শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:০৭ পি.এম
বিশিষ্ট দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর কনিষ্ঠ পুত্র এবং আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার বলেছেন, 'জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে ভোটের কোন সম্পর্ক না থাকাটাই উচিত। মানুষের কল্যাণে করা কাজ যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই হয়। আমি প্রায়ই বলে থাকি, 'আগে কাজ পরে ভোট'। নির্বাচনকে সামনে রেখে যারাই আসবে তাদের কাছে আমার এই বার্তাটি পৌঁছে দিবেন।'
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের ডুবাইরচর উত্তরপাড়া ফুরকানিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদের সামনের বিরাটাকার অংশে আরসিসি ঢালাই কাজের অগ্রগতি এবং ওই এলাকায় একটি সংযোগ সড়কের কাজ পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লিদের সঙ্গে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এলাকার উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
গোলাম সারোয়ার আরও বলেন, সমাজের মানুষের জন্য আমার কাজ আজকের নতুন কিছু নয়, আমি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে মোকাম ইউনিয়নবাসীর সুখে দুখে পাশে আছি। আমার বাবা দানবীর ছিলেন, তিনি মানবসেবা করতেন, আমি ওনার আদর্শের জায়গাটি ধরে রাখার চেষ্টা করছি। মোকাম ইউনিয়নবাসীর জন্য আমার একটি মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ এলাকার যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আমি কাজ করতে চাই। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, মানুষের কল্যাণে আমার সাধ্যমতো উন্নয়নমূলক কাজ করে যাব। কাজের বিনিময়ে ভোটের রাজনীতি আমি বিশ্বাস করি না। মানুষের জন্য, সমাজের জন্য কাজ করাটা পিতার উত্তরাধিকার সূত্রে আমার ভেতর জেগে বসেছে। তেমনি আমার মৃত্যুর পরও আমার সন্তানদের বলে গেছি, তারা যেন মানুষের পাশে সব সময় থাকে।
মসজিদের মুসল্লী ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের খালি অংশটি অনেকটা অবহেলিত অবস্থায় পড়েছিল। মাহফিল, জানাজা ও ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠান করার ক্ষেত্রে নানা রকম সমস্যা হতো। এছাড়া বর্ষা মৌসুম মসজিদে মাদ্রাসার এইখালি অংশটি কর্দমাক্ত হয়ে থাকতো, ফলে মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক ও মসজিদের মুসল্লিদের যাতায়াতে বিড়ম্বনা পথে হতো। সমস্যাটির বিষয়ে বিশিষ্ট দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর কনিষ্ঠ পুত্র সমাজসেবক গোলাম সারোয়ারের সরণাপন্ন হলে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের এই খালি অংশটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে পাকা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্থানীয়রা আরো জানান, কেবল মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণের খালি অংশই নয়, এখানকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের কাজও তিনি নিজ অর্থায়নে করে দিচ্ছেন। আজকালকার যুগে এ ধরনের সমাজসেবার মনোবৃত্তির মানুষের খুবই অভাব। গোলাম সারোয়ার ওনার পিতার আদর্শের এই জায়গাটি ধরে রেখেছেন। ওনার মতো মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে ইউনিয়নের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হবে।
উল্লেখ্য, সমাজসেবক গোলাম সারোয়ারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এবং আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের তদারকিতে মোকাম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ১৬টি সংযোগ সড়ক নতুন করে মেরামত করা হয়েছে। সেই সাথে বর্ষার পানিবদ্ধতা দূরীকরণে নির্মাণ করা হয়েছে চারটি ড্রেন, কালভার্ট ও গাইডওয়াল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের তাইজ শহরে সশস্ত্র হুথি বিদ্রোহীরা একটি প্রধান সরবরাহ পথ (সাপ্লাই রুট) অবরুদ্ধ করে দেওয়ার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন। জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই পথটি বন্ধ হওয়ার কারণে শহরটির প্রায় ৮ লাখ বাসিন্দার কাছে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে হুথি বাহিনীর মূল যোগাযোগ পথটি অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে শহরটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে। গৃহযুদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার মাঝে প্রধান রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে দৈনন্দিন খাদ্যাভাব ও সুপেয় পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত এই অবরুদ্ধ পথটি খুলে দেওয়া না হলে তাইজে একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো অবরুদ্ধ এলাকায় দ্রুত ও নিরাপদে ত্রাণ ও জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী পৌঁছাতে অবরুদ্ধ পথটি পুনরায় চালু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
ইয়েমেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ প্রদেশে তীব্র লড়াই ও সংঘাত মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। এর ফলে দেশটিতে মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। চলমান এই সংঘাতের কারণে গত আগস্ট মাস থেকে দেশজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী জেলা শহরের বালাঘাটায় তাবলিগি মারকাজ মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন।
শুক্রবারের এই পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় মারকাজ মসজিদ ও তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রী এ সময় বান্দরবানের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, আগামী ২৯ ও ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বান্দরবান জেলা ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য তিনি ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী মন্তব্য করেন, "পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্র নির্বিশেষে এই ভূখণ্ডের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার যে নিরলস চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তাবলিগ জামায়াতের জেলা আমির ওসমান গনি, বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল মাবুদ, ইজতেমার জমিদাতা কামাল মেম্বার, জেলা বিএনপি নেতা মুছা সওদাগর, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হাকিম চৌধুরী, মারকাজ মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া রাতের অন্ধকারে পাহাড় ও টিলা কেটে জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হালদা ভ্যালি চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তথ্য জানতে চাইলে সাংবাদিকের সঙ্গে উদ্ধত আচরণ করেন বাগানটির ব্যবস্থাপক এম এ কাশেম। উপজেলা প্রশাসন জানায়, পাহাড় ও টিলা কাটার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২২ অক্টোবর গভীর রাতে উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নের ইদিলপুর এলাকায় চা বাগানের ফ্যাক্টরির পাশে স্ক্যাভেটর দিয়ে টিলা কেটে মাটি সরানোর অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের অন্ধকারে বাগানের ফ্যাক্টরির পাশে একটি টিলা থেকে স্ক্যাভেটর দিয়ে লাল মাটি কেটে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ রয়েছে যে, বাগান ব্যবস্থাপকের বাংলোর কয়েকশ ফুট পেছনে একটি ফসলি জমি ভরাট করতে ওই মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, টিলা কাটার স্থানটির লাল মাটি ছাই দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, লাল মাটি দিয়ে জমি ভরাটের স্থানটি বালু দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হালদা ভ্যালি চা বাগানের এক বাসিন্দা জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়েই বাগান কর্তৃপক্ষ এ কাজ করেছে। তিনি বলেন, এর আগেও বাগানের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হালদা ভ্যালি চা বাগানের ব্যবস্থাপক এম এ কাশেম এ প্রতিবেদকের সঙ্গে উদ্ধত আচরণ করেন। তিনি বলেন, "হালদা ভ্যালি চা বাগানের পুরোটাই তো পাহাড়। এছাড়াও সমাজসেবা থেকে আমাদেরকে ছয়টি ঘর করার জন্য বলা হয়েছে। তাই মাটি ভরাট করা হচ্ছে।"
তবে পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এ ব্যাপারে জানতে পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, "পাহাড় ও টিলা কাটার ব্যাপারে প্রশাসন জিরো টলারেন্স। বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। দ্রুত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
উল্লেখ্য, এর আগে হালদা ভ্যালি চা বাগানের অভ্যন্তরে পাহাড় কেটে খাল খননের অভিযোগে জরিমানার ঘটনা ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা বিশাল পরিমাণ অর্থের মুখোমুখি হচ্ছেন। শীর্ষ ১৫ জন ধনাঢ্য দাতা মিলে এই নির্বাচনে ১.৫ বিলিয়ন বা ১৫০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার সমান। ওপেনসিক্রেটস এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ থেকে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
অনুদান প্রদানকারীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন ধনকুবের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তিনি একাই ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি (৩৬৫ মিলিয়ন ডলার) অনুদান দিয়েছেন। মাস্ক মূলত রিপাবলিকান সমর্থক ‘আমেরিকা প্যাক’ ও অন্যান্য সুনির্দিষ্ট তহবিলে এই অর্থ প্রদান করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক প্রচারে সীমাহীন অর্থ খরচের সুবিধা চালুর পর থেকে একক দাতা হিসেবে ইলন মাস্ক সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
মাস্কের পাশাপাশি রিপাবলিকানদের সমর্থনে আরও বেশ কয়েকজন ধনী ব্যক্তি ও অলাভজনক সংস্থা বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছে। যেমন ‘ওয়ান নেশন’ নামের একটি সংস্থা প্রায় ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। ব্যবসায়ী দম্পতি এলিজাবেথ ও রিচার্ড উইহলেইন ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি এবং প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী মার্ক আন্দ্রেসেন ও বেনিয়ামিন হোরোউইৎস মিলে ১১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষেও বড় অঙ্কের আর্থিক সমর্থন এসেছে। ডেমোক্র্যাট সমর্থক সংস্থা ‘মেজরিটি ফরওয়ার্ড’ ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং প্রবীণ ব্যবসায়ী জর্জ সরোস অন্তত ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন। এছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি সংস্থা রিপল ল্যাবস, কয়েনবেস এবং সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গও কোটি কোটি ডলারের তহবিল জোগান দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, কিছু ধনকুবেরের এভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা ঢালার ফলে সাধারণ জনগণের ভোটের চেয়ে বড় অনুদানকারীদের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে কিছু পরিচয়হীন অলাভজনক সংস্থার মাধ্যমে গোপনে অর্থ পৌঁছানোর কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ