ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শিঙাড়া বিতরণ, বেধড়ক পিটুনি


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে শিঙাড়া বিতরণ, বেধড়ক পিটুনি

ঢাকার ধানমন্ডি-৩২ নম্বর এলাকায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে গিয়ে, মোবাইলে ভিডিও ধারণের অপরাধে এবং শিঙাড়া বিতরণকে কেন্দ্র করে তিন জনকে মারধরের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে সড়কের প্রবেশমুখে এই মারধরের ঘটনা ঘটল। মারধরের শিকার ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় এ মুহূর্তে জানা যায়নি।

‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ (এসডিএফ) নামে একটি সংগঠনের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে তারা পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি এ মারধর করেছে। তারা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জানা যায়, ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে প্রবেশ সড়কের মুখে একজন রিকশাচালক তার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। একপর্যায় আয়াস ওই রিকশাচালকের কাছে যান এবং তার ফোনটি চেক করেন। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই ভিডিও যুবলীগের একজনকে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জেরে সেখানে মব তৈরি হয়। এই সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা ওই রিকশাচালককে বেধড়ক মারধর করেন। পরে পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।

মারধরের সময় সেখানে উপস্থিত আরেকজন ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। তাকে মারধর করার পর তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। অপরদিকে, দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিঙাড়া বিতরণ করার অভিযোগে আরেক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। সেই ব্যক্তির হাতে একটি ব্যাগ ছিল, যার ভেতরে শিঙাড়া পাওয়া যায়। মারধরের এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তিও পালিয়ে যান।

আ ন ম আয়াস সাংবাদিকদের জানান, নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) সংগঠন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীদের অপতৎপরতা রোধ করতে তারা অবস্থান করছেন। কাউকে পেলে তারা পুলিশকে জানাচ্ছেন।

যদি মব সৃষ্টি করে কাউকে মারধর করতে পারা যায়? এই প্রশ্নের জবাবে আয়াস বলেন, তিনি মব সৃষ্টি করছেন না। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ পেলে তাদের ধরে শুধু পুলিশের কাছে সোপর্দ করছেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সম্মুখীন আয়াস সেখান থেকে চলে যান।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার সাদ্দাম হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তারা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে আসা একজন অর্ণব দাস নামের ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক আটক হন। তিনি ফুল দিতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অর্ণব দাসের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত পথে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা দিলেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


সাত পথে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা দিলেন মোদি

৮০তম স্বাধীনতা দিবসে পুরানো দিল্লির লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 'বিকশিত ভারতের' স্বপ্নের বীজ বপন করেছেন। দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে তুলে ধরেছেন এবং সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পথ দেখাবে ‘সপ্তধারা’।

যেমন বলা হয়েছে, 'সপ্তধারা' শব্দের অর্থ হচ্ছে সাতটি ধারা বা স্রোত। ভারতীয় সংস্কৃতিতে সাত সংখ্যার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যেমন, সপ্তর্ষি, সপ্তসিন্ধু বা সাতটি পবিত্র নদী। মোদী তাঁর বক্তব্যে 'সপ্তসিন্ধু' প্রসঙ্গ টেনে বর্তমানে ভারতের উন্নয়ন এবং 'সপ্তধারা'-র সঙ্গে যোগ স্থাপন করেছেন।

মোদীর বক্তব্যের মূল ভাবনা হচ্ছে, এক সময়ে ভারতের শক্তির প্রতীক ছিল সাত নদী। এখন দেশের শক্তি বাড়াতে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সেই সাতটি ক্ষেত্র হলো— উৎপাদন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, গতি শক্তি, প্রতিরক্ষা শক্তি, সবুজ ও নীল অর্থনীতি এবং ভারতের সফট পাওয়ার।

প্রথমেই মোদী উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং-এর দিকে ইঙ্গিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ভারতকে শুধু বিদেশি পণ্যের বড় বাজার হিসেবে নয় বরং বিশ্বের অন্যতম বড় উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তাঁর মতে, বিশ্ববাজারে স্থান করে নিতে ভারতীয় পণ্যের দাম কমাতে এবং গুণমান উন্নত করতে হবে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য পর্যন্ত পুরো উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় ক্ষেত্র হল কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ। এখানে মোদী বলেছেন, শুধু ফসল ফলানোই যথেষ্ট নয়, সেই পণ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে বিশ্বের বাজারে পৌঁছাতে হবে। বাজরা, মশলা, ফল, সব্জি-সহ ভারতীয় কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এর উপর জোর দিয়েছেন মোদী। কৃষকদের আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মূল্য বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তৃতীয় ক্ষেত্রে মোদী প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনের কথা বলেছেন। ইউপিআই এবং ডিজিটাল পরিষেবার সাফল্যের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, 'এবার আরও উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগোতে হবে।' ডেটা সেন্টার, রোবোটিক্স, নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি এবং দেশের তৈরি ৬জি-র মতো ক্ষেত্রে কাজ বাড়ানো জরুরি বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

চতুর্থ দিক গতি শক্তির দিকে। এর মূল কথা হচ্ছে দ্রুত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন। হাইস্পিড রেল, রাস্তা, বিমানবন্দর, বন্দর, জলপথ এবং মাল্টিমোডাল পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে মানুষ এবং পণ্য দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব করতে চাইছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, দেশের বন্দরগুলিকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

পঞ্চম ক্ষেত্র হল প্রতিরক্ষা। সরকার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অস্ত্রশস্ত্রে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি তৈরির উপর জোর দিচ্ছে। ড্রোন, ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তি এবং আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির মাধ্যমে ভারতকে বিশ্বের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা সরবরাহকারী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছে।

ষষ্ঠ ক্ষেত্র হল সবুজ ও নীল অর্থনীতি। পরিবেশ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মোদী। পুনর্নবীকরণীয় শক্তি, গ্রিন হাইড্রোজেন এবং বিদ্যুৎ সংরক্ষণে দৃষ্টি দেওয়ার কথাও এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। মৎস্য, সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং উপকূলীয় পর্যটনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শেষত ভারতের সফট পাওয়ারের প্রসঙ্গটি আসছে। অর্থাৎ ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সৃজনশীলতাকেও দেশের শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চান মোদী। যোগ, হস্তশিল্প, সিনেমা, অ্যানিমেশন, ভিএফএক্স, গেমিং, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং পর্যটনের মত ক্ষেত্রে ভারতের সাংস্কৃতিক প্রভাব বাড়ানোর পরিকল্পনা জানিয়েছেন তিনি। এ থেকে নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইজিজেটের কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটে ফ্রান্সে ১০০ ফ্লাইট বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


ইজিজেটের কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটে ফ্রান্সে ১০০ ফ্লাইট বাতিল

কর্মীদের ডিউটি ও সময়সূচিতে বারবার পরিবর্তনের প্রতিবাদে কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটের কারণে, ব্রিটিশ এয়ারলাইন ইজিজেট ফ্রান্সের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে শনিবার এবং রোববারের মধ্যে প্রায় ১০০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে।

সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ইউনিয়নগুলোর দাবি, ফ্রান্সে ইজিজেটের প্রায় ৯০০ কেবিন ক্রুর মধ্যে অর্ধেকের মতো এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন। এর ফলে প্যারিসের দুটি বিমানবন্দর, নিস, বোর্দো ও লিয়ন থেকে পরিচালিত প্রায় অর্ধেক ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ইজিজেট ধর্মঘটকে ‘সুযোগসন্ধানী’ আখ্যা দিয়েছে। কারণ, ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির সপ্তাহান্তে সাধারণত বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভিড় থাকে।

ফ্রান্স ইজিজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সম্প্রতি মার্কিন প্রাইভেট-ইকুইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো ৭৭০ কোটি ডলারের চুক্তিতে ইজিজেটের মালিকানা নিয়েছে। ফ্রান্সে যাত্রীসংখ্যার দিক থেকে ইজিজেটের অবস্থান এয়ার ফ্রান্সের পরেই।

ইজিজেট জানায়, যাত্রীদের বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিতে, বেশিরভাগ ফ্লাইট শুক্রবারই বাতিল করা হয়েছে।

কেবিন ক্রুদের ইউনিয়ন এসএনপিএনসি-এফও-এর নেতা উইলিয়াম বুরদোঁ বলেন, কর্মীরা তাঁদের ডিউটিতে ‘স্থিতিশীলতা’ চান। তাঁর দাবি, কোনো কোনো কর্মীর কাজের সময় ও গন্তব্য সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ বার পর্যন্ত পরিবর্তন করা হয়।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবন বা সন্তানদের দেখাশোনার মতো বিষয়গুলো পরিকল্পনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ বেশিরভাগ পরিবর্তনই শেষ মুহূর্তেÑফ্লাইটের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগেÑজানানো হয়।’

আলোচনায় থাকা তিনটি ইউনিয়ন ৭ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।

বুরদোঁ জানান, কোনো বিমানবন্দরে ইজিজেটের কর্মী সংকট দেখা দিলে, অন্য ঘাঁটি থেকে কর্মী এনে ঘাটতি পূরণ করা হয়। এতে আবার ওই ঘাঁটিতেও কর্মী সংকট তৈরি হয়।

এপ্রিলে হওয়া আগের ধর্মঘটে তুলনামূলকভাবে সীমিত প্রভাব পড়েছিল। ইউনিয়নগুলোর অভিযোগ ছিল, ওই ধর্মঘটের দিন কাজে যোগ দিতে কর্মীদের ৭০০ ইউরো (প্রায় ৮১০ ডলার) পর্যন্ত বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ইজিজেট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব ব্যাংকে মোবাইল ফোন কেনায় ইএমআই সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ: তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


দেশের সব ব্যাংকে মোবাইল ফোন কেনায় ইএমআই সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ: তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা

প্রথমে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সব ব্যাংক খুব শিগগিরই মোবাইল ফোন কেনার জন্য ইএমআই বা কিস্তি সুবিধা প্রদান করবে। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

রবিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ তথ্যটি তুলে ধরেন।

এই গোলটেবিল বৈঠকটি টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ বা টিআরএনবির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

এতে রেহান আসাদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সিম ট্যাক্স প্রত্যাহারের সুবিধা গ্রাহকরা কিভাবে পাচ্ছেন, সেটির জবাব দিতে হবে টেলিকম অপারেটরদের।

তিনি আরও জানান, টেলিকম খাত দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই খাত থেকে ১৫ শতাংশ জিডিপির অবদান আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া, সরকার এ খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে স্থান দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবং এজন্য একটি পাঁচ বছর মেয়াদি রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। বাজেটের পর এই রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে, যা সম্পূর্ণ পূর্বানুমেয় হবে এবং এতে কোনো প্রকার অনিশ্চয়তা থাকবে না।

এ প্রসঙ্গে বলেন, গত ছয় সপ্তাহে টেলিকম খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকগুলোতে উপস্থাপিত হওয়া তাদের চাহিদা, সমস্যা এবং প্রত্যাশা শোনা হয়েছে। এদিকে, টেলিকম খাতের করহার তুলনামূলকভাবে বেশি, কিন্তু দেশের সামগ্রিক ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত এখনও কম। বর্তমানে টেলিকম খাত সরকারী রাজস্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।

এবারের বাজেটে কর কমানোর সম্ভাব্য প্রভাবের ওপর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটি বাজেটে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব না হলেও, সরকার বাস্তবভিত্তিক সমাধানে উদ্যেগ নিচ্ছে। গার্মেন্টস খাতের মতো, বাংলাদেশকে একটি হাব করতে আমরা ইলেকট্রনিকস খাতেও তেমন সুযোগ সুবিধা দেব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অবস্থান অনুযায়ী, শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে মেঘলা থাকতে পারে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ৭ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা পাওয়া যায় ৬৭ শতাংশ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় সাড়ে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে এবং রোববার (১৬ আগস্ট) সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৪ মিনিটে।

আজ দুপুর ১টার আগের ছয় ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় কোনো বৃষ্টি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%