মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ পি.এম
নেত্রকোনার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এন আকন্দ কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসায় এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মো. এহসানুল হক নামের ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে আপত্তিকর অবস্থার দৃশ্য ধরা পড়ার পর তাঁকে মাদরাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষক এহসানুল হক প্রায় আট বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির অনার্স শাখায় নন-এমপিও প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, গত ২০ আগস্ট শিক্ষকদের একটি সভা চলাকালে কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে একটি কক্ষে এক শিক্ষক ও বোরকা পরা এক নারীকে দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁরা ফুটেজটি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে এহসানুল হককে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। প্রথমে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ফুটেজ দেখানোর পর নিজের ভুল স্বীকার করে সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান বলে জানান অধ্যক্ষ।
অধ্যক্ষ বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পর ২৬ আগস্ট তাঁকে সিসিটিভি ফুটেজের ডাউনলোড করা ভিডিও দেখানো হয়। বিষয়টি জানার পর তিনি অনার্স বিভাগের চেয়ারম্যানকে ডেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদরাসায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত কক্ষের তালা পরিবর্তন করা হয় এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
পরে ১ সেপ্টেম্বর মো. এহসানুল হক পদত্যাগপত্র জমা দেন। অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এরপর শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি সভা করে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, বিষয়টি মাদরাসার গভর্নিং বডি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে ওই ঘটনায় জড়িত বলে ধারণা করা ছাত্রীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। অধ্যক্ষের ধারণা, তিনি অনার্স অথবা মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষার্থী বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা বলেন, বিষয়টি জানার পর মাদরাসার অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওই ছাত্রীকে শনাক্ত করতে পারেননি। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে তদন্ত বা বিচারের মুখোমুখি না করে চাকরি থেকে বিদায় করে দেওয়া দুঃখজনক ও কাম্য নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে বলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এন আকন্দ কামিল মাদরাসায় এমন অভিযোগের ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।
প্রতিবেদকের নোট: অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. এহসানুল হকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের তথ্যের মধ্যে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে অসুস্থ হয়ে জি এম মনির ওরফে মনির হোসেন (৫৫) নামে মহানগর যুবদলের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু।
নিহত জি এম মনির নগরীর ভাটিখানা জোর মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি কাটপট্টি রোড এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জি এম মনির। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় কাটপট্টি রোড এলাকায় জি এম মনির অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, জি এম মনির দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিতেন। মঙ্গলবারও তিনি দক্ষিণ জেলা যুবদলের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে জি এম মনির স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টায় জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করার কথা রয়েছে।
[৮:২৩ PM, ২২/৯/২০২৬] তালাশ বিডি মিডিয়া লি:: শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি
মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।
নেত্রকোনার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এন আকন্দ কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসায় এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মো. এহসানুল হক নামের ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে আপত্তিকর অবস্থার দৃশ্য ধরা পড়ার পর তাঁকে মাদরাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষক এহসানুল হক প্রায় আট বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির অনার্স শাখায় নন-এমপিও প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, গত ২০ আগস্ট শিক্ষকদের একটি সভা চলাকালে কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে একটি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সায়েন্সেস (এমসিপিএইচএস)-এর উদ্যোগে সমাজভিত্তিক পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী "বিনামূল্যে রিহ্যাবিলিটেশন হেলথ ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১০টা থেকে উপজেলার কাজির শিমলার দেওয়ানীয়া বাড়ীর বটতলায় অবস্থিত কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সাইন্সেসের কোঅর্ডিনেটর সহকারী অধ্যাপক ডা. এম এ কুদ্দুস (জাহিদ)।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি এন্ড হেলথ সায়েন্সসের (ভারপ্রাপ্ত ) অধ্যক্ষ ডাঃ রোকসানা আক্তার। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডা. সাকিব আহমেদ, ডা. আশিকুর রহমান হৃদয়, ডা. তানভীর হাসান, ডা. প্রদীপ মৌলিক
পরে বিনামূল্যে প্রায় ২ শতাধিক অসহায় রোগীদেরকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর আইনজীবী সহকারী (মুহুরি) নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) হত্যা মামলার একমাত্র প্রধান আসামি ও নিহতের স্ত্রী নাসিমা বেগমকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,বিমানবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নিহতের ভাই মো. কামরুজ্জামান ছায়েম বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ১২, ধারা: ৩০২ পেনাল কোড-১৮৬০।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যবর্তী যে কোনো সময় বিমানবন্দর থানাধীন বিসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠি কলোনির (বাথিয়া) আহসান হাবিবের ভাড়াবাড়ির (৩য় তলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাটের পশ্চিম শয়নকক্ষে) এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী নাসিমা বেগম মুহুরি নুরুজ্জামানকে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই (নিঃ) মো. বিল্লাল হোসেনের ওপর।
পুলিশ জানিয়েছে,এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিকিৎসার আশায় কেউ এসেছেন দূর গ্রাম থেকে, কেউবা দীর্ঘদিনের ব্যথা-বেদনা নিয়ে। কারও প্রয়োজন ডায়াবেটিসের পরামর্শ, আবার কেউ এসেছেন পরিবারের অসুস্থ সদস্যকে নিয়ে। এক ছাদের নিচে চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে অনেকের মুখে। এমনই এক মানবিক উদ্যোগে দিনভর প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ছিল আলফাডাঙ্গার রায়ের পানাইল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার রায়ের পানাইলে মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। এতে দুই শতাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।
ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি মেডিসিন, বাত-ব্যথা, ডায়াবেটিস, মহিলা ও শিশু রোগসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্প প্রাঙ্গণে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। নারী, শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বাড়ির কাছেই বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা আনোয়ার হোসেন (৪৫), মোসুমি বেগম (৩৫), খাদিজা বেগমসহ একাধিক রোগী বলেন, বাড়ির কাছে এমন ফ্রি চিকিৎসাসেবার আয়োজন তাদের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র বিনামূল্যে পেয়ে তারা আনন্দিত। সাধারণ মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজনের সময়ে আশার আলো হয়ে এসেছে উল্লেখ করে তারা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের প্রত্যাশা করেন।
মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের সভাপতি মো. খসরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ সময় সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বরকত ইসলাম ও মো. রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিলন মোল্যা, সমাজসেবা সম্পাদক মো. কনক শেখসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন।
মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের নেতৃবৃন্দ জানান, ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ