ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিনাজপুর রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে সাড়ে ৪ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্র


দিনাজপুর রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে সাড়ে ৪ কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্র

 

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরের রক্তদান কর্মসূচির উদ্যোগে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করা হয়েছে দিনাজপুরের তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে। এই যন্ত্রপাতিগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা।

সোমবার সকাল ১১টায় তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ছিল বিশেষ গুরুত্বের। এখানে যন্ত্রপাতিগুলো বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির রক্তদান কর্মসূচির পরিচালক ডা. শাহানা জাফরের হাত থেকে কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

অনুষ্ঠানে তিনি যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

হস্তান্তর করা যন্ত্রপাতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে একটি রেফ্রিজারেটর সেন্ট্রিফিউজ (সেল সেপারেটর), চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি রেফ্রিজারেটর, মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি ব্লাড ডিপ ফ্রিজ এবং প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দিনাজপুর ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

তিনি এই সময় জানান, তৈয়বা মজুমদার রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য শিগগিরই ১০ শয্যার একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দিনাজপুর ইউনিটের অ্যাডহক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম আজাদ, সদস্য খালেকুজ্জামান বাবু, মো. মোকাররম হোসেন, মো. শাহিদুর ইসলাম শাহিন খান ও অ্যাডভোকেট মোল্লা সাখাওয়াত হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল পুনরুদ্ধার না হলে নগরের জলাবদ্ধতা কমবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


খাল পুনরুদ্ধার না হলে নগরের জলাবদ্ধতা কমবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সম্প্রতি জানিয়েছেন, খালগুলো যদি পুনরুদ্ধার না করা হয়, তবে নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, এভাবে জনদুর্ভোগ দূর করা সম্ভব নয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) গুলশান-২ এর ১০৪ নাম্বার রোডে মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেকের পাড় ভাঙন এবং বৃষ্টির পানি জমে থাকা স্থান পরিদর্শনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসময় ডিএনসিসির প্রশাসক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভবিষ্যতে যেকোনো লেক পারের রাস্তার ভাঙন রোধ এবং বৃষ্টির পানি যাতে আর জমে না থাকে, সেজন্য রাজউক ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, "আমরা যদি নগরবাসী সবাই সচেতন হই এবং ড্রেন ব্যবস্থা যদি আরো উন্নত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি আর কোনো রাস্তায় জমে থাকবে না।" এছাড়া তিনি নগরবাসীকে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলতে এবং ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যেসব খাল বেদখল হয়ে গেছে, সেগুলোকে দখলমুক্ত করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে। খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূরী করা সম্ভব নয়। তাই নগরকে বাঁচাতে হলে এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নগর গড়ার জন্য খালগুলো দখলমুক্ত করা জরুরি।

প্রশাসক জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল এবং ড্রেন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করার কারণে ঢাকা শহরের মশা অনেকটাই কমে গেছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রুত অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে, সেজন্য সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ তিনি দেন।

পরে প্রশাসক খিলক্ষেতের নামাপাড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি নামার উপযোগী করার নির্দেন দেন।

পরিদর্শনের সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২৯০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ২৯০ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া জুড়ে একটি বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৮টি ভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে অন্তত ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ২৯০ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে দ্য স্টারের মাধ্যমে।

তিনি উল্লেখ করেন, যৌথ এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, পুলিশ এবং স্থানীয় সরকারের প্রায় ৮৭৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। অভিযান চলাকালীন নিয়োগকর্তা ও বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে ৫০৩ জনকে আটক করা হয়।

আটক হওয়া ২৯০ জন বাংলাদেশির পাশাপাশি রয়েছেন মিয়ানমারের ১০১ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬৬ জন, নেপালের ৩৮ জন, ভারতের ৩৬ জন এবং অন্যান্য দেশের ১০ জন নাগরিক। আটকদের মধ্যে ২১ থেকে ৫২ বছর বয়সি ৯৫ জন নারীও রয়েছেন, যাদের সবাইকে পরবর্তীতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, সংশ্লিষ্ট তদন্তে সাক্ষী হিসেবে সহায়তার জন্য আরও ১২০ জন ব্যক্তিকে বিশেষ নোটিশ (বোরং ২৯) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিবাসন বিভাগ নিশ্চিত করেছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যবসাগুলোকে টার্গেট করা।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করার এবং ভিসার শর্ত অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, অনেকের কাছে নির্মাণ খাতের ভিসা থাকলেও তারা কাপড়ের দোকানে কাজ করছেন। পাশাপাশি কিছু কার্ডধারীর কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্যও তাদের আটক করা হয়েছে। মহাপরিচালক আরো জানিয়েছেন, পুরো মালয়েশিয়াজুড়ে দুই শতাধিক 'হটস্পট' চিহ্নিত করা হয়েছে, যার অর্ধেকই দেশটির ক্লাং ভ্যালি এলাকায় অবস্থিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ ভবনের ছাদ সংস্কার শুরু, এক সপ্তাহে সমাধানের আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


সংসদ ভবনের ছাদ সংস্কার শুরু, এক সপ্তাহে সমাধানের আশা

জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ার সমস্যা সমাধানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করেছে। মঙ্গলবার সংসদে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে জানানো হয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে সংসদ কার্য পরিচালনাকারী চিফ হুইপ জানান, বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ভবনের যেসব স্থানে পানি চুইয়ে পড়ছে সেগুলো মেরামতের কাজ গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে পানি চুইয়ে পড়ার সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

এ সময়, ডেপুটি স্পিকার বিষয়টির গুরুত্বপূর্ণতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ডেপুটি স্পিকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, চিফ হুইপ বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এনেছেন। ভবনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতে সহায়তা করবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতে সহায়তা করবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের তরফে সহায়তা করা হবে বলে জানা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী দোহাজারীর ইকবাল কনভেনশন হলের সামনে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এই সময়টা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার। পানি যখন নেমে যাবে তখন উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি এলাকায় যেতে পারবে। তখন ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য নিরূপণ করতে পারব। এই মুহূর্তে আমাদের মূল ফোকাস রিলিফ অ্যান্ড রেসকিউ। দুর্গতদের উদ্ধার করতে চাই ও তাদের কাছে খাবার পৌঁছাতে চাই।"

তিনি আরও বলেন, "পানি নামার পর পুনর্বাসন করা হবে। যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রতিটি ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের তরফে সহায়তা করা হবে। যাদের জমি তলিয়ে গেছে, ঘের ভেসে গেছে এবং গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে দিতে সরকার সহায়তা করবে। যাতে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।"

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, "বন্যার কারণে জুলাই মাসের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে এনজিওগুলোকে সরকার অনুরোধ করেছে।"

এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%