভাবে অপরাধী নয় হওয়ায় তাঁদের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। ১৫ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের জামিন দেয়া হয়।
তবে আদালত কিছু শর্ত আরোপ করেছে। আদালত জানিয়েছে, জামিনে থাকাকালীন অভিযুক্তরা নতুন করে কোনো অপরাধমূলক কাজে যুক্ত হতে পারবেন না। তাঁদের ঠিকানা আদালতে জমা দিতে হবে।
তাদের মোবাইল ফোন সব সময় চালু রাখতে হবে। আদালতে মামলার শুনানি হলে হাজির থাকতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁরা দেশ ছাড়তে পারবেন না। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন: কাতারের নতুন প্রস্তাব ইরানকে, যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন