ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দীর্ঘদিনের প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিস্টার বিস্ট


দীর্ঘদিনের প্রেমিকার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিস্টার বিস্ট

বিশ্বখ্যাত ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিমি ডোনাল্ডসন, যিনি ‘মিস্টার বিস্ট’ নামে পরিচিত, তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনকে বিয়ে করেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করেন।

বিয়ের ছবি পোস্ট করে মিস্টার বিস্ট ক্যাপশনে লেখেন, 'আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি। এটি ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।' এই সুখবর শোনার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন ভক্ত এবং সহকর্মীরা।

সংবাদমাধ্যম টিএমজেডের তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের বদলে একটি ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিয়েতে মিস্টার বিস্টকে গোলাপি ও সাদা রঙের ব্লেজারের সঙ্গে কালো প্যান্টে দেখা যায়, অন্যদিকে থিয়া বয়সেন পরেছিলেন সাদা রঙের দৃষ্টিনন্দন ওয়েডিং গাউন।

আরও পড়ুন: মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধা, তদন্তে কমিটি গঠন জামায়াতের

বিয়ের পরপরই থিয়া নিজের পরিচয়ে পরিবর্তন আনেন এবং ইনস্টাগ্রামে নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘থিয়া ডোনাল্ডসন’ রাখেন।

জানা যায়, ২০২২ সালে এক বন্ধুর ডিনার পার্টিতে প্রথম পরিচয় হয় মিস্টার বিস্ট ও থিয়া বয়সেনের। পরিচয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ২০২৪ সালের ক্রিসমাস ডেতে হাঁটু গেড়ে বসে থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিস্টার বিস্ট। সেই সময় বাগদানের আংটির ছবি প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসেন এই জনপ্রিয় ইউটিউবার।

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি অনুসারীর প্রিয় এই কনটেন্ট নির্মাতার বিয়ের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে।

আরও পড়ুন: সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করবে: বিশিষ্টজনেরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ায় বিনামূল্যে খাবার কর্মসূচির বাজেট কমল ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


ইন্দোনেশিয়ায় বিনামূল্যে খাবার কর্মসূচির বাজেট কমল ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি

ঢাকা, ২২ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর বিনামূল্যের খাবার কর্মসূচির বাজেট কাটছাঁট করা হয়েছে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর ফলে কর্মসূচিটির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা কমে যেতে পারে।

এটি খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কয়েক বিলিয়ন ডলারের এই গুরুত্বপূর্ণ খাবার কর্মসূচি প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর অন্যতম প্রধান নীতি। তবে বাস্তবায়নকালে খাদ্যে বিষক্রিয়া এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠে, যার ফলে এটি সমালোচনার মুখে পড়েছে।

জাতীয় পুষ্টি সংস্থার সচিব লিলি খামিলিয়াহ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের জন্য কর্মসূচির বাজেট ২৬৮ ট্রিলিয়ন রুপি (প্রায় ১৪.৯ বিলিয়ন ডলার) থেকে কমিয়ে ২২৯ ট্রিলিয়ন রুপি করা হয়েছে।

এর আগে, চলতি বছরের জন্য খাবার কর্মসূচির জন্য ৩৩৫ ট্রিলিয়ন রুপি বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপের কারণে এটি কয়েক দফায় কমানো হয়েছে।

সংস্থার মুখপাত্র আগুস্তিনা আরুমসারি জানান, এই বাজেট চূড়ান্ত নয়। কর্মসূচির বাস্তবায়ন পর্যালোচনার পর আরও কাটছাঁট করা হতে পারে। তিনি বলেন, ‘কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য প্রেসিডেন্ট আমাদের এক মাস সময় দিয়েছেন।’

জাতীয় সংস্থাটির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এর ফলে সুবিধাভোগীর সংখ্যা কমবে। প্রেসিডেন্ট এখন নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যার লক্ষ্য রাখছেন না, বরং মান উন্নয়ন, সঠিক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো এবং নতুন করে খাদ্যে বিষক্রিয়া ঠেকানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।’

আগুস্তিনা জানান, বর্তমানে প্রায় ৬ কোটি ২৭ লাখ মানুষ এই কর্মসূচির আওতায় খাবার পাচ্ছেন। তবে নতুন বাজেট কমানোর ফলে কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তা তিনি জানাননি।

এটি ছিল কর্মসূচির সর্বশেষ বাজেট কাটছাঁট। গত মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, স্কুলের ছুটির সময়ে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মে গৃহীত হয়েছে। এতে ৩ ট্রিলিয়ন রুপির বেশি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হয়েছিল।

এর আগে, মার্চ মাসে সপ্তাহে ছয় দিন খাবার দেওয়ার পরিবর্তে তা কমিয়ে পাঁচ দিন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় দেশটি ব্যয় কমানোর চেষ্টা করায় এতে প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন রুপি সাশ্রয়ের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।

জাতীয় পুষ্টি সংস্থার প্রধান নানিক সুদারিয়াতি দেয়াং বুধবার ফেসবুকে দেওয়া এক ঘোষণায় স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগের কথা জানান।

এর আগে, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও নানিকের পূর্বসূরি দাদান হিন্দায়ানা ও দুই উপপ্রধানকে বরখাস্ত করেছিলেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগ ওঠে।

বিনামূল্যের খাবার কর্মসূচির প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল অন্তত ৮ কোটি ২৯ লাখ শিশু এবং গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীকে সহায়তা দেওয়া, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

ইন্দোনেশিয়ার ২০ শতাংশের বেশি শিশু গুরুতর অপুষ্টিজনিত খর্বাকৃতির সমস্যায় ভুগছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ-মালাক্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, শতাব্দীর পর শতাব্দী ভূরাজনীতির কেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


হরমুজ-মালাক্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, শতাব্দীর পর শতাব্দী ভূরাজনীতির কেন্দ্র

হরমুজ ও বিশ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রণালী ষোড়শ শতাব্দী থেকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। এই প্রণালীগুলো ইতিহাসজুড়ে ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার উৎস হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যখন হরমুজ প্রণালীর ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করছে, তখন ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বন্দর থেকে এবং বন্দরের উদ্দেশে লোহিত সাগর হয়ে চলাচলকারী জাহাজে বিঘ্ন ঘটাতে চায়। তারা সুয়েজ খালে যেতে জাহাজগুলোকে যে বাব আল-মান্দেব প্রণালী অতিক্রম করতে হয়, সেখানে নৌ চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

উপসাগর ও লোহিত সাগরে প্রবেশের দুটি পথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত প্রায় এক ডজন প্রণালির মধ্যে অন্যতম।

তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার, বাল্ক ক্যারিয়ার এবং কাঁচামাল ও পণ্যবোঝাই কনটেইনার জাহাজ এসব সংকীর্ণ প্রাকৃতিক জলপথ দিয়ে চলাচল করে।

১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর মন্টেগো বে-তে স্বাক্ষরিত জাতিসংঘের সমুদ্র আইনকে সমুদ্রের এক ধরণের সংবিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বোর্দোর সায়েন্সে-র প্রভাষক এবং জিওপলিটিক্স অব মেরিটাইম স্পেসেস গ্রন্থের লেখক সিলভাঁ ডোমের্গ এএফপিকে বলেন, এই সনদে প্রণালীকে এমন একটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে কোনো ধরণের টোল আরোপ করা যাবে না এবং অবাধ নৌ চলাচলের নীতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে পানামা বা সুয়েজের মতো কৃত্রিম খালগুলোর ক্ষেত্রে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী রাষ্ট্র টোল আদায় করতে পারে।

ডোমের্গ বলেন, ‘মন্টেগো বে সনদে অনুসমর্থন না করলেও ইরান এতদিন পর্যন্ত প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে সেটি মেনে চলেছে।’

তিনি বলেন, ভারতগামী সমুদ্রপথ প্রথম উন্মুক্ত করা পর্তুগাল ১৫০৭ সালেই হরমুজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল মসলা ও প্রাচ্যের সম্পদের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।

-'সমুদ্র কারও একার নয়'-

তবে বিখ্যাত এক বিতর্কের পর সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুতে ডাচ আইনজ্ঞ ও দার্শনিক হুগো গ্রোটিয়াসের মারে লিবেরুম বা ‘মুক্ত সমুদ্র’ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। সেই ধারণা অনুযায়ী, দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রণালীগুলো অপরিহার্য, কারণ ‘সমুদ্র কারও একার নয়।’

ডোমের্গ বলেন, ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই প্রণালীগুলো দিয়ে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হতো।’

তার মতে, নেদারল্যান্ডস এ নীতি গ্রহণ করে এবং সমুদ্রে অবাধ চলাচলের পক্ষে অবস্থান নেয়। পরে ব্রিটেন এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রও একই নীতি অনুসরণ করে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো মন্টেগো বে সনদের প্রায় সব বিধান মেনে চলে, যদিও দেশটিও সনদটি অনুসমর্থন করেনি।

তবে ডোমের্গ বলেন, অবাধ নৌ চলাচলের নীতি থাকা সত্ত্বেও ব্রিটেন তার উপনিবেশ বিস্তারের কৌশল অনেকাংশে গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিগুলোর ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারণ করেছিল।

ব্রিটেনের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলো গড়ে তোলা হয়েছিল কৌশলগত জলপথের পাশে। এশিয়ায় তাদের সবচেয়ে বড় ঔপনিবেশিক নৌঘাঁটি ছিল সিঙ্গাপুরে। এর মাধ্যমে তারা মালাক্কা প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল। বর্তমানে চীন থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সমুদ্রপথের পণ্যবাহী জাহাজ এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করে।

ব্রিটেন বাব আল-মান্দেব প্রণালী ও লোহিত সাগরের প্রবেশমুখের কাছে সোকোত্রা দ্বীপেও সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছিল।

ইউরোপে বাল্টিক সাগরের প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণকারী ডেনিশ প্রণালিগুলো—ওরেসুন্ড ও কাটেগাট—ঊনবিংশ শতাব্দীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ডোমের্গ বলেন, এসব প্রণালির মাধ্যমে ডেনমার্ক দীর্ঘদিন টোল আদায় করেছিল। এগুলোর কৌশলগত গুরুত্বও রয়েছে, কারণ এগুলো বাল্টিক অঞ্চলের শক্তিগুলোর, বিশেষ করে রাশিয়ার, আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবেশের পথ নিয়ন্ত্রণ করে।

- ব্যতিক্রমী তুরস্ক -

বর্তমানে যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীতে এখনো টোল আদায় করা হয়, তার মধ্যে রয়েছে তুরস্কের বসফরাস ও দারদানেলিস প্রণালী। এগুলো ১৯৩৬ সালের মন্ট্রো চুক্তির আওতায় পরিচালিত হয়।

ডোমের্গ বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে অন্যান্য প্রণালিকে ঘিরেও নতুন প্রশ্ন সামনে আসবে।’ তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চীনের ঘোষিত আঞ্চলিক দাবির প্রেক্ষাপটে তাইওয়ান প্রণালী এবং সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অবস্থিত মালাক্কা প্রণালীর কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘তাইওয়ান প্রণালীতে ইতোমধ্যে ‘বালুর যুদ্ধ’ চলছে। চীনের নির্মাণ খাতের জন্য চীনা জাহাজ তাইওয়ানের দাবিকৃত জলসীমা থেকে সামুদ্রিক বালু সংগ্রহ করছে। এটি উসকানিমূলক পদক্ষেপ।’

ডোমের্গ জানান, ইরান যেদিন সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালিতে টোল চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেদিনই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি খুবই ভালো ধারণা এবং মালাক্কা প্রণালিতেও একই ব্যবস্থা চালুর কথা তিনি বিবেচনা করতে পারেন। তবে, পরে তিনি ওই অবস্থান থেকে সরে আসেন।

ডোমের্গ বলেন, ‘মালাক্কা প্রণালীতে যদি টোল আরোপ করা হয়, তাহলে পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুর তার জৌলুস ও মর্যাদার একটি বড় অংশ হারাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে গেল বসতঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে পুড়ে গেল বসতঘর

ঢাকার ধামরাইয়ে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে একটি বসতঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ লাখ টাকা। এই অগ্নিকাণ্ড বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পাল্লি-কুল্লা এলাকায় ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের সূত্র থেকে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ধামরাই ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

পরে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে। ভুক্তভোগী হিসেবে পাল্লি এলাকার ময়নাল হোসেন (৪৫) রয়েছেন।

ধামরাই ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার আল আমিন খান জানান, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বসতঘরটিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, যদিও আগুনে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২ লাখ টাকার, কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার ফলে প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনাকে হারানোর পর ইয়ামালের ‘৩০৪’ উদযাপনের রহস্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


আর্জেন্টিনাকে হারানোর পর ইয়ামালের ‘৩০৪’ উদযাপনের রহস্য প্রকাশ

বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামালের গোল উদযাপনের রহস্য অবশেষে সামনে এসেছে। গোল করার পর তিনি দুই হাত দিয়ে ‘৩০৪’ সংখ্যা তৈরি করে উদযাপন করেন।

এই ‘৩০৪’ আসলে বার্সেলোনার শ্রমজীবী এলাকা রোকাফোন্দার পোস্টাল কোডের শেষ তিন অঙ্ক, যেখানে ইয়ামালের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ইয়ামাল নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা ও এলাকার মানুষের প্রতি সম্মান জানাতেই বিশেষ এই উদযাপনটি করেন।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন ১৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার। অনেকেই এটিকে নিজের পরিচয় ও শেকড়কে সম্মান জানানোর এক অভিনব উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

এদিকে ইয়ামালের বিনয়ী ব্যক্তিত্বের আরেকটি দৃষ্টান্তও সামনে এসেছে। সম্প্রতি তিনি বার্সেলোনার সঙ্গে ২০৩১ সাল পর্যন্ত নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ক্লাব সভাপতি জোয়ান লাপোর্তা ও ক্রীড়া পরিচালক ডেকোর উপস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন হলেও ইয়ামাল আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন স্থগিত রাখার অনুরোধ করেন।

ইয়ামাল চান, তার জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দাদিও পাশে থাকুন। কারণ, অনুষ্ঠানে তার দাদি ফাতিমা উপস্থিত থাকতে পারেননি। তাই তার ১৮তম জন্মদিনের পর জুলাইয়ে দাদিকে সঙ্গে নিয়েই আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইয়ামাল একাধিকবার বলেছেন, মাত্র তিন বছর বয়সে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর তার বাবা-পক্ষের দাদি ফাতিমাই তাকে বড় করে তুলেছেন এবং জীবনের মূল্যবোধ শিখিয়েছেন। তাই ইয়ামাল তার সাফল্যের প্রতিটি মুহূর্তে দাদিকে পাশে রাখতে চান।

ফাতিমা ১৯৯০ সালে মরক্কো থেকে বার্সেলোনায় এসে রোকাফোন্দা এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরে ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই ও মা শেইলা এবানার বিচ্ছেদের পর নাতির লালন-পালনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

জানা যায়, একসময় ইয়ামাল তার দাদিকে নতুন বাড়ি কিনে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ফাতিমা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, তিনি রোকাফোন্দাতেই থাকতে চান, কারণ এই এলাকাটিই তার আপন ঠিকানা।

এদিকে নতুন চুক্তির মাধ্যমে ইয়ামাল ২০৩১ সালের পর্যন্ত বার্সেলোনায় থাকবেন। চুক্তিতে ১ বিলিয়ন ইউরোর বিশাল বাইআউট ক্লজ রাখা হয়েছে, যা ক্লাবটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ইয়ামালের গুরুত্বই তুলে ধরে।

নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা এবং দাদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার এই দুই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে ফুটবলভক্তদের প্রশংসায় ভাসছেন লামিন ইয়ামাল।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%