০৫:৫৬ পি.এম
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং ফ্যাসিবাদের বিচার দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ অক্টোবর শুক্রবার বাদ জুমা বন্দরবাজার জামে মসজিদের সামনে থেকে সিলেট মহানগর জমিয়তের নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়।
মহানগর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নিজামুদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালেক চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন—জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান, মহানগরের সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা মুখতার আহমদ, দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুসাব্বির যামডরী, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুল ও হাফিজ আহমদ সগির আমকোনী এবং জালালাবাদ ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হোসাইন আহমদ, সহ-সম্পাদক মাওলানা মুফতি মতিউর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ সালিম কাসেমী, উত্তর জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া কয়েস, শ্রমিক জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজ মাহমুদুল হাসান, মহানগর জমিয়তের অন্যতম নেতা মাওলানা শামীম আহমদ, মাওলানা হাসান আহমদ, মাওলানা লুৎফুর রহমান, এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা রফিক আহমেদ মহল্লী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা এমাদ উদ্দিন সালিম ও মাওলানা আবুল খায়ের, মাওলানা হাবিবুল্লাহ জালালি সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম চৌধুরী।
যুবনেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আসাদুদ্দিন, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, আবু সুফিয়ান, আব্দুল হাসিব খান, মনসুর আহমদ, আফতাব উদ্দিন খান, সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা খলিল উল্লাহ মাহবুব, এম ফয়সাল আহমদ, দিলদার হোসাইন, আব্দুল কাদির, মাওলানা জিয়াউর রহমান, ও মাওলানা হাসান বিন ফাহিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা জামিল আহমদ, আবু হানিফা সাদি, মাহাদি চৌধুরী, কোবাইব বিন জামিল, রায়হানউদ্দিন, মীর আইনুল হক ও আনোয়ার চৌধুরী।
আরও পড়ুন: ঢাকায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের, শোকের ছায়া আলফাডাঙ্গার পবনবেগে
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, "দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পরে একটি নির্বাচিত সংসদ যেখানে বিদ্যমান, সেখানে সরকারের গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে সোচ্চার হওয়া এবং জনগণের পক্ষে কথা বলার মতো দৃশ্যমান বা কার্যকর কোনো ভূমিকা আমরা প্রত্যক্ষ করিনি।
সরকারকে সাবধান করে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "জনগণের পালস (ক্ষোভ ও আকাঙ্ক্ষা) বুঝে দ্রব্যমূল্য এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করুন। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ থেকে রেহাই পাবেন না।" তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে না পারলে উন্নয়নের সবকিছুই ভেস্তে যাবে। কাজেই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করুন এবং সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন