শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৮ পি.এম
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিক, কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমসের মতো মেগা আসরে শুধু অংশগ্রহণ নয়, বরং পদক জয়ের জন্য লড়াই করবে বাংলাদেশ।
আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে সামার অ্যাথলেটিকসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারের এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ ও তা লালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, 'আমরা প্রথম আসরের সব খেলোয়াড়কে ট্রেনিং করিয়ে তাদের মধ্য থেকে সিলেক্ট করে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তি করিয়ে দেব। তাদের পড়াশোনা এবং খেলাধুলার সকল দায়-দায়িত্ব সরকার বহন করবে। আমরা তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি না করা পর্যন্ত ছাড়বো না।' তিনি বিশ্বাস করেন, এসব খেলোয়াড় ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সুনাম উজ্জ্বল করবে।
আমিনুল হক খেলাধুলার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় গঠনে ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন—খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ, সুস্থ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে পারি। এর মাধ্যমে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন নিশ্চিত করা সম্ভব।'
গ্যালারিতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সামনে গ্যালারিতে বসে থাকা আগামীর প্রজন্মকে আমরা আহ্বান করি—খেলাধুলার মাধ্যমে যেমন সুস্থ জাতি গড়তে চাই, তেমনি সন্তানদের ডিভাইসের হাত থেকে দূরে রাখতে চাই। সর্বপরি একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই।'
প্রতিমন্ত্রী হুট করে বা রাতারাতি ক্রীড়াঙ্গনে বড় পরিবর্তন সম্ভব নয় উল্লেখ করে বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছর পরে। স্পোর্টসের যে নতুন কার্যক্রম শুরু করেছি, তা রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমরা জিরো থেকে শুরু করেছি। তবে খেলোয়াড়দের ভেতরে পেশাদারিত্বের মনোভাব, কমিটমেন্ট ও দেশপ্রেম নিশ্চিত করতে পারলে আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিক, কমনওয়েলথ কিংবা এশিয়ান গেমসে আমরা পদকের জন্য লড়াই করব, ইনশাআল্লাহ।'
অনুষ্ঠানে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্র ধারণ করার জন্য সকল ক্রীড়াবিদ ও আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। প্রতিমন্ত্রী বর্তমান সরকার ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি খেলোয়াড়দের পরিবার এবং ক্রীড়া সংগঠকদের পাশে রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলার বিএনপির রাজনীতিতে বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতার মধ্যে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে তিন দিনে তিনটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০, ২১ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এসব সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর উপজেলা সদরের হেলিপ্যাড মাঠসংলগ্ন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। সভায় সভাপতিত্ব করেন মনসুর আজাদ খোকন আকন্দ এবং সঞ্চালনা করেন নাজমুল হুদা ফিরোজ।
পরদিন ২১ অক্টোবর জামতলা বাজারের অস্থায়ী কার্যালয়ে আরেকটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক হলুদ এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব তালুকদার।
সর্বশেষ ২৩ অক্টোবর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এস এম শহিদুল্লাহ ইমরান। জরুরি কাজে ঢাকায় অবস্থান করায় তিনি সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি। সভায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যবৃন্দ এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে পৃথক সময়ে একাধিক প্রস্তুতি সভা আয়োজন পূর্বধলার স্থানীয় রাজনৈতিক তৎপরতাকে আলোচনায় এনেছে। তবে এসব সভা দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার মতো বক্তব্য বা তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি পূর্বধলার বিএনপির বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও সাংগঠনিক সম্পর্ক কেমন—তা নিয়েও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাব্বির (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করে সে।
নিহত সাব্বির কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মিলন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মোটরসাইকেল নিয়ে কসবার দিকে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয় সাব্বির। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লায় পাঠান। পরে কুমিল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে সাব্বিরের এমন অকালমৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ‘মৌসুমি রাজনীতিবিদ’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সরাইল থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাক্বিতণ্ডার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খাঁন বলেন, থানায় গিয়ে রুমিন ফারহানা এক ধরনের ‘মব’ করেছেন এবং ওসিকে ‘চোর’ বলে সম্বোধন করেছেন।
রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ার পর থেকে তিনি দলটির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, রুমিন ফারহানা অনেকটা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছেন। তাঁর দাবি, প্রয়োজন অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করছেন রুমিন ফারহানা এবং পরে সেই দলকে নিয়ে সমালোচনা করছেন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, “আমার মনে হয় রুমিন ফারহানা আপারা মৌসুমি রাজনীতি করেন। মানে যখন যেদিকে জোয়ার থাকে, সেদিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, রুমিন ফারহানা একসময় মনে করেছিলেন বিএনপি তাঁকে আর দলে ফিরিয়ে নেবে না। এ কারণে আওয়ামী লীগ আবার রাজনীতিতে ফিরতে পারে—এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে তিনি কয়েকটি গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার বিষয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।
সরাইল থানায় কী ঘটেছিল?
এর আগে নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শতাধিক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে সরাইল থানায় যান। সেখানে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে তাঁর বাক্বিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।
এদিকে, শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন রাশেদ খাঁন। এ সময় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি ডা. মো. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসির নাম উচ্চারণ করলেই বার্সেলোনায় তার ট্রফি জয়ের অসংখ্য ইতিহাস মনে পড়ে। কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজ, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং কার্লেস পুয়োলের মতো তার সতীর্থদের সঙ্গে তিনি সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন। তবে এই ফুটবল মহাতারকের কাছে কাতালান ক্লাবটির সোনালি দিনগুলো কেবল ট্রফি জয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিদিনের সাধারণ মুহূর্তগুলোও ছিল সমান গুরুত্বপূর্ণ।
স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ পুরস্কার গ্রহণের সময় স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ‘এফে’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে, মেসি তার খেলোয়াড়ি জীবন, বার্সেলোনার প্রতি ভালোবাসা, বিশ্বকাপ জয় এবং প্রয়াত বাবা হোর্হে মেসিকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। বর্তমানে ইন্টার মিয়ামিতে খেলা এই আর্জেন্টাইন তারকা বার্সেলোনার ড্রেসিংরুম ও অনুশীলনের দিনগুলোর কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমাদের সবকিছু জেতার সৌভাগ্য হয়েছিল, এবং যে শৈলীতে আমরা জয়ী হয়েছিলাম সেটাও ছিল বিশেষ। আমরা মাঠে নেমে জিততে ভালোবাসতাম, কিন্তু তারচেয়েও বেশি উপভোগ করতাম প্রতিদিনের অনুশীলনের সময়টুকু। সতীর্থদের সাথে কাটানো সেই দিনগুলো ছিল দারুণ আনন্দের।’
ফ্রান্সের পিএসজিতে খেলার পর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেও বার্সেলোনা এখনও তার কাছে ‘প্রাণের ক্লাব’। তিন সন্তানের জন্মও এই শহরে। তাই বার্সেলোনা শহর ও ক্লাবের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ফুটবলের সীমা ছাড়িয়ে এক চিরন্তন ভালোবাসার বন্ধন হিসেবেই দেখেন তিনি।
ক্লাব ফুটবলে দ্রুত সাফল্য পেলেও আকাশী-সাদা জার্সিতে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য মেসিকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সেই স্বপ্নপূরণকে ‘স্বপ্নের চেয়েও বড় কিছু’ বলে অভিহিত করেন তিনি। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালের রোমাঞ্চকর ম্যাচে করা দুটি গোলকে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন উল্লেখ করে মেসি জানান, চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ও এল ক্লাসিকোর ঐতিহাসিক গোলগুলোর মতোই স্পেশাল ছিল ফাইনালের সেই মুহূর্ত দুটি।
সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে গত আগস্টে প্রয়াত বাবা হোর্হে মেসিকে স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মেসি। ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ সম্মাননা পাওয়ার খবরে তার বাবা দারুণ রোমাঞ্চিত ছিলেন। ব্যস্ত সূচির মধ্যেও ওবিয়েদোয় গিয়ে পুরস্কারটি গ্রহণ করার তাগিদ দিয়েছিলেন বাবাই। বাবার অকালপ্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মেসি বলেন, খেলাধুলার অর্জনের বাইরে পাওয়া এই বিশেষ সম্মাননাটি স্বচক্ষে দেখে যেতে পারলে তার বাবা সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হতেন।
ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিনগুলো থেকে বাবা হোর্হে মেসির দেওয়া একটি মূলমন্ত্র আজও হৃদয়ে লালন করেন এই কিংবদন্তি। বাবার স্মৃতি টেনে মেসি বলেন, ‘বাবা সবসময় বলতেন—কখনও চেষ্টা থামাবে না। বল পায়ে নাও এবং আবার চেষ্টা করো। জিতলে বা হারলে সেই মুহূর্তেই আটকে থেকো না, কারণ নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ বারবার আসবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ