বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৭ এম
গ্রামবাংলার বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা টবের পরিচিত ফুল দোপাটি। রঙিন ও আকর্ষণীয় এই ফুল মানুষের দৃষ্টি সহজেই আকর্ষণ করে। বর্ষাকালে সজীব সবুজ পাতার মাঝে লাল, গোলাপি, সাদা ও বেগুনি রঙের ফুল ফুটে উঠলে প্রকৃতিতে ভিন্ন এক সৌন্দর্য যুক্ত হয়। দোপাটি ফুলের ইংরেজি নাম Garden balsam, এছাড়া Rose balsam, Touch-me-not এবং Lady slipper নামেও এটি পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Impatiens balsamina।
Balsaminaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি একবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ দোপাটি। সাধারণত দোপাটি গাছের উচ্চতা ৪৫ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়, তবে পরিবেশ ও জাতভেদে এর উচ্চতা কিছুটা বেশি হতে পারে। গাছের কাণ্ড পুরু, নরম এবং রসালো। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে সহজেই ভেঙে যেতে পারে। গাছের প্রকৃতি সাধারণত ঝোপালো।
দোপাটি গাছের পাতাগুলো লম্বাটে বা কিছুটা বল্লমাকার। পাতার কিনারা করাতের দাঁতের মতো খাঁজকাটা। সবুজ পাতার সঙ্গে বিভিন্ন রঙের ফুলের সমন্বয় দোপাটি গাছকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে। দোপাটি ফুল একক কিংবা দ্বৈত পাপড়ির হতে পারে। ফুলের রং সাদা, গোলাপি, লাল, বেগুনি ইত্যাদি। দ্বৈত পাপড়ির ফুল ছোট গোলাপের মতো দেখতে হয়। এই কারণে বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং বাগানের বর্ডার তৈরিতে দোপাটি গাছ জনপ্রিয়। গরম ও বর্ষাকালে দোপাটি ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং এই সময় প্রচুর ফুল ফুটতে দেখা যায়। উষ্ণ ও অনুকূল পরিবেশে বছরের অন্য সময়েও ফুল ফুটতে পারে। বীজ থেকে সহজেই এর চারা জন্মানো যায় এবং বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা টবেও এটি চাষ করা সম্ভব।
তবে দোপাটি ফুলের সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য তার ফলের মধ্যে নিহিত। ফল পরিপক্ক হলে সামান্য স্পর্শ বা চাপেই এর ফলের খোসা হঠাৎ ফেটে যায় এবং ভেতরের বীজ চারদিকে ছিটকে পড়ে। বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার এই বিস্ফোরণধর্মী পদ্ধতির কারণে ইংরেজিতে দোপাটির একটি প্রচলিত নাম ‘ঞড়ঁপয-সব-হড়ঃ’ রয়েছে।
দোপাটি শুধুমাত্র একটি পরিচিত বাগানফুল নয় বরং বর্ষার প্রকৃতিতে রঙের এক সুন্দর সংযোজন। নরম কাণ্ড, সবুজ পাতা এবং বাহারি রঙের ফুলের সমাহারে এটি বাড়ির আঙিনা ও বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। সহজে জন্মানো এবং পরিচর্যা তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় গ্রামবাংলার বাড়ির আঙিনা থেকে শহরের টবের বাগান-সবখানেই দোপাটি ফুলের রয়েছে আলাদা কদর। ছবিটি শনিবার সকাল ১১টার দিকে মৌলভীবাজার শহরের ফরেস্ট অফিস রোডের কল্লোল দেবের বাসার ছাদবাগান থেকে তোলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসসিসিআই) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন, যা আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন প্রশাসক হিসেবে এজাজ আহমদ চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছে। এর আগে প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা। সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। একই দিনে নগরীর জেলরোডে চেম্বার ভবনের সামনে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বরের আদেশ অনুযায়ী আগামী ৫ নভেম্বরের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এদিনের পৃথক আদেশে এজাজ আহমদ চৌধুরীকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নতুন প্রশাসক সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও সদস্যতালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন নির্বাচনী তফসিল ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন।
সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে এর আগে দুবার তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনোবারই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে নতুন প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে সদস্য অন্তর্ভুক্তি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নতুন নির্বাচনী তফসিল প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
এদিকে, নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম। রোববার দুপুরে চেম্বার ভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে ফোরামের নেতৃবৃন্দ জানান, বারবার নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ঐতিহ্যবাহী এ বাণিজ্যিক সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা তৈরি হয়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবে, সরকার নতুন প্রশাসক নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি তারা পর্যবেক্ষণ করছেন।
ফোরামের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবনিযুক্ত প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরী দ্রুত সদস্যপদ ও ভোটার তালিকার ত্রুটি নিরসন করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়ন করবেন। এরপর অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা হবে। ব্যবসায়ী ফোরামের নেতৃবৃন্দ আরও জানান, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এজাজ আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চেম্বারের নিরপেক্ষতা ও আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক আলীমুল এহছান চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জুবায়ের রাকিব চৌধুরী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কবির আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নুরুল আলম, সদস্য সচিব মো. আব্দুল কাদির, অর্ডিনারি পরিচালক পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, শামসুর রহমান কামাল, কামরুল হামিদ, তাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, সৈয়দ আব্দুল হামিদ, রুবেল আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, মুক্তাদির ফাহাদ, অ্যাসোসিয়েট পরিচালক পদপ্রার্থী রেহান উদ্দিন রেহান, ইব্রাহিম খলিল, মামুনুর রশিদ মামুন, ফারেছ আহমেদসহ ফোরামের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়। রোববার বিকেলে উপজেলা চত্বর থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সদস্য পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খাঁন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, বিএনপির নেতা আব্দুল আজিজ, হাবিবুর রহমান মানিক, চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলম, সামসুল ইসলাম মামুন, এস.এম.জাবেদ, মোঃ সহিদ মিয়া, শহিদুল ইসলাম বাবু, মাসুকুর রহমান, হাজী ফিরোজ মিয়া, বাবুল হোসেন, শেখ জহিরুল ইসলাম, ফজলুর রহমান বুলেট, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এনায়েত উল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান, কবির চৌধুরী, পৌর যুবদলের আহবায়ক জনি পাঠান, যুগ্ম আহবায়ক জসিম শিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ফরিদুর রহমান, পৌর আহবায়ক আলমগীর কবির, যুগ্ম আহবায়ক রাশেল আহম্মদ, রনি আহম্মদ, শ্রমিক দলের আহবায়ক মাসুদ আলী, সদস্য সচিব লিটন পাঠান, ছাত্রদল নেতা ইমন খান, রিফাত খাঁ প্রমুখ। বক্তারা দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার জয়পাশা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় মোঃ হাসান মিয়া (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে কুলাউড়া থানার পুলিশ। এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও লোকজনকে নিয়ে কুলাউড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জয়পাশা সাকিনস্থ জাপানীবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কুলাউড়া থানার একটি পুলিশ দল। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে মোঃ হাসান মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া হাসান মিয়া বড়লেখা থানার মোহাম্মদনগর এলাকার মৃত বদরুল মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি কুলাউড়া পৌরসভার জয়পাশা এলাকায় বসবাস করছেন। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না জানিয়েছেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হাসানের সহযোগী কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর তাকে যথাযথভাবে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট জেলা বাংলাদেশ মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার ঐক্য পরিষদ, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৭৫ বছর করার দাবিতে, বর্তমান অধিক্ষেত্র বহাল রেখে শূন্য পদে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগসহ আট দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপিটি পাঠানো হয়। সংগঠনের সভাপতি কাজী মাওলানা জয়নুল ইসলাম মুনিম এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. আব্দুল জলিল খান স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কাজী মাওঃ বদরুল ইসলাম, কাজী নুরুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যক্ষ কাজী আব্দুস সবুর, কাজী আব্দুর রাজ্জাক, কাজী সৈয়দ মুজাম্মিল উদ্দিন, কাজী মো. আব্দুল হাছিব, কাজী জামাল উদ্দিন, কাজী আব্দুস শাহীদ, কাজী জসীম উদ্দীন, কাজী আব্দুল ওয়াদুদ, কাজী জাকির হোসেন, কাজী আব্দশ শাকুর, কাজী আমীরুল ইসলাম, কাজী সিরাজুল ইসলাম, কাজী কয়েছ উদ্দিন খান, কাজী আবদুল বারী সিদ্দিকী, কাজী শামসুজ্জামান, কাজী আব্দুল ফাত্তাহ, কাজী হেলাল উদ্দিন, কাজী নুরুদ্দীন, কাজী মুহিবুর রহমান, কাজী আলীম উদ্দিন প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে দেশে পাঁচ হাজারের বেশি মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন এলাকায় নিকাহ রেজিস্ট্রারদের আয় সীমিত হওয়ায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদ্যমান অধিক্ষেত্র বহাল রাখার পাশাপাশি নিকাহ নিবন্ধন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯-এর বিধি ১৩ অনুযায়ী বর্তমানে কর্মরত নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিক্ষেত্র অবসরকাল পর্যন্ত বহাল রাখা। অবসরের পর নিকাহ রেজিস্ট্রারদের কোনো অবসরকালীন ভাতা না থাকায় তাঁদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৭৫ বছর করা। কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার অবসরে গেলে তাঁর পুত্রকে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া।
এছাড়া, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন সংশোধন করে পুরুষের বিবাহের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং নারীর ১৬ বছর নির্ধারণ, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ‘অহেতুক হয়রানিমূলক’ কার্যক্রম বন্ধ, নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের ডিও লেটার প্রথা বন্ধ এবং নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ ও তালাকের হলফনামা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
সঙ্গে বিবাহ নিবন্ধন, তালাক নিবন্ধন, নকল ও কমিশন ফি বাড়ানোর দাবিও জানানো হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে ১৪ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের ক্ষেত্রে প্রতি লাখে ১০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা নির্ধারণের দাবি করা হয়েছে। তালাক নিবন্ধন ফি ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা, বিবাহের নকল ফি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা এবং কমিশন ফি ৫০০ টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনের নেতারা বলেন, নিকাহ রেজিস্ট্রারদের পেশাগত সমস্যা, আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং বিবাহ নিবন্ধন ব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তাঁদের দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত। স্মারকলিপিতে এসব দাবি মানবিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ