ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়ায় ইপিআই কার্যক্রম পুনরায় চালু ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি: মোশারফ হোসেন এমপির কাছে স্মারকলিপি


বগুড়ায় ইপিআই কার্যক্রম পুনরায় চালু ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি: মোশারফ হোসেন এমপির কাছে স্মারকলিপি

বগুড়া ভ্যাকসিনেটররা স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যক্রম পুনরায় চালু, পূর্বের কর্মস্থলে পুনর্বহাল এবং চাকরি স্থায়ীকরণে উপযুক্ত কর্মসংস্থান দাবিতে। স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তারা বর্তমানে কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন। স্মারকলিপিতে মানবেতর ও চরম আর্থিক সংকটের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা তাদের পরিবার পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেনের কাছে স্মারকলিপিটি প্রদান করেন জেলার ৪৯ জন ভ্যাকসিনেটর। সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে উন্মুক্ত আলোচনা শেষে, জেলা সিভিল সার্জনের কাছে স্মারকলিপিটি পৌঁছে দেওয়া হয়। মোশারফ হোসেন এমপি বগুড়াসহ সারাদেশে প্রজেক্টে কর্মরত ভ্যাকসিনেটরদের দাবি পূরণে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সাল থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে ‘ভলান্টিয়ার’ হিসেবে বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি, নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রম, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা, বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন জনস্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ভ্যাকসিনেটররা। পরবর্তীতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দৈনিক ভাতা ভিত্তিক ভ্যাকসিনেটর হিসেবে মাঠপর্যায়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর মাঠপর্যায়ে কাজ করার মাধ্যমে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। তাদেরকে পুনরায় জনস্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত করার সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, ৪ জন গ্রেপ্তার

ভ্যাকসিনেটরদের দাবি হলো- বন্ধ হয়ে যাওয়া ইপিআই টিকাদান কার্যক্রম অবিলম্বে পুনরায় চালু করে পূর্বের কর্মস্থলে পুনরায় নিয়োগ, দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও কর্মের ধারাবাহিকতা বিবেচনা করে স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট পদে চাকরি স্থায়ীকরণ, আত্মীকরণ অথবা উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। স্মারকলিপিতে বগুড়া জেলার ভ্যাকসিনেটরদের পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে তাজবীর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

ভ্যাকসিনেটররা বলেন, প্রজেক্টটি পুনরায় চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের আবেদন। তারা কর্মহীন অবস্থায় মানবেতর ও চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। ইপিআই কার্যক্রম চালু না হলে সরকারের অনেক প্রজেক্ট রয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনেকের চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে। সারাবছরই কিছু কিছু ভ্যাকসিন কার্যক্রম সরকারিভাবে চলমান থাকে। সকলের স্থায়ীকরণ করে সুস্থ ও সুন্দরভাবে পরিবার নিয়ে জীবনযাপনের সুযোগ চান ভ্যাকসিনেটররা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবচরে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে, জনদুর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


শিবচরে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে, জনদুর্ভোগ চরমে

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের চান্দেরচর বাজার থেকে ডিগ্রির চর এলাকায় যেতে নির্মাণাধীন ৬৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুর কাজ জমি অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত জটিলতায় গত প্রায় তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এই কারণে এলাকাটির হাজারো মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। জমির মালিকেরা ২০২৪ সালের আগস্টের পর কাজ বন্ধ করে দেন, যা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

এখন পর্যন্ত সেতুর কাজের কোনো সুরাহা না হওয়ায় এটি বন্ধ রয়েছে। সেতু নির্মাণের সময় চলাচলের জন্য পাশের খালটি ভরাট করে একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেতু না থাকায় স্থানীয়রা ওই সড়ক দিয়েই চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃষ্টির সময় বিকল্প সড়ক পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং বর্ষায় পানিতে ডুবে যায়। দুর্ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। স্থানীয়রা আশা করেছিলো সেতুটি দ্রুত নির্মিত হবে, কিন্তু এখন এটি তাদের জন্য একটি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি ৬৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে। এর কাজ ২০২৫ সালের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। শিবচরের আরও তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হলেও সেগুলো সময়মতো শেষ হয়েছে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এই সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে, ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়ে গেছে।

এই সেতু দিয়ে উমেদপুর ইউনিয়নের চান্দেরচর বাজারসহ শিবচরের সঙ্গে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা এবং সাপ্তাহিক চান্দেরহাটে মালামাল নিয়ে আসা-যাওয়ার জন্য হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে। সেতুর পাশের অস্থায়ী সড়ক দিয়ে যাতায়াতে দুর্ঘটনা ঘটছে প্রায়ই।

নিয়মিত যাতায়াতকারী স্থানীয় মো. জামিল তোতা মিয়া জানান, "এখানে আগে একটা ব্রিজ ছিল। ওইটা ভাইঙ্গা আবার নতুন কইরা ব্রিজের কাজ শুরু হয়। ব্রিজের চান্দেরচর বাজার প্রান্তে একজনের জায়গা। তার বিল্ডিং। ব্রিজ করতে হলে ওইটা ভাঙতে হবে। জমির মালিক টাকা না পাইয়া মামলা দিছে। এরপর থেকে কাজ বন্ধ। আর আমরা পড়ছি ভোগান্তিতে।"

ভ্যানচালক লিটন ঢালী বলেন, "ব্রিজের কাজ অর্ধেক হওয়ার পর থেকে বন্ধ। ২০২৪ সালের সরকার পরিবর্তনের পর জমির মালিক বাধা দিলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পাশে যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, এখান দিয়ে চলাচলে ভীষণ সমস্যা হয়। অনেকবার ভ্যানগাড়ি উল্টে গেছে। যাত্রীরা আহত হয় প্রায়ই।"

স্থানীয় ওয়াসিম বেপারী জানান, "ব্রিজের পরেই চান্দেরচর বাজার। সপ্তাহে হাট বসে। ব্রিজের কাজ না হওয়ায় লোকজনের মালামাল নিয়ে আসা-যাওয়া করতে কষ্ট হয়। বৃষ্টির দিনে দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রায় আড়াই বছর ধরে কাজ বন্ধ। সব মিলিয়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে মানুষের ভোগান্তি। অথচ দেখার কেউ নাই!"

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মাদারীপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী হায়দার খান জানান, "ওই স্থানে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত একটি জটিলতা রয়েছে। এর কারণে কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুত সমাধান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাপুটে জয়েই সিরিজ শেষ করল দক্ষিণ আফ্রিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


দাপুটে জয়েই সিরিজ শেষ করল দক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকা আগের দুই ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে রানের বিশাল পাহাড় গড়ে জয় লাভ করেছিল। এবার তারা নামিবিয়াকে অল্পতেই গুটিয়ে দিয়ে দাপুটে জয় দিয়ে সিরিজ শেষ করল।

উইন্ডহুকে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে পরাজিত করেছে। তারা ১৫৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ২১.৩ ওভারে পূরণ করে।

এই তিন ম্যাচের সিরিজে সফরকারীরা প্রত্যাশিত ৩-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে দেড়শ রানের ইনিংস খেলা জর্ডান হার্মান এবার ৫৯ বলে ১৩ চারে ৭৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেছেন। মোট ২৪৭ রান করে তিনি সিরিজ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

অপর ওপেনার কনর এস্তেহেইজেন ৬৮ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৫০ রান।

তবে ৩৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের আসল নায়ক বিজর্ন ফোর্টুইন।

নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শনিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় নামিবিয়া। ৩৬.২ ওভারে তাদের লড়াই শেষ হয়।

দুইজন খেলোয়াড় ত্রিশের বেশি রান করতে পেরেছেন। জেন গ্রিন ৩৩ রান করেন এবং আলেকজান্ডার বুসিং-ভলশেঙ্ক ৩১ রান করেন।

নামিবিয়া ১৯ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে। সেই ধাক্কা সামলে তৃতীয় উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়েন আলেকসান্ডার বিওজিং-ফুলশেংক ও লরেন স্টিনক্যাম্প। কিন্তু এই জুটি ভাঙার পর নামিবিয়ার ব্যাটিং হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে।

২ উইকেটে ৭২ থেকে তাদের স্কোর হয়ে যায় ৯ উইকেটে ১২৫! শেষ উইকেট জুটিতে গ্রিন ও ম্যাক্স হেইঙ্গো ৩১ রান যোগ করেন। এতে দলীয় সংগ্রহ দেড়শ পার হয়। দুটি করে চার ও ছক্কায় ৬ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন হেইঙ্গো।

মামুলি লক্ষ্য তাড়াতে হার্মান ও এস্তেহেইজেনের চমৎকার ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে যায়। হার্মান ৩৯ বলে ফিফটি করেন। এস্তেহেইজেনের জন্য লাগে ৫৩ বল। ৯০ বলে তাদের জুটির শতরান স্পর্শ করে।

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রায় ৯ বছর পর ওয়ানডেতে ১০ উইকেটে জয়লাভের পথে ছিল। কিন্তু ৭ রান বাকি থাকতে ওয়াল্ডো স্মিথের ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে যান হার্মান।

দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়মিত অনেক খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে নামিবিয়া সফর করেছে। তবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে তারা ঘরের মাঠে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নামিবিয়া: ৩৬.২ ওভারে ১৫৬ (ফন লিঙ্গেন ২, বিওজিং-ফুলশেংক ৩১, ফ্রাইলিঙ্ক ২, স্টিনক্যাম্প ২৩, এরাজমাস ৩, লফটি-ইটন ৪, গ্রিন ৩৩, ট্রাম্পেলমান ১৩, স্মিথ ২, ব্রাসেল ৩, হেইঙ্গো ২০*; মাফাকা ৫.২-০-১৮-২, কর্বিন বশ ৬-০-২৪-১, এনকোবানি ৫-০-১৫-০, ফোরটান ১০-০-৩৩-৪, ইথান বশ ৫-০-২০-০, পিটার ৫-০-৩৯-২)

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২১.৩ ওভারে ১৫৭/১ (হার্মান ৬৬, এস্তেহেইজেন ৬৮*, ব্রেভিস ৬*; ট্রাম্পেলমান ৪-০-২৫-০, ব্রাসেল ৬-০-৩৬-০, এরাজমাস ৩-০-২৩-০, হেইঙ্গো ৪.৩-০-৩২-০, লফটি-ইটন ১-০-৮-০, স্মিথ ৩-০-২৯-১)

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজ ৩-০ তে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা

ম্যান অব দা ম্যাচ: বিয়ন ফোরটান

ম্যান অব দা সিরিজ: জর্ডান হার্মান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংসে মাঠে ছাত্রদলের তিন মাসের কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংসে মাঠে ছাত্রদলের তিন মাসের কর্মসূচি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হবিবুর রহমান হল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় হল প্রাঙ্গণ এবং আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়, পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেন নেতাকর্মীরা।

শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে আমরা লিফলেট বিতরণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালাচ্ছি। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থল ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ মন্তব্য করেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা জরুরি। সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল বলেন, “বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। তাই ক্যাম্পাসের প্রতিটি হল, একাডেমিক ভবন ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। এ কাজে প্রশাসনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি চলবে। প্রথম দুই দিন হলগুলোতে এবং পরবর্তীতে প্রতি সপ্তাহে নেতাকর্মীরা হল ও একাডেমিক ভবন পরিষ্কার করবেন। পাশাপাশি পুরো ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হবে।”

কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গভীর রাতে ক্যাটরিনার বাড়িতে রণবীর, ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সাংবাদিকের ক্যামেরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


গভীর রাতে ক্যাটরিনার বাড়িতে রণবীর, ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সাংবাদিকের ক্যামেরা!

বলিউডে এক সময় একটি অন্যতম আলোচিত জুটি ছিলেন রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফ। তারা প্রায় সাত বছর ধরে একসঙ্গে ছিলেন।

‘আজব প্রেম কি গজব কাহানি’র সেটে একে অপরের কাছে আসার পর ধীরে ধীরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে সম্পর্কের শুরু থেকেই তারা তাদের ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখার চেষ্টা করেন।

তবে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা থেকে তারা রক্ষা পেতে পারেননি। বরং একাধিকবার একান্ত মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন এই প্রাক্তন জুটি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক প্রাক্তন সাংবাদিক সেই সময়ের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা শেয়ার করেছেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ক্যাটরিনার সঙ্গে সম্পর্কের খবর গোপন রাখতে এক সময় রণবীর তার ক্যামেরা পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়েছিলেন।

ঘটনাটি বেশ কয়েক বছর আগে ঘটে। তখন রণবীর ও ক্যাটরিনার প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসেনি।

একদিন খবর আসে, গভীর রাতে ক্যাটরিনার বাড়িতে গিয়েছেন রণবীর। সেই খবর পেয়ে সাংবাদিকটি ক্যামেরা নিয়ে অভিনেত্রীর বাড়ির নিচে অপেক্ষা করতে শুরু করেন।

স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন রণবীর কাপুর আর ক্যাটরিনা কাইফের প্রেমের খবর কেউ জানত না, তখন একদিন খবর পাই রণবীর ক্যাটরিনার বাড়িতে এসেছেন। রাত ১টা বেজে ৩০ মিনিট নাগাদ রণবীর বের হবেন। তাই আমরা সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ক্যাটরিনার বাড়ির নিচে গিয়ে লুকিয়ে ছিলাম।

রণবীর যখন বেরিয়ে এলেন, তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন আমরা সেখানে রয়েছি। ক্যাপ দিয়ে মুখ আড়াল করে গাড়িতে উঠে চলে যান। সেসময় তাদের প্রেমচর্চা টক অব দ্য টাউন।’

শুধু ক্যাটরিনার বাড়ি নয়, বান্দ্রায় তার ম্যানেজারের একটি ফাঁকা বাড়িতেও দুজনের দেখা করার খবর পেয়েছিলেন ওই সাংবাদিক। সেখানে ক্যামেরা নিয়ে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

তিনি জানান, ‘ওরা কারো শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন। সেই সময় আমি খবর পাই দু’জন ক্যাটরিনার ম্যানেজারের বাড়িতে দেখা করতে যাচ্ছেন। ওরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমরা পৌঁছে গিয়ে লুকিয়ে ছিলাম। ক্যাটরিনা গাড়ি থেকে নামতেই আমরা ক্যামেরা চালু করে দিই। রণবীর গাড়ির কাচ নামিয়ে দেখলেন যে আমরা সেখানে রয়েছি। এরপর এমনভাবে অভিনয় করলেন যেন ক্যাটরিনাকে বাড়িতে নামিয়ে দিতেই এসেছেন।’

এরপর ঘটে আরো একটি চমকপ্রদ ঘটনা। রণবীর সেখান থেকে চলে যাওয়ার পরও সাংবাদিকরা অপেক্ষা করতে থাকেন। প্রায় ১০ মিনিট পর ফের সেখানে ফিরে আসেন অভিনেতা। তাকে দেখেই আবার ক্যামেরা চালু করেন তারা।

এরপর সাংবাদিকদের দিকে এগিয়ে আসেন রণবীর। তার দাবি অনুযায়ী, গাড়ির দরজা খুলে তাদের ক্যামেরার ব্যাগ ও বুম নিয়ে চলে যান অভিনেতা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন আর কখনো তাদের অনুসরণ না করা হয়, সেই কথাও জানান।

তবে রণবীরের সেই দাবি মানতে রাজি ছিলেন না ওই সাংবাদিক। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবেন বুঝতে পেরে ক্যামেরার ব্যাগ ও অন্য সরঞ্জাম ফিরিয়ে দেন অভিনেতা।

রণবীর-ক্যাটরিনার সেই সম্পর্ক অবশ্য শেষ পর্যন্ত টেকেনি। পরবর্তীতে দুজনেই আলাদা পথে হাঁটেন। তবে তাদের প্রেমের সময়কার নানা ঘটনা আজও বলিউডের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%