বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে এফবিসিসিআই।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক এ গুরুত্বারোপ করেছেন বলে আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
মো. ফজলুল হক বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এফবিসিসিআই, চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার ও সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর এবং চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে প্রায় ৬৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে চীন থেকে প্রায় ১৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জে জমিতে বৈদ্যুতিক মোটর দিয়ে পানি দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পিতা ও পুত্রের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের চর বড়ফা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, চর বড়ফা গ্রামের মৃত শামসু খার ছেলে এনায়েত খা (৪০) এবং তার ছেলে মেহেদী হাসান খা (১২)। মেহেদী স্থানীয় একটি স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় তার বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এনায়েত খা ধানের জমিতে বৈদ্যুতিক মোটর দিয়ে পানি দিতে যান। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার ছেলে মেহেদী হাসানও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।
পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। দুপুর ১টার দিকে তাদের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এ কে এম সিরাজুল ইসলাম পিতা-পুত্র দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আরিফুল ইসলাম ও সাব্বির রহমানের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে চতুর্থ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরমেন্স (এইচপি) একাদশ।
টুর্নামেন্টে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে আজ বাংলাদেশ ২৩ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলকে। এতে ৫ ম্যাচে ৪ জয় ও ১ হারে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট আছে ভিক্টোরিয়া সিএ একাদশেরও। রান রেটে এগিয়ে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
ডারউইনের মারারা ক্রিকেট মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ এইচপি একাদশ। রানের খাতা না খুলেই ইনিংসের তৃতীয় বলে আউট হন ওপেনার জিশান আলম। আগের ম্যাচে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমির বিপক্ষে গোল্ডেন ডাক মেরেছিলেন জিশান।
দ্বিতীয় উইকেটে ৪৮ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন আরেক ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও আরিফুল। জুটিতে ২১ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রান অবদান রেখে সাজঘরে ফিরেন সোহান।
চার নম্বরে নেমে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর। এতে ৫১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন আরিফুল ও সাব্বির। ৫৩ বল খেলে ৯০ রান যোগ করে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ বলে ৭১ রানে আউট হন আরিফুল।
ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলে বাংলাদেশকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮১ রানের বড় পুঁজি এনে দেন সাব্বির। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ বলে অনবদ্য ৬২ রান করেন তিনি।
নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের ম্যাথু ফিশার ২ উইকেট নেন।
১৮২ রান তাড়া করতে নেমে ১২ ওভারে ২ উইকেটে ১১৪ রান তুলে জয়ের পথে ছিল নিউজিল্যান্ড ‘এ’। তবে দলীয় ১১৪ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর পথ হারায় তারা। ৪৪ রানে ৬ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৮ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন ওপেনার ম্যাক্স চু। এছাড়া ম্যাথু বোয়েল ৩১ ও কাটেনি ক্লার্ক ২৪ রান করেন।
পেসার রিপন মন্ডল ২৭ রানে এবং স্পিনার রাকিবুল হাসান ২৩ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। পাশাপাশি মোহাম্মদ রুবেল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১টি করে উইকেট নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া প্রস্তাব পরীক্ষা ও সুপারিশ প্রদানের জন্য ১০ সদস্যের ‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নূর ও ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
কমিটির কার্যপরিধিতে জাতীয় পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া প্রস্তাব পরীক্ষা করা, বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান ও এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়ে সুপারিশ করা, নতুন জাতীয় পুরস্কারের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়া এবং কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত কমিটি গঠনসংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে সভাপতি করে নয় সদস্যের একটি সচিবালয়ও গঠন করা হয়েছে। এতে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এবং অর্থ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাণিজ্য, তথ্য ও সম্প্রচারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা সদস্য হিসেবে থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ডেমরা এলাকার সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, পারিবারিক বিরোধ, প্রতারণা, আদালতের নির্দেশ অমান্য এবং জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কয়েকটি বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
জসিম উদ্দিন ডেমরার সারুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার নাম রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ি থানার সামনে গুলিতে নিহত ইমরান হাসানের ঘটনায় তার মায়ের করা মামলায় জসিম উদ্দিনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রাবাড়িতে জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট আরেকটি হত্যা মামলাতেও তার নাম রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
জসিম উদ্দিনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের তথ্য গোপন করে ২০০৭ সালে ফাহিমা আক্তার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। ফাহিমার ২০১৭ সালে মৃত্যুর পর তাদের দুই সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফাহিমার ভাই ফজলুল হক অন্তরের দাবি, সন্তানের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বিরোধের জেরে মামলা করা হয়।
ফাহিমার মৃত্যুর পর জসিম উদ্দিন তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ে করেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তানিয়ার পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক ও সামাজিক চাপের মধ্যে এ বিয়ে হয়েছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, তানিয়া অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর দাম্পত্য বিরোধ তৈরি হয় এবং ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছরের ৯ ডিসেম্বর তানিয়ার একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। পরে ওই সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকারের অভিযোগে তানিয়ার পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।
তানিয়ার করা মামলায় জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই পরোয়ানা ফেরত সংক্রান্ত একটি নথিতে বিচারকের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগও ওঠে।
প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি তদন্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
ডেমরার আমুলিয়া রোডের একটি মার্কেটের ব্যবস্থাপনা নিয়েও জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একজন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তার দাবি, মার্কেট পরিচালনার দায়িত্বে থাকার সময় ডেভেলপার চুক্তি, শেয়ার ও ফ্ল্যাট বিক্রিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে এবং প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া আদালতের নির্দেশ অমান্য করে একটি ভবন নির্মাণ এবং পারিবারিক সম্পদসংক্রান্ত বিরোধে স্বজনদের হয়রানি করার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে, জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও ওপার থেকে তার কোন সাড়া মেলেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ