ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

‘পাকিস্তানি শাসকদের সীমাহীন নির্যাতনকে কখনোই ক্ষমা করতে পারি না’


‘পাকিস্তানি শাসকদের সীমাহীন নির্যাতনকে কখনোই ক্ষমা করতে পারি না’

১৯৭১-পূর্ব পাকিস্তানি শাসকদের সীমাহীন বৈষম্য ও নির্যাতনকে কখনোই ক্ষমা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানী ঢাকার পিআইবি অডিটোরিয়ামে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কূটনীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১-পূর্ব পাকিস্তানি শাসকদের সীমাহীন বৈষম্য ও নির্যাতনকে আমরা কখনোই ক্ষমা করতে পারি না। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে অন্য কোনো ঘটনার তুলনা করা যায় না, বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা

তিনি জানান, ১৯৭১ সালের মার্চে যখন দেশের মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল, তখন নিজের জীবন বাজি রেখে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের জন্য জাতিকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, শৈশব থেকেই আমরা পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্য, শোষণ ও বাঙালিদের ওপর নিপীড়ন প্রত্যক্ষ করেছি। সে সময় সাধারণ মানুষ মুক্তির আশায় একটি রাজনৈতিক শক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু, স্বাধীনতার পর জনগণ প্রত্যাশিত গণতন্ত্র থেকে আবারও বঞ্চিত হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন, তখন বাংলাদেশ নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্যে ছিল। তিনি সব রাজনৈতিক শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন। তার লক্ষ্য ছিল জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় ও আত্মমর্যাদার ভিত্তি উপহার দিয়েছিলেন। তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই বিএনপি দেশকে এগিয়ে নিতে চায়।

আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বাংলাদেশকে কোনো দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী বা নির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাননি। তিনি বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশের নিজস্ব শক্তি, সক্ষমতা ও জনগণের ওপরে। এ কারণেই তিনি সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান আমাদের যে পথ দেখিয়েছেন, আমরা সেই পথেই এগিয়ে যেতে চাই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে দেশ পরিচালনায় কাজ করছেন, তার মধ্যেও আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতিফলন দেখতে পাই।

এছাড়া, বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে প্রচার চালানো হয়েছিল যে বিপুল ভোটে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসবে। এমনকি আমাকে নিয়েও বলা হয়েছিল আমিও নাকি পরাজিত হবো। কিন্তু দেশের মানুষ শেষ পর্যন্ত বিএনপির পক্ষেই রায় দিয়েছে। কারণ জনগণ বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র ও দেশের স্বার্থ বিএনপির হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান, এএনএম মুনিরুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক আবু রূশদ এবং ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনে তার অবদান নিয়ে বক্তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গাইবান্ধার স্মৃতি খাতুনের সাফল্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেইটের পরিবর্তে আপদকালীন দায়িত্বে তালহা জুবায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


টেইটের পরিবর্তে আপদকালীন দায়িত্বে তালহা জুবায়ের

বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন চলছিল শন টেইটের। গত কয়েকদিন ধরে এই বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল। অস্ট্রেলিয়ান সাবেক পেসার ইতোমধ্যে চাকরি ছাড়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন। তিনি ভারতের বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কোচ হওয়ার জন্য ইন্টারভিউও দিয়েছেন। তবে কবে নাগাদ তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট ধারণা ছিল না। অবশেষে কিছুটা ক্লারিটি এসেছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজের জন্য টেইট কোচের দায়িত্বে থাকছেন না। বরং আপদকালীন পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলাবেন এইচপির কোচ তালহা জুবায়ের। শন টেইটের জায়গায় কাউকে না পাওয়া পর্যন্ত তালহা দায়িত্বে থাকবেন। এমনকি জিম্বাবুয়ে সিরিজেও জাতীয় দলের সঙ্গে সাবেক এই টাইগার পেসারকে দেখা যেতে পারে।

২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন টেইট। ভারতীয় ঘরোয়া কোচিংয়ে যাওয়ার গুঞ্জনের মাঝে সূত্র জানাচ্ছে, পারিবারিক কারণে বাংলাদেশের জাতীয় দলের সঙ্গে আর থাকতে চাচ্ছেন না বলে বিসিবিকে জানিয়েছেন টেইট। তার সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছরের মতো। এ পরিস্থিতিতে বিসিবি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে, তালহা বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে ৬টি ওয়ানডে ও ৭টি টেস্ট খেলেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচিংয়ে যুক্ত রয়েছেন। গত বিপিএলে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং বর্তমানে এইচপির হয়ে কাজ করছেন।

আগামী ৯ থেকে ২১ জুন বাংলাদেশে সাদা বলের সিরিজ খেলতে আসবে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ ৯, ১১ ও ১৪ জুন ঢাকার শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়ানডে সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে এটি দল দুটি চট্টগ্রামে যাবে। সেখানে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন এই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পিএমও কর্তৃক প্রদত্ত ছবির মাধ্যমে জানা গেছে, এই সভা অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ সংক্রান্ত তথ্য জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার স্পন্দনকে মানবিকতায় ধারণ করতে চাই : প্রথম নারী জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


ঢাকার স্পন্দনকে মানবিকতায় ধারণ করতে চাই : প্রথম নারী জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম

ব্রিটিশ প্রশাসক ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে ভারতবর্ষে জেলা প্রশাসন ব্যবস্থার সূচনা করেন। একই বছর ঢাকায় জেলা প্রশাসন গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় রাজধানীকেন্দ্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার দীর্ঘ যাত্রা। সময়ের সঙ্গে ‘ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর’ থেকে ‘জেলা প্রশাসক’- পরিবর্তন এসেছে পদবি, দায়িত্ব, কাঠামো ও কর্মপরিধিতে। তবে ২৫৪ বছরের এ ইতিহাসে এবারই প্রথম ঢাকা জেলা পেয়েছে একজন নারী জেলা প্রশাসক। তিনি বিসিএস ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা ফরিদা খানম।

দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। জাতীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ফরিদা খানম বলেন, ঢাকা জেলার দায়িত্ব নিঃসন্দেহে দেশের সবচেয়ে বড় ও জটিল প্রশাসনিক দায়িত্বগুলোর একটি। প্রায় দেড় থেকে দুই কোটির বেশি মানুষের সেবা নিশ্চিত করা, নগরায়ণের চাপ, তীব্র জনঘনত্ব, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং বহুমাত্রিক নাগরিক সমস্যার মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে প্রয়োজন দৃঢ় নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা- যা নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই।

প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ‘জনগণের আস্থা অর্জনই একজন প্রশাসকের সবচেয়ে বড় সাফল্য। স্বচ্ছতা, মানবিকতা, দলগত কাজ এবং দায়িত্ববোধ; এই চার নীতির ভিত্তিতে সেবা দিতে চাই। জেলা প্রশাসনের প্রতিটি শাখায় নতুন কর্মপদ্ধতি চালু, রিপোর্টিং ও মনিটরিং ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।’

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলা প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং মানবিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে, ঢাকা জেলার প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, নিরাপত্তা, সেবা এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল স্রোতধারাকে প্রভাবিত করে।

ফরিদা খানম বলেন, ‘ঢাকার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব মানে বাংলাদেশের সামগ্রিক শাসন কাঠামোকে সেবা দেওয়া। রাজধানীর প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও প্রতিটি সেবা দেশের গতিকে প্রভাবিত করে।’

প্রশাসনে নারীর নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার এই দায়িত্ব হয়তো অনেক মেয়ের কাছে নতুন স্বপ্নের জানালা খুলে দেবে। প্রশাসন, বিচার, কূটনীতি ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখন নারীরা নিজেদের সক্ষমতা ও আস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। একজনের সাফল্য বহু মানুষের সাহস বাড়িয়ে দেয়।’

দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠপর্যায়ে তার বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা, বয়স্ক, নারী ও শিশুদের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা, সরকারি জমি উদ্ধার অভিযান, ভূমি সেবার ডিজিটাল অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক সেবায় গতিশীলতা আনায় তার পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সেবা নিতে এসে কাউকে যেন ক্লান্ত হতে না হয়, অনিশ্চয়তায় না পড়তে হয়- এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ক্ষেত্রগুলোর একটি হলো ভূমি সেবা। ভূমি-সংক্রান্ত মামলার জট, অপরাধ, দখলদারিত্ব, নামজারি এবং সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা; সব মিলিয়ে এ খাত বহু বছর ধরে রাজধানীবাসীর অন্যতম ভোগান্তির কারণ। নতুন জেলা প্রশাসক বাসস’কে জানান, এ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ই-নামজারি দ্রুত নিষ্পত্তি, ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে গ্রহণ, মিসকেস কমানো, ভূমি অপরাধ প্রতিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগ, নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকি এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে রাজধানীর সরকারি খাসজমি রক্ষা ও উদ্ধার কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে একটি বড় খাসজমি উদ্ধার অভিযানের সফলতা জনগণের আস্থা আরও বাড়িয়েছে। ফরিদা খানম বলেন, ‘সরকারি জমি সুরক্ষা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সুরক্ষারই অংশ। সদিচ্ছা, দৃঢ়তা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ থাকলে যেকোনো অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা সম্ভব।’

তিনি জানান, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকা জেলার সরকারি জমির একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। এটি ভবিষ্যতে সরকারি জমি দখল প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশাসনিক সেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন ডিজিটালাইজেশনের ওপর। জেলা প্রশাসনের ৩০টির বেশি সেবা ইতোমধ্যে মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। বাকি সেবাগুলোও পর্যায়ক্রমে অনলাইনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে অফিসে আসতে না হয়। তার ভাষায়, ‘মানুষের সময় যেমন মূল্যবান, তেমনি সম্মানও। সেবা এমন হতে হবে যাতে মানুষ অনুভব করে রাষ্ট্র তার পাশে রয়েছে।’

ঢাকা জেলার মতো বহুমাত্রিক ও জটিল প্রশাসনিক অঞ্চলে নেতৃত্ব দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ফরিদা খানম আশাবাদী, সঠিক নীতি, দক্ষ জনবল, আধুনিক প্রযুক্তি, সমন্বিত প্রশাসনিক টিমওয়ার্ক এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ঢাকা জেলা দেশের উন্নয়ন ও সেবার একটি মডেল জেলায় পরিণত হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, ‘ঢাকা জেলার সফলতা মানেই বাংলাদেশের সফলতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য ইয়ামাল ও উইলিয়ামসের খেলার আশা করছেন স্প্যানিশ কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য ইয়ামাল ও উইলিয়ামসের খেলার আশা করছেন স্প্যানিশ কোচ

স্পেনের কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বলেছেন, ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল এবং নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন বলে তার মনে হচ্ছে।

ইয়ামাল ও উইলিয়ামস, দুজনেই হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ক্লাব মৌসুমের শেষ অংশে খেলতে পারেননি।

তবে দি লা ফুয়েন্তে তাদের দুজনকেই স্পেনের বিশ্বকাপ দলে রেখেছেন। গত মাসে সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তার বিশ্বাস।

বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন আগামী ১৫ জুন আটলান্টায় গ্রুপ ‘এইচ’-এর প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের সঙ্গে মুখোমুখি হবে।

ইরাকের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচের আগে দি লা ফুয়েন্তে বলেন, “ক্লাবগুলোর সাথে আমাদের সমন্বয় খুবই ভালো। আগে থেকে নির্ধারিত পুনর্বাসন কর্মসূচি আমরা অনুসরণ করছি এবং সত্যি বলতে খেলোয়াড়রা প্রতিদিনই উন্নতি করছে।”

তিনি জানান, চোটে থাকা খেলোয়াড়রা প্রত্যাশামতোই অগ্রগতি করছে। তবে তারা ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচে অংশ নেবে না।

বিশেষভাবে ১৮ বছর বয়সী তারকা ইয়ামাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, “এখন পর্যন্ত যেমন এগোচ্ছে, সবকিছু যদি একইভাবে চলতে থাকে তাহলে ১৫ জুনের মধ্যে সে প্রস্তুত হয়ে যেতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সে অবশ্যই খেলবে।”

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনকে অন্যতম শিরোপা-প্রত্যাশী দল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে দি লা ফুয়েন্তের মতে, এই বিশ্বকাপ হবে “ঐতিহাসিক”। কারণ এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দলের সত্যিকার অর্থেই শিরোপা জয়ের সুযোগ রয়েছে।

কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচের পর স্পেন ২১ জুন আটলান্টায় সৌদি আরবের মুখোমুখি হবে এবং এরপর ২৭ জুন গুয়াদালাহারায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হবে উরুগুয়ে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%