বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪১ পি.এম
আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার এবং পালমেইরাস ও ফ্ল্যামেঙ্গোর প্রাক্তন তারকা আলেহান্দ্রো মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া ফুটবল কোচিং ডিপ্লোমা বিক্রির একটি বৃহৎ প্রতারণা চক্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ইউওএল’-এ সাংবাদিক জোয়ানা ডি আসিসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই কেলেঙ্কারির বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে ফ্লুমিনেন্সের অভিজ্ঞ সেন্টার-ব্যাক থিয়াগো সিলভা এবং ক্লাবটির সাবেক তারকা ফেলিপে মেলোসহ বিশ্ব ফুটবলের বেশ কিছু প্রখ্যাত তারকা ও সাবেক ফুটবলারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মানকুসো বর্তমান ও সাবেক ফুটবলারদের আর্জেন্টিনার ফুটবল কোচেস অ্যাসোসিয়েশনের (এটিএফএ) চারটি স্তরের লাইসেন্স মাত্র ১০ দিনের মধ্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিতেন।
এর মধ্যে বয়সভিত্তিক ফুটবলের জন্য ‘সি’ ও ‘বি’ লাইসেন্স, পেশাদার ফুটবলের জন্য ‘এ’ লাইসেন্স এবং আন্তর্জাতিক মানের কোচিংয়ের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রো’ লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পুরো প্যাকেজের জন্য তিনি এক লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল দাবি করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফুটবলাররা প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। থিয়াগো সিলভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি মানকুসোর প্রস্তাবিত কোর্সের জন্য অর্থ প্রদান করেছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
পরবর্তীতে এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার সরাসরি এটিএফএ-র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি।
অন্যদিকে, একইভাবে অর্থ পরিশোধ করার পর সন্দেহ হওয়ায় ফেলিপে মেলো নিজেকে গুটিয়ে নেন।
প্রশিক্ষণ কোর্সে নির্ধারিত সশরীরে উপস্থিত থেকে ক্লাস করানোর কথা থাকলেও কোনো সময়সূচি না দেওয়ায় মেলোর মনে সংশয় জাগে।
এর আগে তিনি এটিএফএ-র সদস্য হওয়ার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টও করেছিলেন, তবে অসঙ্গতি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই পোস্টগুলো মুছে দেন এবং নিজের অর্থ ফেরত চান।
মেলো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছিল কোথাও কোনো সমস্যা রয়েছে। তাই প্রথম কাজ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পোস্টটি সরিয়ে নিই এবং নিজের টাকা ফেরত চাই।’ পরবর্তীতে এই ব্রাজিলিয়ান তার অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কেবল থিয়াগো সিলভা বা ফেলিপে মেলোই নন, এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে লুইস গুস্তাভো, ডিয়েগো লুগানো, পাওলো গেরেরো, রবার্তো কার্লোস, অ্যালেক্স ডি সুজা, দেজান পেটকোভিচ এবং পাউলিনহোর মতো বেশ কয়েকজন বিখ্যাত সাবেক ও বর্তমান ফুটবলারের নামও উঠে এসেছে।
তবে এই জালিয়াতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এটিএফএ পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং যে সনদগুলো দেখানো হয়েছে সেগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া।
অভিযুক্ত মানকুসো নিজেও আর্জেন্টিনার এই সংস্থার সদস্য হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মানকুসো বলেন, ‘অনেক ব্রাজিলিয়ান আমাকে ফোন করেন। কেন? কারণ ব্রাজিলে আমি খুব পরিচিত একজন মানুষ। তারা জানতে চান, কীভাবে এটি করা যায়, কীভাবে এটি পাওয়া যায়। আমি তাদের ফেডারেশনে যোগাযোগের তথ্য দিই, যাতে তারা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
আমি ফেডারেশনে নেই, ফেডারেশনের কোনো অংশও নই। তারা কীভাবে এটি করতে হয় জানতে চাইলে আমি শুধু বিষয়টি সহজ করে দিই, এর বেশি কিছু নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবরার ফাহাদ হত্যার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি শিশির মনির এবং জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা নিয়েও মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাশেদ খাঁন এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা তুলে ধরেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আবরার ফাহাদকে শিবির তকমা দিয়ে হত্যা করা হলে তার বিচারের দাবিতে সেসময় ঢাবিতে মিছিল বের হয় তৎকালীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮-২০২৪ পর্যন্ত ভিপি নুর ছিলেন আন্দোলন সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ। আর শিশির মনিররা ছিলেন আবরার ফাহাদের খুনি ছাত্রলীগের পক্ষের কাপুরুষ। ছাত্রশিবির তখন ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো!’
রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, ‘আমরাও সবাই যদি এভাবে কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতাম, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার পরে প্রতিবাদের জন্য একটা লোক রাস্তায় পাওয়া যেতো না!’
আন্দোলনের কঠিন সময়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে বর্তমান শিবিরের ভিপি জিএসদের কোন অস্তিত্ব ছিলো না। তারা ছিলেন হল ও ডিপার্টমেন্ট পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা।’
নুরুল হক নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আজকে যে ভিপি নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবির গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে।’
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নুরুল হক নুরের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এক ভিপি নুরের যে অবদান আছে, পুরো জামায়াত-শিবিরের সেই অবদান নেই।’
রাশেদ খাঁনের ভাষায়, ‘১৮-২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এই কঠিন সময়ে ভিপি নুর একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ নেতৃত্বর নাম।’
পোস্টের শেষ দিকে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াত-শিবির আর ১০০ জন সাদিক কায়েম জন্ম দিলেও এক ভিপি নুরের একশো ভাগের এক ভাগ হতে পারবে না।’
পোস্টের শুরুতে আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে আবরার ফাহাদের বাবার ‘বিষয়টা কষ্টদায়ক’ মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছিল ঢালিউড সিনেমা ‘প্রিন্স’। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে জুটি বাঁধেন ছোট ও বড় পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। তবে সিনেমাটি মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে ভরাডুবির সম্মুখীন হয়।
এখন পর্যন্ত এ অভিনেত্রীর নতুন কোনো কাজের আনুষ্ঠানিক খবর পাওয়া যায়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারিণ যখন নতুন কোনো ছবি বা বার্তা প্রকাশ করেন, তখন ভক্তদের মধ্যে একটাই কৌতূহল দেখা দেয়—কবে আসবে তার নতুন সিনেমা?
রুপালি পর্দায় ফারিণের যাত্রা শুরু হয় ‘ফাতিমা’ সিনেমার মাধ্যমে। এরপর তিনি ওপার বাংলার ‘আরও এক পৃথিবী’ এবং বাংলাদেশের ‘ইনসাফ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। গত বছর ‘ইনসাফ’ মুক্তির পরও বেশ কিছুদিন নতুন কোনো প্রজেক্টে তাকে দেখা যায়নি।
শাকিব খানের সঙ্গে ‘প্রিন্স’-এ যুক্ত হওয়ার আগে কলকাতার মেগাস্টার দেবের ‘প্রজাপতি ২’ চলচ্চিত্রে কাজ করার কথা ছিল ফারিণের। সে সময় ওপার বাংলায় নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই কাজটি আর হয়ে ওঠেনি।
গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘প্রিন্স’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় এই অভিনেত্রী অনেকটাই আড়ালে চলে যান।
‘প্রিন্স’ মুক্তির প্রায় পাঁচ মাস পর নন্দিত নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরীর সঙ্গে ফারিণের একটি নতুন পোস্ট দেখে ভক্তদের মাঝে নতুন সিনেমার জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায়, সেটি কোনো সিনেমা নয়, বরং একটি বিজ্ঞাপনের কাজ ছিল।
সেই বিজ্ঞাপনচিত্রের পর ফারিণের নতুন কোনো সিনেমা বা ওয়েব প্রজেক্ট নিয়ে এখন পর্যন্ত আর কোনো গুঞ্জন বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শোনা যায়নি। ভক্তরা তাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কবে আবার বড় পর্দায় ফিরবেন এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন যে, বিগত সময়ে বিদেশি সহায়তার যথাযথ ব্যবহার হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ধনী দেশগুলোও বর্তমানে তাদের আর্থিক সহায়তা হ্রাস করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরের অনিয়ম ও দুর্নীতির অবসান ঘটিয়েছে বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
সাক্ষাৎ শেষে ইউনিসেফ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, তারা বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে সহায়তা প্রদান করবেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, তার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম কাজ হচ্ছে সুপেয় পানি সরবরাহ করা। কিন্তু উজানে পানি আটকে দেওয়ার ফলে নদীর পানি কমে যাচ্ছে এবং লবণাক্ততা বাড়ছে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের উত্তর উপকূলে একটি ট্যাংকারে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, কাতারের মদিনাত আশ শামাল থেকে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার উত্তরে ট্যাংকার জাহাজটিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তবে হামলায় হতাহতদের সঠিক সংখ্যা জানানো হয়নি।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রিটিশ সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থাটি সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার খবর জানিয়েছিল। এর মধ্যে নতুন করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে ইউকেএমটিও হামলায় নিহত বা আহতদের সংখ্যা জানায়নি।
সংস্থাটি বলেছে, হামলার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। হামলার শিকার জাহাজটি কোন দেশের, সেটিও প্রকাশ করা হয়নি।
উপসাগরের মাঝামাঝি এলাকায় জাহাজে হামলার ঘটনা অস্বাভাবিক। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে কাজ করা প্রকাশনা ‘দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ’ জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসাগরের পশ্চিম অংশে ট্যাংকারে হামলার এটিই প্রথম ঘটনা।
এদিকে কাতারের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের (ইইজেড) মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটলেও কাতার এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
আলজাজিরা জানাচ্ছে, ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনা বেশি ঘটেছে। এই সরু সমুদ্রপথটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ এই সমুদ্রপথ দিয়েই পরিবহণ করা হতো।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরে অবরোধ বজায় রেখেছে।
ইউকেএমটিও গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, চলতি মাসে হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে ৯টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেপ্টেম্বর মাসে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর মিলিয়ে যতগুলো হামলা হয়েছিল, চলতি মাসের এই সংখ্যা তার অর্ধেক।
তবে হামলার ঘটনা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি বেড়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগের মাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে তেলের এই রপ্তানি।
তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির সাত দিনের গড় ছিল প্রতিদিন এক কোটি ৮৩ লাখ ব্যারেল। যেখানে যুদ্ধ শুরুর আগের ১২ মাসে এই গড় ছিল প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ