ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘সিটিকে ৩-৫ বছর শাস্তি দেওয়া উচিত’: জেমি ক্যারাগার


‘সিটিকে ৩-৫ বছর শাস্তি দেওয়া উচিত’: জেমি ক্যারাগার

সাবেক লিভারপুল তারকা জেমি ক্যারাগার আর্থিক অনিয়মে দোষী সাব্যস্ত হলে ম্যানচেস্টার সিটিকে দীর্ঘমেয়াদি শাস্তির পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এক মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা বড় তারকাদের ক্লাবে থাকতে বাধা দিতে পারে না।

ক্যারাগার মনে করেন, ম্যানচেস্টার সিটিকে তিন থেকে পাঁচ বছরের শাস্তি দেওয়া উচিত। তিনি যুক্তি দেন, দীর্ঘমেয়াদি শাস্তির ফলে সিটির বড় তারকারা ক্লাব ছাড়তে বাধ্য হতে পারেন। ক্যারাগার বলেন, ‘আমার মনে হয় শাস্তি কয়েক বছর ধরে হওয়া উচিত—তিন থেকে পাঁচ বছর। তখন খেলোয়াড়রা চলে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, যদি শাস্তি এক মৌসুমের জন্য হয়, তাহলে কিছু খেলোয়াড় সেই সময়ের মধ্যে ক্লাবে থাকতে পারেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি শাস্তির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। ক্যারাগারের প্রশ্ন, ‘প্রিমিয়ার লিগের আয় ছাড়া তারা কীভাবে এত বড় খেলোয়াড়দের বেতন বহন করবে?’

আরও পড়ুন: লিড নিয়ে থেকেও পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হার বাংলাদেশ

ক্যারাগার সিটির বর্তমান মালিকদের নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘যদি তাদের এসব ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়, তাহলে আপনি কীভাবে তাদের বিশ্বাস করবেন?’ তিনি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান মালিকদের ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় আসা উচিত।

ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য শাস্তি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিটি অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। তাই ক্যারাগারের মন্তব্যটি সম্ভাব্য শাস্তি নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত মত হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের আদালতে হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে তোলা নিয়ে আপত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের আদালতে হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে তোলা নিয়ে আপত্তি

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আদালতের বিচারককে অভিযোগ জানিয়েছেন হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে আদালতে তোলার বিষয়ে। আজ বৃহস্পতিবার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মোহাম্মদপুর থানার একটি হত্যা মামলায় তাকেসহ আটজনকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার শুনানির দিন ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন বিষয়ে।

পলক আদালতে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, "এটা কী ধরনের সিস্টেম, মাননীয় আদালত। লিফট চালু দেখলাম তার পরেও হাতকড়া পেছনে দিয়ে আমাকে ছয়তলা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানো হয়েছে। আদালতের কাছে আমার অনুরোধ, মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে হাতকড়া সামনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।"

বিচারক পরে তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "এটা তো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই।" পলক জবাব দেন, হাতকড়া সামনের দিকে রাখলেই হয়। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "পিপির মনে রাখা দরকার, তার ওই স্থান থেকে আমার এই স্থানের দূরত্ব বেশি নয়।"

শুনানি শেষে, আদালত থেকে নামানোর সময় তাকে সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে নামাতে দেখা যায়। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে পলক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "লিফট শুধু আমাদের জন্য নষ্ট থাকে।"

পলকের পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, তরিকুল ইসলামসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাজ্জাদ হোসেন এবং নাইমুল হাসান রাসেল নামে দুই আসামির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি থাকায় তাদের উপস্থিত করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। এজন্য ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন কারাগারে থাকা ৮ জনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলায় ৩৪ জন আসামির মধ্যে ১০ জন কারাগারে আটক রয়েছেন, বাকি ২০ জন শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন মো. হোসেন। তিনি পেশায় ট্রাকচালক ছিলেন এবং সেদিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন। চাঁদ উদ্যান এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহত ব্যক্তির মা রীনা বেগম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু, তোফায়েল সিদ্দিক ওরফে তুহিন, রহমান মিয়া ওরফে এ কে এম অহিদুর রহমান, পলাশ, ওলিউর রহমান, খলিলুর রহমান, ইমন, এস এম রিয়াজুল হক তামিম, মাসুদুর রহমান বিপ্লব, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া ওরফে এম এ সাত্তার, পারভেজ ওরফে গোল্ডেন পারভেজ, সুমন মিয়া ওরফে কাইল্লা সুমন, মিলন হোসেন, সোহেল ওরফে ভূইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল, সলিম উল্লাহ সলু, ইরফান, মুহাম্মদ বদিউল আলম ওরফে বদিউজ্জামান, ফুরকান হোসেন, শাজাহান খান, সাজ্জাদ হোসেন, ফারুক হোসেন অভি, নাইমুল হাসান রাসেল।

আসামিদের মধ্যে পলক, সাদেক, ফুরকান ও শাজাহান খান কারাগারে আটক রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ দাবি বাস্তবায়িত হতে পারে : প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ দাবি বাস্তবায়িত হতে পারে : প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "আজ হোক, কাল হোক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ হবেই।"

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছেন। প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়িত হতে পারে।’

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর শাহে আলম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন ও মান-মর্যাদা বৃদ্ধির বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের আমলেও শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়নের আশা রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ‘প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ছুটির দিন ও অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব হবে।’

বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা বাজেট তিন গুণ এবং স্বাস্থ্য বাজেট দ্বিগুণ করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘শিক্ষক এমন একটি পেশা, যার মাধ্যমে অন্য সব পেশার মানুষ তৈরি হয়।’ তিনি সমাজের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বয়স সাত মাস। দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার দায়িত্ব নিয়েছে এবং শিক্ষা খাত পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ করছে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় এক লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার ভাতা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে।’

জাতীয়করণের দাবির বিষয়ে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এ জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। শিক্ষকদের বড় পরিসরে জাতীয় সমাবেশ করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি তুলে ধরার পরামর্শ দেন তিনি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়েও তিনি কথা বলেন। মীর শাহে আলম জানান, যত দিন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হচ্ছে, তত দিন শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর। এ ছাড়া সংসদ সদস্য ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া কোচিং লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া কোচিং লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ

আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার এবং পালমেইরাস ও ফ্ল্যামেঙ্গোর প্রাক্তন তারকা আলেহান্দ্রো মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া ফুটবল কোচিং ডিপ্লোমা বিক্রির একটি বৃহৎ প্রতারণা চক্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ইউওএল’-এ সাংবাদিক জোয়ানা ডি আসিসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই কেলেঙ্কারির বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

এই প্রতিবেদনে ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ সেন্টার-ব্যাক থিয়াগো সিলভা এবং ক্লাবটির সাবেক তারকা ফেলিপে মেলোসহ বিশ্ব ফুটবলের বেশ কিছু প্রখ্যাত তারকা ও সাবেক ফুটবলারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মানকুসো বর্তমান ও সাবেক ফুটবলারদের আর্জেন্টিনার ফুটবল কোচেস অ্যাসোসিয়েশনের (এটিএফএ) চারটি স্তরের লাইসেন্স মাত্র ১০ দিনের মধ্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিতেন।

এর মধ্যে বয়সভিত্তিক ফুটবলের জন্য ‘সি’ ও ‘বি’ লাইসেন্স, পেশাদার ফুটবলের জন্য ‘এ’ লাইসেন্স এবং আন্তর্জাতিক মানের কোচিংয়ের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রো’ লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পুরো প্যাকেজের জন্য তিনি এক লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল দাবি করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ফুটবলাররা প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। থিয়াগো সিলভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি মানকুসোর প্রস্তাবিত কোর্সের জন্য অর্থ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরবর্তীতে এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার সরাসরি এটিএফএ-র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি।

অন্যদিকে, একইভাবে অর্থ পরিশোধ করার পর সন্দেহ হওয়ায় ফেলিপে মেলো নিজেকে গুটিয়ে নেন।

প্রশিক্ষণ কোর্সে নির্ধারিত সশরীরে উপস্থিত থেকে ক্লাস করানোর কথা থাকলেও কোনো সময়সূচি না দেওয়ায় মেলোর মনে সংশয় জাগে।

এর আগে তিনি এটিএফএ-র সদস্য হওয়ার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করেছিলেন, তবে অসঙ্গতি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই পোস্টগুলো মুছে দেন এবং নিজের অর্থ ফেরত চান।

মেলো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল কোথাও কোনো সমস্যা রয়েছে। তাই প্রথম কাজ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পোস্টটি সরিয়ে নিই এবং নিজের টাকা ফেরত চাই।’ পরবর্তীতে এই ব্রাজিলিয়ান তার অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কেবল থিয়াগো সিলভা বা ফেলিপে মেলোই নন, এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে লুইস গুস্তাভো, ডিয়েগো লুগানো, পাওলো গেরেরো, রবার্তো কার্লোস, অ্যালেক্স ডি সুজা, দেজান পেটকোভিচ এবং পাউলিনহোর মতো বেশ কয়েকজন বিখ্যাত সাবেক ও বর্তমান ফুটবলারের নামও উঠে এসেছে।

তবে এই জালিয়াতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এটিএফএ পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং যে সনদগুলো দেখানো হয়েছে সেগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া।

অভিযুক্ত মানকুসো নিজেও আর্জেন্টিনার এই সংস্থার সদস্য হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে মানকুসো বলেন, ‘অনেক ব্রাজিলিয়ান আমাকে ফোন করেন। কেন? কারণ ব্রাজিলে আমি খুব পরিচিত একজন মানুষ। তারা জানতে চান, কীভাবে এটি করা যায়, কীভাবে এটি পাওয়া যায়। আমি তাদের ফেডারেশনে যোগাযোগের তথ্য দিই, যাতে তারা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

আমি ফেডারেশনে নেই, ফেডারেশনের কোনো অংশও নই। তারা কীভাবে এটি করতে হয় জানতে চাইলে আমি শুধু বিষয়টি সহজ করে দিই, এর বেশি কিছু নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশির মনিররা ছিলেন কাপুরুষ, শিবির বেঁচে ছিল ছাত্রলীগ হয়ে: রাঁশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


শিশির মনিররা ছিলেন কাপুরুষ, শিবির বেঁচে ছিল ছাত্রলীগ হয়ে: রাঁশেদ খান

আবরার ফাহাদ হত্যার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি শিশির মনির এবং জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাশেদ খাঁন এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা তুলে ধরেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আবরার ফাহাদকে শিবির তকমা দিয়ে হত্যা করা হলে তার বিচারের দাবিতে সেসময় ঢাবিতে মিছিল বের হয় তৎকালীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮-২০২৪ পর্যন্ত ভিপি নুর ছিলেন আন্দোলন সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ। আর শিশির মনিররা ছিলেন আবরার ফাহাদের খুনি ছাত্রলীগের পক্ষের কাপুরুষ। ছাত্রশিবির তখন ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো!’

রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, ‘আমরাও সবাই যদি এভাবে কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতাম, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার পরে প্রতিবাদের জন্য একটা লোক রাস্তায় পাওয়া যেতো না!’

আন্দোলনের কঠিন সময়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে বর্তমান শিবিরের ভিপি জিএসদের কোন অস্তিত্ব ছিলো না। তারা ছিলেন হল ও ডিপার্টমেন্ট পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা।’

নুরুল হক নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আজকে যে ভিপি নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবির গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে।’

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নুরুল হক নুরের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এক ভিপি নুরের যে অবদান আছে, পুরো জামায়াত-শিবিরের সেই অবদান নেই।’

রাশেদ খাঁনের ভাষায়, ‘১৮-২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এই কঠিন সময়ে ভিপি নুর একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ নেতৃত্বর নাম।’

পোস্টের শেষ দিকে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াত-শিবির আর ১০০ জন সাদিক কায়েম জন্ম দিলেও এক ভিপি নুরের একশো ভাগের এক ভাগ হতে পারবে না।’

পোস্টের শুরুতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে আবরার ফাহাদের বাবার ‘বিষয়টা কষ্টদায়ক’ মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%