বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৪ পি.এম
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার হালান্ডকে ‘জন্তু’ মনে করেন।
শিকার ধরার ক্ষেত্রে বন্য জন্তুদের দক্ষতার তুলনা হয় না। তাদের নিখুঁততার স্তর এতটাই উচ্চ।ফুটবলে গোল শিকারি আর্লিং হালান্ডের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। বক্সের আশপাশে কিংবা ভিতরে বল পেলেই যেন তিনি জালের দেখা পাওয়ার ক্ষেত্রে ভুল করেন না।
পায়ে কিংবা হেডে গোল করার ক্ষেত্রে তার দক্ষতা অসাধারণ। হালান্ডের অবয়বেও শিকারির চরিত্র যেন স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।৬ ফুট ৫ ইঞ্চির দীর্ঘদেহী স্ট্রাইকারকে শক্তিশালী ও কৌশলী শিকারি ‘জন্তু’ হিসেবে দেখা যায়। গোল করার ধরনে এমন শব্দে তিনি অনেকবার প্রশংসা পেয়েছেন। এবার সতীর্থের কাছ থেকেও এমন প্রশংসা অর্জন করলেন নওরেজিয়ান স্ট্রাইকার।
হালান্ডকে ‘জন্তু’ বলে সম্বোধন করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ।গতকাল পোর্তোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যানচেস্টার সিটিকে জেতান হালান্ড। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তার এমন পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেডে প্রথম গোলটি করেন হালান্ড। অন্য গোলটি যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ঠাণ্ডা মাথায় ডান পায়ের শটে করেন সিটির স্ট্রাইকার।
এই মৌসুমে চেলসি থেকে ম্যানসিটিতে যোগ দিয়েছেন ফার্নান্দেজ।
মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের প্রথম ম্যাচেই হালান্ডের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়লেন আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার। সতীর্থকে নিয়ে ২৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘আর্লিং হালান্ড একজন জন্তু। মাঠে নামলে তাই প্রতিবারই আমি ওকে খুঁজি—যেন আরো অনেক অ্যাসিস্ট করতে পারি। ও শুধু একজন অসাধারণ খেলোয়াড়ই নয়, দারুণ মানুষও। ও আমাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং সাহায্য করছে।’
চেলসিতে এনজো মারেস্কার অধীনে খেলেছেন ফার্নান্দেজ। ম্যানসিটিতেও জুটি গড়ার সুযোগ পেয়ে গুরুর প্রতি কৃতজ্ঞ তিনি। গুরুকে প্রতিদান দিতে চান জানিয়ে ফার্নান্দেজ বলেছেন, ‘আমি খুবই খুশি যে মারেস্কা আমাকে এখানে আনতে সব কিছু করেছেন। চেলসিতে খেলার সময় থেকে তিনি আমাকে ভালো করে চেনেন। আমার পরিবার এবং আমার জন্য যা করেছেন, সে জন্য তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। প্রতিটি ট্রেনিং সেশনে শতভাগ দিতে চাই। আর প্রতি ম্যাচে তার আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্য ইসরায়েলি দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে। দেশটি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে বলছে, ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব অবৈধ।
ব্রিটিশ সরকার অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি, বসতি সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যে অবৈধ বসতির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে এক দীর্ঘ বক্তব্যে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড এসব বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ব্রিটেন আর শুধু পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করবে না, বরং এসব ঠেকাতে সরাসরি পদক্ষেপও নেবে। মিলিব্যান্ড স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাজ্যের এই অবস্থান ইসরায়েলি জনগণের বিরুদ্ধে নয়।
ব্রিটেন ইসরায়েল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের অধিকারকে সমর্থন করে, পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকেও সমর্থন করে। তার মতে, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার একমাত্র বাস্তব পথ।
মিলিব্যান্ড বলেন, এই পদক্ষেপ ইসরায়েল রাষ্ট্র বা দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে নয়। তিনি যুক্তরাজ্যের অবস্থানকে ব্যাখ্যা করে বলেন, ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের অধিকারকে সমর্থন করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারও সমর্থন করে যুক্তরাজ্য।
মিলিব্যান্ডের মতে, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই শান্তি ও নিরাপত্তার একমাত্র বাস্তব পথ। তিনি জানান, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির সময় পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার, যা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বসতি সম্প্রসারণের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ভাঙা, উচ্ছেদ, জমিতে যেতে বাধা এবং সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মিলিব্যান্ড বলেন, ২০২৩ সাল থেকে পশ্চিম তীরে ৬৫টি ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় পুরোপুরি উচ্ছেদ হয়েছে। বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকাণ্ডের কারণে ৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাড়িঘর হারিয়েছেন। বিশেষ করে পশ্চিম তীরের ই-১ এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, সেখানে বসতি নির্মাণ হলে পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যে ইসরায়েলি বসতির একটি ধারাবাহিক অঞ্চল তৈরি হবে। এতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বিভক্ত হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান আরো কঠিন হয়ে পড়বে।
মিলিব্যান্ড বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত আরো কয়েকজন উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। বসতি সম্প্রসারণে অর্থায়ন বা সহায়তা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে। যুক্তরাজ্য আগামী ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পরিকল্পনা করেছে। বসতি নির্মাণ, অবকাঠামো, অর্থায়ন ও আবাসন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ধর্মীয় প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে।
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়েও মিলিব্যান্ড সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার তৈরি করলেও, এরপর গাজায় যা ঘটেছে, তার সবকিছুকে বৈধতা দেওয়া যায় না। গাজায় বিপুল প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও অবকাঠামো ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে তিনি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে হামাসকে ভবিষ্যৎ গাজার শাসনব্যবস্থায় কোনো ভূমিকা না দেওয়ার পক্ষে মত দেন। হামাসকে অস্ত্র ত্যাগ করতে হবে এবং তাদের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করতে হবে বলেও জানান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
যুক্তরাজ্য গাজার মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরো সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সহায়তায় পরিচালিত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা বাড়ানো এবং গুরুতর আহত শিশুদের চিকিৎসায় ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞদের কাজ করার কথা জানান মিলিব্যান্ড। যুক্তরাজ্যের নতুন নীতির লক্ষ্য হচ্ছে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখা।
তিনি বলেন, একদিকে দুই রাষ্ট্রের সমাধানের কথা বলা এবং অন্যদিকে পশ্চিম তীরে এমন কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া, যা এই সমাধানকে অসম্ভব করে তোলে- এ অবস্থান থেকে সরে আসবে ব্রিটেন। এর অংশ হিসেবে অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানি বন্ধ, বসতির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বসতি সম্প্রসারণে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং দখলদারত্বে সহায়তা করতে পারে এমন কিছু পণ্যের রপ্তানি লাইসেন্স প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতিকে একটি মানসম্মত স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’
আজ বুধবার ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারির সঙ্গে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন শেষে তিনি এ প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
সিইসি দাবি করেন, জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ইসি জনগণের কাছে হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইসি ও প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর প্রতি জনগণের আস্থা অনেকটাই ফিরে এসেছে।
তিনি আরও জানান, মাঠ পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করতে কাজ চলছে।
প্রতিটি কাজের মূল মাপকাঠি হলো তার সাফল্য বা ফলাফল। সিইসি মন্তব্য করেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রশাসনিক সংস্থাগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘জনগণের যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, তা বহুলাংশে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।’একই উচ্চ মানদণ্ড বজায় রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সফল করতে প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রস্তাব পাওয়ার পর মাত্র চার দিনের মধ্যে শুটিংয়ে অংশ নিতে শুরু করেন ক্রিস্টাল ডি’সুজা। আলোচিত ছবি ‘ধুরন্ধর’-এর জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এ কাজ করার সুযোগ কিভাবে তার কাছে এসেছে, সেই বিষয়টি সম্প্রতি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।
ক্রিস্টাল জানান, তিনি যখন বাড়িতে বান্ধবীদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন আচমকাই পরিচালক মুকেশ ছাবরার ফোন পান। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, মাত্র চার দিনের মধ্যে একটি গানের শুটিং রয়েছে। একজন অভিনেত্রীকে প্রাথমিকভাবে পছন্দ করা হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। এজন্য ছবির টিম ক্রিস্টালের সঙ্গে কথা বলতে চায়।
এমন আকস্মিক প্রস্তাব পেয়ে অভিনেত্রী প্রথমে কিছুটা সময় চেয়ে ফোনটি রেখে দেন। পরে তিনি বান্ধবীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তার বন্ধুরা একসঙ্গে তাকে প্রস্তাবটি গ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করেন। শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে যান ক্রিস্টাল।
তবে এই কাজের আগে বড় পর্দায় এমন গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তার ছিল না। ক্রিস্টাল জানান, তিনি পেশাদার নৃত্যশিল্পী নন। বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নাচ করলেও সিনেমার বড় বাজেটের গানে পারফর্ম করা ছিল তার জন্য একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা।
শুটিংয়ের সময় ছবিটি কতটা সফল হবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। অভিনেত্রীর দাবি, শুরুতে ‘ধুরন্ধর’ সম্পর্কে তার কাছে খুব বেশি তথ্যও দেওয়া হয়নি। শুধু জানানো হয়েছিল, ছবিতে একাধিক বড় তারকা রয়েছেন এবং এটি একটি বড় বাজেটের প্রজেক্ট।
রিহার্সালে গিয়ে ছবিটির পরিসর সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পান ক্রিস্টাল। পরিচালক আদিত্য ধর ও কোরিয়োগ্রাফার বিজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে একের পর এক নাচের স্টেপ অনুশীলন করতে হয় তাকে। তখনও গানের হুক স্টেপ চূড়ান্ত হয়নি। প্রায় ১১টি আলাদা স্টেপ শেখার পর শেষ পর্যন্ত তাকে গানের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এই অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্রিস্টাল জানিয়েছেন, শুরুতে তিনি বেশ ভয় পেয়েছিলেন। মাত্র কয়েক দিনের প্রস্তুতিতে এমন একটি বড় প্রজেক্টে কাজ করার চাপ ছিল যথেষ্ট।
‘শরারত’ গানে ক্রিস্টালের সঙ্গে আয়েশা খানকেও দেখা গেছে। ছবির গল্প অনুযায়ী, করাচির একটি অভিজাত বিয়ের অনুষ্ঠানে তারা দুই নৃত্যশিল্পীর চরিত্রে পারফর্ম করেন। গানটির সুর দিয়েছেন শাশ্বত সচদেব। কণ্ঠ দিয়েছেন মধুবন্তী বাগচী ও জৈস্মিন সৈন্ডলার। কোরিয়োগ্রাফি করেছেন বিজয় গঙ্গোপাধ্যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের স্বাধীনতা ও সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করতে এবার তুরস্কের প্রতি পরোক্ষ সামরিক হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন দেশটির নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল ইয়াল হারেল। সম্প্রতি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর অফিসার গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি নাম উল্লেখ না করে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সরকারের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দেন।
অনুষ্ঠানে ইয়াল হারেল উল্লেখ করেন, নতুন সামুদ্রিক অঙ্গনে আর কোনো দূরবর্তী সীমান্ত নেই। যারা সামুদ্রিক ও দূরবর্তী এলাকা থেকে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "যারা আমাদের ক্ষতি করতে চায়, দূরত্ব তাদের কাউকে কোনো সুরক্ষা বা নিরাপত্তা দেবে না।" হাজার হাজার মাইল দূর থেকে যারা ইসরায়েল ও আইডিএফকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করবে, তাদের প্রতিহত করতেই নৌবাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে।
ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরের শক্তিসাম্য পরিবর্তনের চেষ্টা করা দেশগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "আমরা তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ দেখছি, পর্যবেক্ষণ করছি এবং তার জন্য উপযুক্ত প্রস্তুতি নিচ্ছি।" ইসরায়েল রাষ্ট্রের কাজের স্বাধীনতা বা জাতীয় সামুদ্রিক স্বার্থ কোনো হুমকির মুখে পড়লে, নৌবাহিনী তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, "আমাদের দায়িত্ব ও মিশন পূর্ণ করতে আমরা প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে সব জায়গায় উপস্থিতি নিশ্চিত করব।"
ইসরায়েলের 'চ্যানেল ১২'-এর সামরিক বিশ্লেষক নির ডোরির মতে, ভূমধ্যসাগরে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার প্রেক্ষাপটেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, সম্প্রতি সাইপ্রাসের কাছে গ্রিস ও সাইপ্রাসের যৌথ মহড়া চলাকালে একটি ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজ প্রায় চারটি তুর্কি নৌযানের মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতিতে পড়েছিল। তুর্কি জাহাজগুলো একদম শত মিটারের কাছাকাছি চলে আসার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে সরে যায়। এই ঘটনার পর ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা তুরস্ককে একটি শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেছে।
সূত্র: আল মায়াদিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ