০১:১১ পি.এম
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী ম্যাথিউ ওয়ালে মঙ্গলবার জানান, চীনের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর অভিযোগ করেছে এবং বেইজিংয়ের কূটনীতিকদের কাছে ‘জোরালো প্রতিবাদ’ জানানো হয়েছে।
সোমবার একটি চীনা সাবমেরিন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় একটি ক্ষেপণাস্ত্র, যা পর্যবেক্ষকদের বর্ণনায় দূরপাল্লার পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম। এটি প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে।
এই ঘটনা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং জাপান তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য ছোট দেশের কাছ থেকে এখনও কোনও পেশাদারিক মন্তব্য আসেনি।
আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আহ্বান রাশেদ খাঁনের
ওয়ালে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক জোট প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরামের চেয়ারম্যান হিসেবে জানান, ‘আমি রাষ্ট্রদূতের কাছে আমার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছি।’
তিনি রাজধানী হনিয়ারায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘সলোমন দ্বীপপুঞ্জও একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র দিয়েছে।’
ওয়ালের এ সমালোচনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ দীর্ঘদিন ধরেই চীনের ঘনিষ্ঠতম অংশীদারদের মধ্যে একটি।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত সলোমন দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি এলাকায় গিয়ে পড়েছে। ২০২২ সালে দেশটি চীনের সঙ্গে একটি গোপনীয় নিরাপত্তা চুক্তি করেছে।
আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তা উপেক্ষা করে ফ্রান্সের রাজপথে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী
চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ওয়ালে বেইজিংয়ের প্রতি তুলনামূলক সংযত অবস্থান নিয়েছেন এবং চীনের সঙ্গে হওয়া নিরাপত্তা চুক্তিটি পুনর্বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত জেএল-২ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা কয়েক হাজার কিলোমিটার পাল্লার একটি শক্তিশালী অস্ত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন