ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সারের সংকট নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী


সারের সংকট নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। প্রতিবছর চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ টন বেশি সার আমদানি করা হয়ে থাকে।

তিনি মন্তব্য করেছেন যে, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, "সার নেই বলে বেশি দামে বিক্রি করলে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকের উন্নতির জন্য যা কিছু প্রয়োজন, সরকার তা করবে। কৃষকের উন্নতি হলে দেশের অগ্রগতি হবে।’

তিনি সারের কৃত্রিম সংকট প্রসঙ্গে বলেন, দেশের মোট চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ টন বেশি সার আমদানি করা হয়। তাই দেশে সার সংকট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও দুষ্কৃতকারী পরিকল্পিতভাবে সারের দাম বাড়িয়ে দেয়। মন্ত্রী বলেন, "কিছু খুচরা সার বিক্রেতা বাজারে সার নেই বলে প্রচার করছেন। অথচ অতিরিক্ত টাকা দিলে তারাই আবার সার সরবরাহ করছেন। তাহলে সংকট কোথায়? অতি লোভী কিছু মানুষ এ ধরনের কাজ করছে। কারসাজির মাধ্যমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

জেলার সার ডিলারদের সতর্ক করে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কোনো ডিলার তার বরাদ্দের সার সময়মতো না তুললে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের কাছে সঠিক দামে ও সময়মতো সার পৌঁছে দিতে ডিলারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কৃষিপণ্যে আমদানি-নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাট ও পেঁয়াজের বীজ যাতে ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে আমদানি করতে না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আগামীতে কোনো কৃষিপণ্য যেন আমদানি করতে না হয়, কৃষিতে সরকারের মূল টার্গেট সেটিই। আমরা নিজেরাই উৎপাদনের চেষ্টা করছি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কষ্ট ও পরিশ্রম করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও জানান, বিভিন্ন কারণে দেশের মাটির গুণগত অবস্থা আগের মতো ভালো নেই। তবে ফরিদপুরের মাটি এখনো দেশের অন্যতম সেরা ও উর্বর। ফলে এ জেলার কৃষিকে আরো এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় ফরিদপুরের চরাঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডাল, রসুন, পেঁয়াজ ও পাটবীজ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দেশি মাছের চাষ সম্প্রসারণ, চরাঞ্চলে শাকসবজি উৎপাদন এবং ছাগল পালন ও ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধ সাম্রাজ্য রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে জেলার নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের পাটবীজ, নতুন অ্যাগ্রো-ফ্রা মেশিন ও চেক বিতরণ করা হয়। পরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পেঁয়াজ ও পাটচাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।

পরবর্তীতে বিকেল ৪টায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ফরিদপুর জেলার উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় সংরক্ষিত পেঁয়াজ এবং শীতকালীন পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শন করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোহরব হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এস এম আসজাদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহদুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা মিশকাতুল জান্নাত রাবেয়াসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ফরিদপুর সার্কিট হাউসে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে ফরিদপুরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন করেছে সায়েল মিয়া

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

মালয়েশিয়ায় বসবাস ও কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতামূলক বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। স্থানীয় আইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার, কর্মস্থলের নীতিমালা এবং অনলাইন প্রতারণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে করণীয় ও বর্জনীয় উল্লেখ করে এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ নির্দেশনা জানায়।

যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

হাইকমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়ার আইন ও বিধি-বিধান, কর্মস্থলের নীতিমালা, স্থানীয় সাইবার আইন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে দেশটির ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিবার, বন্ধু ও ইতিবাচক যোগাযোগের কাজে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। চাকরি, নিয়োগকর্তা কিংবা কর্মস্থল-সংক্রান্ত কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া অপরিচিত ব্যক্তি, অজানা লিংক, ফাইল কিংবা বার্তার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং অনলাইন প্রতারণা ও ফিশিং থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও শেয়ারের আগে তার সত্যতা যাচাই এবং সন্দেহজনক বা উসকানিমূলক অনলাইন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার কথাও বলা হয়েছে।

যেসব কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা

হাইকমিশন সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ বা নিষিদ্ধ সংগঠন-সংশ্লিষ্ট কোনো পোস্ট, ছবি, ভিডিও বা বার্তা শেয়ার, লাইক, মন্তব্য কিংবা প্রচার না করার নির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন, ইরান-ইসরায়েল বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়ে এমন কোনো উসকানিমূলক বা বিতর্কিত পোস্ট শেয়ার কিংবা প্রচার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় আইন লঙ্ঘনের কারণ হতে পারে।

এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক বা অনলাইন প্রচারণায় অংশ না নেওয়া এবং যথাযথ যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা অনলাইন তহবিলে অনুদান না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কর্মস্থল, বিমানবন্দর, বন্দর, সরকারি স্থাপনা কিংবা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত স্থানের ছবি বা ভিডিও ধারণ ও প্রকাশের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিজের বা অন্যের পাসপোর্ট, ভিসা, জাতীয় পরিচয়পত্র, আইডি কার্ড, ব্যাংক তথ্য কিংবা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ না করার পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন।

ধর্মীয়, জাতিগত বা বর্ণগত বিদ্বেষ উসকে দিতে পারে এমন পোস্ট, মন্তব্য বা বিতর্ক থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন, অবৈধ ভিসা, দ্রুত আয়ের প্রলোভন, সন্দেহজনক বিনিয়োগ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

কোনো অপরাধ, সহিংসতা বা অবৈধ কার্যক্রমকে সমর্থন কিংবা প্রশংসা করে পোস্ট, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার বিষয়েও বিশেষভাবে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বড় সমস্যার মধ্যে রয়েছে প্রতারণামূলক ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল নিয়োগপ্রক্রিয়া। এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র-সংক্রান্ত জটিলতার অভিযোগও রয়েছে অনেক প্রবাসীর বিরুদ্ধে।

বৈধ কাগজপত্র না থাকা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় নিয়মিত অভিযান ও আটকের ঘটনাও সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আইন মেনে চলা এবং সামাজিক ও অনলাইন কর্মকাণ্ডে সতর্ক থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির ৩১তম সিন্ডিকেট সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির ৩১তম সিন্ডিকেট সভা

ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশের ৩১তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভার শুরুতে সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলীকে অভিনন্দন জানান এবং ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, এথিক্স অ্যাডভান্সড টেকনোলজি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম এ মুবিন খান, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এর সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ, কে, এম, মহিউদ্দিন, ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান। 

সভায় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূইঞা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিল শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার এম. মোস্তাফিজুর রহমান সভায় উপস্থিত ছিলেন। সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় সাড়ে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


পাবনায় সাড়ে ৩৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পাবনায় জিপ গাড়িতে করে পাচারের সময় ৩৪ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর পূর্বপাড়া এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশিকালে তাদের গ্রেপ্তার এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত জিপটি জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পলাশবাড়ী চৌকিদারপাড়া এলাকার ফরহাদ আলী (২৮) এবং একই জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার মেম্বারটারি গ্রামের সুজন মিয়া (২৭)।

শনিবার দুপুরে র‌্যাব-১২ পাবনা ক্যাম্প কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ডলি রানী সরকার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল ভোররাতে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন জিপটিতে তল্লাশি চালায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় অবৈধ মাদকের চালান সরবরাহ করে আসছিলেন। চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজে বের করতে র‌্যাবের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাদের পাবনা সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে ঘন ঘন ওঠানামা করছে তুরস্কের সামরিক বিমান, চিন্তায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


পাকিস্তানে ঘন ঘন ওঠানামা করছে তুরস্কের সামরিক বিমান, চিন্তায় ভারত

হঠাৎ তুর্কি সামরিক বিমানের ব্যাপক আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে পাকিস্তানে। গত ১৯ থেকে ২১ আগস্ট মাত্র ৬০ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে ওঠানামা করেছে তুরস্কের বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান। এ নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে। বিষয়টিকে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জোর প্রস্তুতি হিসেবেও দেখছেন অনেকে।  

শনিবার (২৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য তুলে ধরেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

ওপেন-সোর্স ফ্লাইট ট্র্যাকারগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২১ আগস্ট— এই তিনদিনে পাকিস্তানের নূর খান, মাসরুর ও মুরিদ বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে তুরস্কের C-130 হারকিউলিস ও A400M মডেলের সামরিক পরিবহন বিমান। এর মধ্যে ‘TUAF526’ কলসাইন ব্যবহারকারী একটি বিমানও ছিল।

এসব বিমানে কী ছিল, তা তুরস্ক বা পাকিস্তান কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে, ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আলোচনা চলছে, এসব বিমানে পাকিস্তানের জন্য সামরিক সরঞ্জাম আনা হয়ে থাকতে পারে। এর মধ্যে ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম থাকার সম্ভাবনার কথাও বলা হচ্ছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আরও গুঞ্জন— তুরস্কের Baykar-এর নতুন প্রজন্মের কামিকাজে ড্রোন K2 এবং Asisguard-এর ড্রোন ব্যবস্থাও পাকিস্তানে নেমেছে তুরস্কের সামরিক পরিবহন বিমানগুলো থেকে।

তুরস্কের সামরিক বিমানগুলোর এই তৎপরতা মূলত লক্ষ্য করা যাচ্ছে ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সইয়ের পর থেকেই।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই চুক্তির পর পাকিস্তানে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘন ঘন যাতায়াতকে তাই গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহল।

প্রশ্ন উঠেছে, ভারতের সঙ্গে কি সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান?

এদিকে ভারতের দাবি, গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আগেও পাকিস্তানকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল চীন ও তুরস্ক। এর মধ্যে চীনের PL-15 আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়। তুরস্কের তৈরি Bayraktar ড্রোন ও Asisguard Songar কামিকাজে ড্রোন সরবরাহের কথাও বলা হয়েছিল সে সময়।

এছাড়া, চীন ও তুরস্ক ওই যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক তথ্য এবং কৌশলগত সহায়তা দিয়েছিল বলেও অভিযোগ ভারতের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%